আমলাদের ব্যক্তিগত সুইমিংপুল নির্মাণে সরকারের ব্যয় ৩০ কোটি

আমলাদের ব্যক্তিগত সুইমিংপুল নির্মাণে সরকারের ব্যয় ৩০ কোটি
নিজস্ব প্রতিবেদক

সরকারি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সংগঠন অফিসার্স ক্লাব। রাজধানীর বেইলি রোডে এই ক্লাবের জন্য রাষ্ট্রের ৪২৩ কোটির বেশি টাকা খরচে নির্মাণ করা হয়েছে দুটি অত্যাধুনিক ভবন। এই দুটি ভবনে সরকারি কর্মকর্তা ও তাদের পরিবারের সদস্যদের সাঁতার কাটার জন্য তৈরি করা হয়েছে তিনটি সুইমিংপুল। এসব সুইমিংপুল তৈরিতে সরকারের ব্যয় হয়েছে প্রায় ৩০ কোটি টাকা।
এর মধ্যে জ্যাকুজি, স্টিম বাথ ও সনার জন্য খরচ করা হয়েছে ৭ কোটি ৯৮ লাখ ২১ হাজার টাকা। আরেকটি অংশে সুইমিংপুল, চেঞ্জিং রুম, সনা রুম, জ্যাকুজি, স্টিম বাথ, সেলুন, জিমনেশিয়াম, টেবিল টেনিসসহ ৩০ ফুট উচ্চতার স্টিল ভবনের জন্য খরচ করা হয়েছে ২২ কোটি ৫৯ লাখ ২৮ হাজার টাকা। তিনটি সুইমিংপুলের মধ্যে একটি পুরুষ, একটি মহিলা ও একটি শিশুদের জন্য।
নতুন বহুতল ভবনের ছাদে গড়া হয়েছে ৮২ ফুট দৈর্ঘ্যের সুইমিংপুল। এটি এখন পর্যন্ত দেশের সবচেয়ে বড় সুইমিংপুল বলে জানান সংশ্লিষ্টরা। কর্মকর্তাদের বিলাসিতার জন্য এত বিপুল সরকারি অর্থ খরচে সুইমিংপুল তৈরির ঘটনায় বিভিন্ন মহলে বিরূপ প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে।
একাধিক কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বেসরকারি ক্লাবের জন্য সরকারি কোষাগার থেকে মোটা অঙ্কের টাকা খরচের সুযোগ নেই। বড় আকারের এ প্রকল্প যখন হাতে নেওয়া হয়, তখন অনুমোদনের প্রতিটি স্তরেই নানা প্রশ্ন ওঠে। কিন্তু বিগত সরকারের প্রভাবশালী দুই আমলার দাপটে কেউ তা আটকাতে পারেনি। তারা হলেন– সাবেক মুখ্য সচিব তোফাজ্জল হোসেন মিয়া এবং সাবেক সচিব ও অফিসার্স ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মেজবাহ উদ্দিন।
চেষ্টা করেও এ ব্যাপারে ওই দুই সাবেক কর্মকর্তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। কারণ ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর থেকে তোফাজ্জল হোসেন মিয়া আত্মগোপনে আছেন। আর মেজবাহ উদ্দিন হত্যা মামলায় কারাগারে রয়েছেন বলে জানা গেছে।

সরকারি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সংগঠন অফিসার্স ক্লাব। রাজধানীর বেইলি রোডে এই ক্লাবের জন্য রাষ্ট্রের ৪২৩ কোটির বেশি টাকা খরচে নির্মাণ করা হয়েছে দুটি অত্যাধুনিক ভবন। এই দুটি ভবনে সরকারি কর্মকর্তা ও তাদের পরিবারের সদস্যদের সাঁতার কাটার জন্য তৈরি করা হয়েছে তিনটি সুইমিংপুল। এসব সুইমিংপুল তৈরিতে সরকারের ব্যয় হয়েছে প্রায় ৩০ কোটি টাকা।
এর মধ্যে জ্যাকুজি, স্টিম বাথ ও সনার জন্য খরচ করা হয়েছে ৭ কোটি ৯৮ লাখ ২১ হাজার টাকা। আরেকটি অংশে সুইমিংপুল, চেঞ্জিং রুম, সনা রুম, জ্যাকুজি, স্টিম বাথ, সেলুন, জিমনেশিয়াম, টেবিল টেনিসসহ ৩০ ফুট উচ্চতার স্টিল ভবনের জন্য খরচ করা হয়েছে ২২ কোটি ৫৯ লাখ ২৮ হাজার টাকা। তিনটি সুইমিংপুলের মধ্যে একটি পুরুষ, একটি মহিলা ও একটি শিশুদের জন্য।
নতুন বহুতল ভবনের ছাদে গড়া হয়েছে ৮২ ফুট দৈর্ঘ্যের সুইমিংপুল। এটি এখন পর্যন্ত দেশের সবচেয়ে বড় সুইমিংপুল বলে জানান সংশ্লিষ্টরা। কর্মকর্তাদের বিলাসিতার জন্য এত বিপুল সরকারি অর্থ খরচে সুইমিংপুল তৈরির ঘটনায় বিভিন্ন মহলে বিরূপ প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে।
একাধিক কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বেসরকারি ক্লাবের জন্য সরকারি কোষাগার থেকে মোটা অঙ্কের টাকা খরচের সুযোগ নেই। বড় আকারের এ প্রকল্প যখন হাতে নেওয়া হয়, তখন অনুমোদনের প্রতিটি স্তরেই নানা প্রশ্ন ওঠে। কিন্তু বিগত সরকারের প্রভাবশালী দুই আমলার দাপটে কেউ তা আটকাতে পারেনি। তারা হলেন– সাবেক মুখ্য সচিব তোফাজ্জল হোসেন মিয়া এবং সাবেক সচিব ও অফিসার্স ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মেজবাহ উদ্দিন।
চেষ্টা করেও এ ব্যাপারে ওই দুই সাবেক কর্মকর্তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। কারণ ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর থেকে তোফাজ্জল হোসেন মিয়া আত্মগোপনে আছেন। আর মেজবাহ উদ্দিন হত্যা মামলায় কারাগারে রয়েছেন বলে জানা গেছে।

আমলাদের ব্যক্তিগত সুইমিংপুল নির্মাণে সরকারের ব্যয় ৩০ কোটি
নিজস্ব প্রতিবেদক

সরকারি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সংগঠন অফিসার্স ক্লাব। রাজধানীর বেইলি রোডে এই ক্লাবের জন্য রাষ্ট্রের ৪২৩ কোটির বেশি টাকা খরচে নির্মাণ করা হয়েছে দুটি অত্যাধুনিক ভবন। এই দুটি ভবনে সরকারি কর্মকর্তা ও তাদের পরিবারের সদস্যদের সাঁতার কাটার জন্য তৈরি করা হয়েছে তিনটি সুইমিংপুল। এসব সুইমিংপুল তৈরিতে সরকারের ব্যয় হয়েছে প্রায় ৩০ কোটি টাকা।
এর মধ্যে জ্যাকুজি, স্টিম বাথ ও সনার জন্য খরচ করা হয়েছে ৭ কোটি ৯৮ লাখ ২১ হাজার টাকা। আরেকটি অংশে সুইমিংপুল, চেঞ্জিং রুম, সনা রুম, জ্যাকুজি, স্টিম বাথ, সেলুন, জিমনেশিয়াম, টেবিল টেনিসসহ ৩০ ফুট উচ্চতার স্টিল ভবনের জন্য খরচ করা হয়েছে ২২ কোটি ৫৯ লাখ ২৮ হাজার টাকা। তিনটি সুইমিংপুলের মধ্যে একটি পুরুষ, একটি মহিলা ও একটি শিশুদের জন্য।
নতুন বহুতল ভবনের ছাদে গড়া হয়েছে ৮২ ফুট দৈর্ঘ্যের সুইমিংপুল। এটি এখন পর্যন্ত দেশের সবচেয়ে বড় সুইমিংপুল বলে জানান সংশ্লিষ্টরা। কর্মকর্তাদের বিলাসিতার জন্য এত বিপুল সরকারি অর্থ খরচে সুইমিংপুল তৈরির ঘটনায় বিভিন্ন মহলে বিরূপ প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে।
একাধিক কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বেসরকারি ক্লাবের জন্য সরকারি কোষাগার থেকে মোটা অঙ্কের টাকা খরচের সুযোগ নেই। বড় আকারের এ প্রকল্প যখন হাতে নেওয়া হয়, তখন অনুমোদনের প্রতিটি স্তরেই নানা প্রশ্ন ওঠে। কিন্তু বিগত সরকারের প্রভাবশালী দুই আমলার দাপটে কেউ তা আটকাতে পারেনি। তারা হলেন– সাবেক মুখ্য সচিব তোফাজ্জল হোসেন মিয়া এবং সাবেক সচিব ও অফিসার্স ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মেজবাহ উদ্দিন।
চেষ্টা করেও এ ব্যাপারে ওই দুই সাবেক কর্মকর্তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। কারণ ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর থেকে তোফাজ্জল হোসেন মিয়া আত্মগোপনে আছেন। আর মেজবাহ উদ্দিন হত্যা মামলায় কারাগারে রয়েছেন বলে জানা গেছে।

গণপূর্তে মেরামতের নামে অর্থ ব্যয়ে ‘নয়ছয়’







