মশা মারতে এবার সত্যিই দাগা হবে ‘কামান’

মশা মারতে এবার সত্যিই দাগা হবে ‘কামান’
সিজেডএন ডেস্ক

গ্রীষ্মের সন্ধ্যায় আঙিনায় বসে আড্ডা দেওয়া কিংবা ঘরে কয়েল জ্বালিয়েও মশার উপদ্রব থেকে রেহাই পাওয়া বেশ কঠিন। তবে মশার বিরুদ্ধে এবার এক চমকপ্রদ প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন নিয়ে হাজির হয়েছে ‘ফটোন মেট্রিক্স’ লেজার কামান। সামরিক বাহিনীর আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার আদলে তৈরি ছোট আকারের এ ডিভাইসটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে মশার গতিপথ মেপে লেজার রশ্মি ছুড়ে নিমেষেই তা ধ্বংস করে দিতে পারে।
প্রযুক্তিপ্রেমীদের দৃষ্টি কাড়া এ ডিভাইসের আগাম বুকিং ইতোমধ্যেই শুরু হয়ে গেছে। ঘরের ভেতরে ব্যবহারের জন্য ডিভাইসটির সাধারণ সংস্করণটির দাম ধরা হয়েছে ১ হাজার ৮৮ ডলার। অন্যদিকে ঘরের বাইরে ব্যবহারের সুবিধার্থে ঘূর্ণায়মান বেজসহ উন্নত সংস্করণটির দাম রাখা হয়েছে ১ হাজার ১১৮ ডলার।
বিখ্যাত ‘লিডার’ (LiDAR) প্রযুক্তির ওপর ভর করে তৈরি করা হয়েছে এ যন্ত্রটি। চারপাশের পরিবেশ নিবিড়ভাবে স্ক্যান করে কীটপতঙ্গের সঠিক অবস্থান, দূরত্ব ও আকার মেপে নেওয়ার ক্ষমতা রয়েছে এর। উন্নত সংস্করণটি প্রায় ২০ ফুট বা ৬ মিটার দূর থেকেই মশার উপস্থিতি টের পায়। মশা চিহ্নিত হওয়ামাত্রই ভেতরের বিশেষ তড়িৎ-চৌম্বকীয় আয়না দ্রুত গতিতে ঘুরে লক্ষ্যবস্তুতে নিখুঁতভাবে লেজার রশ্মি নিক্ষেপ করে। প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানের দাবি, প্রতি সেকেন্ডে ৩.৩ ফুট গতিতে উড়তে থাকা ২ থেকে ২০ মিলিমিটার আকারের যেকোনো পোকা এ প্রযুক্তির মাধ্যমে ধ্বংস করা সম্ভব।
তবে সাধারণ মশার পাশাপাশি জোনাকির মতো উপকারী পোকা ভুল করে আক্রান্ত হবে কি না, সে বিষয়ে নির্মাতারা নিশ্চিত করেছেন নির্ধারিত বৈশিষ্ট্যের সাথে পুরোপুরি মিললেই কেবল লেজার ফায়ার হবে।
বাজারে ডিভাইসটি দৃশ্যমান নীল লেজার (৪৫০ এনএম) এবং অদৃশ্য ইনফ্রারেড লেজার (৯৭৬ এনএম) দুই সংস্করণে পাওয়া যাচ্ছে। তবে অদৃশ্য লেজারের ক্ষেত্রে অসাবধানতাবশত চোখের সরাসরি সংস্পর্শে এলে রেটিনার অপূরণীয় ক্ষতি হওয়ার ঝুঁকি থেকে যায়। ২০২৬ সালের জুন মাস পর্যন্ত এর প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা সনদ ও স্বাধীন পরীক্ষার প্রক্রিয়াগুলো চালু রয়েছে। প্রয়োজনীয় সব ছাড়পত্র যুক্ত হলে গৃহস্থালি থেকে মশা তাড়ানোর প্রচলিত ধারণাই বদলে দিতে পারে এ হাইটেক প্রযুক্তি।

গ্রীষ্মের সন্ধ্যায় আঙিনায় বসে আড্ডা দেওয়া কিংবা ঘরে কয়েল জ্বালিয়েও মশার উপদ্রব থেকে রেহাই পাওয়া বেশ কঠিন। তবে মশার বিরুদ্ধে এবার এক চমকপ্রদ প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন নিয়ে হাজির হয়েছে ‘ফটোন মেট্রিক্স’ লেজার কামান। সামরিক বাহিনীর আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার আদলে তৈরি ছোট আকারের এ ডিভাইসটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে মশার গতিপথ মেপে লেজার রশ্মি ছুড়ে নিমেষেই তা ধ্বংস করে দিতে পারে।
প্রযুক্তিপ্রেমীদের দৃষ্টি কাড়া এ ডিভাইসের আগাম বুকিং ইতোমধ্যেই শুরু হয়ে গেছে। ঘরের ভেতরে ব্যবহারের জন্য ডিভাইসটির সাধারণ সংস্করণটির দাম ধরা হয়েছে ১ হাজার ৮৮ ডলার। অন্যদিকে ঘরের বাইরে ব্যবহারের সুবিধার্থে ঘূর্ণায়মান বেজসহ উন্নত সংস্করণটির দাম রাখা হয়েছে ১ হাজার ১১৮ ডলার।
বিখ্যাত ‘লিডার’ (LiDAR) প্রযুক্তির ওপর ভর করে তৈরি করা হয়েছে এ যন্ত্রটি। চারপাশের পরিবেশ নিবিড়ভাবে স্ক্যান করে কীটপতঙ্গের সঠিক অবস্থান, দূরত্ব ও আকার মেপে নেওয়ার ক্ষমতা রয়েছে এর। উন্নত সংস্করণটি প্রায় ২০ ফুট বা ৬ মিটার দূর থেকেই মশার উপস্থিতি টের পায়। মশা চিহ্নিত হওয়ামাত্রই ভেতরের বিশেষ তড়িৎ-চৌম্বকীয় আয়না দ্রুত গতিতে ঘুরে লক্ষ্যবস্তুতে নিখুঁতভাবে লেজার রশ্মি নিক্ষেপ করে। প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানের দাবি, প্রতি সেকেন্ডে ৩.৩ ফুট গতিতে উড়তে থাকা ২ থেকে ২০ মিলিমিটার আকারের যেকোনো পোকা এ প্রযুক্তির মাধ্যমে ধ্বংস করা সম্ভব।
তবে সাধারণ মশার পাশাপাশি জোনাকির মতো উপকারী পোকা ভুল করে আক্রান্ত হবে কি না, সে বিষয়ে নির্মাতারা নিশ্চিত করেছেন নির্ধারিত বৈশিষ্ট্যের সাথে পুরোপুরি মিললেই কেবল লেজার ফায়ার হবে।
বাজারে ডিভাইসটি দৃশ্যমান নীল লেজার (৪৫০ এনএম) এবং অদৃশ্য ইনফ্রারেড লেজার (৯৭৬ এনএম) দুই সংস্করণে পাওয়া যাচ্ছে। তবে অদৃশ্য লেজারের ক্ষেত্রে অসাবধানতাবশত চোখের সরাসরি সংস্পর্শে এলে রেটিনার অপূরণীয় ক্ষতি হওয়ার ঝুঁকি থেকে যায়। ২০২৬ সালের জুন মাস পর্যন্ত এর প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা সনদ ও স্বাধীন পরীক্ষার প্রক্রিয়াগুলো চালু রয়েছে। প্রয়োজনীয় সব ছাড়পত্র যুক্ত হলে গৃহস্থালি থেকে মশা তাড়ানোর প্রচলিত ধারণাই বদলে দিতে পারে এ হাইটেক প্রযুক্তি।

মশা মারতে এবার সত্যিই দাগা হবে ‘কামান’
সিজেডএন ডেস্ক

গ্রীষ্মের সন্ধ্যায় আঙিনায় বসে আড্ডা দেওয়া কিংবা ঘরে কয়েল জ্বালিয়েও মশার উপদ্রব থেকে রেহাই পাওয়া বেশ কঠিন। তবে মশার বিরুদ্ধে এবার এক চমকপ্রদ প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন নিয়ে হাজির হয়েছে ‘ফটোন মেট্রিক্স’ লেজার কামান। সামরিক বাহিনীর আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার আদলে তৈরি ছোট আকারের এ ডিভাইসটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে মশার গতিপথ মেপে লেজার রশ্মি ছুড়ে নিমেষেই তা ধ্বংস করে দিতে পারে।
প্রযুক্তিপ্রেমীদের দৃষ্টি কাড়া এ ডিভাইসের আগাম বুকিং ইতোমধ্যেই শুরু হয়ে গেছে। ঘরের ভেতরে ব্যবহারের জন্য ডিভাইসটির সাধারণ সংস্করণটির দাম ধরা হয়েছে ১ হাজার ৮৮ ডলার। অন্যদিকে ঘরের বাইরে ব্যবহারের সুবিধার্থে ঘূর্ণায়মান বেজসহ উন্নত সংস্করণটির দাম রাখা হয়েছে ১ হাজার ১১৮ ডলার।
বিখ্যাত ‘লিডার’ (LiDAR) প্রযুক্তির ওপর ভর করে তৈরি করা হয়েছে এ যন্ত্রটি। চারপাশের পরিবেশ নিবিড়ভাবে স্ক্যান করে কীটপতঙ্গের সঠিক অবস্থান, দূরত্ব ও আকার মেপে নেওয়ার ক্ষমতা রয়েছে এর। উন্নত সংস্করণটি প্রায় ২০ ফুট বা ৬ মিটার দূর থেকেই মশার উপস্থিতি টের পায়। মশা চিহ্নিত হওয়ামাত্রই ভেতরের বিশেষ তড়িৎ-চৌম্বকীয় আয়না দ্রুত গতিতে ঘুরে লক্ষ্যবস্তুতে নিখুঁতভাবে লেজার রশ্মি নিক্ষেপ করে। প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানের দাবি, প্রতি সেকেন্ডে ৩.৩ ফুট গতিতে উড়তে থাকা ২ থেকে ২০ মিলিমিটার আকারের যেকোনো পোকা এ প্রযুক্তির মাধ্যমে ধ্বংস করা সম্ভব।
তবে সাধারণ মশার পাশাপাশি জোনাকির মতো উপকারী পোকা ভুল করে আক্রান্ত হবে কি না, সে বিষয়ে নির্মাতারা নিশ্চিত করেছেন নির্ধারিত বৈশিষ্ট্যের সাথে পুরোপুরি মিললেই কেবল লেজার ফায়ার হবে।
বাজারে ডিভাইসটি দৃশ্যমান নীল লেজার (৪৫০ এনএম) এবং অদৃশ্য ইনফ্রারেড লেজার (৯৭৬ এনএম) দুই সংস্করণে পাওয়া যাচ্ছে। তবে অদৃশ্য লেজারের ক্ষেত্রে অসাবধানতাবশত চোখের সরাসরি সংস্পর্শে এলে রেটিনার অপূরণীয় ক্ষতি হওয়ার ঝুঁকি থেকে যায়। ২০২৬ সালের জুন মাস পর্যন্ত এর প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা সনদ ও স্বাধীন পরীক্ষার প্রক্রিয়াগুলো চালু রয়েছে। প্রয়োজনীয় সব ছাড়পত্র যুক্ত হলে গৃহস্থালি থেকে মশা তাড়ানোর প্রচলিত ধারণাই বদলে দিতে পারে এ হাইটেক প্রযুক্তি।

‘ভিউ’ গণনার নিয়ম বদলাচ্ছে ইউটিউব
-CznNewsLab-f18c4d.jpg)




