বিপিএল ফিক্সিং কাণ্ডে নিষিদ্ধ ৫
নিজস্ব প্রতিবেদক

বিপিএল ফিক্সিং কাণ্ডে নিষিদ্ধ ৫
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৭ মে ২০২৬, ১৮: ৫৫

বিপিএল ফিক্সিং কাণ্ডে নিষিদ্ধ ৫ জন। গ্রাফিক্স: সিটিজেন জার্নাল
বিপিএলের ১২তম আসর ঘিরে ম্যাচ ফিক্সিংয়ের অভিযোগে এক ক্রিকেটারসহ অন্তত চারজন জড়িত থাকার প্রমাণ পেয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। বৃহস্পতিবার (৭ মে) সংবাদ সম্মেলনে বিসিবির অ্যাড-হক কমিটির প্রধান তামিম ইকবাল এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
২০২৫ সালের বিপিএল চলাকালে ফিক্সিংয়ের অভিযোগ ওঠে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিসিবির তৎকালীন সভাপতি ফারুক আহমেদ একটি উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন তদন্ত কমিটি গঠন করেন। দীর্ঘ সময় অনুসন্ধানের পর কমিটি বিসিবির কাছে প্রায় ৯০০ পৃষ্ঠার একটি তদন্ত রিপোর্ট জমা দেয়। সেই রিপোর্ট পরে তুলে দেয়া হয় বিসিবির ইন্টিগ্রিটি ইউনিটের প্রধান অ্যালেক্স মার্শালকে।
এরপর যাচাই বাছাই করে ক্রিকেটারসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ফিক্সিংয়ে জড়িত থাকার প্রমাণ পান।
তামিম জানিয়েছেন, পাঁচজনকে এই (ফিক্সিং) অপরাধের জন্য চিহ্নিত করা হয়েছে এবং তাদের জন্য শাস্তি অপেক্ষা করছে। তামিম বলেন, ‘তদন্তে অপরাধ প্রমাণিত হয়েছে। ৫ জন বড় ধরনের শাস্তি পেতে যাচ্ছেন।’
বিসিবির ইনটেগ্রিটি ইউনিটের তদন্তে যাদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পাওয়া গেছে তারা হলেন, ঘরোয়া ক্রিকেটার অমিত মজুমদার, টিম ম্যানেজার মো. লাবলুর রহমান, ফ্র্যাঞ্চাইজি সহ-মালিক মো. তৌহিদুল হক তৌহিদ এবং আরেক টিম ম্যানেজার রেজওয়ান কবির সিদ্দিকী।
বিসিবির ইনটেগ্রিটি ইউনিটের তদন্তে যাদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পাওয়া গেছে তারা হলেন, ঘরোয়া ক্রিকেটার অমিত মজুমদার, টিম ম্যানেজার মো. লাবলুর রহমান, ফ্র্যাঞ্চাইজি সহ-মালিক মো. তৌহিদুল হক তৌহিদ এবং আরেক টিম ম্যানেজার রেজওয়ান কবির সিদ্দিকী।
তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ক্রিকেটার অমিত মজুমদার এবং টিম ম্যানেজার রেজওয়ান কবির সিদ্দিকী সরাসরি ক্রিকেট ম্যাচের ফলাফল বা পরিস্থিতির ওপর বাজিতে অংশ নিয়েছেন। অন্যদিকে, লাবলুর রহমান ও তৌহিদুল হক তৌহিদের বিরুদ্ধে তদন্ত কর্মকর্তাদের কাজে বাধা দেওয়া, তথ্য গোপন করা এবং প্রমাণ মুছে ফেলার মতো গুরুতর অভিযোগ আনা হয়েছে।
এদিকে, বিপিএলের আগের তিনটি আসরে (৯ম, ১০ম ও ১১তম) ম্যাচ সংশ্লিষ্ট দুর্নীতি ও বেটিং সিন্ডিকেটের সাথে যোগাযোগের দায়ে সামিনুর রহমানের বিরুদ্ধে দীর্ঘমেয়াদি বহিষ্কারাদেশ জারি করেছে বিসিবি।
একই সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়েছে চুক্তি ছাড়াই বিপিএলের গত আসরে অংশ নিয়েছে নোয়াখালী এক্সপ্রেস ও সিলেট টাইটান্স। বাংলাদেশের এই টি-টোয়েন্টিভিত্তিক ফ্র্যাঞ্চাইজি টুর্নামেন্ট আয়োজন করতে গিয়ে ১৫-১৬ কোটি টাকা ক্ষতি হচ্ছে বলে উল্লেখ করেছেন তামিম।

বিপিএলের ১২তম আসর ঘিরে ম্যাচ ফিক্সিংয়ের অভিযোগে এক ক্রিকেটারসহ অন্তত চারজন জড়িত থাকার প্রমাণ পেয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। বৃহস্পতিবার (৭ মে) সংবাদ সম্মেলনে বিসিবির অ্যাড-হক কমিটির প্রধান তামিম ইকবাল এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
২০২৫ সালের বিপিএল চলাকালে ফিক্সিংয়ের অভিযোগ ওঠে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিসিবির তৎকালীন সভাপতি ফারুক আহমেদ একটি উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন তদন্ত কমিটি গঠন করেন। দীর্ঘ সময় অনুসন্ধানের পর কমিটি বিসিবির কাছে প্রায় ৯০০ পৃষ্ঠার একটি তদন্ত রিপোর্ট জমা দেয়। সেই রিপোর্ট পরে তুলে দেয়া হয় বিসিবির ইন্টিগ্রিটি ইউনিটের প্রধান অ্যালেক্স মার্শালকে।
এরপর যাচাই বাছাই করে ক্রিকেটারসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ফিক্সিংয়ে জড়িত থাকার প্রমাণ পান।
তামিম জানিয়েছেন, পাঁচজনকে এই (ফিক্সিং) অপরাধের জন্য চিহ্নিত করা হয়েছে এবং তাদের জন্য শাস্তি অপেক্ষা করছে। তামিম বলেন, ‘তদন্তে অপরাধ প্রমাণিত হয়েছে। ৫ জন বড় ধরনের শাস্তি পেতে যাচ্ছেন।’
বিসিবির ইনটেগ্রিটি ইউনিটের তদন্তে যাদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পাওয়া গেছে তারা হলেন, ঘরোয়া ক্রিকেটার অমিত মজুমদার, টিম ম্যানেজার মো. লাবলুর রহমান, ফ্র্যাঞ্চাইজি সহ-মালিক মো. তৌহিদুল হক তৌহিদ এবং আরেক টিম ম্যানেজার রেজওয়ান কবির সিদ্দিকী।
বিসিবির ইনটেগ্রিটি ইউনিটের তদন্তে যাদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পাওয়া গেছে তারা হলেন, ঘরোয়া ক্রিকেটার অমিত মজুমদার, টিম ম্যানেজার মো. লাবলুর রহমান, ফ্র্যাঞ্চাইজি সহ-মালিক মো. তৌহিদুল হক তৌহিদ এবং আরেক টিম ম্যানেজার রেজওয়ান কবির সিদ্দিকী।
তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ক্রিকেটার অমিত মজুমদার এবং টিম ম্যানেজার রেজওয়ান কবির সিদ্দিকী সরাসরি ক্রিকেট ম্যাচের ফলাফল বা পরিস্থিতির ওপর বাজিতে অংশ নিয়েছেন। অন্যদিকে, লাবলুর রহমান ও তৌহিদুল হক তৌহিদের বিরুদ্ধে তদন্ত কর্মকর্তাদের কাজে বাধা দেওয়া, তথ্য গোপন করা এবং প্রমাণ মুছে ফেলার মতো গুরুতর অভিযোগ আনা হয়েছে।
এদিকে, বিপিএলের আগের তিনটি আসরে (৯ম, ১০ম ও ১১তম) ম্যাচ সংশ্লিষ্ট দুর্নীতি ও বেটিং সিন্ডিকেটের সাথে যোগাযোগের দায়ে সামিনুর রহমানের বিরুদ্ধে দীর্ঘমেয়াদি বহিষ্কারাদেশ জারি করেছে বিসিবি।
একই সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়েছে চুক্তি ছাড়াই বিপিএলের গত আসরে অংশ নিয়েছে নোয়াখালী এক্সপ্রেস ও সিলেট টাইটান্স। বাংলাদেশের এই টি-টোয়েন্টিভিত্তিক ফ্র্যাঞ্চাইজি টুর্নামেন্ট আয়োজন করতে গিয়ে ১৫-১৬ কোটি টাকা ক্ষতি হচ্ছে বলে উল্লেখ করেছেন তামিম।

বিপিএল ফিক্সিং কাণ্ডে নিষিদ্ধ ৫
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৭ মে ২০২৬, ১৮: ৫৫

বিপিএল ফিক্সিং কাণ্ডে নিষিদ্ধ ৫ জন। গ্রাফিক্স: সিটিজেন জার্নাল
বিপিএলের ১২তম আসর ঘিরে ম্যাচ ফিক্সিংয়ের অভিযোগে এক ক্রিকেটারসহ অন্তত চারজন জড়িত থাকার প্রমাণ পেয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। বৃহস্পতিবার (৭ মে) সংবাদ সম্মেলনে বিসিবির অ্যাড-হক কমিটির প্রধান তামিম ইকবাল এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
২০২৫ সালের বিপিএল চলাকালে ফিক্সিংয়ের অভিযোগ ওঠে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিসিবির তৎকালীন সভাপতি ফারুক আহমেদ একটি উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন তদন্ত কমিটি গঠন করেন। দীর্ঘ সময় অনুসন্ধানের পর কমিটি বিসিবির কাছে প্রায় ৯০০ পৃষ্ঠার একটি তদন্ত রিপোর্ট জমা দেয়। সেই রিপোর্ট পরে তুলে দেয়া হয় বিসিবির ইন্টিগ্রিটি ইউনিটের প্রধান অ্যালেক্স মার্শালকে।
এরপর যাচাই বাছাই করে ক্রিকেটারসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ফিক্সিংয়ে জড়িত থাকার প্রমাণ পান।
তামিম জানিয়েছেন, পাঁচজনকে এই (ফিক্সিং) অপরাধের জন্য চিহ্নিত করা হয়েছে এবং তাদের জন্য শাস্তি অপেক্ষা করছে। তামিম বলেন, ‘তদন্তে অপরাধ প্রমাণিত হয়েছে। ৫ জন বড় ধরনের শাস্তি পেতে যাচ্ছেন।’
বিসিবির ইনটেগ্রিটি ইউনিটের তদন্তে যাদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পাওয়া গেছে তারা হলেন, ঘরোয়া ক্রিকেটার অমিত মজুমদার, টিম ম্যানেজার মো. লাবলুর রহমান, ফ্র্যাঞ্চাইজি সহ-মালিক মো. তৌহিদুল হক তৌহিদ এবং আরেক টিম ম্যানেজার রেজওয়ান কবির সিদ্দিকী।
বিসিবির ইনটেগ্রিটি ইউনিটের তদন্তে যাদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পাওয়া গেছে তারা হলেন, ঘরোয়া ক্রিকেটার অমিত মজুমদার, টিম ম্যানেজার মো. লাবলুর রহমান, ফ্র্যাঞ্চাইজি সহ-মালিক মো. তৌহিদুল হক তৌহিদ এবং আরেক টিম ম্যানেজার রেজওয়ান কবির সিদ্দিকী।
তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ক্রিকেটার অমিত মজুমদার এবং টিম ম্যানেজার রেজওয়ান কবির সিদ্দিকী সরাসরি ক্রিকেট ম্যাচের ফলাফল বা পরিস্থিতির ওপর বাজিতে অংশ নিয়েছেন। অন্যদিকে, লাবলুর রহমান ও তৌহিদুল হক তৌহিদের বিরুদ্ধে তদন্ত কর্মকর্তাদের কাজে বাধা দেওয়া, তথ্য গোপন করা এবং প্রমাণ মুছে ফেলার মতো গুরুতর অভিযোগ আনা হয়েছে।
এদিকে, বিপিএলের আগের তিনটি আসরে (৯ম, ১০ম ও ১১তম) ম্যাচ সংশ্লিষ্ট দুর্নীতি ও বেটিং সিন্ডিকেটের সাথে যোগাযোগের দায়ে সামিনুর রহমানের বিরুদ্ধে দীর্ঘমেয়াদি বহিষ্কারাদেশ জারি করেছে বিসিবি।
একই সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়েছে চুক্তি ছাড়াই বিপিএলের গত আসরে অংশ নিয়েছে নোয়াখালী এক্সপ্রেস ও সিলেট টাইটান্স। বাংলাদেশের এই টি-টোয়েন্টিভিত্তিক ফ্র্যাঞ্চাইজি টুর্নামেন্ট আয়োজন করতে গিয়ে ১৫-১৬ কোটি টাকা ক্ষতি হচ্ছে বলে উল্লেখ করেছেন তামিম।
/টিই/

জোড়াতালি দিয়ে বিপিএল করবো না: তামিম


