বাংলাদেশের আবাসন খাতে কাজ করতে আগ্রহী যুক্তরাষ্ট্র

বাংলাদেশের আবাসন খাতে কাজ করতে আগ্রহী যুক্তরাষ্ট্র
নিজস্ব প্রতিবেদক

বাংলাদেশের আবাসন খাতের উন্নয়নে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। বুধবার (১৫ জুলাই) সচিবালয়ে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী জাকারিয়া তাহেরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে এ কথা বলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন।
সাক্ষাৎকালে দুই দেশের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও জোরদারের বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়। একইসঙ্গে বাংলাদেশের আবাসন খাত, জাতীয় বিল্ডিং কোড, নগর উন্নয়ন, সাধারণ মানুষের জন্য সাশ্রয়ী আবাসন ব্যবস্থা এবং পাবলিক প্লেস ও পার্কের উন্নয়নসহ দ্বিপাক্ষিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
এ সময় মার্কিন রাষ্ট্রদূত জানান, তার দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশের আবাসন খাতের উন্নয়নে কাজ করতে আগ্রহী।
অন্যদিকে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী বাংলাদেশে ভূমিকম্পজনিত দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা জোরদারের লক্ষ্যে ‘বাংলাদেশ আর্থকোয়েক সেফটি অ্যান্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউট’ প্রতিষ্ঠায় যুক্তরাষ্ট্রের সহযোগিতা কামনা করেন। জবাবে রাষ্ট্রদূত এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের অভিজ্ঞ বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপনে সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
সাক্ষাৎ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. নজরুল ইসলাম, অতিরিক্ত সচিব মো. আব্দুল মতিন, যুগ্ম সচিব আবুল বাকের মো. তৌহিদ এবং গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী মো. খালেকুজ্জামান চৌধুরী।
মার্কিন প্রতিনিধিদলের পক্ষে আরও উপস্থিত ছিলেন পলিটিক্যাল কাউন্সিলর এরিক গিলান পলিটিক্যাল অফিসার জশ পোপ এবং যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের পাবলিক ডিপ্লোমেসি সেকশনের কর্মকর্তাবৃন্দ।

বাংলাদেশের আবাসন খাতের উন্নয়নে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। বুধবার (১৫ জুলাই) সচিবালয়ে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী জাকারিয়া তাহেরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে এ কথা বলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন।
সাক্ষাৎকালে দুই দেশের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও জোরদারের বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়। একইসঙ্গে বাংলাদেশের আবাসন খাত, জাতীয় বিল্ডিং কোড, নগর উন্নয়ন, সাধারণ মানুষের জন্য সাশ্রয়ী আবাসন ব্যবস্থা এবং পাবলিক প্লেস ও পার্কের উন্নয়নসহ দ্বিপাক্ষিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
এ সময় মার্কিন রাষ্ট্রদূত জানান, তার দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশের আবাসন খাতের উন্নয়নে কাজ করতে আগ্রহী।
অন্যদিকে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী বাংলাদেশে ভূমিকম্পজনিত দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা জোরদারের লক্ষ্যে ‘বাংলাদেশ আর্থকোয়েক সেফটি অ্যান্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউট’ প্রতিষ্ঠায় যুক্তরাষ্ট্রের সহযোগিতা কামনা করেন। জবাবে রাষ্ট্রদূত এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের অভিজ্ঞ বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপনে সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
সাক্ষাৎ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. নজরুল ইসলাম, অতিরিক্ত সচিব মো. আব্দুল মতিন, যুগ্ম সচিব আবুল বাকের মো. তৌহিদ এবং গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী মো. খালেকুজ্জামান চৌধুরী।
মার্কিন প্রতিনিধিদলের পক্ষে আরও উপস্থিত ছিলেন পলিটিক্যাল কাউন্সিলর এরিক গিলান পলিটিক্যাল অফিসার জশ পোপ এবং যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের পাবলিক ডিপ্লোমেসি সেকশনের কর্মকর্তাবৃন্দ।

বাংলাদেশের আবাসন খাতে কাজ করতে আগ্রহী যুক্তরাষ্ট্র
নিজস্ব প্রতিবেদক

বাংলাদেশের আবাসন খাতের উন্নয়নে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। বুধবার (১৫ জুলাই) সচিবালয়ে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী জাকারিয়া তাহেরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে এ কথা বলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন।
সাক্ষাৎকালে দুই দেশের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও জোরদারের বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়। একইসঙ্গে বাংলাদেশের আবাসন খাত, জাতীয় বিল্ডিং কোড, নগর উন্নয়ন, সাধারণ মানুষের জন্য সাশ্রয়ী আবাসন ব্যবস্থা এবং পাবলিক প্লেস ও পার্কের উন্নয়নসহ দ্বিপাক্ষিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
এ সময় মার্কিন রাষ্ট্রদূত জানান, তার দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশের আবাসন খাতের উন্নয়নে কাজ করতে আগ্রহী।
অন্যদিকে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী বাংলাদেশে ভূমিকম্পজনিত দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা জোরদারের লক্ষ্যে ‘বাংলাদেশ আর্থকোয়েক সেফটি অ্যান্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউট’ প্রতিষ্ঠায় যুক্তরাষ্ট্রের সহযোগিতা কামনা করেন। জবাবে রাষ্ট্রদূত এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের অভিজ্ঞ বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপনে সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
সাক্ষাৎ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. নজরুল ইসলাম, অতিরিক্ত সচিব মো. আব্দুল মতিন, যুগ্ম সচিব আবুল বাকের মো. তৌহিদ এবং গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী মো. খালেকুজ্জামান চৌধুরী।
মার্কিন প্রতিনিধিদলের পক্ষে আরও উপস্থিত ছিলেন পলিটিক্যাল কাউন্সিলর এরিক গিলান পলিটিক্যাল অফিসার জশ পোপ এবং যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের পাবলিক ডিপ্লোমেসি সেকশনের কর্মকর্তাবৃন্দ।

বাংলাদেশকে আরও ভালোভাবে জানতে চাই: মার্কিন রাষ্ট্রদূত







