থার্ড টার্মিনাল পরিচালনা: জাপানের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক শুক্রবার

থার্ড টার্মিনাল পরিচালনা: জাপানের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক শুক্রবার
নিজস্ব প্রতিবেদক

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণ নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে শুক্রবার (৩ এপ্রিল) জাপানের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠকে বসছে সরকারের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল।
বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের বলেন, এই বৈঠকেই চুক্তির বিষয়ে অগ্রগতি আশা করছে সরকার। চুক্তি স্বাক্ষর হতে প্রায় তিন মাস সময় লাগতে পারে বলেও জানান তিনি।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমি আশাবাদী যে আমরা আগামীকাল চুক্তির বিষয়ে একটি সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারব। আর্থিক কিছু পার্থক্যের বিষয়ে জাপান ইতিবাচক অবস্থান জানিয়েছে।
এর আগে ঢাকায় নিযুক্ত জাপানি রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে বৈঠক করেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা ও প্রতিমন্ত্রী মিল্লাত। ওই বৈঠকে টার্মিনাল পরিচালনা সংক্রান্ত আর্থিক বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা হয়।

সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, চুক্তি চূড়ান্ত হলে চলতি বছরের শেষ নাগাদ অথবা আগামী বছরের শুরুতে থার্ড টার্মিনাল যাত্রীদের জন্য উন্মুক্ত করা যেতে পারে।
প্রায় ২১ হাজার ৩৯৮ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই টার্মিনাল প্রকল্পটি ২০১৭ সালে হাতে নেওয়া হয় এবং ২০১৯ সালে নির্মাণকাজ শুরু হয়। ২০২৩ সালের অক্টোবরে আংশিক উদ্বোধন হলেও এখনো পূর্ণাঙ্গ কার্যক্রম শুরু হয়নি।
মূলত গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং ও অপারেশন সংক্রান্ত সিদ্ধান্তে দেরি এবং কিছু কারিগরি জটিলতার কারণে টার্মিনাল চালু করা সম্ভব হয়নি বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
সরকারি সূত্র বলছে, এই টার্মিনাল চালু না হওয়ায় কয়েকটি বিদেশি এয়ারলাইন্স বাংলাদেশে কার্যক্রম শুরু করতে পারেনি। ফলে দ্রুত চুক্তি সম্পন্ন করে টার্মিনাল চালু করা এখন অগ্রাধিকার পাচ্ছে।
এই প্রকল্প বাস্তবায়নে অর্থায়ন করেছে জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সি (জাইকা)। শুরু থেকেই জাপানি কোম্পানিগুলোর সমন্বয়ে গঠিত একটি কনসোর্টিয়ামের কাছে টার্মিনাল পরিচালনার দায়িত্ব দেওয়ার বিষয়ে আলোচনা চলছে।
শুক্রবারের বৈঠকে বাংলাদেশ সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের পাশাপাশি জাপানের ভূমি, অবকাঠামো, পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিরাও অংশ নেবেন। সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, এই বৈঠকেই দীর্ঘদিনের অচলাবস্থা কাটিয়ে থার্ড টার্মিনাল চালুর পথ সুগম হবে।

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণ নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে শুক্রবার (৩ এপ্রিল) জাপানের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠকে বসছে সরকারের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল।
বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের বলেন, এই বৈঠকেই চুক্তির বিষয়ে অগ্রগতি আশা করছে সরকার। চুক্তি স্বাক্ষর হতে প্রায় তিন মাস সময় লাগতে পারে বলেও জানান তিনি।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমি আশাবাদী যে আমরা আগামীকাল চুক্তির বিষয়ে একটি সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারব। আর্থিক কিছু পার্থক্যের বিষয়ে জাপান ইতিবাচক অবস্থান জানিয়েছে।
এর আগে ঢাকায় নিযুক্ত জাপানি রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে বৈঠক করেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা ও প্রতিমন্ত্রী মিল্লাত। ওই বৈঠকে টার্মিনাল পরিচালনা সংক্রান্ত আর্থিক বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা হয়।

সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, চুক্তি চূড়ান্ত হলে চলতি বছরের শেষ নাগাদ অথবা আগামী বছরের শুরুতে থার্ড টার্মিনাল যাত্রীদের জন্য উন্মুক্ত করা যেতে পারে।
প্রায় ২১ হাজার ৩৯৮ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই টার্মিনাল প্রকল্পটি ২০১৭ সালে হাতে নেওয়া হয় এবং ২০১৯ সালে নির্মাণকাজ শুরু হয়। ২০২৩ সালের অক্টোবরে আংশিক উদ্বোধন হলেও এখনো পূর্ণাঙ্গ কার্যক্রম শুরু হয়নি।
মূলত গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং ও অপারেশন সংক্রান্ত সিদ্ধান্তে দেরি এবং কিছু কারিগরি জটিলতার কারণে টার্মিনাল চালু করা সম্ভব হয়নি বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
সরকারি সূত্র বলছে, এই টার্মিনাল চালু না হওয়ায় কয়েকটি বিদেশি এয়ারলাইন্স বাংলাদেশে কার্যক্রম শুরু করতে পারেনি। ফলে দ্রুত চুক্তি সম্পন্ন করে টার্মিনাল চালু করা এখন অগ্রাধিকার পাচ্ছে।
এই প্রকল্প বাস্তবায়নে অর্থায়ন করেছে জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সি (জাইকা)। শুরু থেকেই জাপানি কোম্পানিগুলোর সমন্বয়ে গঠিত একটি কনসোর্টিয়ামের কাছে টার্মিনাল পরিচালনার দায়িত্ব দেওয়ার বিষয়ে আলোচনা চলছে।
শুক্রবারের বৈঠকে বাংলাদেশ সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের পাশাপাশি জাপানের ভূমি, অবকাঠামো, পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিরাও অংশ নেবেন। সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, এই বৈঠকেই দীর্ঘদিনের অচলাবস্থা কাটিয়ে থার্ড টার্মিনাল চালুর পথ সুগম হবে।

থার্ড টার্মিনাল পরিচালনা: জাপানের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক শুক্রবার
নিজস্ব প্রতিবেদক

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণ নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে শুক্রবার (৩ এপ্রিল) জাপানের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠকে বসছে সরকারের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল।
বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের বলেন, এই বৈঠকেই চুক্তির বিষয়ে অগ্রগতি আশা করছে সরকার। চুক্তি স্বাক্ষর হতে প্রায় তিন মাস সময় লাগতে পারে বলেও জানান তিনি।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমি আশাবাদী যে আমরা আগামীকাল চুক্তির বিষয়ে একটি সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারব। আর্থিক কিছু পার্থক্যের বিষয়ে জাপান ইতিবাচক অবস্থান জানিয়েছে।
এর আগে ঢাকায় নিযুক্ত জাপানি রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে বৈঠক করেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা ও প্রতিমন্ত্রী মিল্লাত। ওই বৈঠকে টার্মিনাল পরিচালনা সংক্রান্ত আর্থিক বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা হয়।

সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, চুক্তি চূড়ান্ত হলে চলতি বছরের শেষ নাগাদ অথবা আগামী বছরের শুরুতে থার্ড টার্মিনাল যাত্রীদের জন্য উন্মুক্ত করা যেতে পারে।
প্রায় ২১ হাজার ৩৯৮ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই টার্মিনাল প্রকল্পটি ২০১৭ সালে হাতে নেওয়া হয় এবং ২০১৯ সালে নির্মাণকাজ শুরু হয়। ২০২৩ সালের অক্টোবরে আংশিক উদ্বোধন হলেও এখনো পূর্ণাঙ্গ কার্যক্রম শুরু হয়নি।
মূলত গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং ও অপারেশন সংক্রান্ত সিদ্ধান্তে দেরি এবং কিছু কারিগরি জটিলতার কারণে টার্মিনাল চালু করা সম্ভব হয়নি বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
সরকারি সূত্র বলছে, এই টার্মিনাল চালু না হওয়ায় কয়েকটি বিদেশি এয়ারলাইন্স বাংলাদেশে কার্যক্রম শুরু করতে পারেনি। ফলে দ্রুত চুক্তি সম্পন্ন করে টার্মিনাল চালু করা এখন অগ্রাধিকার পাচ্ছে।
এই প্রকল্প বাস্তবায়নে অর্থায়ন করেছে জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সি (জাইকা)। শুরু থেকেই জাপানি কোম্পানিগুলোর সমন্বয়ে গঠিত একটি কনসোর্টিয়ামের কাছে টার্মিনাল পরিচালনার দায়িত্ব দেওয়ার বিষয়ে আলোচনা চলছে।
শুক্রবারের বৈঠকে বাংলাদেশ সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের পাশাপাশি জাপানের ভূমি, অবকাঠামো, পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিরাও অংশ নেবেন। সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, এই বৈঠকেই দীর্ঘদিনের অচলাবস্থা কাটিয়ে থার্ড টার্মিনাল চালুর পথ সুগম হবে।




