যেসব জেলায় বিএনপির শতভাগ জয়

যেসব জেলায় বিএনপির শতভাগ জয়
নিজস্ব প্রতিবেদক

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে একক দল হিসেবে সর্বাধিক (২১২) আসন পেয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। তবে সংখ্যার হিসাবের বাইরে গিয়ে বিশেষভাবে আলোচনায় এসেছে কয়েকটি জেলা, যেখানে প্রতিটি আসনেই জয় পেয়েছেন দলটির প্রার্থীরা।
বগুড়ায় সাত আসনেই বিএনপি
রাজশাহী বিভাগের বগুড়া জেলার সাতটি আসনের সবকটিতেই জয় পেয়েছেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থীরা। বগুড়া-১ আসনে কাজী রফিকুল ইসলাম, বগুড়া-২ আসনে মীর শাহে আলম, বগুড়া-৩ আসনে আব্দুল মহিত তালুকদার, বগুড়া-৪ আসনে মোশাররফ হোসেন, বগুড়া-৫ আসনে গোলাম মোহাম্মদ সিরাজ, বগুড়া-৬ আসনে তারেক রহমান এবং বগুড়া-৭ আসনে মোরশেদ মিল্টন বিজয়ী হয়েছেন।
নরসিংদীতে পাঁচে পাঁচ
নরসিংদী জেলার পাঁচটি আসনেই জয় পেয়েছে বিএনপি। নরসিংদী-১ আসনে খায়রুল কবীর খোকন, নরসিংদী-২ আসনে নজরুল ইসলাম আজাদ, নরসিংদী-৩ আসনে মনজুর এলাহী, নরসিংদী-৪ আসনে সরদার শাখাওয়াত হোসেন বকুল এবং নরসিংদী-৫ আসনে মো. আশরাফ উদ্দিন নির্বাচিত হয়েছেন।
রাজবাড়ী ও ভোলায় পূর্ণ দখল
রাজবাড়ী জেলার দুটি আসনেই জয়ী হয়েছেন বিএনপি প্রার্থীরা। রাজবাড়ী-১ আসনে নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম এবং রাজবাড়ী-২ আসনে হারুন-অর-রশিদ বিজয়ী হন।
ভোলা
বরিশাল বিভাগের ভোলা জেলার চারটি আসনেই ‘ধানের শীষ’-এর প্রার্থীরা জয় পেয়েছেন। ভোলা-১ আসনে আন্দালিব রহমান পার্থ, ভোলা-২ আসনে হাফিজ ইব্রাহিম, ভোলা-৩ আসনে হাফিজ উদ্দিন আহমেদ এবং ভোলা-৪ আসনে নুরুল ইসলাম নয়ন নির্বাচিত হয়েছেন।
নাটোরে চার আসনে সাফল্য
নাটোর জেলার চারটি আসনের সবকটিতেই বিএনপি জয় পেয়েছে। নাটোর-১ আসনে ফারজানা শারমীন, নাটোর-২ আসনে এম রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, নাটোর-৩ আসনে মো. আনোয়ারুল ইসলাম এবং নাটোর-৪ আসনে মো. আব্দুল আজিজ বিজয়ী হয়েছেন।
গোপালগঞ্জে নজির
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গোপালগঞ্জের তিনটি আসনেই বিএনপি প্রার্থীরা বিজয়ী হয়েছেন। আওয়ামী লীগ অধ্যুষিত এই জেলায় বিএনপির জন্য এ ধরনের বড় বিজয় আগে দেখা যায়নি। এর আগে ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে গোপালগঞ্জ-১ আসনে বিএনপি প্রার্থী এফ. ই. শরফুজ্জামান জাহাঙ্গীর জয়ী হন।
এবারের নির্বাচনে গোপালগঞ্জ-১, গোপালগঞ্জ-২ ও গোপালগঞ্জ-৩ আসনে বিজয়ী হয়েছেন যথাক্রমে বিএনপি মনোনীত সেলিমুজ্জামান মোল্যা, কে এম বাবর ও এস এম জিলানী।
মানিকগঞ্জ, মুন্সীগঞ্জ ও শরীয়তপুর
মানিকগঞ্জ জেলার তিনটি আসনেই জয় পেয়েছেন বিএনপি প্রার্থীরা। মানিকগঞ্জ-১ আসনে এস এ জিন্নাহ কবীর, মানিকগঞ্জ-২ আসনে মঈনুল ইসলাম খান এবং মানিকগঞ্জ-৩ আসনে আফরোজা খানম নির্বাচিত হয়েছেন।
মুন্সীগঞ্জ জেলার তিনটি আসনেও বিএনপি জয়ী হয়েছে। মুন্সীগঞ্জ-১ আসনে শেখ মো. আব্দুল্লাহ, মুন্সীগঞ্জ-২ আসনে আব্দুস সালাম আজাদ এবং মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনে মো. কামরুজ্জামান রতন বিজয়ী হয়েছেন।
শরীয়তপুর জেলার তিনটি আসনের সবকটিতেই জয় পেয়েছেন দলটির প্রার্থীরা। শরীয়তপুর-১ আসনে সাঈদ আহমেদ আসলাম, শরীয়তপুর-২ আসনে শফিকুর রহমান কিরণ এবং শরীয়তপুর-৩ আসনে মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু নির্বাচিত হয়েছেন।
বরিশাল ও ঝালকাঠিতে পূর্ণ আধিপত্য
বরিশাল জেলার ছয়টি আসনেই বিএনপি জয় পেয়েছে। বরিশাল-১ আসনে জহির উদ্দিন স্বপন, বরিশাল-২ আসনে সরদার সরফুদ্দিন আহমেদ, বরিশাল-৩ আসনে জয়নুল আবেদীন, বরিশাল-৪ আসনে রাজিব আহসান, বরিশাল-৫ আসনে মজিবর রহমান সারওয়ার এবং বরিশাল-৬ আসনে আবুল হোসেন খান নির্বাচিত হয়েছেন।
একই বিভাগের ঝালকাঠি জেলার দুটি আসনেও বিএনপি জয় পেয়েছে। ঝালকাঠি-১ আসনে রফিকুল ইসলাম জামাল এবং ঝালকাঠি-২ আসনে ইসরাত সুলতানা ইলেন ভূট্টো বিজয়ী হয়েছেন।
উত্তরাঞ্চলে দিনাজপুর, পঞ্চগড় ও লালমনিরহাট
দিনাজপুর জেলার ছয়টি আসনের মধ্যে পাঁচটিতে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীরা জয়ী হয়েছেন। দিনাজপুর-১ আসনে মনজুরুল ইসলাম, দিনাজপুর-২ আসনে সাদিক রিয়াজ পিনাক চৌধুরী, দিনাজপুর-৩ আসনে সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম, দিনাজপুর-৪ আসনে আখতারুজ্জামান মিয়া এবং দিনাজপুর-৬ আসনে এ জেড এম জাহিদ হোসেন বিজয়ী হয়েছেন। দিনাজপুর-৫ আসনে জয়ী হয়েছেন এ জেড এম রেজওয়ানুল হক, যিনি বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিয়েছিলেন।
পঞ্চগড় জেলার দুটি আসনেই জয় পেয়েছে বিএনপি। পঞ্চগড়-১ আসনে মুহাম্মদ নওশাদ জমির এবং পঞ্চগড়-২ আসনে ফরহাদ হোসেন আজাদ নির্বাচিত হয়েছেন।
লালমনিরহাট জেলার তিনটি আসনেই জয় পেয়েছে দলটি। লালমনিরহাট-১ আসনে ব্যারিস্টার হাসান রাজিব, লালমনিরহাট-২ আসনে রোকন উদ্দিন বাবুল এবং লালমনিরহাট-৩ আসনে আসাদুল হাবিব দুলু বিজয়ী হয়েছেন।
লক্ষ্মীপুর, কক্সবাজার, ফেনী ও পার্বত্য অঞ্চল
লক্ষ্মীপুর জেলার চারটি আসনেই জয় পেয়েছে বিএনপি। লক্ষ্মীপুর-১ আসনে মো. শাহাদাত হোসেন, লক্ষ্মীপুর-২ আসনে মো. আবুল খায়ের ভূঁইয়া, লক্ষ্মীপুর-৩ আসনে মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি এবং লক্ষ্মীপুর-৪ আসনে এ. বি. এম আশরাফ উদ্দিন (নিজাম) নির্বাচিত হয়েছেন।
কক্সবাজার জেলার চারটি আসনেও জয় পেয়েছে দলটি। কক্সবাজার-১ আসনে সালাহউদ্দিন আহমদ, কক্সবাজার-২ আসনে আলমগীর মোহাম্মদ মাহফুজ উল্লাহ ফরিদ, কক্সবাজার-৩ আসনে লুৎফুর রহমান এবং কক্সবাজার-৪ আসনে শাহজাহান চৌধুরী বিজয়ী হয়েছেন।
ফেনী জেলার তিনটি আসনেই বিএনপি জয় পেয়েছে। ফেনী-১ আসনে রফিকুল আলম মজনু, ফেনী-২ আসনে অধ্যাপক জয়নাল আবেদিন এবং ফেনী-৩ আসনে আবদুল আউয়াল মিন্টু নির্বাচিত হয়েছেন।
পার্বত্য চট্টগ্রামের খাগড়াছড়ি-১ আসনে ওয়াদুদ রিয়া, রাঙ্গামাটি-১ আসনে দ্বীপিন দেওয়ান এবং বান্দরবান-১ আসনে সাচিং প্রু জেরি বিএনপি প্রার্থী হিসেবে বিজয়ী হয়েছেন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে একক দল হিসেবে সর্বাধিক (২১২) আসন পেয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। তবে সংখ্যার হিসাবের বাইরে গিয়ে বিশেষভাবে আলোচনায় এসেছে কয়েকটি জেলা, যেখানে প্রতিটি আসনেই জয় পেয়েছেন দলটির প্রার্থীরা।
বগুড়ায় সাত আসনেই বিএনপি
রাজশাহী বিভাগের বগুড়া জেলার সাতটি আসনের সবকটিতেই জয় পেয়েছেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থীরা। বগুড়া-১ আসনে কাজী রফিকুল ইসলাম, বগুড়া-২ আসনে মীর শাহে আলম, বগুড়া-৩ আসনে আব্দুল মহিত তালুকদার, বগুড়া-৪ আসনে মোশাররফ হোসেন, বগুড়া-৫ আসনে গোলাম মোহাম্মদ সিরাজ, বগুড়া-৬ আসনে তারেক রহমান এবং বগুড়া-৭ আসনে মোরশেদ মিল্টন বিজয়ী হয়েছেন।
নরসিংদীতে পাঁচে পাঁচ
নরসিংদী জেলার পাঁচটি আসনেই জয় পেয়েছে বিএনপি। নরসিংদী-১ আসনে খায়রুল কবীর খোকন, নরসিংদী-২ আসনে নজরুল ইসলাম আজাদ, নরসিংদী-৩ আসনে মনজুর এলাহী, নরসিংদী-৪ আসনে সরদার শাখাওয়াত হোসেন বকুল এবং নরসিংদী-৫ আসনে মো. আশরাফ উদ্দিন নির্বাচিত হয়েছেন।
রাজবাড়ী ও ভোলায় পূর্ণ দখল
রাজবাড়ী জেলার দুটি আসনেই জয়ী হয়েছেন বিএনপি প্রার্থীরা। রাজবাড়ী-১ আসনে নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম এবং রাজবাড়ী-২ আসনে হারুন-অর-রশিদ বিজয়ী হন।
ভোলা
বরিশাল বিভাগের ভোলা জেলার চারটি আসনেই ‘ধানের শীষ’-এর প্রার্থীরা জয় পেয়েছেন। ভোলা-১ আসনে আন্দালিব রহমান পার্থ, ভোলা-২ আসনে হাফিজ ইব্রাহিম, ভোলা-৩ আসনে হাফিজ উদ্দিন আহমেদ এবং ভোলা-৪ আসনে নুরুল ইসলাম নয়ন নির্বাচিত হয়েছেন।
নাটোরে চার আসনে সাফল্য
নাটোর জেলার চারটি আসনের সবকটিতেই বিএনপি জয় পেয়েছে। নাটোর-১ আসনে ফারজানা শারমীন, নাটোর-২ আসনে এম রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, নাটোর-৩ আসনে মো. আনোয়ারুল ইসলাম এবং নাটোর-৪ আসনে মো. আব্দুল আজিজ বিজয়ী হয়েছেন।
গোপালগঞ্জে নজির
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গোপালগঞ্জের তিনটি আসনেই বিএনপি প্রার্থীরা বিজয়ী হয়েছেন। আওয়ামী লীগ অধ্যুষিত এই জেলায় বিএনপির জন্য এ ধরনের বড় বিজয় আগে দেখা যায়নি। এর আগে ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে গোপালগঞ্জ-১ আসনে বিএনপি প্রার্থী এফ. ই. শরফুজ্জামান জাহাঙ্গীর জয়ী হন।
এবারের নির্বাচনে গোপালগঞ্জ-১, গোপালগঞ্জ-২ ও গোপালগঞ্জ-৩ আসনে বিজয়ী হয়েছেন যথাক্রমে বিএনপি মনোনীত সেলিমুজ্জামান মোল্যা, কে এম বাবর ও এস এম জিলানী।
মানিকগঞ্জ, মুন্সীগঞ্জ ও শরীয়তপুর
মানিকগঞ্জ জেলার তিনটি আসনেই জয় পেয়েছেন বিএনপি প্রার্থীরা। মানিকগঞ্জ-১ আসনে এস এ জিন্নাহ কবীর, মানিকগঞ্জ-২ আসনে মঈনুল ইসলাম খান এবং মানিকগঞ্জ-৩ আসনে আফরোজা খানম নির্বাচিত হয়েছেন।
মুন্সীগঞ্জ জেলার তিনটি আসনেও বিএনপি জয়ী হয়েছে। মুন্সীগঞ্জ-১ আসনে শেখ মো. আব্দুল্লাহ, মুন্সীগঞ্জ-২ আসনে আব্দুস সালাম আজাদ এবং মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনে মো. কামরুজ্জামান রতন বিজয়ী হয়েছেন।
শরীয়তপুর জেলার তিনটি আসনের সবকটিতেই জয় পেয়েছেন দলটির প্রার্থীরা। শরীয়তপুর-১ আসনে সাঈদ আহমেদ আসলাম, শরীয়তপুর-২ আসনে শফিকুর রহমান কিরণ এবং শরীয়তপুর-৩ আসনে মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু নির্বাচিত হয়েছেন।
বরিশাল ও ঝালকাঠিতে পূর্ণ আধিপত্য
বরিশাল জেলার ছয়টি আসনেই বিএনপি জয় পেয়েছে। বরিশাল-১ আসনে জহির উদ্দিন স্বপন, বরিশাল-২ আসনে সরদার সরফুদ্দিন আহমেদ, বরিশাল-৩ আসনে জয়নুল আবেদীন, বরিশাল-৪ আসনে রাজিব আহসান, বরিশাল-৫ আসনে মজিবর রহমান সারওয়ার এবং বরিশাল-৬ আসনে আবুল হোসেন খান নির্বাচিত হয়েছেন।
একই বিভাগের ঝালকাঠি জেলার দুটি আসনেও বিএনপি জয় পেয়েছে। ঝালকাঠি-১ আসনে রফিকুল ইসলাম জামাল এবং ঝালকাঠি-২ আসনে ইসরাত সুলতানা ইলেন ভূট্টো বিজয়ী হয়েছেন।
উত্তরাঞ্চলে দিনাজপুর, পঞ্চগড় ও লালমনিরহাট
দিনাজপুর জেলার ছয়টি আসনের মধ্যে পাঁচটিতে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীরা জয়ী হয়েছেন। দিনাজপুর-১ আসনে মনজুরুল ইসলাম, দিনাজপুর-২ আসনে সাদিক রিয়াজ পিনাক চৌধুরী, দিনাজপুর-৩ আসনে সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম, দিনাজপুর-৪ আসনে আখতারুজ্জামান মিয়া এবং দিনাজপুর-৬ আসনে এ জেড এম জাহিদ হোসেন বিজয়ী হয়েছেন। দিনাজপুর-৫ আসনে জয়ী হয়েছেন এ জেড এম রেজওয়ানুল হক, যিনি বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিয়েছিলেন।
পঞ্চগড় জেলার দুটি আসনেই জয় পেয়েছে বিএনপি। পঞ্চগড়-১ আসনে মুহাম্মদ নওশাদ জমির এবং পঞ্চগড়-২ আসনে ফরহাদ হোসেন আজাদ নির্বাচিত হয়েছেন।
লালমনিরহাট জেলার তিনটি আসনেই জয় পেয়েছে দলটি। লালমনিরহাট-১ আসনে ব্যারিস্টার হাসান রাজিব, লালমনিরহাট-২ আসনে রোকন উদ্দিন বাবুল এবং লালমনিরহাট-৩ আসনে আসাদুল হাবিব দুলু বিজয়ী হয়েছেন।
লক্ষ্মীপুর, কক্সবাজার, ফেনী ও পার্বত্য অঞ্চল
লক্ষ্মীপুর জেলার চারটি আসনেই জয় পেয়েছে বিএনপি। লক্ষ্মীপুর-১ আসনে মো. শাহাদাত হোসেন, লক্ষ্মীপুর-২ আসনে মো. আবুল খায়ের ভূঁইয়া, লক্ষ্মীপুর-৩ আসনে মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি এবং লক্ষ্মীপুর-৪ আসনে এ. বি. এম আশরাফ উদ্দিন (নিজাম) নির্বাচিত হয়েছেন।
কক্সবাজার জেলার চারটি আসনেও জয় পেয়েছে দলটি। কক্সবাজার-১ আসনে সালাহউদ্দিন আহমদ, কক্সবাজার-২ আসনে আলমগীর মোহাম্মদ মাহফুজ উল্লাহ ফরিদ, কক্সবাজার-৩ আসনে লুৎফুর রহমান এবং কক্সবাজার-৪ আসনে শাহজাহান চৌধুরী বিজয়ী হয়েছেন।
ফেনী জেলার তিনটি আসনেই বিএনপি জয় পেয়েছে। ফেনী-১ আসনে রফিকুল আলম মজনু, ফেনী-২ আসনে অধ্যাপক জয়নাল আবেদিন এবং ফেনী-৩ আসনে আবদুল আউয়াল মিন্টু নির্বাচিত হয়েছেন।
পার্বত্য চট্টগ্রামের খাগড়াছড়ি-১ আসনে ওয়াদুদ রিয়া, রাঙ্গামাটি-১ আসনে দ্বীপিন দেওয়ান এবং বান্দরবান-১ আসনে সাচিং প্রু জেরি বিএনপি প্রার্থী হিসেবে বিজয়ী হয়েছেন।

যেসব জেলায় বিএনপির শতভাগ জয়
নিজস্ব প্রতিবেদক

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে একক দল হিসেবে সর্বাধিক (২১২) আসন পেয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। তবে সংখ্যার হিসাবের বাইরে গিয়ে বিশেষভাবে আলোচনায় এসেছে কয়েকটি জেলা, যেখানে প্রতিটি আসনেই জয় পেয়েছেন দলটির প্রার্থীরা।
বগুড়ায় সাত আসনেই বিএনপি
রাজশাহী বিভাগের বগুড়া জেলার সাতটি আসনের সবকটিতেই জয় পেয়েছেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থীরা। বগুড়া-১ আসনে কাজী রফিকুল ইসলাম, বগুড়া-২ আসনে মীর শাহে আলম, বগুড়া-৩ আসনে আব্দুল মহিত তালুকদার, বগুড়া-৪ আসনে মোশাররফ হোসেন, বগুড়া-৫ আসনে গোলাম মোহাম্মদ সিরাজ, বগুড়া-৬ আসনে তারেক রহমান এবং বগুড়া-৭ আসনে মোরশেদ মিল্টন বিজয়ী হয়েছেন।
নরসিংদীতে পাঁচে পাঁচ
নরসিংদী জেলার পাঁচটি আসনেই জয় পেয়েছে বিএনপি। নরসিংদী-১ আসনে খায়রুল কবীর খোকন, নরসিংদী-২ আসনে নজরুল ইসলাম আজাদ, নরসিংদী-৩ আসনে মনজুর এলাহী, নরসিংদী-৪ আসনে সরদার শাখাওয়াত হোসেন বকুল এবং নরসিংদী-৫ আসনে মো. আশরাফ উদ্দিন নির্বাচিত হয়েছেন।
রাজবাড়ী ও ভোলায় পূর্ণ দখল
রাজবাড়ী জেলার দুটি আসনেই জয়ী হয়েছেন বিএনপি প্রার্থীরা। রাজবাড়ী-১ আসনে নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম এবং রাজবাড়ী-২ আসনে হারুন-অর-রশিদ বিজয়ী হন।
ভোলা
বরিশাল বিভাগের ভোলা জেলার চারটি আসনেই ‘ধানের শীষ’-এর প্রার্থীরা জয় পেয়েছেন। ভোলা-১ আসনে আন্দালিব রহমান পার্থ, ভোলা-২ আসনে হাফিজ ইব্রাহিম, ভোলা-৩ আসনে হাফিজ উদ্দিন আহমেদ এবং ভোলা-৪ আসনে নুরুল ইসলাম নয়ন নির্বাচিত হয়েছেন।
নাটোরে চার আসনে সাফল্য
নাটোর জেলার চারটি আসনের সবকটিতেই বিএনপি জয় পেয়েছে। নাটোর-১ আসনে ফারজানা শারমীন, নাটোর-২ আসনে এম রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, নাটোর-৩ আসনে মো. আনোয়ারুল ইসলাম এবং নাটোর-৪ আসনে মো. আব্দুল আজিজ বিজয়ী হয়েছেন।
গোপালগঞ্জে নজির
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গোপালগঞ্জের তিনটি আসনেই বিএনপি প্রার্থীরা বিজয়ী হয়েছেন। আওয়ামী লীগ অধ্যুষিত এই জেলায় বিএনপির জন্য এ ধরনের বড় বিজয় আগে দেখা যায়নি। এর আগে ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে গোপালগঞ্জ-১ আসনে বিএনপি প্রার্থী এফ. ই. শরফুজ্জামান জাহাঙ্গীর জয়ী হন।
এবারের নির্বাচনে গোপালগঞ্জ-১, গোপালগঞ্জ-২ ও গোপালগঞ্জ-৩ আসনে বিজয়ী হয়েছেন যথাক্রমে বিএনপি মনোনীত সেলিমুজ্জামান মোল্যা, কে এম বাবর ও এস এম জিলানী।
মানিকগঞ্জ, মুন্সীগঞ্জ ও শরীয়তপুর
মানিকগঞ্জ জেলার তিনটি আসনেই জয় পেয়েছেন বিএনপি প্রার্থীরা। মানিকগঞ্জ-১ আসনে এস এ জিন্নাহ কবীর, মানিকগঞ্জ-২ আসনে মঈনুল ইসলাম খান এবং মানিকগঞ্জ-৩ আসনে আফরোজা খানম নির্বাচিত হয়েছেন।
মুন্সীগঞ্জ জেলার তিনটি আসনেও বিএনপি জয়ী হয়েছে। মুন্সীগঞ্জ-১ আসনে শেখ মো. আব্দুল্লাহ, মুন্সীগঞ্জ-২ আসনে আব্দুস সালাম আজাদ এবং মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনে মো. কামরুজ্জামান রতন বিজয়ী হয়েছেন।
শরীয়তপুর জেলার তিনটি আসনের সবকটিতেই জয় পেয়েছেন দলটির প্রার্থীরা। শরীয়তপুর-১ আসনে সাঈদ আহমেদ আসলাম, শরীয়তপুর-২ আসনে শফিকুর রহমান কিরণ এবং শরীয়তপুর-৩ আসনে মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু নির্বাচিত হয়েছেন।
বরিশাল ও ঝালকাঠিতে পূর্ণ আধিপত্য
বরিশাল জেলার ছয়টি আসনেই বিএনপি জয় পেয়েছে। বরিশাল-১ আসনে জহির উদ্দিন স্বপন, বরিশাল-২ আসনে সরদার সরফুদ্দিন আহমেদ, বরিশাল-৩ আসনে জয়নুল আবেদীন, বরিশাল-৪ আসনে রাজিব আহসান, বরিশাল-৫ আসনে মজিবর রহমান সারওয়ার এবং বরিশাল-৬ আসনে আবুল হোসেন খান নির্বাচিত হয়েছেন।
একই বিভাগের ঝালকাঠি জেলার দুটি আসনেও বিএনপি জয় পেয়েছে। ঝালকাঠি-১ আসনে রফিকুল ইসলাম জামাল এবং ঝালকাঠি-২ আসনে ইসরাত সুলতানা ইলেন ভূট্টো বিজয়ী হয়েছেন।
উত্তরাঞ্চলে দিনাজপুর, পঞ্চগড় ও লালমনিরহাট
দিনাজপুর জেলার ছয়টি আসনের মধ্যে পাঁচটিতে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীরা জয়ী হয়েছেন। দিনাজপুর-১ আসনে মনজুরুল ইসলাম, দিনাজপুর-২ আসনে সাদিক রিয়াজ পিনাক চৌধুরী, দিনাজপুর-৩ আসনে সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম, দিনাজপুর-৪ আসনে আখতারুজ্জামান মিয়া এবং দিনাজপুর-৬ আসনে এ জেড এম জাহিদ হোসেন বিজয়ী হয়েছেন। দিনাজপুর-৫ আসনে জয়ী হয়েছেন এ জেড এম রেজওয়ানুল হক, যিনি বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিয়েছিলেন।
পঞ্চগড় জেলার দুটি আসনেই জয় পেয়েছে বিএনপি। পঞ্চগড়-১ আসনে মুহাম্মদ নওশাদ জমির এবং পঞ্চগড়-২ আসনে ফরহাদ হোসেন আজাদ নির্বাচিত হয়েছেন।
লালমনিরহাট জেলার তিনটি আসনেই জয় পেয়েছে দলটি। লালমনিরহাট-১ আসনে ব্যারিস্টার হাসান রাজিব, লালমনিরহাট-২ আসনে রোকন উদ্দিন বাবুল এবং লালমনিরহাট-৩ আসনে আসাদুল হাবিব দুলু বিজয়ী হয়েছেন।
লক্ষ্মীপুর, কক্সবাজার, ফেনী ও পার্বত্য অঞ্চল
লক্ষ্মীপুর জেলার চারটি আসনেই জয় পেয়েছে বিএনপি। লক্ষ্মীপুর-১ আসনে মো. শাহাদাত হোসেন, লক্ষ্মীপুর-২ আসনে মো. আবুল খায়ের ভূঁইয়া, লক্ষ্মীপুর-৩ আসনে মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি এবং লক্ষ্মীপুর-৪ আসনে এ. বি. এম আশরাফ উদ্দিন (নিজাম) নির্বাচিত হয়েছেন।
কক্সবাজার জেলার চারটি আসনেও জয় পেয়েছে দলটি। কক্সবাজার-১ আসনে সালাহউদ্দিন আহমদ, কক্সবাজার-২ আসনে আলমগীর মোহাম্মদ মাহফুজ উল্লাহ ফরিদ, কক্সবাজার-৩ আসনে লুৎফুর রহমান এবং কক্সবাজার-৪ আসনে শাহজাহান চৌধুরী বিজয়ী হয়েছেন।
ফেনী জেলার তিনটি আসনেই বিএনপি জয় পেয়েছে। ফেনী-১ আসনে রফিকুল আলম মজনু, ফেনী-২ আসনে অধ্যাপক জয়নাল আবেদিন এবং ফেনী-৩ আসনে আবদুল আউয়াল মিন্টু নির্বাচিত হয়েছেন।
পার্বত্য চট্টগ্রামের খাগড়াছড়ি-১ আসনে ওয়াদুদ রিয়া, রাঙ্গামাটি-১ আসনে দ্বীপিন দেওয়ান এবং বান্দরবান-১ আসনে সাচিং প্রু জেরি বিএনপি প্রার্থী হিসেবে বিজয়ী হয়েছেন।




