৩৯০ রানে অলআউট বাংলাদেশ, পাকিস্তানের লক্ষ্য ৪৩৭

৩৯০ রানে অলআউট বাংলাদেশ, পাকিস্তানের লক্ষ্য ৪৩৭
নিজস্ব প্রতিবেদক

মুশফিকুর রহিমের সেঞ্চুরি আর লিটন দাস ও মাহমুদুল হাসানের ফিফটিতে ভর করে দ্বিতীয় ইনিংসে বাংলাদেশ অলআউট হয়েছে ৩৯০ রানে। প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশ লিড পেয়েছিল ৪৬ রানের। ফলে জয়ের জন্য পাকিস্তানের লক্ষ্য দাঁড়ালো ৩৩৭ রান। মুশফিকুর রহিম ক্যারিয়ারের ১৪তম টেস্ট সেঞ্চুরি করে রেকর্ডবুকে নাম লিখিয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে টেস্টে সর্বোচ্চ সেঞ্চুরি করা খেলোয়াড় এখন মুশি।
জিততে হলে রেকর্ড গড়তে হবে পাকিস্তানকে। টেস্টে সর্বোচ্চ ৪১৮ রান তাড়া করে জয়ের রেকর্ড আছে, ২০০৩ সালে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে এ রেকর্ড গড়েছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। পাকিস্তানের ৩৭৭ তাড়া করে টেস্ট জয়ের রেকর্ড আছে।
সপ্তম উইকেটে মুশফিকুর রহিম ও তাইজুল ইসলাম গড়েন ৭৭ রানের জুটি। তাইজুল আউট হলে জুটি ভাঙে। সাজিদ খানের বলে আউট হওয়ার আগে তাইজুল করেছেন ৫১ বলে ২২ রান। এরপর দ্রুতই ফেরেন তাসকিন আহমেদ (৬)। সতীর্থদের আসা-যাওয়ার মাঝে একপ্রান্ত আগলে রাখেন মুশফিকুর রহিম।
প্রথম ইনিংসে লিটন লোয়ার অর্ডারের ব্যাটসম্যানদের স্ট্রাইক কম দিয়েছেন। তবে মুশফিক তেমনটি করেননি। তাসকিন ১৩ বল খেলে আউট হলেও শরিফুলকে নিয়মিত স্ট্রাইক দিয়েছেন মুশি। আস্থার প্রতিদান দিয়ে শরিফুল মেরেছেন দুটি চার। তবে ছক্কা হাঁকাতে গিয়ে বাউন্ডারিতে ক্যাচ আউট হন শরিফুল (১২)। শরিফুল খেলেন ১৫ বল।
নবম উইকেট পতনের পর অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত ইনিংস ঘোষণা করেননি, হয়তো মুশফিক ক্রিজে ছিলেন বলেই। দশম উইকেট জুটিতে যোগ হয়েছে আরও ৭ রান।
দ্বিতীয় ইনিংসে শেষ ব্যাটার হিসেবে আউট হন মুশফিকুর রহিম। ১২ চার ও ১ ছক্কায় ২৩৩ বলে ১৩৭ রান করেন মুশফিক। সিলেট টেস্টের তিন ইনিংস এবং ঢাকা টেস্ট মিলিয়ে সবচেয়ে বেশি বল খেলা ইনিংস এটি।
প্রথম ইনিংসের সেঞ্চুরিয়ান লিটন দাস খেলেছেন ৬৯ রানের ইনিংস। লিটনের ৯২ বলের ইনিংসে আছে ৫টি চার। এছাড়া ওপেনার মাহমুদুল হাসান জয় ৫২, মুমিনুল হক ৩০ ও তাইজুল ইসলাম ২২ রান করেন।
দ্বিতীয় ইনিংসে ৪ উইকেট নেন খুররম শেহজাদ। ৩ উইকেট নেন সাজিদ খান।
দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ২ ওভারে বিনা উইকেটে কোনো রান তুলতে পারেনি পাকিস্তান। আলোর স্বল্পতার কারণে ১৫ মিনিট আগে দিনের খেলা শেষ ঘোষণাা করেন দুই আম্পায়ার। টেস্টের বাকি আছে আরও দুই দিন। জয়ের জন্য পাকিস্তানের দরকার ৪৩৭ রান আর বাংলাদেশের ১০ উইকেট।

মুশফিকুর রহিমের সেঞ্চুরি আর লিটন দাস ও মাহমুদুল হাসানের ফিফটিতে ভর করে দ্বিতীয় ইনিংসে বাংলাদেশ অলআউট হয়েছে ৩৯০ রানে। প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশ লিড পেয়েছিল ৪৬ রানের। ফলে জয়ের জন্য পাকিস্তানের লক্ষ্য দাঁড়ালো ৩৩৭ রান। মুশফিকুর রহিম ক্যারিয়ারের ১৪তম টেস্ট সেঞ্চুরি করে রেকর্ডবুকে নাম লিখিয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে টেস্টে সর্বোচ্চ সেঞ্চুরি করা খেলোয়াড় এখন মুশি।
জিততে হলে রেকর্ড গড়তে হবে পাকিস্তানকে। টেস্টে সর্বোচ্চ ৪১৮ রান তাড়া করে জয়ের রেকর্ড আছে, ২০০৩ সালে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে এ রেকর্ড গড়েছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। পাকিস্তানের ৩৭৭ তাড়া করে টেস্ট জয়ের রেকর্ড আছে।
সপ্তম উইকেটে মুশফিকুর রহিম ও তাইজুল ইসলাম গড়েন ৭৭ রানের জুটি। তাইজুল আউট হলে জুটি ভাঙে। সাজিদ খানের বলে আউট হওয়ার আগে তাইজুল করেছেন ৫১ বলে ২২ রান। এরপর দ্রুতই ফেরেন তাসকিন আহমেদ (৬)। সতীর্থদের আসা-যাওয়ার মাঝে একপ্রান্ত আগলে রাখেন মুশফিকুর রহিম।
প্রথম ইনিংসে লিটন লোয়ার অর্ডারের ব্যাটসম্যানদের স্ট্রাইক কম দিয়েছেন। তবে মুশফিক তেমনটি করেননি। তাসকিন ১৩ বল খেলে আউট হলেও শরিফুলকে নিয়মিত স্ট্রাইক দিয়েছেন মুশি। আস্থার প্রতিদান দিয়ে শরিফুল মেরেছেন দুটি চার। তবে ছক্কা হাঁকাতে গিয়ে বাউন্ডারিতে ক্যাচ আউট হন শরিফুল (১২)। শরিফুল খেলেন ১৫ বল।
নবম উইকেট পতনের পর অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত ইনিংস ঘোষণা করেননি, হয়তো মুশফিক ক্রিজে ছিলেন বলেই। দশম উইকেট জুটিতে যোগ হয়েছে আরও ৭ রান।
দ্বিতীয় ইনিংসে শেষ ব্যাটার হিসেবে আউট হন মুশফিকুর রহিম। ১২ চার ও ১ ছক্কায় ২৩৩ বলে ১৩৭ রান করেন মুশফিক। সিলেট টেস্টের তিন ইনিংস এবং ঢাকা টেস্ট মিলিয়ে সবচেয়ে বেশি বল খেলা ইনিংস এটি।
প্রথম ইনিংসের সেঞ্চুরিয়ান লিটন দাস খেলেছেন ৬৯ রানের ইনিংস। লিটনের ৯২ বলের ইনিংসে আছে ৫টি চার। এছাড়া ওপেনার মাহমুদুল হাসান জয় ৫২, মুমিনুল হক ৩০ ও তাইজুল ইসলাম ২২ রান করেন।
দ্বিতীয় ইনিংসে ৪ উইকেট নেন খুররম শেহজাদ। ৩ উইকেট নেন সাজিদ খান।
দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ২ ওভারে বিনা উইকেটে কোনো রান তুলতে পারেনি পাকিস্তান। আলোর স্বল্পতার কারণে ১৫ মিনিট আগে দিনের খেলা শেষ ঘোষণাা করেন দুই আম্পায়ার। টেস্টের বাকি আছে আরও দুই দিন। জয়ের জন্য পাকিস্তানের দরকার ৪৩৭ রান আর বাংলাদেশের ১০ উইকেট।

৩৯০ রানে অলআউট বাংলাদেশ, পাকিস্তানের লক্ষ্য ৪৩৭
নিজস্ব প্রতিবেদক

মুশফিকুর রহিমের সেঞ্চুরি আর লিটন দাস ও মাহমুদুল হাসানের ফিফটিতে ভর করে দ্বিতীয় ইনিংসে বাংলাদেশ অলআউট হয়েছে ৩৯০ রানে। প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশ লিড পেয়েছিল ৪৬ রানের। ফলে জয়ের জন্য পাকিস্তানের লক্ষ্য দাঁড়ালো ৩৩৭ রান। মুশফিকুর রহিম ক্যারিয়ারের ১৪তম টেস্ট সেঞ্চুরি করে রেকর্ডবুকে নাম লিখিয়েছেন। বাংলাদেশের হয়ে টেস্টে সর্বোচ্চ সেঞ্চুরি করা খেলোয়াড় এখন মুশি।
জিততে হলে রেকর্ড গড়তে হবে পাকিস্তানকে। টেস্টে সর্বোচ্চ ৪১৮ রান তাড়া করে জয়ের রেকর্ড আছে, ২০০৩ সালে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে এ রেকর্ড গড়েছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। পাকিস্তানের ৩৭৭ তাড়া করে টেস্ট জয়ের রেকর্ড আছে।
সপ্তম উইকেটে মুশফিকুর রহিম ও তাইজুল ইসলাম গড়েন ৭৭ রানের জুটি। তাইজুল আউট হলে জুটি ভাঙে। সাজিদ খানের বলে আউট হওয়ার আগে তাইজুল করেছেন ৫১ বলে ২২ রান। এরপর দ্রুতই ফেরেন তাসকিন আহমেদ (৬)। সতীর্থদের আসা-যাওয়ার মাঝে একপ্রান্ত আগলে রাখেন মুশফিকুর রহিম।
প্রথম ইনিংসে লিটন লোয়ার অর্ডারের ব্যাটসম্যানদের স্ট্রাইক কম দিয়েছেন। তবে মুশফিক তেমনটি করেননি। তাসকিন ১৩ বল খেলে আউট হলেও শরিফুলকে নিয়মিত স্ট্রাইক দিয়েছেন মুশি। আস্থার প্রতিদান দিয়ে শরিফুল মেরেছেন দুটি চার। তবে ছক্কা হাঁকাতে গিয়ে বাউন্ডারিতে ক্যাচ আউট হন শরিফুল (১২)। শরিফুল খেলেন ১৫ বল।
নবম উইকেট পতনের পর অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত ইনিংস ঘোষণা করেননি, হয়তো মুশফিক ক্রিজে ছিলেন বলেই। দশম উইকেট জুটিতে যোগ হয়েছে আরও ৭ রান।
দ্বিতীয় ইনিংসে শেষ ব্যাটার হিসেবে আউট হন মুশফিকুর রহিম। ১২ চার ও ১ ছক্কায় ২৩৩ বলে ১৩৭ রান করেন মুশফিক। সিলেট টেস্টের তিন ইনিংস এবং ঢাকা টেস্ট মিলিয়ে সবচেয়ে বেশি বল খেলা ইনিংস এটি।
প্রথম ইনিংসের সেঞ্চুরিয়ান লিটন দাস খেলেছেন ৬৯ রানের ইনিংস। লিটনের ৯২ বলের ইনিংসে আছে ৫টি চার। এছাড়া ওপেনার মাহমুদুল হাসান জয় ৫২, মুমিনুল হক ৩০ ও তাইজুল ইসলাম ২২ রান করেন।
দ্বিতীয় ইনিংসে ৪ উইকেট নেন খুররম শেহজাদ। ৩ উইকেট নেন সাজিদ খান।
দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ২ ওভারে বিনা উইকেটে কোনো রান তুলতে পারেনি পাকিস্তান। আলোর স্বল্পতার কারণে ১৫ মিনিট আগে দিনের খেলা শেষ ঘোষণাা করেন দুই আম্পায়ার। টেস্টের বাকি আছে আরও দুই দিন। জয়ের জন্য পাকিস্তানের দরকার ৪৩৭ রান আর বাংলাদেশের ১০ উইকেট।

মুশফিকের রেকর্ড গড়া সেঞ্চুরি
৫৭ গোল করা ফুটবলারকে দলে না রাখা নিয়ে রহস্য


