জাতিসংঘ অধিবেশনের আগে প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের সম্ভাবনা নেই: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

জাতিসংঘ অধিবেশনের আগে প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের সম্ভাবনা নেই: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
সিলেট সংবাদদাতা

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফরের দিন-তারিখ এখনো চূড়ান্ত না হলেও এ ব্যাপারে দ্বিপাক্ষিক আলোচনা চলছে। তবে জাতিসংঘের অধিবেশনের আগে তার ভারত সফরের কোনো সম্ভাবনা নেই বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির।
শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) সকালে সিলেটের কর্মরত টেলিভিশন সাংবাদিকদের সংগঠন ইমজার নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এ মন্তব্য করেন।
এর আগে শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর সাক্ষাৎকার গ্রহণের সময় সাংবাদিকরা হেনস্থার শিকার হওয়ার প্রেক্ষাপটে তিনি এ সৌজন্য সাক্ষাতে আসেন।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সম্পৃক্ততা ও জাতীয় স্বার্থের ভিত্তিতে এগিয়ে নিতে হবে। বাংলাদেশের জনগণের অধিকার ও স্বাধীনতার বিষয়গুলোও এ সম্পর্কের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ।
তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের একটি কার্যকর সম্পর্ক থাকা প্রয়োজন। একইসঙ্গে বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থ ও জনগণের প্রত্যাশার বিষয়গুলো ভারতকে উপলব্ধি করতে হবে। ভারতের নীতি-নির্ধারকরা বিষয়টি বুঝতে শুরু করেছেন।
হুমায়ুন কবির বলেন, ভারতের সঙ্গে হাজার সমস্যা থাকলেও আলোচনার পথ বন্ধ নেই। প্রতিবেশী হিসেবে ভারতের সঙ্গে সুসম্পর্কই থাকা উচিত।
রাশিয়ার সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্কের বিষয়ে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র, চীন, সৌদি আরব ও মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের দৃঢ় সম্পর্ক রয়েছে। একইসঙ্গে রাশিয়ার সঙ্গেও একটি কার্যকর কর্ম সম্পর্ক গড়ে উঠছে।
তিনি বলেন, নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার প্রথম দিন থেকেই এমন একটি পররাষ্ট্রনীতির কাঠামো নিয়ে কাজ করছে, যেন বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ শক্তিগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্কের ভারসাম্য বজায় থাকে। ওয়াশিংটন, বেইজিং, সৌদি আরব ও মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর পাশাপাশি রাশিয়ার সঙ্গেও সম্পর্ককে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, নতুন বাংলাদেশের অগ্রযাত্রার বার্তা নিয়ে জাতিসংঘে যাবেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠকের সম্ভাবনা আছে।
সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র থেকে বোয়িং কেনা এবং মার্কিন প্রেসিডেন্টের চিঠি প্রসঙ্গে জানতে চাইলে তিনি বলেন, বোয়িং বিমান কিনতে হবে এমন কোনো চাপ কেউ দিচ্ছে না। দেশে চাহিদা আছে বলেই আমেরিকা থেকে বোয়িং কেনা হচ্ছে, প্রয়োজনে আরও কেনা হবে। প্রয়োজন হলে বোয়িং কেনা হবে, এয়ারবাস কেনা হবে, যেটা প্রয়োজন সেটা কেনা হবে।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, মক্কা চুক্তি নিয়েও আলাপ-আলোচনা চলছে। এই চুক্তিতে যুক্ত হওয়া বাংলাদেশের জন্য অস্বাভাবিক নয়। বর্তমান বিশ্বে অনেক দেশই একাধিক নিরাপত্তা জোটে থাকছে। জাতীয় স্বার্থের ভিত্তিতে যেখানে যাওয়া প্রয়োজন, বাংলাদেশ সেখানেই যাবে।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফরের দিন-তারিখ এখনো চূড়ান্ত না হলেও এ ব্যাপারে দ্বিপাক্ষিক আলোচনা চলছে। তবে জাতিসংঘের অধিবেশনের আগে তার ভারত সফরের কোনো সম্ভাবনা নেই বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির।
শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) সকালে সিলেটের কর্মরত টেলিভিশন সাংবাদিকদের সংগঠন ইমজার নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এ মন্তব্য করেন।
এর আগে শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর সাক্ষাৎকার গ্রহণের সময় সাংবাদিকরা হেনস্থার শিকার হওয়ার প্রেক্ষাপটে তিনি এ সৌজন্য সাক্ষাতে আসেন।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সম্পৃক্ততা ও জাতীয় স্বার্থের ভিত্তিতে এগিয়ে নিতে হবে। বাংলাদেশের জনগণের অধিকার ও স্বাধীনতার বিষয়গুলোও এ সম্পর্কের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ।
তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের একটি কার্যকর সম্পর্ক থাকা প্রয়োজন। একইসঙ্গে বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থ ও জনগণের প্রত্যাশার বিষয়গুলো ভারতকে উপলব্ধি করতে হবে। ভারতের নীতি-নির্ধারকরা বিষয়টি বুঝতে শুরু করেছেন।
হুমায়ুন কবির বলেন, ভারতের সঙ্গে হাজার সমস্যা থাকলেও আলোচনার পথ বন্ধ নেই। প্রতিবেশী হিসেবে ভারতের সঙ্গে সুসম্পর্কই থাকা উচিত।
রাশিয়ার সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্কের বিষয়ে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র, চীন, সৌদি আরব ও মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের দৃঢ় সম্পর্ক রয়েছে। একইসঙ্গে রাশিয়ার সঙ্গেও একটি কার্যকর কর্ম সম্পর্ক গড়ে উঠছে।
তিনি বলেন, নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার প্রথম দিন থেকেই এমন একটি পররাষ্ট্রনীতির কাঠামো নিয়ে কাজ করছে, যেন বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ শক্তিগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্কের ভারসাম্য বজায় থাকে। ওয়াশিংটন, বেইজিং, সৌদি আরব ও মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর পাশাপাশি রাশিয়ার সঙ্গেও সম্পর্ককে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, নতুন বাংলাদেশের অগ্রযাত্রার বার্তা নিয়ে জাতিসংঘে যাবেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠকের সম্ভাবনা আছে।
সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র থেকে বোয়িং কেনা এবং মার্কিন প্রেসিডেন্টের চিঠি প্রসঙ্গে জানতে চাইলে তিনি বলেন, বোয়িং বিমান কিনতে হবে এমন কোনো চাপ কেউ দিচ্ছে না। দেশে চাহিদা আছে বলেই আমেরিকা থেকে বোয়িং কেনা হচ্ছে, প্রয়োজনে আরও কেনা হবে। প্রয়োজন হলে বোয়িং কেনা হবে, এয়ারবাস কেনা হবে, যেটা প্রয়োজন সেটা কেনা হবে।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, মক্কা চুক্তি নিয়েও আলাপ-আলোচনা চলছে। এই চুক্তিতে যুক্ত হওয়া বাংলাদেশের জন্য অস্বাভাবিক নয়। বর্তমান বিশ্বে অনেক দেশই একাধিক নিরাপত্তা জোটে থাকছে। জাতীয় স্বার্থের ভিত্তিতে যেখানে যাওয়া প্রয়োজন, বাংলাদেশ সেখানেই যাবে।

জাতিসংঘ অধিবেশনের আগে প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের সম্ভাবনা নেই: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
সিলেট সংবাদদাতা

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফরের দিন-তারিখ এখনো চূড়ান্ত না হলেও এ ব্যাপারে দ্বিপাক্ষিক আলোচনা চলছে। তবে জাতিসংঘের অধিবেশনের আগে তার ভারত সফরের কোনো সম্ভাবনা নেই বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির।
শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) সকালে সিলেটের কর্মরত টেলিভিশন সাংবাদিকদের সংগঠন ইমজার নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এ মন্তব্য করেন।
এর আগে শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর সাক্ষাৎকার গ্রহণের সময় সাংবাদিকরা হেনস্থার শিকার হওয়ার প্রেক্ষাপটে তিনি এ সৌজন্য সাক্ষাতে আসেন।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সম্পৃক্ততা ও জাতীয় স্বার্থের ভিত্তিতে এগিয়ে নিতে হবে। বাংলাদেশের জনগণের অধিকার ও স্বাধীনতার বিষয়গুলোও এ সম্পর্কের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ।
তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের একটি কার্যকর সম্পর্ক থাকা প্রয়োজন। একইসঙ্গে বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থ ও জনগণের প্রত্যাশার বিষয়গুলো ভারতকে উপলব্ধি করতে হবে। ভারতের নীতি-নির্ধারকরা বিষয়টি বুঝতে শুরু করেছেন।
হুমায়ুন কবির বলেন, ভারতের সঙ্গে হাজার সমস্যা থাকলেও আলোচনার পথ বন্ধ নেই। প্রতিবেশী হিসেবে ভারতের সঙ্গে সুসম্পর্কই থাকা উচিত।
রাশিয়ার সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্কের বিষয়ে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র, চীন, সৌদি আরব ও মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের দৃঢ় সম্পর্ক রয়েছে। একইসঙ্গে রাশিয়ার সঙ্গেও একটি কার্যকর কর্ম সম্পর্ক গড়ে উঠছে।
তিনি বলেন, নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার প্রথম দিন থেকেই এমন একটি পররাষ্ট্রনীতির কাঠামো নিয়ে কাজ করছে, যেন বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ শক্তিগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্কের ভারসাম্য বজায় থাকে। ওয়াশিংটন, বেইজিং, সৌদি আরব ও মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর পাশাপাশি রাশিয়ার সঙ্গেও সম্পর্ককে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, নতুন বাংলাদেশের অগ্রযাত্রার বার্তা নিয়ে জাতিসংঘে যাবেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠকের সম্ভাবনা আছে।
সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র থেকে বোয়িং কেনা এবং মার্কিন প্রেসিডেন্টের চিঠি প্রসঙ্গে জানতে চাইলে তিনি বলেন, বোয়িং বিমান কিনতে হবে এমন কোনো চাপ কেউ দিচ্ছে না। দেশে চাহিদা আছে বলেই আমেরিকা থেকে বোয়িং কেনা হচ্ছে, প্রয়োজনে আরও কেনা হবে। প্রয়োজন হলে বোয়িং কেনা হবে, এয়ারবাস কেনা হবে, যেটা প্রয়োজন সেটা কেনা হবে।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, মক্কা চুক্তি নিয়েও আলাপ-আলোচনা চলছে। এই চুক্তিতে যুক্ত হওয়া বাংলাদেশের জন্য অস্বাভাবিক নয়। বর্তমান বিশ্বে অনেক দেশই একাধিক নিরাপত্তা জোটে থাকছে। জাতীয় স্বার্থের ভিত্তিতে যেখানে যাওয়া প্রয়োজন, বাংলাদেশ সেখানেই যাবে।

বোয়িং কেনায় তারেক রহমানকে ট্রাম্পের ধন্যবাদ







