শিরোনাম

এ পরাজয় মেনে নেওয়া কঠিন: ম্যাক্রোঁ

সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক
এ পরাজয় মেনে নেওয়া কঠিন: ম্যাক্রোঁ
কিলিয়ান এমবাপ্পের সঙ্গে ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাক্রোঁ

ডালাসের সেমিফাইনালে ফ্রান্সকে ২-০ গোলে উড়িয়ে দিয়ে দীর্ঘ ১৬ বছর পর বিশ্বকাপের ফাইনালে পা রাখল স্পেন। এই জয়ে ২০১০ সালের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা তাদের দ্বিতীয় বিশ্বকাপ শিরোপার সুবর্ণ সুযোগ তৈরি করল, আর অন্যদিক থেকে হৃদয়ভাঙা বিদায় নিতে হলো ফরাসিদের।

ফরাসিদের এমন পরাজয়ে হতাশ হলেও নিজের দেশের তরুণ দলটির ওপর ভরসা হারাচ্ছেন না দেশটির প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাক্রোঁ। ম্যাচ শেষে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় তিনি ফাইনালিস্ট স্পেনকে অভিনন্দন জানানোর পাশাপাশি কিলিয়ান এমবাপ্পের দলের প্রশংসা করেন। ম্যাক্রোঁ লেখেন, যোগ্য দল হিসেবেই স্পেন ফাইনালে উঠেছে। তবে দেশের জার্সির মর্যাদা অক্ষুণ্ন রাখতে ‘লে ব্লুজ’দের আপ্রাণ চেষ্টার জন্য ধন্যবাদ। এই পরাজয় মেনে নেওয়া কঠিন হলেও দলটির সামনে অত্যন্ত উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ রয়েছে।

পুরো টুর্নামেন্ট জুড়ে লুইস দে লা ফুয়েন্তের শিষ্যদের ফিনিশিংয়ের যে কিছুটা ঘাটতি ছিল, সেমিফাইনালের গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চে এসে তা চমৎকারভাবে কাটিয়ে ওঠে স্পেন। ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণ ও রক্ষণভাগের নিখুঁত মেলবন্ধনে ফরাসিদের কোণঠাসা করে ফেলে তারা। প্রথমার্ধেই স্পেনের অন্যতম আবিষ্কার লামিনে ইয়ামালকে ফরাসি ডিফেন্ডার লুকাস ডিনিয়ে ডি-বক্সের ভেতর ফাউল করলে পেনাল্টি পায় স্পেন। আর স্পট কিক থেকে ফরাসি গোলরক্ষক মাইক মাইগনানকে পরাস্ত করে দলকে প্রথম লিড এনে দেন ফরোয়ার্ড মিকেল ওয়াইরসাবাল।

প্রথম গোলের পর ব্যবধান দ্বিগুণ করতে বেশি সময় নেয়নি স্পেন। মিডফিল্ডার দানি ওলমোর বাড়িয়ে দেওয়া এক দুর্দান্ত থ্রু-বল ধরে নিখুঁত ফিনিশিংয়ে জাল খুঁজে নেন ফুলব্যাক পেদ্রো পোরো। পুরো ম্যাচে চোখধাঁধানো নৈপুণ্য প্রদর্শন করে ম্যাচসেরার পুরস্কারও নিজের ঝুলিতে পুরে নেন এই ডিফেন্ডার। ২০১০ সালে দক্ষিণ আফ্রিকা বিশ্বকাপে প্রথমবার বিশ্বজয়ের স্বাদ পাওয়ার পর এটিই স্পেনের দ্বিতীয় ফাইনাল। রবিবার (১৯ জুলাই) নিউইয়র্কের নিউজার্সি স্টেডিয়ামে বিশ্বসেরা হওয়ার লড়াইয়ে মাঠে নামবে তারা। যেখানে স্প্যানিশদের প্রতিপক্ষ হবে দ্বিতীয় সেমিফাইনালে মুখোমুখি হতে যাওয়া ইংল্যান্ড ও আর্জেন্টিনার মধ্যকার জয়ী দল।

/এমএকে/