শিগগিরই সাংবাদিকতা নীতিমালা তৈরি হবে: প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা

শিগগিরই সাংবাদিকতা নীতিমালা তৈরি হবে: প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা
নিজস্ব প্রতিবেদক

বর্তমান বাস্তবতায় সাংবাদিকতার পেশাগত মান ও দায়বদ্ধতা নিশ্চিত করতে দ্রুত নীতিমালা ও রেগুলেটরি কাঠামো প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদুর রহমান।
বুধবার (৬ মে) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলনে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অধিবেশন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ তথ্য জানান তিনি।
জাহেদুর রহমান বলেন, এখন খুব সহজেই অনলাইনভিত্তিক মিডিয়া চালু করা যাচ্ছে। সেখানে নীতিমালার একটা অভাব আছে—এটা আপনারাও নিশ্চয় স্বীকার করবেন।
তিনি বলেন, জেলা প্রশাসকদের পক্ষ থেকে প্রত্যাশা এসেছে যে সাংবাদিক হওয়ার জন্য নির্দিষ্ট মানদণ্ড ও আচরণবিধি থাকা প্রয়োজন। যাতে মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালনে প্রশাসন ও গণমাধ্যম—উভয় পক্ষেরই সুবিধা হয়। এ কারণে তথ্য মন্ত্রণালয় সাংবাদিকতার জন্য একটি নীতিমালা ও কোড অব কন্ডাক্ট তৈরির বিষয়ে কাজ করছে সরকার।
উপদেষ্টা বলেন, দীর্ঘদিন কার্যকর না থাকা তথ্য কমিশন দ্রুত পুনর্গঠন করা হবে। কমিশনকে স্বাধীনভাবে কাজ করার সুযোগ দেওয়া হবে। যাতে তথ্যপ্রাপ্তি-সংক্রান্ত অভিযোগ ও সমস্যাগুলো কার্যকরভাবে মোকাবিলা করা যায়।
তিনি বলেন, ফ্যাক্ট-চেকিং কার্যক্রম জোরদার করতে ইতোমধ্যে একটি প্রকল্প নেওয়া হয়েছে। এই প্রকল্পের আওতায় জেলা পর্যায়ের তথ্য অবকাঠামোকে সমন্বিত করা হবে।
জাহেদুর রহমান বলেন, জেলা পর্যায়ে সরকারের তথ্যসেবা কাঠামোকে নতুন ডিজিটাল বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করতে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। বিদ্যমান তথ্যসেবা কাঠামো নতুন পরিস্থিতির সঙ্গে খাপ খাওয়ানোর চেষ্টা করছে। তবে যেখানে ঘাটতি রয়েছে, সেখানে দক্ষতা উন্নয়নের মাধ্যমে সক্ষমতা বাড়ানো হবে।

বর্তমান বাস্তবতায় সাংবাদিকতার পেশাগত মান ও দায়বদ্ধতা নিশ্চিত করতে দ্রুত নীতিমালা ও রেগুলেটরি কাঠামো প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদুর রহমান।
বুধবার (৬ মে) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলনে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অধিবেশন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ তথ্য জানান তিনি।
জাহেদুর রহমান বলেন, এখন খুব সহজেই অনলাইনভিত্তিক মিডিয়া চালু করা যাচ্ছে। সেখানে নীতিমালার একটা অভাব আছে—এটা আপনারাও নিশ্চয় স্বীকার করবেন।
তিনি বলেন, জেলা প্রশাসকদের পক্ষ থেকে প্রত্যাশা এসেছে যে সাংবাদিক হওয়ার জন্য নির্দিষ্ট মানদণ্ড ও আচরণবিধি থাকা প্রয়োজন। যাতে মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালনে প্রশাসন ও গণমাধ্যম—উভয় পক্ষেরই সুবিধা হয়। এ কারণে তথ্য মন্ত্রণালয় সাংবাদিকতার জন্য একটি নীতিমালা ও কোড অব কন্ডাক্ট তৈরির বিষয়ে কাজ করছে সরকার।
উপদেষ্টা বলেন, দীর্ঘদিন কার্যকর না থাকা তথ্য কমিশন দ্রুত পুনর্গঠন করা হবে। কমিশনকে স্বাধীনভাবে কাজ করার সুযোগ দেওয়া হবে। যাতে তথ্যপ্রাপ্তি-সংক্রান্ত অভিযোগ ও সমস্যাগুলো কার্যকরভাবে মোকাবিলা করা যায়।
তিনি বলেন, ফ্যাক্ট-চেকিং কার্যক্রম জোরদার করতে ইতোমধ্যে একটি প্রকল্প নেওয়া হয়েছে। এই প্রকল্পের আওতায় জেলা পর্যায়ের তথ্য অবকাঠামোকে সমন্বিত করা হবে।
জাহেদুর রহমান বলেন, জেলা পর্যায়ে সরকারের তথ্যসেবা কাঠামোকে নতুন ডিজিটাল বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করতে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। বিদ্যমান তথ্যসেবা কাঠামো নতুন পরিস্থিতির সঙ্গে খাপ খাওয়ানোর চেষ্টা করছে। তবে যেখানে ঘাটতি রয়েছে, সেখানে দক্ষতা উন্নয়নের মাধ্যমে সক্ষমতা বাড়ানো হবে।

শিগগিরই সাংবাদিকতা নীতিমালা তৈরি হবে: প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা
নিজস্ব প্রতিবেদক

বর্তমান বাস্তবতায় সাংবাদিকতার পেশাগত মান ও দায়বদ্ধতা নিশ্চিত করতে দ্রুত নীতিমালা ও রেগুলেটরি কাঠামো প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদুর রহমান।
বুধবার (৬ মে) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলনে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অধিবেশন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ তথ্য জানান তিনি।
জাহেদুর রহমান বলেন, এখন খুব সহজেই অনলাইনভিত্তিক মিডিয়া চালু করা যাচ্ছে। সেখানে নীতিমালার একটা অভাব আছে—এটা আপনারাও নিশ্চয় স্বীকার করবেন।
তিনি বলেন, জেলা প্রশাসকদের পক্ষ থেকে প্রত্যাশা এসেছে যে সাংবাদিক হওয়ার জন্য নির্দিষ্ট মানদণ্ড ও আচরণবিধি থাকা প্রয়োজন। যাতে মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালনে প্রশাসন ও গণমাধ্যম—উভয় পক্ষেরই সুবিধা হয়। এ কারণে তথ্য মন্ত্রণালয় সাংবাদিকতার জন্য একটি নীতিমালা ও কোড অব কন্ডাক্ট তৈরির বিষয়ে কাজ করছে সরকার।
উপদেষ্টা বলেন, দীর্ঘদিন কার্যকর না থাকা তথ্য কমিশন দ্রুত পুনর্গঠন করা হবে। কমিশনকে স্বাধীনভাবে কাজ করার সুযোগ দেওয়া হবে। যাতে তথ্যপ্রাপ্তি-সংক্রান্ত অভিযোগ ও সমস্যাগুলো কার্যকরভাবে মোকাবিলা করা যায়।
তিনি বলেন, ফ্যাক্ট-চেকিং কার্যক্রম জোরদার করতে ইতোমধ্যে একটি প্রকল্প নেওয়া হয়েছে। এই প্রকল্পের আওতায় জেলা পর্যায়ের তথ্য অবকাঠামোকে সমন্বিত করা হবে।
জাহেদুর রহমান বলেন, জেলা পর্যায়ে সরকারের তথ্যসেবা কাঠামোকে নতুন ডিজিটাল বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করতে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। বিদ্যমান তথ্যসেবা কাঠামো নতুন পরিস্থিতির সঙ্গে খাপ খাওয়ানোর চেষ্টা করছে। তবে যেখানে ঘাটতি রয়েছে, সেখানে দক্ষতা উন্নয়নের মাধ্যমে সক্ষমতা বাড়ানো হবে।

স্থানীয় সরকার নির্বাচনের সম্ভাব্য সময় জানালেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা


