ইংল্যান্ড ম্যাচ মানেই ফকল্যান্ড যুদ্ধের স্মৃতি: ম্যারাডোনা জুনিয়র

ইংল্যান্ড ম্যাচ মানেই ফকল্যান্ড যুদ্ধের স্মৃতি: ম্যারাডোনা জুনিয়র
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

চলমান ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে মুখোমুখি হতে যাচ্ছে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ড। আটলান্টায় বুধবার (১৫ জুলাই) দিবাগত রাতের এ হাইভোল্টেজ ম্যাচটিকে কেবল ‘সাধারণ কোনো লড়াই’ হিসেবে দেখছেন না দিয়েগো ম্যারাডোনার ছেলে দিয়েগো ম্যারাডোনা জুনিয়র। স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম ‘মার্কা’-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি মন্তব্য করেছেন, ইতিহাস, আবেগ আর রাজনৈতিক সম্পর্কের টানাপোড়েনে ঠাসা এই দ্বৈরথ অন্য যেকোনো ম্যাচের চেয়ে সম্পূর্ণ আলাদা। ইএসপিএন-এর প্রতিবেদনে ম্যারাডোনা জুনিয়রের এই বিশেষ বার্তাটি প্রকাশ পাওয়ার পর ফুটবল বিশ্বে নতুন করে উন্মাদনা তৈরি হয়েছে।
বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনার বিপক্ষে মাঠে নামার আগে ইংলিশদের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ ১৯৬৬ সালের পর প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের ফাইনালে পা রাখা। ম্যারাডোনা জুনিয়র মনে করিয়ে দেন, তার বাবা বেঁচে থাকলে এ ম্যাচকে কখনোই সাধারণ চোখে দেখতেন না। মাঠের ফুটবল ছাপিয়ে দুই দেশের এ লড়াইয়ের পেছনে জড়িয়ে আছে ১৯৮২ সালের ফকল্যান্ড যুদ্ধের রূঢ় স্মৃতি, যেখানে বহু আর্জেন্টাইন প্রাণ হারিয়েছিলেন। সেই ঐতিহাসিক ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটই মূলত এ ম্যাচটিকে ভিন্ন এক আবেগীয় রূপ দেয়।
ফকল্যান্ড যুদ্ধের মাত্র চার বছর পর, ১৯৮৬ সালের মেক্সিকো বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে দুই দেশ যখন সবুজ গালিচায় মুখোমুখি হয়েছিল, তখন ফুটবল বিশ্ব প্রত্যক্ষ করেছিল ইতিহাসের অন্যতম স্মরণীয় মুহূর্ত। সেই ম্যাচে দিয়েগো ম্যারাডোনার বিতর্কিত ‘হ্যান্ড অব গড’ এবং পরবর্তীতে ফিফার ভোটে স্বীকৃতি পাওয়া একক নৈপুণ্যের ‘গোল অব দ্য সেঞ্চুরি’র ওপর ভর করে আর্জেন্টিনা ২-১ ব্যবধানে জয়ী হয় এবং শেষ পর্যন্ত নিজেদের দ্বিতীয় বিশ্বকাপ ট্রফি ঘরে তোলে। সেই থেকে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে আলবিসেলেস্তেদের যেকোনো লড়াই ম্যারাডোনা ভক্ত ও সাধারণ আর্জেন্টাইনদের কাছে একটি বিশেষ উপলক্ষ।
৩৯ বছর বয়সী ম্যারাডোনা জুনিয়র বর্তমান ইংল্যান্ড দলের ফর্মের প্রশংসা করলেও মনে করিয়ে দিয়েছেন, তাদের খেলতে হবে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নদের বিরুদ্ধে। ফলে দুই দলের জন্যই ম্যাচটি সমানে-সমান এবং চরম প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হবে। উল্লেখ্য, দুই পরাশক্তি সর্বশেষ ২০০৫ সালের এক প্রীতি ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিল, যেখানে ইংল্যান্ড ৩-২ ব্যবধানে জয় পায়। দীর্ঘ ২১ বছর পর বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে দুই ফুটবল জায়ান্টের এ মহারণকে কেন্দ্র করে বিশ্বজুড়ে সমর্থকদের মধ্যে এখন টানটান উত্তেজনা বিরাজ করছে।

চলমান ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে মুখোমুখি হতে যাচ্ছে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ড। আটলান্টায় বুধবার (১৫ জুলাই) দিবাগত রাতের এ হাইভোল্টেজ ম্যাচটিকে কেবল ‘সাধারণ কোনো লড়াই’ হিসেবে দেখছেন না দিয়েগো ম্যারাডোনার ছেলে দিয়েগো ম্যারাডোনা জুনিয়র। স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম ‘মার্কা’-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি মন্তব্য করেছেন, ইতিহাস, আবেগ আর রাজনৈতিক সম্পর্কের টানাপোড়েনে ঠাসা এই দ্বৈরথ অন্য যেকোনো ম্যাচের চেয়ে সম্পূর্ণ আলাদা। ইএসপিএন-এর প্রতিবেদনে ম্যারাডোনা জুনিয়রের এই বিশেষ বার্তাটি প্রকাশ পাওয়ার পর ফুটবল বিশ্বে নতুন করে উন্মাদনা তৈরি হয়েছে।
বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনার বিপক্ষে মাঠে নামার আগে ইংলিশদের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ ১৯৬৬ সালের পর প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের ফাইনালে পা রাখা। ম্যারাডোনা জুনিয়র মনে করিয়ে দেন, তার বাবা বেঁচে থাকলে এ ম্যাচকে কখনোই সাধারণ চোখে দেখতেন না। মাঠের ফুটবল ছাপিয়ে দুই দেশের এ লড়াইয়ের পেছনে জড়িয়ে আছে ১৯৮২ সালের ফকল্যান্ড যুদ্ধের রূঢ় স্মৃতি, যেখানে বহু আর্জেন্টাইন প্রাণ হারিয়েছিলেন। সেই ঐতিহাসিক ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটই মূলত এ ম্যাচটিকে ভিন্ন এক আবেগীয় রূপ দেয়।
ফকল্যান্ড যুদ্ধের মাত্র চার বছর পর, ১৯৮৬ সালের মেক্সিকো বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে দুই দেশ যখন সবুজ গালিচায় মুখোমুখি হয়েছিল, তখন ফুটবল বিশ্ব প্রত্যক্ষ করেছিল ইতিহাসের অন্যতম স্মরণীয় মুহূর্ত। সেই ম্যাচে দিয়েগো ম্যারাডোনার বিতর্কিত ‘হ্যান্ড অব গড’ এবং পরবর্তীতে ফিফার ভোটে স্বীকৃতি পাওয়া একক নৈপুণ্যের ‘গোল অব দ্য সেঞ্চুরি’র ওপর ভর করে আর্জেন্টিনা ২-১ ব্যবধানে জয়ী হয় এবং শেষ পর্যন্ত নিজেদের দ্বিতীয় বিশ্বকাপ ট্রফি ঘরে তোলে। সেই থেকে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে আলবিসেলেস্তেদের যেকোনো লড়াই ম্যারাডোনা ভক্ত ও সাধারণ আর্জেন্টাইনদের কাছে একটি বিশেষ উপলক্ষ।
৩৯ বছর বয়সী ম্যারাডোনা জুনিয়র বর্তমান ইংল্যান্ড দলের ফর্মের প্রশংসা করলেও মনে করিয়ে দিয়েছেন, তাদের খেলতে হবে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নদের বিরুদ্ধে। ফলে দুই দলের জন্যই ম্যাচটি সমানে-সমান এবং চরম প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হবে। উল্লেখ্য, দুই পরাশক্তি সর্বশেষ ২০০৫ সালের এক প্রীতি ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিল, যেখানে ইংল্যান্ড ৩-২ ব্যবধানে জয় পায়। দীর্ঘ ২১ বছর পর বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে দুই ফুটবল জায়ান্টের এ মহারণকে কেন্দ্র করে বিশ্বজুড়ে সমর্থকদের মধ্যে এখন টানটান উত্তেজনা বিরাজ করছে।

ইংল্যান্ড ম্যাচ মানেই ফকল্যান্ড যুদ্ধের স্মৃতি: ম্যারাডোনা জুনিয়র
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

চলমান ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে মুখোমুখি হতে যাচ্ছে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ড। আটলান্টায় বুধবার (১৫ জুলাই) দিবাগত রাতের এ হাইভোল্টেজ ম্যাচটিকে কেবল ‘সাধারণ কোনো লড়াই’ হিসেবে দেখছেন না দিয়েগো ম্যারাডোনার ছেলে দিয়েগো ম্যারাডোনা জুনিয়র। স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম ‘মার্কা’-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি মন্তব্য করেছেন, ইতিহাস, আবেগ আর রাজনৈতিক সম্পর্কের টানাপোড়েনে ঠাসা এই দ্বৈরথ অন্য যেকোনো ম্যাচের চেয়ে সম্পূর্ণ আলাদা। ইএসপিএন-এর প্রতিবেদনে ম্যারাডোনা জুনিয়রের এই বিশেষ বার্তাটি প্রকাশ পাওয়ার পর ফুটবল বিশ্বে নতুন করে উন্মাদনা তৈরি হয়েছে।
বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনার বিপক্ষে মাঠে নামার আগে ইংলিশদের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ ১৯৬৬ সালের পর প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের ফাইনালে পা রাখা। ম্যারাডোনা জুনিয়র মনে করিয়ে দেন, তার বাবা বেঁচে থাকলে এ ম্যাচকে কখনোই সাধারণ চোখে দেখতেন না। মাঠের ফুটবল ছাপিয়ে দুই দেশের এ লড়াইয়ের পেছনে জড়িয়ে আছে ১৯৮২ সালের ফকল্যান্ড যুদ্ধের রূঢ় স্মৃতি, যেখানে বহু আর্জেন্টাইন প্রাণ হারিয়েছিলেন। সেই ঐতিহাসিক ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটই মূলত এ ম্যাচটিকে ভিন্ন এক আবেগীয় রূপ দেয়।
ফকল্যান্ড যুদ্ধের মাত্র চার বছর পর, ১৯৮৬ সালের মেক্সিকো বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে দুই দেশ যখন সবুজ গালিচায় মুখোমুখি হয়েছিল, তখন ফুটবল বিশ্ব প্রত্যক্ষ করেছিল ইতিহাসের অন্যতম স্মরণীয় মুহূর্ত। সেই ম্যাচে দিয়েগো ম্যারাডোনার বিতর্কিত ‘হ্যান্ড অব গড’ এবং পরবর্তীতে ফিফার ভোটে স্বীকৃতি পাওয়া একক নৈপুণ্যের ‘গোল অব দ্য সেঞ্চুরি’র ওপর ভর করে আর্জেন্টিনা ২-১ ব্যবধানে জয়ী হয় এবং শেষ পর্যন্ত নিজেদের দ্বিতীয় বিশ্বকাপ ট্রফি ঘরে তোলে। সেই থেকে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে আলবিসেলেস্তেদের যেকোনো লড়াই ম্যারাডোনা ভক্ত ও সাধারণ আর্জেন্টাইনদের কাছে একটি বিশেষ উপলক্ষ।
৩৯ বছর বয়সী ম্যারাডোনা জুনিয়র বর্তমান ইংল্যান্ড দলের ফর্মের প্রশংসা করলেও মনে করিয়ে দিয়েছেন, তাদের খেলতে হবে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নদের বিরুদ্ধে। ফলে দুই দলের জন্যই ম্যাচটি সমানে-সমান এবং চরম প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হবে। উল্লেখ্য, দুই পরাশক্তি সর্বশেষ ২০০৫ সালের এক প্রীতি ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিল, যেখানে ইংল্যান্ড ৩-২ ব্যবধানে জয় পায়। দীর্ঘ ২১ বছর পর বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে দুই ফুটবল জায়ান্টের এ মহারণকে কেন্দ্র করে বিশ্বজুড়ে সমর্থকদের মধ্যে এখন টানটান উত্তেজনা বিরাজ করছে।

আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ড: আটলান্টায় আজ ফকল্যান্ড যুদ্ধ
নিউইয়র্ক, আমরা আসছি: ইয়ামাল





