সংসদে শ্রমিকদের কথা বলার লোক নেই: আখতার হোসেন

সংসদে শ্রমিকদের কথা বলার লোক নেই: আখতার হোসেন
নিজস্ব প্রতিবেদক

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্য সচিব ও সংসদ সদস্য আখতার হোসেন বলেছেন, ‘আমাদের জাতীয় সংসদে এখন মালিক পক্ষের আধিক্য বেশি, যেখানে শ্রমিকের কণ্ঠস্বর ক্ষীণ। অথচ শ্রমিকরা ভালো থাকলেই বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে। দেশের অর্থনীতি টিকিয়ে রাখা এই মানুষগুলোর অধিকার আদায়ে আমাদের লড়াই চলবে।’
আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস উপলক্ষে শুক্রবার (১ মে) দুপুর ৩টায় এক সমাবেশে এসব কথা বলেন তিনি। রাজধানীর শাহবাগে এ শ্রমিক সমাবেশের আয়োজন করে এনসিপির অঙ্গ-সংগঠন ‘জাতীয় শ্রমিক শক্তি’।
সমাবেশে অর্থমন্ত্রীর সাম্প্রতিক কিছু বক্তব্যের তীব্র সমালোচনা করে আখতার হোসেন বলেন, ‘অর্থমন্ত্রীর বক্তব্যে আমরা ভীত-সন্ত্রস্ত। সাধারণ মানুষের আমানত ও শ্রমিকের স্বার্থ রক্ষায় ব্যাংক রেজুলেশন আইন পরিবর্তন করা এখন সময়ের দাবি।’
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে এনসিপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক আবদুল হান্নান মাসউদ বলেন, ‘এ দেশের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি হলো ৭০ শতাংশ শ্রমজীবী মানুষ। আমরা সংসদে তাদের অধিকারের কথা তুলে ধরছি এবং শ্রমিকদের প্রকৃত প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করতে কাজ করছি।’
সমাবেশে শ্রমজীবী মানুষের অধিকার রক্ষা এবং জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে চার দফা সংবলিত একটি কৌশলপত্র উত্থাপন করা হয়। কৌশলপত্র পাঠ করেন জাতীয় শ্রমিক শক্তির সদস্য সচিব ঋয়াজ মোর্শেদ।
তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের শ্রমিকদের ভাগ্য উন্নয়নে চারটি প্রধান ধাপ বাস্তবায়ন অপরিহার্য। এই ধাপগুলো কার্যকর হলে শ্রমিকের প্রকৃত মুক্তি ঘটবে।’
কৌশলপত্রের ৪টি প্রধান ধাপ হলো–
১. ন্যায্য মজুরি: অবিলম্বে একটি মজুরি বোর্ড গঠন করতে হবে এবং বর্তমান বাজার পরিস্থিতির সাথে সংগতি রেখে শ্রমিকের সর্বনিম্ন মজুরি ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণ করতে হবে।
২. সুরক্ষা: কর্মক্ষেত্রে শ্রমিকের জীবনের নিরাপত্তা, চাকরির নিশ্চয়তা এবং স্বাস্থ্যসম্মত নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে।
৩. মুনাফা বণ্টন: প্রতিষ্ঠানের মোট মুনাফার ৫ শতাংশ শ্রমিকদের মাঝে বণ্টন করতে হবে।
৪. ক্ষমতায়ন: শ্রমিক নেতৃত্ব গড়ে তোলার পাশাপাশি নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে শ্রমিকদের সঠিক প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করতে হবে।

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্য সচিব ও সংসদ সদস্য আখতার হোসেন বলেছেন, ‘আমাদের জাতীয় সংসদে এখন মালিক পক্ষের আধিক্য বেশি, যেখানে শ্রমিকের কণ্ঠস্বর ক্ষীণ। অথচ শ্রমিকরা ভালো থাকলেই বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে। দেশের অর্থনীতি টিকিয়ে রাখা এই মানুষগুলোর অধিকার আদায়ে আমাদের লড়াই চলবে।’
আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস উপলক্ষে শুক্রবার (১ মে) দুপুর ৩টায় এক সমাবেশে এসব কথা বলেন তিনি। রাজধানীর শাহবাগে এ শ্রমিক সমাবেশের আয়োজন করে এনসিপির অঙ্গ-সংগঠন ‘জাতীয় শ্রমিক শক্তি’।
সমাবেশে অর্থমন্ত্রীর সাম্প্রতিক কিছু বক্তব্যের তীব্র সমালোচনা করে আখতার হোসেন বলেন, ‘অর্থমন্ত্রীর বক্তব্যে আমরা ভীত-সন্ত্রস্ত। সাধারণ মানুষের আমানত ও শ্রমিকের স্বার্থ রক্ষায় ব্যাংক রেজুলেশন আইন পরিবর্তন করা এখন সময়ের দাবি।’
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে এনসিপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক আবদুল হান্নান মাসউদ বলেন, ‘এ দেশের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি হলো ৭০ শতাংশ শ্রমজীবী মানুষ। আমরা সংসদে তাদের অধিকারের কথা তুলে ধরছি এবং শ্রমিকদের প্রকৃত প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করতে কাজ করছি।’
সমাবেশে শ্রমজীবী মানুষের অধিকার রক্ষা এবং জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে চার দফা সংবলিত একটি কৌশলপত্র উত্থাপন করা হয়। কৌশলপত্র পাঠ করেন জাতীয় শ্রমিক শক্তির সদস্য সচিব ঋয়াজ মোর্শেদ।
তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের শ্রমিকদের ভাগ্য উন্নয়নে চারটি প্রধান ধাপ বাস্তবায়ন অপরিহার্য। এই ধাপগুলো কার্যকর হলে শ্রমিকের প্রকৃত মুক্তি ঘটবে।’
কৌশলপত্রের ৪টি প্রধান ধাপ হলো–
১. ন্যায্য মজুরি: অবিলম্বে একটি মজুরি বোর্ড গঠন করতে হবে এবং বর্তমান বাজার পরিস্থিতির সাথে সংগতি রেখে শ্রমিকের সর্বনিম্ন মজুরি ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণ করতে হবে।
২. সুরক্ষা: কর্মক্ষেত্রে শ্রমিকের জীবনের নিরাপত্তা, চাকরির নিশ্চয়তা এবং স্বাস্থ্যসম্মত নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে।
৩. মুনাফা বণ্টন: প্রতিষ্ঠানের মোট মুনাফার ৫ শতাংশ শ্রমিকদের মাঝে বণ্টন করতে হবে।
৪. ক্ষমতায়ন: শ্রমিক নেতৃত্ব গড়ে তোলার পাশাপাশি নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে শ্রমিকদের সঠিক প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করতে হবে।

সংসদে শ্রমিকদের কথা বলার লোক নেই: আখতার হোসেন
নিজস্ব প্রতিবেদক

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্য সচিব ও সংসদ সদস্য আখতার হোসেন বলেছেন, ‘আমাদের জাতীয় সংসদে এখন মালিক পক্ষের আধিক্য বেশি, যেখানে শ্রমিকের কণ্ঠস্বর ক্ষীণ। অথচ শ্রমিকরা ভালো থাকলেই বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে। দেশের অর্থনীতি টিকিয়ে রাখা এই মানুষগুলোর অধিকার আদায়ে আমাদের লড়াই চলবে।’
আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস উপলক্ষে শুক্রবার (১ মে) দুপুর ৩টায় এক সমাবেশে এসব কথা বলেন তিনি। রাজধানীর শাহবাগে এ শ্রমিক সমাবেশের আয়োজন করে এনসিপির অঙ্গ-সংগঠন ‘জাতীয় শ্রমিক শক্তি’।
সমাবেশে অর্থমন্ত্রীর সাম্প্রতিক কিছু বক্তব্যের তীব্র সমালোচনা করে আখতার হোসেন বলেন, ‘অর্থমন্ত্রীর বক্তব্যে আমরা ভীত-সন্ত্রস্ত। সাধারণ মানুষের আমানত ও শ্রমিকের স্বার্থ রক্ষায় ব্যাংক রেজুলেশন আইন পরিবর্তন করা এখন সময়ের দাবি।’
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে এনসিপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক আবদুল হান্নান মাসউদ বলেন, ‘এ দেশের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি হলো ৭০ শতাংশ শ্রমজীবী মানুষ। আমরা সংসদে তাদের অধিকারের কথা তুলে ধরছি এবং শ্রমিকদের প্রকৃত প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করতে কাজ করছি।’
সমাবেশে শ্রমজীবী মানুষের অধিকার রক্ষা এবং জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে চার দফা সংবলিত একটি কৌশলপত্র উত্থাপন করা হয়। কৌশলপত্র পাঠ করেন জাতীয় শ্রমিক শক্তির সদস্য সচিব ঋয়াজ মোর্শেদ।
তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের শ্রমিকদের ভাগ্য উন্নয়নে চারটি প্রধান ধাপ বাস্তবায়ন অপরিহার্য। এই ধাপগুলো কার্যকর হলে শ্রমিকের প্রকৃত মুক্তি ঘটবে।’
কৌশলপত্রের ৪টি প্রধান ধাপ হলো–
১. ন্যায্য মজুরি: অবিলম্বে একটি মজুরি বোর্ড গঠন করতে হবে এবং বর্তমান বাজার পরিস্থিতির সাথে সংগতি রেখে শ্রমিকের সর্বনিম্ন মজুরি ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণ করতে হবে।
২. সুরক্ষা: কর্মক্ষেত্রে শ্রমিকের জীবনের নিরাপত্তা, চাকরির নিশ্চয়তা এবং স্বাস্থ্যসম্মত নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে।
৩. মুনাফা বণ্টন: প্রতিষ্ঠানের মোট মুনাফার ৫ শতাংশ শ্রমিকদের মাঝে বণ্টন করতে হবে।
৪. ক্ষমতায়ন: শ্রমিক নেতৃত্ব গড়ে তোলার পাশাপাশি নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে শ্রমিকদের সঠিক প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করতে হবে।

এনসিপিতে যোগ দিচ্ছেন নিজামীর ছেলে


