এমন দাপুটে স্পেনই বিশ্বকাপ জয়ের যোগ্য

এমন দাপুটে স্পেনই বিশ্বকাপ জয়ের যোগ্য
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

টানা পাস, দমবন্ধ করা প্রেসিং আর ক্ষুরধার আক্রমণের ঝড়ে আর্জেন্টিনাকে পরাস্ত করে দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বজয়ের মুকুট মাথায় পরল স্পেন। নিউ জার্সিতে রোমাঞ্চকর ফাইনালে ১২০ মিনিটের স্নায়ুচাপের লড়াই শেষে ১-০ গোলে আর্জেন্টিনা হারিয়ে ট্রফি নিজেদের করে নিয়েছে তারা। নির্ধারিত ৯০ মিনিট গোলশূন্য থাকার পর অতিরিক্ত সময়ের ১০৬ মিনিটে ফেরান তোরেসের করা গোলটি নিশ্চিত করে স্প্যানিশদের এ মহাকাব্যিক জয়। ২০১০ সালের সেই মধুর স্মৃতি ফিরিয়ে এনে ইউরো চ্যাম্পিয়নের তকমা গায়ে নিয়েই বিশ্বমঞ্চের সেরা হলো স্প্যানিশরা।
ফাইনালে লিওনেল মেসির আর্জেন্টিনাকে নিজেদের চেনা আক্রমণাত্মক ফুটবলটাই খেলতে দেয়নি স্পেন। মাঝমাঠ ও রক্ষণে নিখুঁত প্রেসিংয়ের জাঁতাকলে পিষে পুরো ১২০ মিনিটে আর্জেন্টিনার ফুটবলারদের স্পেনের গোলমুখে একটি শটও রাখতে দেয়নি তারা। আর্জেন্টিনার গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্তিনেজ একের পর এক দুর্দান্ত সেভ না করলে নির্ধারিত ৯০ মিনিটেই স্পেনের জয় নিশ্চিত হয়ে যেত। পুরো টুর্নামেন্টের আট ম্যাচে স্পেনের বিপক্ষে প্রতিপক্ষ দলগুলো সব মিলিয়ে মাত্র ২.২ এক্সপেক্টেড গোল (xG) তৈরি করতে পেরেছে। বিশ্ব ফুটবলের কোনো টুর্নামেন্টে রক্ষণের এমন অভাবনীয় দাপট সত্য়িই বিরল।
স্পেনের এ অবিস্মরণীয় যাত্রার সূচনাটি অবশ্য খুব একটা মসৃণ ছিল না। ২০১০ সালে সুইজারল্যান্ডের কাছে হেরে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করা স্পেন এবারও কেপ ভার্দের সঙ্গে ড্র করে হোঁচট খেয়েছিল। তবে সেই সাময়িক টালমাটাল পর্ব কাটিয়ে সেমিফাইনালে শক্তিশালী ফ্রান্সকে কোনো সুযোগ না দিয়েই ফাইনালের টিকিট কাটে তারা। কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তের শান্ত ও সংযত পরিচালনায় দলটি ছিল মানসিকভাবে একদম অবিচল। ফাইনালে এনজো ফার্নান্দেজ লাল কার্ড পেয়ে মাঠ ছাড়ার পর স্প্যানিশ তরুণরা ম্যাচের লাগাম আরও শক্ত করে ধরে। বদলি হিসেবে নামা নিকো উইলিয়ামসের দারুণ গতি আর তোরেসের নিখুঁত ফিনিশিংয়ে অবশেষে আসে সেই কাঙ্ক্ষিত গোল।
দলের এই অভাবনীয় সাফল্যের কেন্দ্রে ছিলেন মাঝমাঠের মূল কাণ্ডারি রদ্রি। মারাত্মক হাঁটুর চোট কাটিয়ে ফিরে এসে তিনি পুরো টুর্নামেন্টে দেখিয়েছেন নিজের চেনা রাজকীয় ছন্দ। বল ছিনিয়ে নেওয়া থেকে শুরু করে ম্যাচের গতি নিয়ন্ত্রণ- সবখানেই তিনি ছিলেন একাই এক শ। দুর্দান্ত এই পারফরম্যান্সের স্বীকৃতি হিসেবে বিশ্বকাপের সেরা খেলোয়াড় হয়ে তার হাতেই উঠেছে গোল্ডেন বল। একক কোনো তারকার ওপর নির্ভর না করে সুশৃঙ্খল দলগত ফুটবলের অনন্য প্রদর্শনী দেখিয়েই ইতিহাস গড়ল স্পেন। দিনশেষে এই জয় কেবল একটি ট্রফি অর্জন নয়, এটি আক্রমণাত্মক ও নান্দনিক ফুটবলের এক পরম জয়গাথা।

টানা পাস, দমবন্ধ করা প্রেসিং আর ক্ষুরধার আক্রমণের ঝড়ে আর্জেন্টিনাকে পরাস্ত করে দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বজয়ের মুকুট মাথায় পরল স্পেন। নিউ জার্সিতে রোমাঞ্চকর ফাইনালে ১২০ মিনিটের স্নায়ুচাপের লড়াই শেষে ১-০ গোলে আর্জেন্টিনা হারিয়ে ট্রফি নিজেদের করে নিয়েছে তারা। নির্ধারিত ৯০ মিনিট গোলশূন্য থাকার পর অতিরিক্ত সময়ের ১০৬ মিনিটে ফেরান তোরেসের করা গোলটি নিশ্চিত করে স্প্যানিশদের এ মহাকাব্যিক জয়। ২০১০ সালের সেই মধুর স্মৃতি ফিরিয়ে এনে ইউরো চ্যাম্পিয়নের তকমা গায়ে নিয়েই বিশ্বমঞ্চের সেরা হলো স্প্যানিশরা।
ফাইনালে লিওনেল মেসির আর্জেন্টিনাকে নিজেদের চেনা আক্রমণাত্মক ফুটবলটাই খেলতে দেয়নি স্পেন। মাঝমাঠ ও রক্ষণে নিখুঁত প্রেসিংয়ের জাঁতাকলে পিষে পুরো ১২০ মিনিটে আর্জেন্টিনার ফুটবলারদের স্পেনের গোলমুখে একটি শটও রাখতে দেয়নি তারা। আর্জেন্টিনার গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্তিনেজ একের পর এক দুর্দান্ত সেভ না করলে নির্ধারিত ৯০ মিনিটেই স্পেনের জয় নিশ্চিত হয়ে যেত। পুরো টুর্নামেন্টের আট ম্যাচে স্পেনের বিপক্ষে প্রতিপক্ষ দলগুলো সব মিলিয়ে মাত্র ২.২ এক্সপেক্টেড গোল (xG) তৈরি করতে পেরেছে। বিশ্ব ফুটবলের কোনো টুর্নামেন্টে রক্ষণের এমন অভাবনীয় দাপট সত্য়িই বিরল।
স্পেনের এ অবিস্মরণীয় যাত্রার সূচনাটি অবশ্য খুব একটা মসৃণ ছিল না। ২০১০ সালে সুইজারল্যান্ডের কাছে হেরে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করা স্পেন এবারও কেপ ভার্দের সঙ্গে ড্র করে হোঁচট খেয়েছিল। তবে সেই সাময়িক টালমাটাল পর্ব কাটিয়ে সেমিফাইনালে শক্তিশালী ফ্রান্সকে কোনো সুযোগ না দিয়েই ফাইনালের টিকিট কাটে তারা। কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তের শান্ত ও সংযত পরিচালনায় দলটি ছিল মানসিকভাবে একদম অবিচল। ফাইনালে এনজো ফার্নান্দেজ লাল কার্ড পেয়ে মাঠ ছাড়ার পর স্প্যানিশ তরুণরা ম্যাচের লাগাম আরও শক্ত করে ধরে। বদলি হিসেবে নামা নিকো উইলিয়ামসের দারুণ গতি আর তোরেসের নিখুঁত ফিনিশিংয়ে অবশেষে আসে সেই কাঙ্ক্ষিত গোল।
দলের এই অভাবনীয় সাফল্যের কেন্দ্রে ছিলেন মাঝমাঠের মূল কাণ্ডারি রদ্রি। মারাত্মক হাঁটুর চোট কাটিয়ে ফিরে এসে তিনি পুরো টুর্নামেন্টে দেখিয়েছেন নিজের চেনা রাজকীয় ছন্দ। বল ছিনিয়ে নেওয়া থেকে শুরু করে ম্যাচের গতি নিয়ন্ত্রণ- সবখানেই তিনি ছিলেন একাই এক শ। দুর্দান্ত এই পারফরম্যান্সের স্বীকৃতি হিসেবে বিশ্বকাপের সেরা খেলোয়াড় হয়ে তার হাতেই উঠেছে গোল্ডেন বল। একক কোনো তারকার ওপর নির্ভর না করে সুশৃঙ্খল দলগত ফুটবলের অনন্য প্রদর্শনী দেখিয়েই ইতিহাস গড়ল স্পেন। দিনশেষে এই জয় কেবল একটি ট্রফি অর্জন নয়, এটি আক্রমণাত্মক ও নান্দনিক ফুটবলের এক পরম জয়গাথা।

এমন দাপুটে স্পেনই বিশ্বকাপ জয়ের যোগ্য
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

টানা পাস, দমবন্ধ করা প্রেসিং আর ক্ষুরধার আক্রমণের ঝড়ে আর্জেন্টিনাকে পরাস্ত করে দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বজয়ের মুকুট মাথায় পরল স্পেন। নিউ জার্সিতে রোমাঞ্চকর ফাইনালে ১২০ মিনিটের স্নায়ুচাপের লড়াই শেষে ১-০ গোলে আর্জেন্টিনা হারিয়ে ট্রফি নিজেদের করে নিয়েছে তারা। নির্ধারিত ৯০ মিনিট গোলশূন্য থাকার পর অতিরিক্ত সময়ের ১০৬ মিনিটে ফেরান তোরেসের করা গোলটি নিশ্চিত করে স্প্যানিশদের এ মহাকাব্যিক জয়। ২০১০ সালের সেই মধুর স্মৃতি ফিরিয়ে এনে ইউরো চ্যাম্পিয়নের তকমা গায়ে নিয়েই বিশ্বমঞ্চের সেরা হলো স্প্যানিশরা।
ফাইনালে লিওনেল মেসির আর্জেন্টিনাকে নিজেদের চেনা আক্রমণাত্মক ফুটবলটাই খেলতে দেয়নি স্পেন। মাঝমাঠ ও রক্ষণে নিখুঁত প্রেসিংয়ের জাঁতাকলে পিষে পুরো ১২০ মিনিটে আর্জেন্টিনার ফুটবলারদের স্পেনের গোলমুখে একটি শটও রাখতে দেয়নি তারা। আর্জেন্টিনার গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্তিনেজ একের পর এক দুর্দান্ত সেভ না করলে নির্ধারিত ৯০ মিনিটেই স্পেনের জয় নিশ্চিত হয়ে যেত। পুরো টুর্নামেন্টের আট ম্যাচে স্পেনের বিপক্ষে প্রতিপক্ষ দলগুলো সব মিলিয়ে মাত্র ২.২ এক্সপেক্টেড গোল (xG) তৈরি করতে পেরেছে। বিশ্ব ফুটবলের কোনো টুর্নামেন্টে রক্ষণের এমন অভাবনীয় দাপট সত্য়িই বিরল।
স্পেনের এ অবিস্মরণীয় যাত্রার সূচনাটি অবশ্য খুব একটা মসৃণ ছিল না। ২০১০ সালে সুইজারল্যান্ডের কাছে হেরে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করা স্পেন এবারও কেপ ভার্দের সঙ্গে ড্র করে হোঁচট খেয়েছিল। তবে সেই সাময়িক টালমাটাল পর্ব কাটিয়ে সেমিফাইনালে শক্তিশালী ফ্রান্সকে কোনো সুযোগ না দিয়েই ফাইনালের টিকিট কাটে তারা। কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তের শান্ত ও সংযত পরিচালনায় দলটি ছিল মানসিকভাবে একদম অবিচল। ফাইনালে এনজো ফার্নান্দেজ লাল কার্ড পেয়ে মাঠ ছাড়ার পর স্প্যানিশ তরুণরা ম্যাচের লাগাম আরও শক্ত করে ধরে। বদলি হিসেবে নামা নিকো উইলিয়ামসের দারুণ গতি আর তোরেসের নিখুঁত ফিনিশিংয়ে অবশেষে আসে সেই কাঙ্ক্ষিত গোল।
দলের এই অভাবনীয় সাফল্যের কেন্দ্রে ছিলেন মাঝমাঠের মূল কাণ্ডারি রদ্রি। মারাত্মক হাঁটুর চোট কাটিয়ে ফিরে এসে তিনি পুরো টুর্নামেন্টে দেখিয়েছেন নিজের চেনা রাজকীয় ছন্দ। বল ছিনিয়ে নেওয়া থেকে শুরু করে ম্যাচের গতি নিয়ন্ত্রণ- সবখানেই তিনি ছিলেন একাই এক শ। দুর্দান্ত এই পারফরম্যান্সের স্বীকৃতি হিসেবে বিশ্বকাপের সেরা খেলোয়াড় হয়ে তার হাতেই উঠেছে গোল্ডেন বল। একক কোনো তারকার ওপর নির্ভর না করে সুশৃঙ্খল দলগত ফুটবলের অনন্য প্রদর্শনী দেখিয়েই ইতিহাস গড়ল স্পেন। দিনশেষে এই জয় কেবল একটি ট্রফি অর্জন নয়, এটি আক্রমণাত্মক ও নান্দনিক ফুটবলের এক পরম জয়গাথা।

বিশ্বকাপে কার হাতে উঠলো কোন পুরস্কার
শিরোপা হারিয়ে যা বললেন মেসি





