পাকিস্তানের সামরিক কাঠামোতে রদবদল, সর্বময় কর্তৃত্বে সেনাপ্রধান

পাকিস্তানের সামরিক কাঠামোতে রদবদল, সর্বময় কর্তৃত্বে সেনাপ্রধান
সিজেডএন ডেস্ক

পাকিস্তানের সামরিক কমান্ড কাঠামোয় এক বড় ধরনের রদবদল আনা হয়েছে। নতুন আইন পাসের মাধ্যমে সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমান বাহিনীর সর্বময় পরিচালনাগত ক্ষমতা তুলে দেওয়া হয়েছে সেনাপ্রধানের হাতে। এর ফলে দেশটির সামরিক বাহিনীতে সেনাবাহিনীর একচ্ছত্র আধিপত্য যেমন জোরদার হলো, তেমনি বেসামরিক সরকারের নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখা নিয়ে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে।
২০ আগস্ট পাকিস্তানের জাতীয় সংসদে ‘পাকিস্তান ডিফেন্স ফোর্সেস অ্যাক্ট, ২০২৬’ এবং ‘ন্যাশনাল কমান্ড অথরিটি অ্যাক্ট’-এর সংশোধনী অনুমোদিত হয়। এ আইন পাসের মাধ্যমে গত বছর চালু হওয়া ‘চিফ অব ডিফেন্স ফোর্সেস’ বা সিডিএফ পদটি পূর্ণাঙ্গ আইনি ভিত্তি পেল। একই সঙ্গে বিলুপ্ত করা হয়েছে ঐতিহ্যবাহী জয়েন্ট চিফ অব স্টাফ কমিটির চেয়ারম্যানের পদটি। তার বদলে গঠিত নতুন ‘ডিফেন্স ফোর্সেস হেডকোয়ার্টার্স’-এর শীর্ষ পদে দায়িত্ব পেয়েছেন বর্তমান সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির।
আগের ব্যবস্থায় জয়েন্ট চিফ অব স্টাফ কমিটির কাজ ছিল কেবল তিন বাহিনীর কাজের মধ্যে সমন্বয় করা। নৌ বা বিমান বাহিনীর ওপর তাদের কোনো সরাসরি নিয়ন্ত্রণ ছিল না। তবে নতুন আইনে সে চিত্র পুরোপুরি বদলে গেছে। এখন থেকে সিডিএফ একাধারে সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর সরাসরি অপারেশনাল কমান্ড পরিচালনা করবেন। শুধু সাধারণ সামরিক অভিযানই নয়, দেশের কৌশলগত পারমাণবিক অস্ত্রের কমান্ড কাঠামোর শীর্ষ পদটিতেও কেবল সেনা কর্মকর্তাদের বসা নিশ্চিত করা হয়েছে। এর ফলে নৌ ও বিমান বাহিনীর শীর্ষ নেতৃত্বের ভূমিকা অনেকটাই সীমিত হয়ে পড়ল।
কর্মকর্তাদের বরখাস্ত বা আগাম অবসরে পাঠানোর ক্ষমতাতেও বড় ধরনের পরিবর্তন আনা হয়েছে। আগে এসব সিদ্ধান্তের জন্য প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভার অনুমোদনের বাধ্যবাধকতা থাকলেও এখন তা সিডিএফ-এর একচ্ছত্র এখতিয়ারের অধীন করা হয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, ১৯৭৬ সালের পর পাকিস্তানের সামরিক নেতৃত্বের কাঠামোয় এটিই সবচেয়ে বড় পরিবর্তন। ভারতের সঙ্গে সাম্প্রতিক সামরিক উত্তেজনার পরই পুরো প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে এক ছাতার নিচে আনার এ প্রক্রিয়া গতি পায়। তবে এই পদক্ষেপের ফলে একদিকে যেমন সামরিক বাহিনীর ভেতর ভারসাম্য নষ্ট হওয়ার শঙ্কা তৈরি হয়েছে, অন্যদিকে দেশের রাজনীতি ও প্রশাসনে সেনাবাহিনীর প্রভাব আরও পাকাপোক্ত হলো।
সূত্র: আল জাজিরা

পাকিস্তানের সামরিক কমান্ড কাঠামোয় এক বড় ধরনের রদবদল আনা হয়েছে। নতুন আইন পাসের মাধ্যমে সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমান বাহিনীর সর্বময় পরিচালনাগত ক্ষমতা তুলে দেওয়া হয়েছে সেনাপ্রধানের হাতে। এর ফলে দেশটির সামরিক বাহিনীতে সেনাবাহিনীর একচ্ছত্র আধিপত্য যেমন জোরদার হলো, তেমনি বেসামরিক সরকারের নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখা নিয়ে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে।
২০ আগস্ট পাকিস্তানের জাতীয় সংসদে ‘পাকিস্তান ডিফেন্স ফোর্সেস অ্যাক্ট, ২০২৬’ এবং ‘ন্যাশনাল কমান্ড অথরিটি অ্যাক্ট’-এর সংশোধনী অনুমোদিত হয়। এ আইন পাসের মাধ্যমে গত বছর চালু হওয়া ‘চিফ অব ডিফেন্স ফোর্সেস’ বা সিডিএফ পদটি পূর্ণাঙ্গ আইনি ভিত্তি পেল। একই সঙ্গে বিলুপ্ত করা হয়েছে ঐতিহ্যবাহী জয়েন্ট চিফ অব স্টাফ কমিটির চেয়ারম্যানের পদটি। তার বদলে গঠিত নতুন ‘ডিফেন্স ফোর্সেস হেডকোয়ার্টার্স’-এর শীর্ষ পদে দায়িত্ব পেয়েছেন বর্তমান সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির।
আগের ব্যবস্থায় জয়েন্ট চিফ অব স্টাফ কমিটির কাজ ছিল কেবল তিন বাহিনীর কাজের মধ্যে সমন্বয় করা। নৌ বা বিমান বাহিনীর ওপর তাদের কোনো সরাসরি নিয়ন্ত্রণ ছিল না। তবে নতুন আইনে সে চিত্র পুরোপুরি বদলে গেছে। এখন থেকে সিডিএফ একাধারে সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর সরাসরি অপারেশনাল কমান্ড পরিচালনা করবেন। শুধু সাধারণ সামরিক অভিযানই নয়, দেশের কৌশলগত পারমাণবিক অস্ত্রের কমান্ড কাঠামোর শীর্ষ পদটিতেও কেবল সেনা কর্মকর্তাদের বসা নিশ্চিত করা হয়েছে। এর ফলে নৌ ও বিমান বাহিনীর শীর্ষ নেতৃত্বের ভূমিকা অনেকটাই সীমিত হয়ে পড়ল।
কর্মকর্তাদের বরখাস্ত বা আগাম অবসরে পাঠানোর ক্ষমতাতেও বড় ধরনের পরিবর্তন আনা হয়েছে। আগে এসব সিদ্ধান্তের জন্য প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভার অনুমোদনের বাধ্যবাধকতা থাকলেও এখন তা সিডিএফ-এর একচ্ছত্র এখতিয়ারের অধীন করা হয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, ১৯৭৬ সালের পর পাকিস্তানের সামরিক নেতৃত্বের কাঠামোয় এটিই সবচেয়ে বড় পরিবর্তন। ভারতের সঙ্গে সাম্প্রতিক সামরিক উত্তেজনার পরই পুরো প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে এক ছাতার নিচে আনার এ প্রক্রিয়া গতি পায়। তবে এই পদক্ষেপের ফলে একদিকে যেমন সামরিক বাহিনীর ভেতর ভারসাম্য নষ্ট হওয়ার শঙ্কা তৈরি হয়েছে, অন্যদিকে দেশের রাজনীতি ও প্রশাসনে সেনাবাহিনীর প্রভাব আরও পাকাপোক্ত হলো।
সূত্র: আল জাজিরা

পাকিস্তানের সামরিক কাঠামোতে রদবদল, সর্বময় কর্তৃত্বে সেনাপ্রধান
সিজেডএন ডেস্ক

পাকিস্তানের সামরিক কমান্ড কাঠামোয় এক বড় ধরনের রদবদল আনা হয়েছে। নতুন আইন পাসের মাধ্যমে সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমান বাহিনীর সর্বময় পরিচালনাগত ক্ষমতা তুলে দেওয়া হয়েছে সেনাপ্রধানের হাতে। এর ফলে দেশটির সামরিক বাহিনীতে সেনাবাহিনীর একচ্ছত্র আধিপত্য যেমন জোরদার হলো, তেমনি বেসামরিক সরকারের নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখা নিয়ে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে।
২০ আগস্ট পাকিস্তানের জাতীয় সংসদে ‘পাকিস্তান ডিফেন্স ফোর্সেস অ্যাক্ট, ২০২৬’ এবং ‘ন্যাশনাল কমান্ড অথরিটি অ্যাক্ট’-এর সংশোধনী অনুমোদিত হয়। এ আইন পাসের মাধ্যমে গত বছর চালু হওয়া ‘চিফ অব ডিফেন্স ফোর্সেস’ বা সিডিএফ পদটি পূর্ণাঙ্গ আইনি ভিত্তি পেল। একই সঙ্গে বিলুপ্ত করা হয়েছে ঐতিহ্যবাহী জয়েন্ট চিফ অব স্টাফ কমিটির চেয়ারম্যানের পদটি। তার বদলে গঠিত নতুন ‘ডিফেন্স ফোর্সেস হেডকোয়ার্টার্স’-এর শীর্ষ পদে দায়িত্ব পেয়েছেন বর্তমান সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির।
আগের ব্যবস্থায় জয়েন্ট চিফ অব স্টাফ কমিটির কাজ ছিল কেবল তিন বাহিনীর কাজের মধ্যে সমন্বয় করা। নৌ বা বিমান বাহিনীর ওপর তাদের কোনো সরাসরি নিয়ন্ত্রণ ছিল না। তবে নতুন আইনে সে চিত্র পুরোপুরি বদলে গেছে। এখন থেকে সিডিএফ একাধারে সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর সরাসরি অপারেশনাল কমান্ড পরিচালনা করবেন। শুধু সাধারণ সামরিক অভিযানই নয়, দেশের কৌশলগত পারমাণবিক অস্ত্রের কমান্ড কাঠামোর শীর্ষ পদটিতেও কেবল সেনা কর্মকর্তাদের বসা নিশ্চিত করা হয়েছে। এর ফলে নৌ ও বিমান বাহিনীর শীর্ষ নেতৃত্বের ভূমিকা অনেকটাই সীমিত হয়ে পড়ল।
কর্মকর্তাদের বরখাস্ত বা আগাম অবসরে পাঠানোর ক্ষমতাতেও বড় ধরনের পরিবর্তন আনা হয়েছে। আগে এসব সিদ্ধান্তের জন্য প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভার অনুমোদনের বাধ্যবাধকতা থাকলেও এখন তা সিডিএফ-এর একচ্ছত্র এখতিয়ারের অধীন করা হয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, ১৯৭৬ সালের পর পাকিস্তানের সামরিক নেতৃত্বের কাঠামোয় এটিই সবচেয়ে বড় পরিবর্তন। ভারতের সঙ্গে সাম্প্রতিক সামরিক উত্তেজনার পরই পুরো প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে এক ছাতার নিচে আনার এ প্রক্রিয়া গতি পায়। তবে এই পদক্ষেপের ফলে একদিকে যেমন সামরিক বাহিনীর ভেতর ভারসাম্য নষ্ট হওয়ার শঙ্কা তৈরি হয়েছে, অন্যদিকে দেশের রাজনীতি ও প্রশাসনে সেনাবাহিনীর প্রভাব আরও পাকাপোক্ত হলো।
সূত্র: আল জাজিরা

পাকিস্তানে বিশেষ অভিযানে ভারত সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠীর ৪৮ সদস্য নিহত





-CznNewsLab-e3ce52.jpg)

