এখানে হাত বাড়ালে ব্লাস্ট হবেই: ফারিয়া

এখানে হাত বাড়ালে ব্লাস্ট হবেই: ফারিয়া
বিনোদন ডেস্ক

১৪ বছরের মিডিয়া জীবনে কখনও আপত্তিকর বা খারাপ প্রস্তাব পাননি বলে দাবি করেছেন ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী শবনম ফারিয়া। সম্প্রতি সামাজিকমাধ্যম ফেসবুকে নিজের ভেরিফায়েড একাউন্টে দীর্ঘ এক স্ট্যাটাসে মিডিয়া জীবন, ব্যক্তিগত সংগ্রাম ও তাকে নিয়ে ছড়ানো গুজবের বিষয়ে মুখ খুলেছেন অভিনেত্রী।
পোস্টে শবনম ফারিয়া জানান, তিনি মিডিয়াতে টুকটাক কাজ শুরু করেন ২০১২ সালে। পড়াশোনার পাশাপাশি ফটোশুট ও বিজ্ঞাপন করতেন। ২০১৩ সালে প্রথম টেলিফিল্ম করলেও পরিবার থেকে নির্দেশনা আসে, ব্যাচেলরস শেষ না করে আর অভিনয় করা যাবে না।
২০১৫ সালে গ্রাজুয়েশন শেষ হওয়ার পর ২০২০ সাল থেকে নিয়মিত অভিনয় শুরু করেন ফারিয়া। তিনি বলেন, ‘করোনা এবং নভেম্বরে আমার ডিভোর্সের পর অভিনয় থেকে বিরতি নিই। এর মধ্যে পলিসিস্টিক ওভেরিয়ান সিনড্রোমের কারণে আমার ওজন অনেক বেড়ে যায়। সেই ওজন নিয়ে ক্যামেরার সামনে কাজ করতে আমি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করছিলাম না। প্রথমে কাজ কমিয়ে ওজন কমানোর চেষ্টা করি, তারপর সম্পূর্ণ বিরতি নিয়ে মাস্টার্স শেষ করি। মাস্টার্স শেষ করেই চাকরিতে যোগ দিই।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমি অনেক বড় গলায় বলতে পারি, এই দীর্ঘ ১৪ বছরে কেউ কোনো দিন, সরাসরি কিংবা আকারে-ইঙ্গিতে আমাকে কোনো খারাপ প্রস্তাব দেয়নি কিংবা দেওয়ার সাহস পায়নি। আমি বিশ্বাস করি, আমি কাকে আমার কাছে কতটুকু অ্যাক্সেস দেব, আমার কাছে সে ঠিক ততটুকুই পৌঁছাতে পারবে।’
মিডিয়ার বেশিরভাগ মানুষই আমাকে স্নেহ করেন জানিয়ে ফারিয়া বলেন, ‘২০১৯ সালে যখন আমার বিয়ে হয়। সেটা আমাদের ইন্ডাস্ট্রিতে যেন একটা উৎসবের মতো ছিল। সবাই আনন্দের সঙ্গে অংশগ্রহণ করেছে, উপভোগ করেছে।’
‘আমার মিডিয়াতে বদনাম ছিল, আমি রাগী। এর বাইরে আমি গ্যারান্টি দিয়ে বলতে পারি, একটা মানুষও আমাকে নিয়ে এ ধরনের কোনো ঘটনার কথা বলবে না কিংবা বানিয়ে বললেও তার প্রমাণ দিতে পারবে না,’ যোগ করেন অভিনেত্রী।
এর কারণ হিসেবে তিনি বলেন, ‘প্রথমত, আমি ডিরেক্টরস আর্টিস্ট। আমি কোনো দিন কোনো প্রডিউসারের সঙ্গে কাজের বিষয়ে কথা বলি না। ডিরেক্টরের যদি মনে হয় কোনো চরিত্রে আমাকে চান, তাহলে তারাই যোগাযোগ করেন। দ্বিতীয়ত, বাংলাদেশে পরিচালক-প্রযোজকেরা প্রাইভেট পার্টি করে না। তারা কাজ করেই কুল পায় না। পার্টি করার মতো এত সময় বা অর্থ তাদের নেই ‘
নিজেকে ঠোটকাটা হিসেবে উপস্থাপন করে অভিনেত্রী বলেন, ‘আমার যে ইমেজ, আমাকে এসব বলা মানে নিজের ইজ্জত নিজের হাতে গলা টিপে মেরে ফেলা। আমি শতভাগ সেই কথার স্ক্রিনশট কিংবা কল রেকর্ড প্রকাশ করে দেব। মামলা করব। আর আমার মুখ যে পরিমাণ খারাপ করার ক্যাপাবিলিটি আছে, সেটা বিভিন্ন সময় আমার কমেন্ট রিপ্লাই দেখলেই বোঝার কথা।’
গুজব ছড়ানো ও সমালোচকদের কড়া ভাষায় জবাব দিয়েছেন ফারিয়া। তিনি বলেন, ‘আজে বাজে কথা ছড়ানোই আপনাদের কাজ। কিন্তু বুঝে-শুনে এসব করতে হয়। ডায়নামাইটে হাত দিলে তো হবে না। সবাই জানে, এখানে হাত বাড়ালে ব্লাস্ট হবেই। এসব বালসাল রিউমার ছড়ানোর জন্য খুব খারাপ মানুষ বেছে নিয়েছেন। মিডিয়ায় কাজ করে এমন একজন মানুষকে খুঁজে বের করে আমার সম্পর্কে জানতে চাইবেন। তারপর বুঝবেন, আমি কী জিনিস।’

১৪ বছরের মিডিয়া জীবনে কখনও আপত্তিকর বা খারাপ প্রস্তাব পাননি বলে দাবি করেছেন ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী শবনম ফারিয়া। সম্প্রতি সামাজিকমাধ্যম ফেসবুকে নিজের ভেরিফায়েড একাউন্টে দীর্ঘ এক স্ট্যাটাসে মিডিয়া জীবন, ব্যক্তিগত সংগ্রাম ও তাকে নিয়ে ছড়ানো গুজবের বিষয়ে মুখ খুলেছেন অভিনেত্রী।
পোস্টে শবনম ফারিয়া জানান, তিনি মিডিয়াতে টুকটাক কাজ শুরু করেন ২০১২ সালে। পড়াশোনার পাশাপাশি ফটোশুট ও বিজ্ঞাপন করতেন। ২০১৩ সালে প্রথম টেলিফিল্ম করলেও পরিবার থেকে নির্দেশনা আসে, ব্যাচেলরস শেষ না করে আর অভিনয় করা যাবে না।
২০১৫ সালে গ্রাজুয়েশন শেষ হওয়ার পর ২০২০ সাল থেকে নিয়মিত অভিনয় শুরু করেন ফারিয়া। তিনি বলেন, ‘করোনা এবং নভেম্বরে আমার ডিভোর্সের পর অভিনয় থেকে বিরতি নিই। এর মধ্যে পলিসিস্টিক ওভেরিয়ান সিনড্রোমের কারণে আমার ওজন অনেক বেড়ে যায়। সেই ওজন নিয়ে ক্যামেরার সামনে কাজ করতে আমি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করছিলাম না। প্রথমে কাজ কমিয়ে ওজন কমানোর চেষ্টা করি, তারপর সম্পূর্ণ বিরতি নিয়ে মাস্টার্স শেষ করি। মাস্টার্স শেষ করেই চাকরিতে যোগ দিই।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমি অনেক বড় গলায় বলতে পারি, এই দীর্ঘ ১৪ বছরে কেউ কোনো দিন, সরাসরি কিংবা আকারে-ইঙ্গিতে আমাকে কোনো খারাপ প্রস্তাব দেয়নি কিংবা দেওয়ার সাহস পায়নি। আমি বিশ্বাস করি, আমি কাকে আমার কাছে কতটুকু অ্যাক্সেস দেব, আমার কাছে সে ঠিক ততটুকুই পৌঁছাতে পারবে।’
মিডিয়ার বেশিরভাগ মানুষই আমাকে স্নেহ করেন জানিয়ে ফারিয়া বলেন, ‘২০১৯ সালে যখন আমার বিয়ে হয়। সেটা আমাদের ইন্ডাস্ট্রিতে যেন একটা উৎসবের মতো ছিল। সবাই আনন্দের সঙ্গে অংশগ্রহণ করেছে, উপভোগ করেছে।’
‘আমার মিডিয়াতে বদনাম ছিল, আমি রাগী। এর বাইরে আমি গ্যারান্টি দিয়ে বলতে পারি, একটা মানুষও আমাকে নিয়ে এ ধরনের কোনো ঘটনার কথা বলবে না কিংবা বানিয়ে বললেও তার প্রমাণ দিতে পারবে না,’ যোগ করেন অভিনেত্রী।
এর কারণ হিসেবে তিনি বলেন, ‘প্রথমত, আমি ডিরেক্টরস আর্টিস্ট। আমি কোনো দিন কোনো প্রডিউসারের সঙ্গে কাজের বিষয়ে কথা বলি না। ডিরেক্টরের যদি মনে হয় কোনো চরিত্রে আমাকে চান, তাহলে তারাই যোগাযোগ করেন। দ্বিতীয়ত, বাংলাদেশে পরিচালক-প্রযোজকেরা প্রাইভেট পার্টি করে না। তারা কাজ করেই কুল পায় না। পার্টি করার মতো এত সময় বা অর্থ তাদের নেই ‘
নিজেকে ঠোটকাটা হিসেবে উপস্থাপন করে অভিনেত্রী বলেন, ‘আমার যে ইমেজ, আমাকে এসব বলা মানে নিজের ইজ্জত নিজের হাতে গলা টিপে মেরে ফেলা। আমি শতভাগ সেই কথার স্ক্রিনশট কিংবা কল রেকর্ড প্রকাশ করে দেব। মামলা করব। আর আমার মুখ যে পরিমাণ খারাপ করার ক্যাপাবিলিটি আছে, সেটা বিভিন্ন সময় আমার কমেন্ট রিপ্লাই দেখলেই বোঝার কথা।’
গুজব ছড়ানো ও সমালোচকদের কড়া ভাষায় জবাব দিয়েছেন ফারিয়া। তিনি বলেন, ‘আজে বাজে কথা ছড়ানোই আপনাদের কাজ। কিন্তু বুঝে-শুনে এসব করতে হয়। ডায়নামাইটে হাত দিলে তো হবে না। সবাই জানে, এখানে হাত বাড়ালে ব্লাস্ট হবেই। এসব বালসাল রিউমার ছড়ানোর জন্য খুব খারাপ মানুষ বেছে নিয়েছেন। মিডিয়ায় কাজ করে এমন একজন মানুষকে খুঁজে বের করে আমার সম্পর্কে জানতে চাইবেন। তারপর বুঝবেন, আমি কী জিনিস।’

এখানে হাত বাড়ালে ব্লাস্ট হবেই: ফারিয়া
বিনোদন ডেস্ক

১৪ বছরের মিডিয়া জীবনে কখনও আপত্তিকর বা খারাপ প্রস্তাব পাননি বলে দাবি করেছেন ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী শবনম ফারিয়া। সম্প্রতি সামাজিকমাধ্যম ফেসবুকে নিজের ভেরিফায়েড একাউন্টে দীর্ঘ এক স্ট্যাটাসে মিডিয়া জীবন, ব্যক্তিগত সংগ্রাম ও তাকে নিয়ে ছড়ানো গুজবের বিষয়ে মুখ খুলেছেন অভিনেত্রী।
পোস্টে শবনম ফারিয়া জানান, তিনি মিডিয়াতে টুকটাক কাজ শুরু করেন ২০১২ সালে। পড়াশোনার পাশাপাশি ফটোশুট ও বিজ্ঞাপন করতেন। ২০১৩ সালে প্রথম টেলিফিল্ম করলেও পরিবার থেকে নির্দেশনা আসে, ব্যাচেলরস শেষ না করে আর অভিনয় করা যাবে না।
২০১৫ সালে গ্রাজুয়েশন শেষ হওয়ার পর ২০২০ সাল থেকে নিয়মিত অভিনয় শুরু করেন ফারিয়া। তিনি বলেন, ‘করোনা এবং নভেম্বরে আমার ডিভোর্সের পর অভিনয় থেকে বিরতি নিই। এর মধ্যে পলিসিস্টিক ওভেরিয়ান সিনড্রোমের কারণে আমার ওজন অনেক বেড়ে যায়। সেই ওজন নিয়ে ক্যামেরার সামনে কাজ করতে আমি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করছিলাম না। প্রথমে কাজ কমিয়ে ওজন কমানোর চেষ্টা করি, তারপর সম্পূর্ণ বিরতি নিয়ে মাস্টার্স শেষ করি। মাস্টার্স শেষ করেই চাকরিতে যোগ দিই।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমি অনেক বড় গলায় বলতে পারি, এই দীর্ঘ ১৪ বছরে কেউ কোনো দিন, সরাসরি কিংবা আকারে-ইঙ্গিতে আমাকে কোনো খারাপ প্রস্তাব দেয়নি কিংবা দেওয়ার সাহস পায়নি। আমি বিশ্বাস করি, আমি কাকে আমার কাছে কতটুকু অ্যাক্সেস দেব, আমার কাছে সে ঠিক ততটুকুই পৌঁছাতে পারবে।’
মিডিয়ার বেশিরভাগ মানুষই আমাকে স্নেহ করেন জানিয়ে ফারিয়া বলেন, ‘২০১৯ সালে যখন আমার বিয়ে হয়। সেটা আমাদের ইন্ডাস্ট্রিতে যেন একটা উৎসবের মতো ছিল। সবাই আনন্দের সঙ্গে অংশগ্রহণ করেছে, উপভোগ করেছে।’
‘আমার মিডিয়াতে বদনাম ছিল, আমি রাগী। এর বাইরে আমি গ্যারান্টি দিয়ে বলতে পারি, একটা মানুষও আমাকে নিয়ে এ ধরনের কোনো ঘটনার কথা বলবে না কিংবা বানিয়ে বললেও তার প্রমাণ দিতে পারবে না,’ যোগ করেন অভিনেত্রী।
এর কারণ হিসেবে তিনি বলেন, ‘প্রথমত, আমি ডিরেক্টরস আর্টিস্ট। আমি কোনো দিন কোনো প্রডিউসারের সঙ্গে কাজের বিষয়ে কথা বলি না। ডিরেক্টরের যদি মনে হয় কোনো চরিত্রে আমাকে চান, তাহলে তারাই যোগাযোগ করেন। দ্বিতীয়ত, বাংলাদেশে পরিচালক-প্রযোজকেরা প্রাইভেট পার্টি করে না। তারা কাজ করেই কুল পায় না। পার্টি করার মতো এত সময় বা অর্থ তাদের নেই ‘
নিজেকে ঠোটকাটা হিসেবে উপস্থাপন করে অভিনেত্রী বলেন, ‘আমার যে ইমেজ, আমাকে এসব বলা মানে নিজের ইজ্জত নিজের হাতে গলা টিপে মেরে ফেলা। আমি শতভাগ সেই কথার স্ক্রিনশট কিংবা কল রেকর্ড প্রকাশ করে দেব। মামলা করব। আর আমার মুখ যে পরিমাণ খারাপ করার ক্যাপাবিলিটি আছে, সেটা বিভিন্ন সময় আমার কমেন্ট রিপ্লাই দেখলেই বোঝার কথা।’
গুজব ছড়ানো ও সমালোচকদের কড়া ভাষায় জবাব দিয়েছেন ফারিয়া। তিনি বলেন, ‘আজে বাজে কথা ছড়ানোই আপনাদের কাজ। কিন্তু বুঝে-শুনে এসব করতে হয়। ডায়নামাইটে হাত দিলে তো হবে না। সবাই জানে, এখানে হাত বাড়ালে ব্লাস্ট হবেই। এসব বালসাল রিউমার ছড়ানোর জন্য খুব খারাপ মানুষ বেছে নিয়েছেন। মিডিয়ায় কাজ করে এমন একজন মানুষকে খুঁজে বের করে আমার সম্পর্কে জানতে চাইবেন। তারপর বুঝবেন, আমি কী জিনিস।’

নিজের বদ অভ্যাস নিয়ে মুখ খুললেন ঋতুপর্ণা
বন্যার্তদের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান অভিনেত্রী ফারিণের






