বিএনপি জুলাই সনদের পথেই এগোতে চায়: আইনমন্ত্রী

বিএনপি জুলাই সনদের পথেই এগোতে চায়: আইনমন্ত্রী
নিজস্ব প্রতিবেদক

বিএনপি জুলাই সনদের পথেই এগোতে চায় মন্তব্য করে আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, আমাদের অবশ্যই কিছু দুর্বলতা রয়েছে। তবে আমাদের চিন্তা স্বচ্ছ। বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়েই এগিয়ে যেতে হবে।
সোমবার (২৪ আগস্ট) রাজধানীর সিরডাপ অডিটোরিয়ামে ‘নির্বাচন-পরবর্তী বাংলাদেশ: রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি ও বাস্তবতা’ শীর্ষক সংলাপে সম্মানিত অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।
সেন্টার ফর গভর্নেন্স স্টাডিজ (সিজিএস) আয়োজিত এই সংলাপে সম্মানিত অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা জহির উদ্দিন স্বপন এমপি। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সিজিএসের প্রেসিডেন্ট জিল্লুর রহমান।
আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেন, তোপের মুখে না রাখা হলে আমরা পথ হারাতে পারি। তবে সেই চাপের ভাষা ও পদ্ধতিও গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, নিষিদ্ধ রাজনৈতিক দল ছাড়া অন্য কারও সভা-সমাবেশ করার ক্ষেত্রে কোনো বাধা থাকা উচিত নয়।
পরিবর্তনের প্রক্রিয়া চলছে জানিয়ে আইনমন্ত্রী বলেন, একটি গুমের অভিযোগ এসেছে, সেটিও আমরা তদন্ত করছি। এ বিষয়ে শূন্য সহনশীলতা নীতি গ্রহণ করা হয়েছে। রাজনৈতিক সংস্কৃতির পরিবর্তন আনার চেষ্টা করছি। রাতারাতি পরিবর্তন সম্ভব নয়, তবে সেই লক্ষ্যেই কাজ করছি।
তিনি আরও বলেন, আমরা এমন একটি ব্যবস্থা গড়ে তুলতে চাই, যাতে কোনো নিরপরাধ ব্যক্তি ক্ষতিগ্রস্ত না হন। জুলাই সনদেও বলা হয়েছে, সংবিধান সংশোধন করতে হবে। সংবিধান সংশোধন নিয়ে যৌক্তিক প্রস্তাব এলে তা অন্তর্ভুক্ত করার চেষ্টা করা হবে।
আইনমন্ত্রী বলেন, বিএনপি জুলাই সনদের পথেই এগোতে চায়। আমাদের ওপর আস্থা রাখুন, আমরা সেই লক্ষ্যেই এগিয়ে যেতে চাই।
অনুষ্ঠানের শুরুতে জিল্লুর রহমান বলেন, জনগণ রাজনৈতিক দলগুলোর ইশতেহার বিবেচনা করেই ভোট দিয়েছে। সরকারের সামনে বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ থাকলেও মনে রাখতে হবে, জনগণের প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে সেই প্রতিশ্রুতির ভিত্তিতেই। তাই ইশতেহারে দেওয়া অঙ্গীকার বাস্তবায়নে জনগণকে হতাশ না করে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
আলোচনায় অংশ নেন এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু, জাতীয় পার্টির মহাসচিব ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী, গণফোরামের সভাপতি সুব্রত চৌধুরী, জাতীয় নাগরিক পার্টির যুগ্ম সদস্য সচিব ফরিদুল হক, জাতীয় নাগরিক পার্টির যুগ্ম আহ্বায়ক মনিরা শারমিন, বাংলাদেশ জাসদের প্রেসিডিয়াম সদস্য ডা. মুশতাক হোসেন, খেলাফত মজলিসের মহাসচিব ড. আহমদ আবদুল কাদের ও রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক দিদার ভূঁইয়া।
আরও বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের ব্যারিস্টার মোহাম্মদ আলী, সিনিয়র সাংবাদিক ও চরচা সম্পাদক সোহরাব হাসান, গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক হাসান আল মামুন, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের আইন বিষয়ক সম্পাদক এডভোকেট এম ইকবাল হাসান, বাংলাদেশ আদিবাসী ফোরামের সাধারণ সম্পাদক সঞ্জীব দ্রং, এবি পার্টির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার নাসরিন সুলতানা মিলি ও সিপিবির প্রেসিডিয়াম সদস্য জলি তালুকদার।

বিএনপি জুলাই সনদের পথেই এগোতে চায় মন্তব্য করে আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, আমাদের অবশ্যই কিছু দুর্বলতা রয়েছে। তবে আমাদের চিন্তা স্বচ্ছ। বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়েই এগিয়ে যেতে হবে।
সোমবার (২৪ আগস্ট) রাজধানীর সিরডাপ অডিটোরিয়ামে ‘নির্বাচন-পরবর্তী বাংলাদেশ: রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি ও বাস্তবতা’ শীর্ষক সংলাপে সম্মানিত অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।
সেন্টার ফর গভর্নেন্স স্টাডিজ (সিজিএস) আয়োজিত এই সংলাপে সম্মানিত অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা জহির উদ্দিন স্বপন এমপি। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সিজিএসের প্রেসিডেন্ট জিল্লুর রহমান।
আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেন, তোপের মুখে না রাখা হলে আমরা পথ হারাতে পারি। তবে সেই চাপের ভাষা ও পদ্ধতিও গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, নিষিদ্ধ রাজনৈতিক দল ছাড়া অন্য কারও সভা-সমাবেশ করার ক্ষেত্রে কোনো বাধা থাকা উচিত নয়।
পরিবর্তনের প্রক্রিয়া চলছে জানিয়ে আইনমন্ত্রী বলেন, একটি গুমের অভিযোগ এসেছে, সেটিও আমরা তদন্ত করছি। এ বিষয়ে শূন্য সহনশীলতা নীতি গ্রহণ করা হয়েছে। রাজনৈতিক সংস্কৃতির পরিবর্তন আনার চেষ্টা করছি। রাতারাতি পরিবর্তন সম্ভব নয়, তবে সেই লক্ষ্যেই কাজ করছি।
তিনি আরও বলেন, আমরা এমন একটি ব্যবস্থা গড়ে তুলতে চাই, যাতে কোনো নিরপরাধ ব্যক্তি ক্ষতিগ্রস্ত না হন। জুলাই সনদেও বলা হয়েছে, সংবিধান সংশোধন করতে হবে। সংবিধান সংশোধন নিয়ে যৌক্তিক প্রস্তাব এলে তা অন্তর্ভুক্ত করার চেষ্টা করা হবে।
আইনমন্ত্রী বলেন, বিএনপি জুলাই সনদের পথেই এগোতে চায়। আমাদের ওপর আস্থা রাখুন, আমরা সেই লক্ষ্যেই এগিয়ে যেতে চাই।
অনুষ্ঠানের শুরুতে জিল্লুর রহমান বলেন, জনগণ রাজনৈতিক দলগুলোর ইশতেহার বিবেচনা করেই ভোট দিয়েছে। সরকারের সামনে বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ থাকলেও মনে রাখতে হবে, জনগণের প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে সেই প্রতিশ্রুতির ভিত্তিতেই। তাই ইশতেহারে দেওয়া অঙ্গীকার বাস্তবায়নে জনগণকে হতাশ না করে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
আলোচনায় অংশ নেন এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু, জাতীয় পার্টির মহাসচিব ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী, গণফোরামের সভাপতি সুব্রত চৌধুরী, জাতীয় নাগরিক পার্টির যুগ্ম সদস্য সচিব ফরিদুল হক, জাতীয় নাগরিক পার্টির যুগ্ম আহ্বায়ক মনিরা শারমিন, বাংলাদেশ জাসদের প্রেসিডিয়াম সদস্য ডা. মুশতাক হোসেন, খেলাফত মজলিসের মহাসচিব ড. আহমদ আবদুল কাদের ও রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক দিদার ভূঁইয়া।
আরও বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের ব্যারিস্টার মোহাম্মদ আলী, সিনিয়র সাংবাদিক ও চরচা সম্পাদক সোহরাব হাসান, গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক হাসান আল মামুন, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের আইন বিষয়ক সম্পাদক এডভোকেট এম ইকবাল হাসান, বাংলাদেশ আদিবাসী ফোরামের সাধারণ সম্পাদক সঞ্জীব দ্রং, এবি পার্টির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার নাসরিন সুলতানা মিলি ও সিপিবির প্রেসিডিয়াম সদস্য জলি তালুকদার।

বিএনপি জুলাই সনদের পথেই এগোতে চায়: আইনমন্ত্রী
নিজস্ব প্রতিবেদক

বিএনপি জুলাই সনদের পথেই এগোতে চায় মন্তব্য করে আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, আমাদের অবশ্যই কিছু দুর্বলতা রয়েছে। তবে আমাদের চিন্তা স্বচ্ছ। বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়েই এগিয়ে যেতে হবে।
সোমবার (২৪ আগস্ট) রাজধানীর সিরডাপ অডিটোরিয়ামে ‘নির্বাচন-পরবর্তী বাংলাদেশ: রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি ও বাস্তবতা’ শীর্ষক সংলাপে সম্মানিত অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।
সেন্টার ফর গভর্নেন্স স্টাডিজ (সিজিএস) আয়োজিত এই সংলাপে সম্মানিত অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা জহির উদ্দিন স্বপন এমপি। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সিজিএসের প্রেসিডেন্ট জিল্লুর রহমান।
আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেন, তোপের মুখে না রাখা হলে আমরা পথ হারাতে পারি। তবে সেই চাপের ভাষা ও পদ্ধতিও গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, নিষিদ্ধ রাজনৈতিক দল ছাড়া অন্য কারও সভা-সমাবেশ করার ক্ষেত্রে কোনো বাধা থাকা উচিত নয়।
পরিবর্তনের প্রক্রিয়া চলছে জানিয়ে আইনমন্ত্রী বলেন, একটি গুমের অভিযোগ এসেছে, সেটিও আমরা তদন্ত করছি। এ বিষয়ে শূন্য সহনশীলতা নীতি গ্রহণ করা হয়েছে। রাজনৈতিক সংস্কৃতির পরিবর্তন আনার চেষ্টা করছি। রাতারাতি পরিবর্তন সম্ভব নয়, তবে সেই লক্ষ্যেই কাজ করছি।
তিনি আরও বলেন, আমরা এমন একটি ব্যবস্থা গড়ে তুলতে চাই, যাতে কোনো নিরপরাধ ব্যক্তি ক্ষতিগ্রস্ত না হন। জুলাই সনদেও বলা হয়েছে, সংবিধান সংশোধন করতে হবে। সংবিধান সংশোধন নিয়ে যৌক্তিক প্রস্তাব এলে তা অন্তর্ভুক্ত করার চেষ্টা করা হবে।
আইনমন্ত্রী বলেন, বিএনপি জুলাই সনদের পথেই এগোতে চায়। আমাদের ওপর আস্থা রাখুন, আমরা সেই লক্ষ্যেই এগিয়ে যেতে চাই।
অনুষ্ঠানের শুরুতে জিল্লুর রহমান বলেন, জনগণ রাজনৈতিক দলগুলোর ইশতেহার বিবেচনা করেই ভোট দিয়েছে। সরকারের সামনে বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ থাকলেও মনে রাখতে হবে, জনগণের প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে সেই প্রতিশ্রুতির ভিত্তিতেই। তাই ইশতেহারে দেওয়া অঙ্গীকার বাস্তবায়নে জনগণকে হতাশ না করে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।
আলোচনায় অংশ নেন এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু, জাতীয় পার্টির মহাসচিব ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী, গণফোরামের সভাপতি সুব্রত চৌধুরী, জাতীয় নাগরিক পার্টির যুগ্ম সদস্য সচিব ফরিদুল হক, জাতীয় নাগরিক পার্টির যুগ্ম আহ্বায়ক মনিরা শারমিন, বাংলাদেশ জাসদের প্রেসিডিয়াম সদস্য ডা. মুশতাক হোসেন, খেলাফত মজলিসের মহাসচিব ড. আহমদ আবদুল কাদের ও রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক দিদার ভূঁইয়া।
আরও বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের ব্যারিস্টার মোহাম্মদ আলী, সিনিয়র সাংবাদিক ও চরচা সম্পাদক সোহরাব হাসান, গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক হাসান আল মামুন, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের আইন বিষয়ক সম্পাদক এডভোকেট এম ইকবাল হাসান, বাংলাদেশ আদিবাসী ফোরামের সাধারণ সম্পাদক সঞ্জীব দ্রং, এবি পার্টির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার নাসরিন সুলতানা মিলি ও সিপিবির প্রেসিডিয়াম সদস্য জলি তালুকদার।

হাসিনার আমলে সাড়ে ৪ হাজারের বেশি মানুষ হত্যার শিকার: আইনমন্ত্রী







