৩০ বছরের পর কেন ত্বক ও চুলের পরিবর্তন হয়?

৩০ বছরের পর কেন ত্বক ও চুলের পরিবর্তন হয়?
সিজেডএন ডেস্ক

শোবিজ অঙ্গনের তারকা থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ, প্রায় সবাই তারুণ্য ধরে রাখতে চান। তবে চেষ্টা করেও হয়ে ওঠে না। ত্রিশের কোঠায় পা রাখার পরপরই শরীরে কিছু দৃশ্যমান পরিবর্তন দেখা যায়। বিশেষ করে ত্বক এবং চুলের স্বাস্থ্যে এর প্রভাব পড়ে। এ সময় বার্ধক্য ধরা দেয়, চুল সাদা হতে শুরু করে। তবে সঠিক জীবনযাত্রা এবং পুষ্টির মাধ্যমে এই পরিবর্তনগুলোকে সামাল দিয়ে সুন্দরভাবে বার্ধক্যকে গ্রহণ করা সম্ভব।
পরিবর্তনের নেপথ্যে কী?
ত্রিশের কোঠায় পা রাখলেই কেন শরীরের এ পরিবর্তন শুরু হয়, এমন প্রশ্ন অনেকের মনে। এর উত্তর দিয়েছেন ভারতীয় পুষ্টিবিদ মালবিকা সেহগাল। তার মতে, ৩০ বছরের পর ত্বক ও চুলের পরিবর্তন কেবল বার্ধক্যের স্বাভাবিক লক্ষণ নয়, বরং এর পেছনে ঘুম, মানসিক চাপ, পুষ্টি, আর্দ্রতা এবং হরমোনের স্বাস্থ্যের বড় ভূমিকা থাকে। এই বয়সে শরীরে কোলাজেন উৎপাদন, আর্দ্রতা এবং পুষ্টি শোষণের ক্ষমতায় পরিবর্তন আসে। ফলে বেশ কিছু সমস্যা দেখা দেয়। সেগুলো হলো-
- ত্বক তার স্থিতিস্থাপকতা হারায়
- চুল পাতলা হতে শুরু করে
- শরীরে প্রদাহ বা ইনফ্লামেশন বৃদ্ধি পায়
- ত্বকের কোনো ক্ষত বা সমস্যা সারিয়ে তোলার গতি ধীর হয়ে যায়
তবে এসব সমস্যা লাঘবে অর্থাৎ উজ্জ্বল ত্বক ও প্রাণবন্ত চুলের জন্য বিশেষজ্ঞরা ৫টি জীবনধারা পরিবর্তনের পরামর্শ দিয়েছেন:
প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার
আমাদের ত্বক ও চুল দুটি গুরুত্বপূর্ণ কোলাজেন এবং কেরাটিন নামক প্রোটিন কাঠামো দিয়ে তৈরি। খাদ্যতালিকায় পর্যাপ্ত প্রোটিন না থাকলে চুল দুর্বল হয়ে পড়ে এবং ত্বকের মেরামত প্রক্রিয়া ধীর হয়ে যায়। এজন্য প্রতিদিনের তালিকায় ডিম, দই, পনির বা টফু এবং বিভিন্ন ধরণের ডাল রাখা জরুরি।
ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড
ওমেগা-৩ শরীরে প্রদাহ কমায়। এটি কোলাজেন রক্ষা করতে এবং চুলের গোড়া শক্ত করতে সাহায্য করে। তাই প্রতিদিন খাদ্যতালিকায় ওমেগা-৩-সমৃদ্ধ খাবার রাখতে হবে। তিসি, চিয়া সিড এবং আখরোট ওমেগা-৩ এর চমৎকার উৎস।
ভিটামিন সি
ভিটামিন সি শরীরে কোলাজেন উৎপাদন বাড়িয়ে ত্বককে সতেজ ও মজবুত রাখে। পাশাপাশি চুলের গঠন মজবুত করে। নিয়মিত আমলকী, কমলালেবু, পেয়ারা এবং ক্যাপসিকাম খেলে শরীরের কোষগুলোকে ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করে।
আয়রন এবং ফলেট
আয়রন এবং ফলেট চুলের স্বাভাবিক বৃদ্ধি ও সতেজতা ধরে রাখার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শরীরে আয়রনের অভাব হলে চুল পড়া বৃদ্ধি পায়, শক্তি কমে যায় এবং ত্বক ম্লান দেখায়। পালং শাক, বিটরুট, ডাল এবং কুমড়ার বীজ আয়রনের ভালো উৎস। তবে ভালো ফলাফল পেতে আয়রন সমৃদ্ধ খাবারগুলো ভিটামিন সি যুক্ত খাবারের সাথে খাওয়া উচিত।
পর্যাপ্ত ঘুম
প্রাকৃতিক সৌন্দর্য পুনরুদ্ধারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উপায় হলো ঘুম। নিয়মিত গভীর ঘুম ত্বক ও চুলের কোষ মেরামত করতে সাহায্য করে। ঘুমের অভাব হলে ব্রণের সমস্যা, চোখের নিচে ফোলাভাব এবং চুল পড়া বেড়ে যেতে পারে। তাই প্রতিদিন অন্তত ৭-৮ ঘণ্টা গভীর ঘুম নিশ্চিত করা জরুরি।
বয়স বাড়লেও এসব অভ্যাস আপনার ত্বকের স্বাভবিক উজ্জ্বলতা ধরে রাখতে সাহায্য করবে। সেইসঙ্গে চুল মজবুত রাখবে।
সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস

শোবিজ অঙ্গনের তারকা থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ, প্রায় সবাই তারুণ্য ধরে রাখতে চান। তবে চেষ্টা করেও হয়ে ওঠে না। ত্রিশের কোঠায় পা রাখার পরপরই শরীরে কিছু দৃশ্যমান পরিবর্তন দেখা যায়। বিশেষ করে ত্বক এবং চুলের স্বাস্থ্যে এর প্রভাব পড়ে। এ সময় বার্ধক্য ধরা দেয়, চুল সাদা হতে শুরু করে। তবে সঠিক জীবনযাত্রা এবং পুষ্টির মাধ্যমে এই পরিবর্তনগুলোকে সামাল দিয়ে সুন্দরভাবে বার্ধক্যকে গ্রহণ করা সম্ভব।
পরিবর্তনের নেপথ্যে কী?
ত্রিশের কোঠায় পা রাখলেই কেন শরীরের এ পরিবর্তন শুরু হয়, এমন প্রশ্ন অনেকের মনে। এর উত্তর দিয়েছেন ভারতীয় পুষ্টিবিদ মালবিকা সেহগাল। তার মতে, ৩০ বছরের পর ত্বক ও চুলের পরিবর্তন কেবল বার্ধক্যের স্বাভাবিক লক্ষণ নয়, বরং এর পেছনে ঘুম, মানসিক চাপ, পুষ্টি, আর্দ্রতা এবং হরমোনের স্বাস্থ্যের বড় ভূমিকা থাকে। এই বয়সে শরীরে কোলাজেন উৎপাদন, আর্দ্রতা এবং পুষ্টি শোষণের ক্ষমতায় পরিবর্তন আসে। ফলে বেশ কিছু সমস্যা দেখা দেয়। সেগুলো হলো-
- ত্বক তার স্থিতিস্থাপকতা হারায়
- চুল পাতলা হতে শুরু করে
- শরীরে প্রদাহ বা ইনফ্লামেশন বৃদ্ধি পায়
- ত্বকের কোনো ক্ষত বা সমস্যা সারিয়ে তোলার গতি ধীর হয়ে যায়
তবে এসব সমস্যা লাঘবে অর্থাৎ উজ্জ্বল ত্বক ও প্রাণবন্ত চুলের জন্য বিশেষজ্ঞরা ৫টি জীবনধারা পরিবর্তনের পরামর্শ দিয়েছেন:
প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার
আমাদের ত্বক ও চুল দুটি গুরুত্বপূর্ণ কোলাজেন এবং কেরাটিন নামক প্রোটিন কাঠামো দিয়ে তৈরি। খাদ্যতালিকায় পর্যাপ্ত প্রোটিন না থাকলে চুল দুর্বল হয়ে পড়ে এবং ত্বকের মেরামত প্রক্রিয়া ধীর হয়ে যায়। এজন্য প্রতিদিনের তালিকায় ডিম, দই, পনির বা টফু এবং বিভিন্ন ধরণের ডাল রাখা জরুরি।
ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড
ওমেগা-৩ শরীরে প্রদাহ কমায়। এটি কোলাজেন রক্ষা করতে এবং চুলের গোড়া শক্ত করতে সাহায্য করে। তাই প্রতিদিন খাদ্যতালিকায় ওমেগা-৩-সমৃদ্ধ খাবার রাখতে হবে। তিসি, চিয়া সিড এবং আখরোট ওমেগা-৩ এর চমৎকার উৎস।
ভিটামিন সি
ভিটামিন সি শরীরে কোলাজেন উৎপাদন বাড়িয়ে ত্বককে সতেজ ও মজবুত রাখে। পাশাপাশি চুলের গঠন মজবুত করে। নিয়মিত আমলকী, কমলালেবু, পেয়ারা এবং ক্যাপসিকাম খেলে শরীরের কোষগুলোকে ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করে।
আয়রন এবং ফলেট
আয়রন এবং ফলেট চুলের স্বাভাবিক বৃদ্ধি ও সতেজতা ধরে রাখার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শরীরে আয়রনের অভাব হলে চুল পড়া বৃদ্ধি পায়, শক্তি কমে যায় এবং ত্বক ম্লান দেখায়। পালং শাক, বিটরুট, ডাল এবং কুমড়ার বীজ আয়রনের ভালো উৎস। তবে ভালো ফলাফল পেতে আয়রন সমৃদ্ধ খাবারগুলো ভিটামিন সি যুক্ত খাবারের সাথে খাওয়া উচিত।
পর্যাপ্ত ঘুম
প্রাকৃতিক সৌন্দর্য পুনরুদ্ধারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উপায় হলো ঘুম। নিয়মিত গভীর ঘুম ত্বক ও চুলের কোষ মেরামত করতে সাহায্য করে। ঘুমের অভাব হলে ব্রণের সমস্যা, চোখের নিচে ফোলাভাব এবং চুল পড়া বেড়ে যেতে পারে। তাই প্রতিদিন অন্তত ৭-৮ ঘণ্টা গভীর ঘুম নিশ্চিত করা জরুরি।
বয়স বাড়লেও এসব অভ্যাস আপনার ত্বকের স্বাভবিক উজ্জ্বলতা ধরে রাখতে সাহায্য করবে। সেইসঙ্গে চুল মজবুত রাখবে।
সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস

৩০ বছরের পর কেন ত্বক ও চুলের পরিবর্তন হয়?
সিজেডএন ডেস্ক

শোবিজ অঙ্গনের তারকা থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ, প্রায় সবাই তারুণ্য ধরে রাখতে চান। তবে চেষ্টা করেও হয়ে ওঠে না। ত্রিশের কোঠায় পা রাখার পরপরই শরীরে কিছু দৃশ্যমান পরিবর্তন দেখা যায়। বিশেষ করে ত্বক এবং চুলের স্বাস্থ্যে এর প্রভাব পড়ে। এ সময় বার্ধক্য ধরা দেয়, চুল সাদা হতে শুরু করে। তবে সঠিক জীবনযাত্রা এবং পুষ্টির মাধ্যমে এই পরিবর্তনগুলোকে সামাল দিয়ে সুন্দরভাবে বার্ধক্যকে গ্রহণ করা সম্ভব।
পরিবর্তনের নেপথ্যে কী?
ত্রিশের কোঠায় পা রাখলেই কেন শরীরের এ পরিবর্তন শুরু হয়, এমন প্রশ্ন অনেকের মনে। এর উত্তর দিয়েছেন ভারতীয় পুষ্টিবিদ মালবিকা সেহগাল। তার মতে, ৩০ বছরের পর ত্বক ও চুলের পরিবর্তন কেবল বার্ধক্যের স্বাভাবিক লক্ষণ নয়, বরং এর পেছনে ঘুম, মানসিক চাপ, পুষ্টি, আর্দ্রতা এবং হরমোনের স্বাস্থ্যের বড় ভূমিকা থাকে। এই বয়সে শরীরে কোলাজেন উৎপাদন, আর্দ্রতা এবং পুষ্টি শোষণের ক্ষমতায় পরিবর্তন আসে। ফলে বেশ কিছু সমস্যা দেখা দেয়। সেগুলো হলো-
- ত্বক তার স্থিতিস্থাপকতা হারায়
- চুল পাতলা হতে শুরু করে
- শরীরে প্রদাহ বা ইনফ্লামেশন বৃদ্ধি পায়
- ত্বকের কোনো ক্ষত বা সমস্যা সারিয়ে তোলার গতি ধীর হয়ে যায়
তবে এসব সমস্যা লাঘবে অর্থাৎ উজ্জ্বল ত্বক ও প্রাণবন্ত চুলের জন্য বিশেষজ্ঞরা ৫টি জীবনধারা পরিবর্তনের পরামর্শ দিয়েছেন:
প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার
আমাদের ত্বক ও চুল দুটি গুরুত্বপূর্ণ কোলাজেন এবং কেরাটিন নামক প্রোটিন কাঠামো দিয়ে তৈরি। খাদ্যতালিকায় পর্যাপ্ত প্রোটিন না থাকলে চুল দুর্বল হয়ে পড়ে এবং ত্বকের মেরামত প্রক্রিয়া ধীর হয়ে যায়। এজন্য প্রতিদিনের তালিকায় ডিম, দই, পনির বা টফু এবং বিভিন্ন ধরণের ডাল রাখা জরুরি।
ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড
ওমেগা-৩ শরীরে প্রদাহ কমায়। এটি কোলাজেন রক্ষা করতে এবং চুলের গোড়া শক্ত করতে সাহায্য করে। তাই প্রতিদিন খাদ্যতালিকায় ওমেগা-৩-সমৃদ্ধ খাবার রাখতে হবে। তিসি, চিয়া সিড এবং আখরোট ওমেগা-৩ এর চমৎকার উৎস।
ভিটামিন সি
ভিটামিন সি শরীরে কোলাজেন উৎপাদন বাড়িয়ে ত্বককে সতেজ ও মজবুত রাখে। পাশাপাশি চুলের গঠন মজবুত করে। নিয়মিত আমলকী, কমলালেবু, পেয়ারা এবং ক্যাপসিকাম খেলে শরীরের কোষগুলোকে ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করে।
আয়রন এবং ফলেট
আয়রন এবং ফলেট চুলের স্বাভাবিক বৃদ্ধি ও সতেজতা ধরে রাখার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শরীরে আয়রনের অভাব হলে চুল পড়া বৃদ্ধি পায়, শক্তি কমে যায় এবং ত্বক ম্লান দেখায়। পালং শাক, বিটরুট, ডাল এবং কুমড়ার বীজ আয়রনের ভালো উৎস। তবে ভালো ফলাফল পেতে আয়রন সমৃদ্ধ খাবারগুলো ভিটামিন সি যুক্ত খাবারের সাথে খাওয়া উচিত।
পর্যাপ্ত ঘুম
প্রাকৃতিক সৌন্দর্য পুনরুদ্ধারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উপায় হলো ঘুম। নিয়মিত গভীর ঘুম ত্বক ও চুলের কোষ মেরামত করতে সাহায্য করে। ঘুমের অভাব হলে ব্রণের সমস্যা, চোখের নিচে ফোলাভাব এবং চুল পড়া বেড়ে যেতে পারে। তাই প্রতিদিন অন্তত ৭-৮ ঘণ্টা গভীর ঘুম নিশ্চিত করা জরুরি।
বয়স বাড়লেও এসব অভ্যাস আপনার ত্বকের স্বাভবিক উজ্জ্বলতা ধরে রাখতে সাহায্য করবে। সেইসঙ্গে চুল মজবুত রাখবে।
সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস

আপনি সবসময় অন্যকে সন্দেহ করেন? জানুন কারণ ও প্রতিকার
তরুণীরা কেন বয়সে বড় পুরুষের প্রতি আকর্ষণ অনুভব করে





