হাসপাতালে সিট-ভর্তি বাণিজ্য বন্ধে নজরদারি শুরু হয়েছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

হাসপাতালে সিট-ভর্তি বাণিজ্য বন্ধে নজরদারি শুরু হয়েছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
নিজস্ব প্রতিবেদক

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, ‘দেশের সরকারি হাসপাতালগুলোতে সিট, ট্রলি ও ভর্তি নিয়ে বাণিজ্যের অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে। এসব অপতৎপরতা বন্ধ করতে ইতোমধ্যে গোয়েন্দা নজরদারি শুরু করেছে সরকার। আমি ঢাকা মেডিকেলসহ দেশের সব হাসপাতালের চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের এ ধরনের অনিয়মে জড়িত না হওয়ার অনুরোধ জানাচ্ছি।’
বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) রাজধানীর ঢাকা মেডিকেল কলেজের শহীদ ডা. মিলন অডিটোরিয়ামে আয়োজিত দোয়া ও ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘পাবলিক হাসপাতালে সিট, ট্রলি ও ভর্তি নিয়ে বাণিজ্যের ব্যাপারে বাইরে নানা অভিযোগ রয়েছে। এসব অনিয়ম বন্ধ করতে সরকার বাধ্য হয়ে গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করেছে। তিনি চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের উদ্দেশে বলেন, “আপনারা এসব বিষয়ে জড়িত হবেন না। এই বদনাম থেকে আমাদের বের হয়ে আসতে হবে। দেশের মানুষকে আমরা সঠিক সেবা দিতে চাই।”
স্বাস্থ্য সেবায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে উল্লেখ করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, এই হাসপাতাল দীর্ঘ প্রায় ১২০ বছর ধরে চিকিৎসাসেবা দেওয়া হচ্ছে। এই প্রতিষ্ঠান থেকে অসংখ্য চিকিৎসক তৈরি হয়ে দেশের মানুষকে সেবা দিচ্ছেন। এ কারণে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের এবার স্বাধীনতা পদক পেতে যাচ্ছে। এটা এই চিকিৎসাসেবা প্রতিষ্ঠানের জন্য গৌরবের বিষয়। এটি প্রতিষ্ঠানটির জন্য একটি বড় অর্জন।
মন্ত্রী আরও বলেন, সরকার দেশের স্বাস্থ্যসেবায় ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে কাজ করছে। সম্প্রতি তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পরিদর্শন করেছেন এবং সেখানে ভালো কাজের প্রশংসা করেছেন। তবে এখানে যে সমস্যাগুলো রয়েছে সেগুলো সমাধানের জন্যও উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
মন্ত্রী নতুন বাংলাদেশ গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি দিয়ে বলেন, ‘আমরা জাতিকে কিছু পরিবর্তন দেখাতে চাই। আমরা বাংলাদেশের মানুষকে সেই মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও ২৪-এর ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে যে চেতনা নতুন, নতুন বাংলাদেশ গড়ার যে প্রত্যয়, আমরা সেই প্রত্যয়কে সামনে নিয়ে বাংলাদেশকে কিছু দেখাতে চাচ্ছি।’
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক এবং সমাজকল্যাণমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন। তিনি বলেন, স্বাধীনতার ৫৫ বছর পর ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল স্বাধীনতা পদকের জন্য মনোনীত হয়েছে। এই স্বাধীনতা পদকের প্রচলন করেছিলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। তার ধারাবাহিকতায় আজকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পেতে যাচ্ছে এই সম্মানজনক পদক।
ডা. জাহিদ হোসেন আরও বলেন, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল দেশের স্বাস্থ্যসেবার প্রতীক। এই হাসপাতালের সেবার মান ভালো থাকলে দেশের মানুষ মনে করে বাংলাদেশের স্বাস্থ্যসেবাও ভালো চলছে।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. মো. রফিকুল ইসলাম, ঢাকা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. ফারুক আহমদ, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আসাদুজ্জামান এবং উপপরিচালক ডা. আশরাফুল আলমসহ বিভিন্ন বিভাগের চিকিৎসক, নার্স, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সর্বস্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পক্ষ থেকে ইফতার মাহফিলের আয়োজন করা হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ চতুর্থ শ্রেণির সরকারি কর্মচারী সমিতির সভাপতি মো. আজিম। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের কর্মচারী সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. শিপন মিয়া এবং মো. আব্দুল হান্নান চৌধুরী।

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, ‘দেশের সরকারি হাসপাতালগুলোতে সিট, ট্রলি ও ভর্তি নিয়ে বাণিজ্যের অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে। এসব অপতৎপরতা বন্ধ করতে ইতোমধ্যে গোয়েন্দা নজরদারি শুরু করেছে সরকার। আমি ঢাকা মেডিকেলসহ দেশের সব হাসপাতালের চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের এ ধরনের অনিয়মে জড়িত না হওয়ার অনুরোধ জানাচ্ছি।’
বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) রাজধানীর ঢাকা মেডিকেল কলেজের শহীদ ডা. মিলন অডিটোরিয়ামে আয়োজিত দোয়া ও ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘পাবলিক হাসপাতালে সিট, ট্রলি ও ভর্তি নিয়ে বাণিজ্যের ব্যাপারে বাইরে নানা অভিযোগ রয়েছে। এসব অনিয়ম বন্ধ করতে সরকার বাধ্য হয়ে গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করেছে। তিনি চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের উদ্দেশে বলেন, “আপনারা এসব বিষয়ে জড়িত হবেন না। এই বদনাম থেকে আমাদের বের হয়ে আসতে হবে। দেশের মানুষকে আমরা সঠিক সেবা দিতে চাই।”
স্বাস্থ্য সেবায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে উল্লেখ করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, এই হাসপাতাল দীর্ঘ প্রায় ১২০ বছর ধরে চিকিৎসাসেবা দেওয়া হচ্ছে। এই প্রতিষ্ঠান থেকে অসংখ্য চিকিৎসক তৈরি হয়ে দেশের মানুষকে সেবা দিচ্ছেন। এ কারণে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের এবার স্বাধীনতা পদক পেতে যাচ্ছে। এটা এই চিকিৎসাসেবা প্রতিষ্ঠানের জন্য গৌরবের বিষয়। এটি প্রতিষ্ঠানটির জন্য একটি বড় অর্জন।
মন্ত্রী আরও বলেন, সরকার দেশের স্বাস্থ্যসেবায় ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে কাজ করছে। সম্প্রতি তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পরিদর্শন করেছেন এবং সেখানে ভালো কাজের প্রশংসা করেছেন। তবে এখানে যে সমস্যাগুলো রয়েছে সেগুলো সমাধানের জন্যও উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
মন্ত্রী নতুন বাংলাদেশ গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি দিয়ে বলেন, ‘আমরা জাতিকে কিছু পরিবর্তন দেখাতে চাই। আমরা বাংলাদেশের মানুষকে সেই মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও ২৪-এর ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে যে চেতনা নতুন, নতুন বাংলাদেশ গড়ার যে প্রত্যয়, আমরা সেই প্রত্যয়কে সামনে নিয়ে বাংলাদেশকে কিছু দেখাতে চাচ্ছি।’
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক এবং সমাজকল্যাণমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন। তিনি বলেন, স্বাধীনতার ৫৫ বছর পর ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল স্বাধীনতা পদকের জন্য মনোনীত হয়েছে। এই স্বাধীনতা পদকের প্রচলন করেছিলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। তার ধারাবাহিকতায় আজকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পেতে যাচ্ছে এই সম্মানজনক পদক।
ডা. জাহিদ হোসেন আরও বলেন, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল দেশের স্বাস্থ্যসেবার প্রতীক। এই হাসপাতালের সেবার মান ভালো থাকলে দেশের মানুষ মনে করে বাংলাদেশের স্বাস্থ্যসেবাও ভালো চলছে।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. মো. রফিকুল ইসলাম, ঢাকা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. ফারুক আহমদ, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আসাদুজ্জামান এবং উপপরিচালক ডা. আশরাফুল আলমসহ বিভিন্ন বিভাগের চিকিৎসক, নার্স, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সর্বস্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পক্ষ থেকে ইফতার মাহফিলের আয়োজন করা হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ চতুর্থ শ্রেণির সরকারি কর্মচারী সমিতির সভাপতি মো. আজিম। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের কর্মচারী সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. শিপন মিয়া এবং মো. আব্দুল হান্নান চৌধুরী।

হাসপাতালে সিট-ভর্তি বাণিজ্য বন্ধে নজরদারি শুরু হয়েছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
নিজস্ব প্রতিবেদক

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, ‘দেশের সরকারি হাসপাতালগুলোতে সিট, ট্রলি ও ভর্তি নিয়ে বাণিজ্যের অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে। এসব অপতৎপরতা বন্ধ করতে ইতোমধ্যে গোয়েন্দা নজরদারি শুরু করেছে সরকার। আমি ঢাকা মেডিকেলসহ দেশের সব হাসপাতালের চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের এ ধরনের অনিয়মে জড়িত না হওয়ার অনুরোধ জানাচ্ছি।’
বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) রাজধানীর ঢাকা মেডিকেল কলেজের শহীদ ডা. মিলন অডিটোরিয়ামে আয়োজিত দোয়া ও ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘পাবলিক হাসপাতালে সিট, ট্রলি ও ভর্তি নিয়ে বাণিজ্যের ব্যাপারে বাইরে নানা অভিযোগ রয়েছে। এসব অনিয়ম বন্ধ করতে সরকার বাধ্য হয়ে গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করেছে। তিনি চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের উদ্দেশে বলেন, “আপনারা এসব বিষয়ে জড়িত হবেন না। এই বদনাম থেকে আমাদের বের হয়ে আসতে হবে। দেশের মানুষকে আমরা সঠিক সেবা দিতে চাই।”
স্বাস্থ্য সেবায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে উল্লেখ করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, এই হাসপাতাল দীর্ঘ প্রায় ১২০ বছর ধরে চিকিৎসাসেবা দেওয়া হচ্ছে। এই প্রতিষ্ঠান থেকে অসংখ্য চিকিৎসক তৈরি হয়ে দেশের মানুষকে সেবা দিচ্ছেন। এ কারণে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের এবার স্বাধীনতা পদক পেতে যাচ্ছে। এটা এই চিকিৎসাসেবা প্রতিষ্ঠানের জন্য গৌরবের বিষয়। এটি প্রতিষ্ঠানটির জন্য একটি বড় অর্জন।
মন্ত্রী আরও বলেন, সরকার দেশের স্বাস্থ্যসেবায় ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে কাজ করছে। সম্প্রতি তিনি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পরিদর্শন করেছেন এবং সেখানে ভালো কাজের প্রশংসা করেছেন। তবে এখানে যে সমস্যাগুলো রয়েছে সেগুলো সমাধানের জন্যও উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
মন্ত্রী নতুন বাংলাদেশ গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি দিয়ে বলেন, ‘আমরা জাতিকে কিছু পরিবর্তন দেখাতে চাই। আমরা বাংলাদেশের মানুষকে সেই মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও ২৪-এর ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে যে চেতনা নতুন, নতুন বাংলাদেশ গড়ার যে প্রত্যয়, আমরা সেই প্রত্যয়কে সামনে নিয়ে বাংলাদেশকে কিছু দেখাতে চাচ্ছি।’
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক এবং সমাজকল্যাণমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন। তিনি বলেন, স্বাধীনতার ৫৫ বছর পর ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল স্বাধীনতা পদকের জন্য মনোনীত হয়েছে। এই স্বাধীনতা পদকের প্রচলন করেছিলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। তার ধারাবাহিকতায় আজকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পেতে যাচ্ছে এই সম্মানজনক পদক।
ডা. জাহিদ হোসেন আরও বলেন, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল দেশের স্বাস্থ্যসেবার প্রতীক। এই হাসপাতালের সেবার মান ভালো থাকলে দেশের মানুষ মনে করে বাংলাদেশের স্বাস্থ্যসেবাও ভালো চলছে।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. মো. রফিকুল ইসলাম, ঢাকা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. ফারুক আহমদ, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আসাদুজ্জামান এবং উপপরিচালক ডা. আশরাফুল আলমসহ বিভিন্ন বিভাগের চিকিৎসক, নার্স, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সর্বস্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পক্ষ থেকে ইফতার মাহফিলের আয়োজন করা হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ চতুর্থ শ্রেণির সরকারি কর্মচারী সমিতির সভাপতি মো. আজিম। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের কর্মচারী সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. শিপন মিয়া এবং মো. আব্দুল হান্নান চৌধুরী।




