শিরোপা জিতে মাঠেই মোনাজাতে ইয়ামাল

শিরোপা জিতে মাঠেই মোনাজাতে ইয়ামাল
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

বিশ্বকাপ জয়ের পর অন্যান্য সতীর্থরা যখন উদযাপনে ব্যস্ত, তখন মাঠেই আবেগঘন এক মুহূর্তের দেখা মিললো স্পেনের তারকা খেলোয়াড় লামিনে ইয়ামালের কাছ থেকে। ম্যাচ শেষের পরপরই তিনি মোনাজাত ধরে স্রষ্টার প্রতি শুকরিয়া জ্ঞাপন করেন।
রবিবার (১৯ জুলাই) নিউজার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে যখন শেষ বাঁশি বেজেছে, তখন মাঠে হাঁটু গেড়ে বসে থাকতে দেখা যায় ইয়ামালকে। দুই হাত জোড় করে কিছুক্ষণ মাথা নিচু করে থাকেন তিনি। ১২০ মিনিটেরও অধিক সময় খেলে শিরোপা জয়ের আবেগ তার চোখেমুখে স্পষ্ট ছিল।
তবে এটাই প্রথম নয়। বিশ্বকাপে দ্বিতীয় ম্যাচে সৌদি আরবের বিপক্ষে গোলের পরই সিজদায় অবনত হয়ে তিনি স্রষ্টাকে ধন্যবাদ জানিয়েছিলেন। এবার বিশ্বজয়ের পর মোনাজাত ধরতে দেখা গেলো এই তারকা খেলোয়াড়কে।
২০২৫ সালে বেনফিকার বিপক্ষে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ম্যাচে রোজা রেখে খেলতে নেমেছিলেন ইয়ামাল। এর পর থেকেই তার ধর্মীয় আবেগের বিষয়টি আলোচনায় আসে। রোজা অবস্থাতেই করেছিলেন অ্যাসিস্ট, ইফতারের পর করেছিলেন গোলও। তার জন্য বার্সেলোনায় বিশেষ ব্যবস্থাও থাকে রমজানের সময়ে।
ফিলিস্তিনিদের প্রতিও তার সমর্থন দেখা গেছে। গত মে মাসে বার্সেলোনার লা লিগা শিরোপা জয়ের পর ছাদখোলা বাসে করে বের হওয়া উৎসব মিছিলে ফিলিস্তিনের পতাকা উড়িয়েছিলেন ইয়ামাল। এল ক্লাসিকোয় রিয়াল মাদ্রিদকে হারিয়ে শিরোপা নিশ্চিত করার পরদিন এই ঘটনা ঘটে। বার্সেলোনার রাস্তায় তখন প্রায় সাড়ে সাত লাখ মানুষ জড়ো হয়েছিলেন তাদেরকে অভিনন্দন জানাতে।
এই ঘটনা তখন অনেকদূর গড়িয়েছিল। ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী এই ঘটনার সমালোচনা করেন। ইসরায়েলের বিপক্ষে ঘৃণা ছড়ানো হচ্ছে বলে দাবি করেন তিনি। এমনকি বিশ্বকাপ থেকে বাদ দেওয়ারও দাবি ওঠে। তবে স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ ইয়ামালের পক্ষে দাঁড়ান। তিনি বলেন, একটা পতাকা দিয়ে সহমর্মিতা দেখানোকে ঘৃণা ছড়ানোর কাজ বলা ঠিক নয়।

বিশ্বকাপ জয়ের পর অন্যান্য সতীর্থরা যখন উদযাপনে ব্যস্ত, তখন মাঠেই আবেগঘন এক মুহূর্তের দেখা মিললো স্পেনের তারকা খেলোয়াড় লামিনে ইয়ামালের কাছ থেকে। ম্যাচ শেষের পরপরই তিনি মোনাজাত ধরে স্রষ্টার প্রতি শুকরিয়া জ্ঞাপন করেন।
রবিবার (১৯ জুলাই) নিউজার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে যখন শেষ বাঁশি বেজেছে, তখন মাঠে হাঁটু গেড়ে বসে থাকতে দেখা যায় ইয়ামালকে। দুই হাত জোড় করে কিছুক্ষণ মাথা নিচু করে থাকেন তিনি। ১২০ মিনিটেরও অধিক সময় খেলে শিরোপা জয়ের আবেগ তার চোখেমুখে স্পষ্ট ছিল।
তবে এটাই প্রথম নয়। বিশ্বকাপে দ্বিতীয় ম্যাচে সৌদি আরবের বিপক্ষে গোলের পরই সিজদায় অবনত হয়ে তিনি স্রষ্টাকে ধন্যবাদ জানিয়েছিলেন। এবার বিশ্বজয়ের পর মোনাজাত ধরতে দেখা গেলো এই তারকা খেলোয়াড়কে।
২০২৫ সালে বেনফিকার বিপক্ষে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ম্যাচে রোজা রেখে খেলতে নেমেছিলেন ইয়ামাল। এর পর থেকেই তার ধর্মীয় আবেগের বিষয়টি আলোচনায় আসে। রোজা অবস্থাতেই করেছিলেন অ্যাসিস্ট, ইফতারের পর করেছিলেন গোলও। তার জন্য বার্সেলোনায় বিশেষ ব্যবস্থাও থাকে রমজানের সময়ে।
ফিলিস্তিনিদের প্রতিও তার সমর্থন দেখা গেছে। গত মে মাসে বার্সেলোনার লা লিগা শিরোপা জয়ের পর ছাদখোলা বাসে করে বের হওয়া উৎসব মিছিলে ফিলিস্তিনের পতাকা উড়িয়েছিলেন ইয়ামাল। এল ক্লাসিকোয় রিয়াল মাদ্রিদকে হারিয়ে শিরোপা নিশ্চিত করার পরদিন এই ঘটনা ঘটে। বার্সেলোনার রাস্তায় তখন প্রায় সাড়ে সাত লাখ মানুষ জড়ো হয়েছিলেন তাদেরকে অভিনন্দন জানাতে।
এই ঘটনা তখন অনেকদূর গড়িয়েছিল। ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী এই ঘটনার সমালোচনা করেন। ইসরায়েলের বিপক্ষে ঘৃণা ছড়ানো হচ্ছে বলে দাবি করেন তিনি। এমনকি বিশ্বকাপ থেকে বাদ দেওয়ারও দাবি ওঠে। তবে স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ ইয়ামালের পক্ষে দাঁড়ান। তিনি বলেন, একটা পতাকা দিয়ে সহমর্মিতা দেখানোকে ঘৃণা ছড়ানোর কাজ বলা ঠিক নয়।

শিরোপা জিতে মাঠেই মোনাজাতে ইয়ামাল
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

বিশ্বকাপ জয়ের পর অন্যান্য সতীর্থরা যখন উদযাপনে ব্যস্ত, তখন মাঠেই আবেগঘন এক মুহূর্তের দেখা মিললো স্পেনের তারকা খেলোয়াড় লামিনে ইয়ামালের কাছ থেকে। ম্যাচ শেষের পরপরই তিনি মোনাজাত ধরে স্রষ্টার প্রতি শুকরিয়া জ্ঞাপন করেন।
রবিবার (১৯ জুলাই) নিউজার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে যখন শেষ বাঁশি বেজেছে, তখন মাঠে হাঁটু গেড়ে বসে থাকতে দেখা যায় ইয়ামালকে। দুই হাত জোড় করে কিছুক্ষণ মাথা নিচু করে থাকেন তিনি। ১২০ মিনিটেরও অধিক সময় খেলে শিরোপা জয়ের আবেগ তার চোখেমুখে স্পষ্ট ছিল।
তবে এটাই প্রথম নয়। বিশ্বকাপে দ্বিতীয় ম্যাচে সৌদি আরবের বিপক্ষে গোলের পরই সিজদায় অবনত হয়ে তিনি স্রষ্টাকে ধন্যবাদ জানিয়েছিলেন। এবার বিশ্বজয়ের পর মোনাজাত ধরতে দেখা গেলো এই তারকা খেলোয়াড়কে।
২০২৫ সালে বেনফিকার বিপক্ষে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ম্যাচে রোজা রেখে খেলতে নেমেছিলেন ইয়ামাল। এর পর থেকেই তার ধর্মীয় আবেগের বিষয়টি আলোচনায় আসে। রোজা অবস্থাতেই করেছিলেন অ্যাসিস্ট, ইফতারের পর করেছিলেন গোলও। তার জন্য বার্সেলোনায় বিশেষ ব্যবস্থাও থাকে রমজানের সময়ে।
ফিলিস্তিনিদের প্রতিও তার সমর্থন দেখা গেছে। গত মে মাসে বার্সেলোনার লা লিগা শিরোপা জয়ের পর ছাদখোলা বাসে করে বের হওয়া উৎসব মিছিলে ফিলিস্তিনের পতাকা উড়িয়েছিলেন ইয়ামাল। এল ক্লাসিকোয় রিয়াল মাদ্রিদকে হারিয়ে শিরোপা নিশ্চিত করার পরদিন এই ঘটনা ঘটে। বার্সেলোনার রাস্তায় তখন প্রায় সাড়ে সাত লাখ মানুষ জড়ো হয়েছিলেন তাদেরকে অভিনন্দন জানাতে।
এই ঘটনা তখন অনেকদূর গড়িয়েছিল। ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী এই ঘটনার সমালোচনা করেন। ইসরায়েলের বিপক্ষে ঘৃণা ছড়ানো হচ্ছে বলে দাবি করেন তিনি। এমনকি বিশ্বকাপ থেকে বাদ দেওয়ারও দাবি ওঠে। তবে স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ ইয়ামালের পক্ষে দাঁড়ান। তিনি বলেন, একটা পতাকা দিয়ে সহমর্মিতা দেখানোকে ঘৃণা ছড়ানোর কাজ বলা ঠিক নয়।

আবার ইউরোর পর বিশ্বকাপ জয়ে অনন্য কীর্তি স্পেনের





