‘জান ও মালের কোরবানির পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে’

‘জান ও মালের কোরবানির পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে’
গাইবান্ধা সংবাদদাতা

জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আবদুল হালিম বলেছেন, দেশের পরিবর্তিত প্রেক্ষাপটে জামায়াতের সব পর্যায়ের জনশক্তিকে দেশ ও জাতির সেবায় জান ও মালের কোরবানির পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে। দেশপ্রেমে উজ্জীবিত হয়ে মানুষের সেবায় ভূমিকা রাখতে হবে। আর্থিক কোরবানির মাধ্যমে সংগঠনকে মজবুত করতে হবে।
তিনি বলেন, সাধারণ মানুষের কল্যাণেও অর্থ ব্যয় করতে হবে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াতের প্রতি নানা শ্রেণি-পেশার মানুষের সমর্থনকে ধরে রাখার জন্য সাংগঠনিক দায়িত্ব পালনে সময়, শ্রম ও অর্থের কোরবানি বাড়াতে হবে।
রবিবার (১০ মে) জামায়াতে ইসলামী গাইবান্ধা জেলার উদ্যোগে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
জামায়াতে ইসলামী গাইবান্ধা জেলার উদ্যোগে এদিন জেলা মজলিসে শূরা, কর্মপরিষদ, জেলা ইউনিট (পুরুষ ও মহিলা) এবং উপজেলা আমির-সেক্রেটারি ও ছাত্র ইসলামী আন্দোলনের সাবেক জনশক্তি নিয়ে পৃথক পৃথক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
স্থানীয় জেলা জামায়াতের কার্যালয়ে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও গাইবান্ধা জেলা আমির মো. আব্দুল করিম এমপি। জেলা সেক্রেটারি মাওলানা জহুরুল হক সরকারের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও কুড়িগ্রাম জেলা আমির অধ্যাপক আজিজুর রহমান সরকার।
আরও উপস্থিত ছিলেন গাইবান্ধা জেলার সাবেক আমির ডা. আব্দুর রহিম সরকার, জেলা জামায়াতের নায়েবে আমির বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল ওয়ারেছ এমপি, জেলা নায়েবে আমির অধ্যাপক মাজেদুর রহমান এমপি, রাজনৈতিক সেক্রেটারি অধ্যক্ষ মাওলানা নজরুল ইসলাম এমপি, জেলা সহকারী সেক্রেটারি সৈয়দ রোকনুজ্জামান ও মো. ফয়সাল কবির রানা, জেলা শিবিরের সাবেক সভাপতি ফেরদৌস সরকার রুম্মান, শিবিরের জেলা সভাপতি ইউসুফ আল কারযাভী, শিবিরের জেলা সেক্রেটারি মো. ফাহিম মণ্ডলসহ জামায়াত ও শিবিরের জেলা নেতারা।
প্রাক্তন জনশক্তির উদ্দেশে মাওলানা আবদুল হালিম বলেন, ছাত্র জীবনের পরিশ্রম, অভিজ্ঞতা ও ত্যাগ- কোরবানিকে বৃহত্তর আন্দোলনের মজবুতি অর্জনে কাজে লাগাতে হবে। রুকনিয়াতের সর্বোচ্চ মানে এগিয়ে আসতে হবে। পরিবেশ-পরিস্থিতি সম্পর্কে সজাগ ও সচেতন হতে হবে। মনে রাখতে হবে আমাদের চূড়ান্ত লক্ষ্য আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন ও ন্যায়ভিত্তিক ইনসাফের বাংলাদেশ গড়ে তোলা।
তিনি আরও বলেন, জ্ঞান ও আমলের দিক থেকে অগ্রগামী হতে হবে। সংগঠন পরিচালনার মৌলিক ধারণা অর্জন করতে হবে। কবিরা গুনাহ থেকে বেঁচে থাকতে হবে। ব্যক্তিগত দুর্বলতা দূর করতে হবে। শহীদি এই কাফেলায় আমরা সবাই দ্বীনি ভাই, দুনিয়ার কোনো স্বার্থ ও চাকচিক্য আমাদের যেন আলাদা না করতে পারে। আমরা একে অপরকে দোষারোপ না করে সংশোধিত হয়ে কাজ করবো, ইনশাআল্লাহ।

জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আবদুল হালিম বলেছেন, দেশের পরিবর্তিত প্রেক্ষাপটে জামায়াতের সব পর্যায়ের জনশক্তিকে দেশ ও জাতির সেবায় জান ও মালের কোরবানির পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে। দেশপ্রেমে উজ্জীবিত হয়ে মানুষের সেবায় ভূমিকা রাখতে হবে। আর্থিক কোরবানির মাধ্যমে সংগঠনকে মজবুত করতে হবে।
তিনি বলেন, সাধারণ মানুষের কল্যাণেও অর্থ ব্যয় করতে হবে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াতের প্রতি নানা শ্রেণি-পেশার মানুষের সমর্থনকে ধরে রাখার জন্য সাংগঠনিক দায়িত্ব পালনে সময়, শ্রম ও অর্থের কোরবানি বাড়াতে হবে।
রবিবার (১০ মে) জামায়াতে ইসলামী গাইবান্ধা জেলার উদ্যোগে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
জামায়াতে ইসলামী গাইবান্ধা জেলার উদ্যোগে এদিন জেলা মজলিসে শূরা, কর্মপরিষদ, জেলা ইউনিট (পুরুষ ও মহিলা) এবং উপজেলা আমির-সেক্রেটারি ও ছাত্র ইসলামী আন্দোলনের সাবেক জনশক্তি নিয়ে পৃথক পৃথক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
স্থানীয় জেলা জামায়াতের কার্যালয়ে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও গাইবান্ধা জেলা আমির মো. আব্দুল করিম এমপি। জেলা সেক্রেটারি মাওলানা জহুরুল হক সরকারের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও কুড়িগ্রাম জেলা আমির অধ্যাপক আজিজুর রহমান সরকার।
আরও উপস্থিত ছিলেন গাইবান্ধা জেলার সাবেক আমির ডা. আব্দুর রহিম সরকার, জেলা জামায়াতের নায়েবে আমির বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল ওয়ারেছ এমপি, জেলা নায়েবে আমির অধ্যাপক মাজেদুর রহমান এমপি, রাজনৈতিক সেক্রেটারি অধ্যক্ষ মাওলানা নজরুল ইসলাম এমপি, জেলা সহকারী সেক্রেটারি সৈয়দ রোকনুজ্জামান ও মো. ফয়সাল কবির রানা, জেলা শিবিরের সাবেক সভাপতি ফেরদৌস সরকার রুম্মান, শিবিরের জেলা সভাপতি ইউসুফ আল কারযাভী, শিবিরের জেলা সেক্রেটারি মো. ফাহিম মণ্ডলসহ জামায়াত ও শিবিরের জেলা নেতারা।
প্রাক্তন জনশক্তির উদ্দেশে মাওলানা আবদুল হালিম বলেন, ছাত্র জীবনের পরিশ্রম, অভিজ্ঞতা ও ত্যাগ- কোরবানিকে বৃহত্তর আন্দোলনের মজবুতি অর্জনে কাজে লাগাতে হবে। রুকনিয়াতের সর্বোচ্চ মানে এগিয়ে আসতে হবে। পরিবেশ-পরিস্থিতি সম্পর্কে সজাগ ও সচেতন হতে হবে। মনে রাখতে হবে আমাদের চূড়ান্ত লক্ষ্য আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন ও ন্যায়ভিত্তিক ইনসাফের বাংলাদেশ গড়ে তোলা।
তিনি আরও বলেন, জ্ঞান ও আমলের দিক থেকে অগ্রগামী হতে হবে। সংগঠন পরিচালনার মৌলিক ধারণা অর্জন করতে হবে। কবিরা গুনাহ থেকে বেঁচে থাকতে হবে। ব্যক্তিগত দুর্বলতা দূর করতে হবে। শহীদি এই কাফেলায় আমরা সবাই দ্বীনি ভাই, দুনিয়ার কোনো স্বার্থ ও চাকচিক্য আমাদের যেন আলাদা না করতে পারে। আমরা একে অপরকে দোষারোপ না করে সংশোধিত হয়ে কাজ করবো, ইনশাআল্লাহ।

‘জান ও মালের কোরবানির পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে’
গাইবান্ধা সংবাদদাতা

জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আবদুল হালিম বলেছেন, দেশের পরিবর্তিত প্রেক্ষাপটে জামায়াতের সব পর্যায়ের জনশক্তিকে দেশ ও জাতির সেবায় জান ও মালের কোরবানির পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে। দেশপ্রেমে উজ্জীবিত হয়ে মানুষের সেবায় ভূমিকা রাখতে হবে। আর্থিক কোরবানির মাধ্যমে সংগঠনকে মজবুত করতে হবে।
তিনি বলেন, সাধারণ মানুষের কল্যাণেও অর্থ ব্যয় করতে হবে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াতের প্রতি নানা শ্রেণি-পেশার মানুষের সমর্থনকে ধরে রাখার জন্য সাংগঠনিক দায়িত্ব পালনে সময়, শ্রম ও অর্থের কোরবানি বাড়াতে হবে।
রবিবার (১০ মে) জামায়াতে ইসলামী গাইবান্ধা জেলার উদ্যোগে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
জামায়াতে ইসলামী গাইবান্ধা জেলার উদ্যোগে এদিন জেলা মজলিসে শূরা, কর্মপরিষদ, জেলা ইউনিট (পুরুষ ও মহিলা) এবং উপজেলা আমির-সেক্রেটারি ও ছাত্র ইসলামী আন্দোলনের সাবেক জনশক্তি নিয়ে পৃথক পৃথক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
স্থানীয় জেলা জামায়াতের কার্যালয়ে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও গাইবান্ধা জেলা আমির মো. আব্দুল করিম এমপি। জেলা সেক্রেটারি মাওলানা জহুরুল হক সরকারের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও কুড়িগ্রাম জেলা আমির অধ্যাপক আজিজুর রহমান সরকার।
আরও উপস্থিত ছিলেন গাইবান্ধা জেলার সাবেক আমির ডা. আব্দুর রহিম সরকার, জেলা জামায়াতের নায়েবে আমির বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল ওয়ারেছ এমপি, জেলা নায়েবে আমির অধ্যাপক মাজেদুর রহমান এমপি, রাজনৈতিক সেক্রেটারি অধ্যক্ষ মাওলানা নজরুল ইসলাম এমপি, জেলা সহকারী সেক্রেটারি সৈয়দ রোকনুজ্জামান ও মো. ফয়সাল কবির রানা, জেলা শিবিরের সাবেক সভাপতি ফেরদৌস সরকার রুম্মান, শিবিরের জেলা সভাপতি ইউসুফ আল কারযাভী, শিবিরের জেলা সেক্রেটারি মো. ফাহিম মণ্ডলসহ জামায়াত ও শিবিরের জেলা নেতারা।
প্রাক্তন জনশক্তির উদ্দেশে মাওলানা আবদুল হালিম বলেন, ছাত্র জীবনের পরিশ্রম, অভিজ্ঞতা ও ত্যাগ- কোরবানিকে বৃহত্তর আন্দোলনের মজবুতি অর্জনে কাজে লাগাতে হবে। রুকনিয়াতের সর্বোচ্চ মানে এগিয়ে আসতে হবে। পরিবেশ-পরিস্থিতি সম্পর্কে সজাগ ও সচেতন হতে হবে। মনে রাখতে হবে আমাদের চূড়ান্ত লক্ষ্য আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন ও ন্যায়ভিত্তিক ইনসাফের বাংলাদেশ গড়ে তোলা।
তিনি আরও বলেন, জ্ঞান ও আমলের দিক থেকে অগ্রগামী হতে হবে। সংগঠন পরিচালনার মৌলিক ধারণা অর্জন করতে হবে। কবিরা গুনাহ থেকে বেঁচে থাকতে হবে। ব্যক্তিগত দুর্বলতা দূর করতে হবে। শহীদি এই কাফেলায় আমরা সবাই দ্বীনি ভাই, দুনিয়ার কোনো স্বার্থ ও চাকচিক্য আমাদের যেন আলাদা না করতে পারে। আমরা একে অপরকে দোষারোপ না করে সংশোধিত হয়ে কাজ করবো, ইনশাআল্লাহ।

মাওলানা নিজামীর অসমাপ্ত কাজ বাস্তবায়নের আহ্বান জামায়াত আমিরের


