রাজনৈতিক বিবেচনায় বিতর্কিত আগ্নেয়াস্ত্র বাজেয়াপ্ত হচ্ছে

রাজনৈতিক বিবেচনায় বিতর্কিত আগ্নেয়াস্ত্র বাজেয়াপ্ত হচ্ছে
বিশেষ প্রতিনিধি

আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে রাজনৈতিক বিবেচনায় ইস্যু করা বিতর্কিত লাইসেন্স বাতিল করতে যাচ্ছে সরকার। একইসঙ্গে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে জমাকৃত বৈধ অস্ত্র ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
বুধবার (৬ মে) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের রাজ-৪ শাখার এক প্রজ্ঞাপনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
এদিকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে জমা না দেওয়া প্রায় ১০ হাজার অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে সাঁড়াশি অভিযান, মামলা ও বাজেয়াপ্তকরণ প্রক্রিয়া জোরদার করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বুধবার দুপুরে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জেলাপ্রশাসক সম্মেলন ২০২৬-এর চতুর্থ দিনের তৃতীয় অধিবেশনে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত আলোচনা শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে তিনি সরকারের এ অবস্থানের কথা জানান।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, ২০০৯ থেকে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পর্যন্ত রাজনৈতিক বিবেচনায় ইস্যু করা লাইসেন্স যাচাই করা হচ্ছে। যাচাই-বাছাই কমিটির তদন্তে যেসব লাইসেন্স সঠিক পাওয়া যাবে না, সেগুলো অবিলম্বে বাতিল করা হবে।
বাতিলকৃত লাইসেন্সের বিপরীতে জমা থাকা অস্ত্রগুলো রাষ্ট্রীয়ভাবে বাজেয়াপ্ত করারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে প্রজ্ঞাপনে।
প্রজ্ঞাপনে বলা, জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্দেশের পরও যারা নির্ধারিত সময়ে (১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত) আগ্নেয়াস্ত্র জমা দেননি, সেগুলোকে ‘অবৈধ’ হিসেবে গণ্য হবে। এসব অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধারে দ্রুত আইনগত নেওয়ার জন্য পুলিশ মহাপরিদর্শক ও জেলা প্রশাসকদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
তিনটি ক্যাটাগরিতে আগ্নেয়াস্ত্র ফেরত দেওয়া হবে। ২০০৯ সালের ৬ জানুয়ারির আগে ও ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর ইস্যু করা সব লাইসেন্স ভুক্ত আগ্নেয়াস্ত্র। এছাড়া ২০০৯ সালের ৬ জানুয়ারি হতে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পর্যন্ত সময়ে ইস্যু করা লাইসেন্সগুলোর মধ্যে যেগুলো যাচাই-বাছাই কমিটির পরীক্ষায় বৈধ ও নীতিমালা অনুযায়ী সঠিক প্রমাণিত হবে সেগুলো ফেরত দেওয়া হবে।
সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত এক বৈঠক শেষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জানিয়েছেন, ২০০৯ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৪ সালের আগস্ট পর্যন্ত নীতিবহির্ভূতভাবে দেওয়া লাইসেন্সগুলো যাচাই-বাছাই করে বাজেয়াপ্ত করার প্রক্রিয়া চলছে।
পুলিশের বিশেষ শাখার (এসবি) তথ্য অনুযায়ী, দেশে বৈধ আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স রয়েছে ৪৯ হাজার ৬৭১টি। এগুলোর মধ্যে ৪৬ হাজার ৫০০টি ব্যক্তির নামে। অন্যগুলো প্রতিষ্ঠানের নামে। ব্যক্তির নামে থাকা লাইসেন্সগুলোর মধ্যে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের নামে আছে কমপক্ষে ৮ হাজার ২০০টি। বিএনপির নেতাকর্মীদের নামে রয়েছে প্রায় ২ হাজার ৫০০টি। অন্যান্য রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের নামে আছে ৭৯টি।
বিভাগভিত্তিক হিসাবে সবচেয়ে বেশি আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স রয়েছে ঢাকা বিভাগে, ১৪ হাজার ৬৮৩টি। সবচেয়ে কম ময়মনসিংহে, ২ হাজার ১১৮টি। আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের নামে থাকা লাইসেন্সগুলোর অধিকাংশ দলটি গত ১৫ বছরে ক্ষমতায় থাকাকালে দেওয়া।

আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে রাজনৈতিক বিবেচনায় ইস্যু করা বিতর্কিত লাইসেন্স বাতিল করতে যাচ্ছে সরকার। একইসঙ্গে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে জমাকৃত বৈধ অস্ত্র ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
বুধবার (৬ মে) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের রাজ-৪ শাখার এক প্রজ্ঞাপনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
এদিকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে জমা না দেওয়া প্রায় ১০ হাজার অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে সাঁড়াশি অভিযান, মামলা ও বাজেয়াপ্তকরণ প্রক্রিয়া জোরদার করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বুধবার দুপুরে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জেলাপ্রশাসক সম্মেলন ২০২৬-এর চতুর্থ দিনের তৃতীয় অধিবেশনে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত আলোচনা শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে তিনি সরকারের এ অবস্থানের কথা জানান।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, ২০০৯ থেকে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পর্যন্ত রাজনৈতিক বিবেচনায় ইস্যু করা লাইসেন্স যাচাই করা হচ্ছে। যাচাই-বাছাই কমিটির তদন্তে যেসব লাইসেন্স সঠিক পাওয়া যাবে না, সেগুলো অবিলম্বে বাতিল করা হবে।
বাতিলকৃত লাইসেন্সের বিপরীতে জমা থাকা অস্ত্রগুলো রাষ্ট্রীয়ভাবে বাজেয়াপ্ত করারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে প্রজ্ঞাপনে।
প্রজ্ঞাপনে বলা, জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্দেশের পরও যারা নির্ধারিত সময়ে (১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত) আগ্নেয়াস্ত্র জমা দেননি, সেগুলোকে ‘অবৈধ’ হিসেবে গণ্য হবে। এসব অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধারে দ্রুত আইনগত নেওয়ার জন্য পুলিশ মহাপরিদর্শক ও জেলা প্রশাসকদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
তিনটি ক্যাটাগরিতে আগ্নেয়াস্ত্র ফেরত দেওয়া হবে। ২০০৯ সালের ৬ জানুয়ারির আগে ও ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর ইস্যু করা সব লাইসেন্স ভুক্ত আগ্নেয়াস্ত্র। এছাড়া ২০০৯ সালের ৬ জানুয়ারি হতে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পর্যন্ত সময়ে ইস্যু করা লাইসেন্সগুলোর মধ্যে যেগুলো যাচাই-বাছাই কমিটির পরীক্ষায় বৈধ ও নীতিমালা অনুযায়ী সঠিক প্রমাণিত হবে সেগুলো ফেরত দেওয়া হবে।
সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত এক বৈঠক শেষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জানিয়েছেন, ২০০৯ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৪ সালের আগস্ট পর্যন্ত নীতিবহির্ভূতভাবে দেওয়া লাইসেন্সগুলো যাচাই-বাছাই করে বাজেয়াপ্ত করার প্রক্রিয়া চলছে।
পুলিশের বিশেষ শাখার (এসবি) তথ্য অনুযায়ী, দেশে বৈধ আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স রয়েছে ৪৯ হাজার ৬৭১টি। এগুলোর মধ্যে ৪৬ হাজার ৫০০টি ব্যক্তির নামে। অন্যগুলো প্রতিষ্ঠানের নামে। ব্যক্তির নামে থাকা লাইসেন্সগুলোর মধ্যে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের নামে আছে কমপক্ষে ৮ হাজার ২০০টি। বিএনপির নেতাকর্মীদের নামে রয়েছে প্রায় ২ হাজার ৫০০টি। অন্যান্য রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের নামে আছে ৭৯টি।
বিভাগভিত্তিক হিসাবে সবচেয়ে বেশি আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স রয়েছে ঢাকা বিভাগে, ১৪ হাজার ৬৮৩টি। সবচেয়ে কম ময়মনসিংহে, ২ হাজার ১১৮টি। আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের নামে থাকা লাইসেন্সগুলোর অধিকাংশ দলটি গত ১৫ বছরে ক্ষমতায় থাকাকালে দেওয়া।

রাজনৈতিক বিবেচনায় বিতর্কিত আগ্নেয়াস্ত্র বাজেয়াপ্ত হচ্ছে
বিশেষ প্রতিনিধি

আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে রাজনৈতিক বিবেচনায় ইস্যু করা বিতর্কিত লাইসেন্স বাতিল করতে যাচ্ছে সরকার। একইসঙ্গে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে জমাকৃত বৈধ অস্ত্র ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
বুধবার (৬ মে) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের রাজ-৪ শাখার এক প্রজ্ঞাপনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
এদিকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে জমা না দেওয়া প্রায় ১০ হাজার অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে সাঁড়াশি অভিযান, মামলা ও বাজেয়াপ্তকরণ প্রক্রিয়া জোরদার করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বুধবার দুপুরে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জেলাপ্রশাসক সম্মেলন ২০২৬-এর চতুর্থ দিনের তৃতীয় অধিবেশনে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত আলোচনা শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে তিনি সরকারের এ অবস্থানের কথা জানান।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, ২০০৯ থেকে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পর্যন্ত রাজনৈতিক বিবেচনায় ইস্যু করা লাইসেন্স যাচাই করা হচ্ছে। যাচাই-বাছাই কমিটির তদন্তে যেসব লাইসেন্স সঠিক পাওয়া যাবে না, সেগুলো অবিলম্বে বাতিল করা হবে।
বাতিলকৃত লাইসেন্সের বিপরীতে জমা থাকা অস্ত্রগুলো রাষ্ট্রীয়ভাবে বাজেয়াপ্ত করারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে প্রজ্ঞাপনে।
প্রজ্ঞাপনে বলা, জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্দেশের পরও যারা নির্ধারিত সময়ে (১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত) আগ্নেয়াস্ত্র জমা দেননি, সেগুলোকে ‘অবৈধ’ হিসেবে গণ্য হবে। এসব অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধারে দ্রুত আইনগত নেওয়ার জন্য পুলিশ মহাপরিদর্শক ও জেলা প্রশাসকদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
তিনটি ক্যাটাগরিতে আগ্নেয়াস্ত্র ফেরত দেওয়া হবে। ২০০৯ সালের ৬ জানুয়ারির আগে ও ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর ইস্যু করা সব লাইসেন্স ভুক্ত আগ্নেয়াস্ত্র। এছাড়া ২০০৯ সালের ৬ জানুয়ারি হতে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পর্যন্ত সময়ে ইস্যু করা লাইসেন্সগুলোর মধ্যে যেগুলো যাচাই-বাছাই কমিটির পরীক্ষায় বৈধ ও নীতিমালা অনুযায়ী সঠিক প্রমাণিত হবে সেগুলো ফেরত দেওয়া হবে।
সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত এক বৈঠক শেষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জানিয়েছেন, ২০০৯ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৪ সালের আগস্ট পর্যন্ত নীতিবহির্ভূতভাবে দেওয়া লাইসেন্সগুলো যাচাই-বাছাই করে বাজেয়াপ্ত করার প্রক্রিয়া চলছে।
পুলিশের বিশেষ শাখার (এসবি) তথ্য অনুযায়ী, দেশে বৈধ আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স রয়েছে ৪৯ হাজার ৬৭১টি। এগুলোর মধ্যে ৪৬ হাজার ৫০০টি ব্যক্তির নামে। অন্যগুলো প্রতিষ্ঠানের নামে। ব্যক্তির নামে থাকা লাইসেন্সগুলোর মধ্যে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের নামে আছে কমপক্ষে ৮ হাজার ২০০টি। বিএনপির নেতাকর্মীদের নামে রয়েছে প্রায় ২ হাজার ৫০০টি। অন্যান্য রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের নামে আছে ৭৯টি।
বিভাগভিত্তিক হিসাবে সবচেয়ে বেশি আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স রয়েছে ঢাকা বিভাগে, ১৪ হাজার ৬৮৩টি। সবচেয়ে কম ময়মনসিংহে, ২ হাজার ১১৮টি। আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের নামে থাকা লাইসেন্সগুলোর অধিকাংশ দলটি গত ১৫ বছরে ক্ষমতায় থাকাকালে দেওয়া।

আগ্নেয়াস্ত্র লাইসেন্স ও গানম্যান নীতিমালা জারি


