মাগুরার শিশু আছিয়া ধর্ষণ-হত্যা মামলায় হাইকোর্টের রায় মঙ্গলবার

মাগুরার শিশু আছিয়া ধর্ষণ-হত্যা মামলায় হাইকোর্টের রায় মঙ্গলবার
নিজস্ব প্রতিবেদক

মাগুরার আট বছরের শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হিটু শেখের ডেথ রেফারেন্স এবং আসামির আপিলের ওপর চূড়ান্ত শুনানি শেষ হয়েছে। শুনানি শেষে হাইকোর্টের বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ মামলাটির রায়ের জন্য মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) দিন ধার্য করেছেন।
মামলাটিতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ইমাম হোসেন তারেক এবং আসামি হিটু শেখের পক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন অ্যাডভোকেট হাফিজুর রহমান খান।
এ ঘটনার সূত্রপাত ঘটে গত বছরের ৫ মার্চ রাতে। মাগুরা শহরের নিজনান্দুয়ালী এলাকায় বোনের বাড়িতে বেড়াতে গিয়ে চরম পৈশাচিকতার শিকার হয় শিশু আছিয়া। বোনের শ্বশুর হিটু শেখ শিশুটিকে ধর্ষণের পর নৃশংসভাবে হত্যার চেষ্টা চালান। পরবর্তীতে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় আছিয়ার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় শিশুটির মা বাদী হয়ে হিটু শেখসহ চারজনকে আসামি করে মামলা করেন। ঘটনার পরপরই পুলিশ চার আসামিকে গ্রেপ্তার করে।
ঘটনার তদন্ত শেষে গত বছরের ১৩ এপ্রিল পুলিশ আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয়। ২৩ এপ্রিল আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে শুরু হয় আনুষ্ঠানিক বিচারকাজ। দ্রুত বিচার নিষ্পত্তির লক্ষ্যে ২৭ এপ্রিল থেকে রাষ্ট্রপক্ষের ২৯ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়। মাত্র ১৩ কার্যদিবসের সংক্ষিপ্ত বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে গত বছরের ১৭ মে মাগুরার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এম জাহিদ হাসান মামলার রায় ঘোষণা করেন। রায়ে প্রধান আসামি হিটু শেখকে মৃত্যুদণ্ড ও এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। তবে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় অপর তিন আসামি রায়ে বাকি তিন আসামিকে খালাস দেওয়া হয়। খালাসপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন, নিহত শিশুর বোনের স্বামী সজীব শেখ, সজীব শেখের ছোট ভাই এবং সজীবের মা জাহেদা বেগম।
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী বিচারিক আদালতে মৃত্যুদণ্ডাদেশ হলে তা অনুমোদনের জন্য মামলার যাবতীয় কার্যক্রম উচ্চ আদালতে পাঠাতে হয়। সে অনুসারে এ মামলার নথিও গত বছরের ২১ মে উচ্চ আদালতে পাঠানো হয়। প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই শেষে পেপারবুক তৈরির জন্য বিজি প্রেসে পাঠানো হয়। প্রস্তুতের পর পেপারবুক ৮ জুন হাইকোর্টে পাঠানো হয়। এরপর শুনানির জন্য বিশেষায়িত বেঞ্চের কার্যতালিকাভুক্ত হয়।

মাগুরার আট বছরের শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হিটু শেখের ডেথ রেফারেন্স এবং আসামির আপিলের ওপর চূড়ান্ত শুনানি শেষ হয়েছে। শুনানি শেষে হাইকোর্টের বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ মামলাটির রায়ের জন্য মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) দিন ধার্য করেছেন।
মামলাটিতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ইমাম হোসেন তারেক এবং আসামি হিটু শেখের পক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন অ্যাডভোকেট হাফিজুর রহমান খান।
এ ঘটনার সূত্রপাত ঘটে গত বছরের ৫ মার্চ রাতে। মাগুরা শহরের নিজনান্দুয়ালী এলাকায় বোনের বাড়িতে বেড়াতে গিয়ে চরম পৈশাচিকতার শিকার হয় শিশু আছিয়া। বোনের শ্বশুর হিটু শেখ শিশুটিকে ধর্ষণের পর নৃশংসভাবে হত্যার চেষ্টা চালান। পরবর্তীতে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় আছিয়ার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় শিশুটির মা বাদী হয়ে হিটু শেখসহ চারজনকে আসামি করে মামলা করেন। ঘটনার পরপরই পুলিশ চার আসামিকে গ্রেপ্তার করে।
ঘটনার তদন্ত শেষে গত বছরের ১৩ এপ্রিল পুলিশ আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয়। ২৩ এপ্রিল আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে শুরু হয় আনুষ্ঠানিক বিচারকাজ। দ্রুত বিচার নিষ্পত্তির লক্ষ্যে ২৭ এপ্রিল থেকে রাষ্ট্রপক্ষের ২৯ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়। মাত্র ১৩ কার্যদিবসের সংক্ষিপ্ত বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে গত বছরের ১৭ মে মাগুরার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এম জাহিদ হাসান মামলার রায় ঘোষণা করেন। রায়ে প্রধান আসামি হিটু শেখকে মৃত্যুদণ্ড ও এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। তবে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় অপর তিন আসামি রায়ে বাকি তিন আসামিকে খালাস দেওয়া হয়। খালাসপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন, নিহত শিশুর বোনের স্বামী সজীব শেখ, সজীব শেখের ছোট ভাই এবং সজীবের মা জাহেদা বেগম।
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী বিচারিক আদালতে মৃত্যুদণ্ডাদেশ হলে তা অনুমোদনের জন্য মামলার যাবতীয় কার্যক্রম উচ্চ আদালতে পাঠাতে হয়। সে অনুসারে এ মামলার নথিও গত বছরের ২১ মে উচ্চ আদালতে পাঠানো হয়। প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই শেষে পেপারবুক তৈরির জন্য বিজি প্রেসে পাঠানো হয়। প্রস্তুতের পর পেপারবুক ৮ জুন হাইকোর্টে পাঠানো হয়। এরপর শুনানির জন্য বিশেষায়িত বেঞ্চের কার্যতালিকাভুক্ত হয়।

মাগুরার শিশু আছিয়া ধর্ষণ-হত্যা মামলায় হাইকোর্টের রায় মঙ্গলবার
নিজস্ব প্রতিবেদক

মাগুরার আট বছরের শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হিটু শেখের ডেথ রেফারেন্স এবং আসামির আপিলের ওপর চূড়ান্ত শুনানি শেষ হয়েছে। শুনানি শেষে হাইকোর্টের বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ মামলাটির রায়ের জন্য মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) দিন ধার্য করেছেন।
মামলাটিতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ইমাম হোসেন তারেক এবং আসামি হিটু শেখের পক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন অ্যাডভোকেট হাফিজুর রহমান খান।
এ ঘটনার সূত্রপাত ঘটে গত বছরের ৫ মার্চ রাতে। মাগুরা শহরের নিজনান্দুয়ালী এলাকায় বোনের বাড়িতে বেড়াতে গিয়ে চরম পৈশাচিকতার শিকার হয় শিশু আছিয়া। বোনের শ্বশুর হিটু শেখ শিশুটিকে ধর্ষণের পর নৃশংসভাবে হত্যার চেষ্টা চালান। পরবর্তীতে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় আছিয়ার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় শিশুটির মা বাদী হয়ে হিটু শেখসহ চারজনকে আসামি করে মামলা করেন। ঘটনার পরপরই পুলিশ চার আসামিকে গ্রেপ্তার করে।
ঘটনার তদন্ত শেষে গত বছরের ১৩ এপ্রিল পুলিশ আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয়। ২৩ এপ্রিল আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে শুরু হয় আনুষ্ঠানিক বিচারকাজ। দ্রুত বিচার নিষ্পত্তির লক্ষ্যে ২৭ এপ্রিল থেকে রাষ্ট্রপক্ষের ২৯ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়। মাত্র ১৩ কার্যদিবসের সংক্ষিপ্ত বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে গত বছরের ১৭ মে মাগুরার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক এম জাহিদ হাসান মামলার রায় ঘোষণা করেন। রায়ে প্রধান আসামি হিটু শেখকে মৃত্যুদণ্ড ও এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। তবে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় অপর তিন আসামি রায়ে বাকি তিন আসামিকে খালাস দেওয়া হয়। খালাসপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন, নিহত শিশুর বোনের স্বামী সজীব শেখ, সজীব শেখের ছোট ভাই এবং সজীবের মা জাহেদা বেগম।
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী বিচারিক আদালতে মৃত্যুদণ্ডাদেশ হলে তা অনুমোদনের জন্য মামলার যাবতীয় কার্যক্রম উচ্চ আদালতে পাঠাতে হয়। সে অনুসারে এ মামলার নথিও গত বছরের ২১ মে উচ্চ আদালতে পাঠানো হয়। প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই শেষে পেপারবুক তৈরির জন্য বিজি প্রেসে পাঠানো হয়। প্রস্তুতের পর পেপারবুক ৮ জুন হাইকোর্টে পাঠানো হয়। এরপর শুনানির জন্য বিশেষায়িত বেঞ্চের কার্যতালিকাভুক্ত হয়।

রামিসা হত্যা মামলার ডেথ রেফারেন্স ও আপিল শুনানির সব প্রস্তুতি শেষ





