জিম্বাবুয়েকে ৩৪ রানে হারিয়ে সিরিজে সমতা আনলো বাংলাদেশ

জিম্বাবুয়েকে ৩৪ রানে হারিয়ে সিরিজে সমতা আনলো বাংলাদেশ
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথমটিতে বাংলাদেশ অলআউট হয়েছিল ১৩৮ রানে। বুলাওয়েতে দ্বিতীয় ম্যাচে টস হেরে আগে ব্যাট করে বাংলাদেশ ৫ উইকেটে ১৮৬ রান করে। লক্ষ্য তারা করতে নেমে জিম্বাবুয়ে থামে ১৫২ রানে। ৩৪ রানের জয়ে সিরিজে সমতা আনলো বাংলাদেশ।
রান তাড়া করতে নেমে জিম্বাবুয়ে দলীয় ২১ রানে ৩ উইকেট হারায়। চতুর্থ উইকেটে জুটি হলেও দলীয় ১০৯ রানে অষ্টম উইকেট হারায় জিম্বাবুয়ে। তবে নবম উইকেটে ব্রাড ইভান্স-রিচার্ড এনগারাভা জুটিতে ম্যাচে টিকে থাকে স্বাগতিকরা। শেষ ১২ বলে দরকার ছিল ৩৯ রান। যা ৯ বলে নেমে আসে ৩৮ রানে। বলের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে রান তুলতে গিয়ে ব্রাড ইভান্স মোহাম্মদ সাইফউদ্দিনের বলে পারভেজ হোসেন ইমনের হাতে ধরা পড়লে জয়ের আশা শেষ হয় জিম্বাবুয়ের।
শেষ ওভারে জিম্বাবুয়ের দরকার হয় ৩৮ রান। তবে দুই বল বাকি থাকতে অলআউট হয় জিম্বাবুয়ে। ব্রাড ইভান্স দুটি করে চার ও ছক্কায় ১৪ বলে করে ২৫ রান। জিম্বাবুয়ে ইনিংসে সর্বোচ্চ ২৯ রান করেন রায়ার্ন বার্ল। এছাড়া ৩ চার ও ১ ছক্কায় সিকান্দার রাজা ১২ বলে করে ২৮ রান।
তার আগে বাংলাদেশ লড়াইয়ের পুঁজি পায় সাইফ হাসান ও তানজিদ হাসানের উদ্বোধনী জুটিতে। উদ্বোধনী জুটিতে ১২০ তোলেন তারা। সাইফ ৪৫ বলে ৫৫ রান করে ফিরলে জুটি ভাঙে। তার ইনিংসে ছিল ৮ চার ও ১ ছক্কা। তানজিদ ৪৪ বলে করেন ৫৮ রান। তার ইনিংসে ৬ চার ও ২ ছক্কা।
সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টিতে ফিফটি করা ইয়াসির আলী করেন অপরাজিত ২২ রান। এছাড়া মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন ৪ ছক্কায় ১০ বলে অপরাজিত ৩১ রান করেন। তাওহীদ হৃদয় (৬), পারভেজ ইমন (১), নুরুল হাসান (৪) রান করতে পারেননি।

জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথমটিতে বাংলাদেশ অলআউট হয়েছিল ১৩৮ রানে। বুলাওয়েতে দ্বিতীয় ম্যাচে টস হেরে আগে ব্যাট করে বাংলাদেশ ৫ উইকেটে ১৮৬ রান করে। লক্ষ্য তারা করতে নেমে জিম্বাবুয়ে থামে ১৫২ রানে। ৩৪ রানের জয়ে সিরিজে সমতা আনলো বাংলাদেশ।
রান তাড়া করতে নেমে জিম্বাবুয়ে দলীয় ২১ রানে ৩ উইকেট হারায়। চতুর্থ উইকেটে জুটি হলেও দলীয় ১০৯ রানে অষ্টম উইকেট হারায় জিম্বাবুয়ে। তবে নবম উইকেটে ব্রাড ইভান্স-রিচার্ড এনগারাভা জুটিতে ম্যাচে টিকে থাকে স্বাগতিকরা। শেষ ১২ বলে দরকার ছিল ৩৯ রান। যা ৯ বলে নেমে আসে ৩৮ রানে। বলের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে রান তুলতে গিয়ে ব্রাড ইভান্স মোহাম্মদ সাইফউদ্দিনের বলে পারভেজ হোসেন ইমনের হাতে ধরা পড়লে জয়ের আশা শেষ হয় জিম্বাবুয়ের।
শেষ ওভারে জিম্বাবুয়ের দরকার হয় ৩৮ রান। তবে দুই বল বাকি থাকতে অলআউট হয় জিম্বাবুয়ে। ব্রাড ইভান্স দুটি করে চার ও ছক্কায় ১৪ বলে করে ২৫ রান। জিম্বাবুয়ে ইনিংসে সর্বোচ্চ ২৯ রান করেন রায়ার্ন বার্ল। এছাড়া ৩ চার ও ১ ছক্কায় সিকান্দার রাজা ১২ বলে করে ২৮ রান।
তার আগে বাংলাদেশ লড়াইয়ের পুঁজি পায় সাইফ হাসান ও তানজিদ হাসানের উদ্বোধনী জুটিতে। উদ্বোধনী জুটিতে ১২০ তোলেন তারা। সাইফ ৪৫ বলে ৫৫ রান করে ফিরলে জুটি ভাঙে। তার ইনিংসে ছিল ৮ চার ও ১ ছক্কা। তানজিদ ৪৪ বলে করেন ৫৮ রান। তার ইনিংসে ৬ চার ও ২ ছক্কা।
সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টিতে ফিফটি করা ইয়াসির আলী করেন অপরাজিত ২২ রান। এছাড়া মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন ৪ ছক্কায় ১০ বলে অপরাজিত ৩১ রান করেন। তাওহীদ হৃদয় (৬), পারভেজ ইমন (১), নুরুল হাসান (৪) রান করতে পারেননি।

জিম্বাবুয়েকে ৩৪ রানে হারিয়ে সিরিজে সমতা আনলো বাংলাদেশ
সিজেডএন স্পোর্টস ডেস্ক

জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথমটিতে বাংলাদেশ অলআউট হয়েছিল ১৩৮ রানে। বুলাওয়েতে দ্বিতীয় ম্যাচে টস হেরে আগে ব্যাট করে বাংলাদেশ ৫ উইকেটে ১৮৬ রান করে। লক্ষ্য তারা করতে নেমে জিম্বাবুয়ে থামে ১৫২ রানে। ৩৪ রানের জয়ে সিরিজে সমতা আনলো বাংলাদেশ।
রান তাড়া করতে নেমে জিম্বাবুয়ে দলীয় ২১ রানে ৩ উইকেট হারায়। চতুর্থ উইকেটে জুটি হলেও দলীয় ১০৯ রানে অষ্টম উইকেট হারায় জিম্বাবুয়ে। তবে নবম উইকেটে ব্রাড ইভান্স-রিচার্ড এনগারাভা জুটিতে ম্যাচে টিকে থাকে স্বাগতিকরা। শেষ ১২ বলে দরকার ছিল ৩৯ রান। যা ৯ বলে নেমে আসে ৩৮ রানে। বলের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে রান তুলতে গিয়ে ব্রাড ইভান্স মোহাম্মদ সাইফউদ্দিনের বলে পারভেজ হোসেন ইমনের হাতে ধরা পড়লে জয়ের আশা শেষ হয় জিম্বাবুয়ের।
শেষ ওভারে জিম্বাবুয়ের দরকার হয় ৩৮ রান। তবে দুই বল বাকি থাকতে অলআউট হয় জিম্বাবুয়ে। ব্রাড ইভান্স দুটি করে চার ও ছক্কায় ১৪ বলে করে ২৫ রান। জিম্বাবুয়ে ইনিংসে সর্বোচ্চ ২৯ রান করেন রায়ার্ন বার্ল। এছাড়া ৩ চার ও ১ ছক্কায় সিকান্দার রাজা ১২ বলে করে ২৮ রান।
তার আগে বাংলাদেশ লড়াইয়ের পুঁজি পায় সাইফ হাসান ও তানজিদ হাসানের উদ্বোধনী জুটিতে। উদ্বোধনী জুটিতে ১২০ তোলেন তারা। সাইফ ৪৫ বলে ৫৫ রান করে ফিরলে জুটি ভাঙে। তার ইনিংসে ছিল ৮ চার ও ১ ছক্কা। তানজিদ ৪৪ বলে করেন ৫৮ রান। তার ইনিংসে ৬ চার ও ২ ছক্কা।
সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টিতে ফিফটি করা ইয়াসির আলী করেন অপরাজিত ২২ রান। এছাড়া মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন ৪ ছক্কায় ১০ বলে অপরাজিত ৩১ রান করেন। তাওহীদ হৃদয় (৬), পারভেজ ইমন (১), নুরুল হাসান (৪) রান করতে পারেননি।

এক বছরের প্রস্তুতিতে মেসির এমন পারফরম্যান্স







