অবসরের ২ বছরেও বাংলো ছাড়েননি সাবেক সচিব ওয়াছি উদ্দিন

অবসরের ২ বছরেও বাংলো ছাড়েননি সাবেক সচিব ওয়াছি উদ্দিন
নিজস্ব প্রতিবেদক

গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিব হিসেবে দায়িত্ব নিয়ে কাজী ওয়াছি উদ্দিনের প্রথমেই চোখ পড়ে ৪০ বেইলি রোডের বাড়িটির দিকে। সেখানে তখন বিদ্যুতের সাবস্টেশন রক্ষণাবেক্ষণের পাশাপাশি পরিবার নিয়ে বসবাস করতেন গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রকৌশলী তরিকুল ইসলাম। কিন্তু তাকে রাতারাতি নামিয়ে দিয়ে বাড়িটি দখলে নেন কাজী ওয়াছি উদ্দিন।
বাড়িটিকে নান্দনিক রূপ দিতে সিভিল ও ইএম বিভাগ থেকে কোটি টাকারও বেশি খরচ করা হয়। এরপর বসবাস শুরু করেন কাজী ওয়াছি উদ্দিন। আর প্রতি মাসে ভাড়া হিসেবে চালানের মাধ্যমে মাত্র ৬ হাজার টাকা সরকারি কোষাগারে জমা দেন। পাশেই সচিব নিবাস ফাঁকা রেখে নামমাত্র টাকায় বাংলোতে বসবাস করার বিষয়ে শুরু থেকেই ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েন এই আমলা।
নিয়ম অনুযায়ী কাজী ওয়াছি উদ্দিন ২০২৪ সালের ৮ মার্চ অবসরোত্তর ছুটিতে যান। তবে অবসরে গিয়েও তিনি বাড়িটি ছাড়েননি।

২০২৪-এর ৫ আগস্টের পর গোপালগঞ্জের বাসিন্দা সাবেক এই সচিবকে নিয়ে কিছুটা বেকায়দায় পড়ে গণপূর্ত অধিদপ্তর। তিনি ২০২৫ সালের ৪ আগস্ট ছয় মাস থাকার অনুমতি চেয়ে প্রধান প্রকৌশলীর কাছে চিঠি দেন। সেই ছয় মাসও পার হয়ে যায়।
এরই মধ্যে বাসা ছাড়ার জন্য গণপূর্ত অধিদপ্তর থেকে গত ২৮ জানুয়ারি একটি চিঠি দেওয়া হয়। এরপরও সাবেক এই আমলা সরকারি বাংলোয় বসবাস করছেন।
নথিপত্র ঘেঁটে দেখা যায়, ২০২৩ সালের ১৬ নভেম্বর গণপূর্ত অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী নন্দিতা রাণী সাহার এক চিঠিতে বেইলি রোডের দোতলা বাড়িটি কাজী ওয়াছি উদ্দিনের নামে বরাদ্দ দেওয়া হয়। আর ভাড়া নির্ধারণ করা হয় তার মূল বেতনের সাড়ে ৭ ভাগ হারে। একটি দোতলা বাড়ি কমবেশি ৬ হাজার টাকা নির্ধারণ করে ভাড়া দেওয়া নিয়ে ব্যাপক সমালোচনার হলেও তা আমলে নেননি এই আমলা।
একাধিক প্রকৌশলী জানান, সচিবদের জন্য ইস্কাটনে সচিব নিবাসে নির্ধারিত ফ্ল্যাট আছে। সরকারি আবাসন বরাদ্দ নীতিমালা অনুযায়ী, গ্রেড-১ কর্মকর্তাদের জন্য নির্ধারিত এসব ফ্ল্যাটে এখন অতিরিক্ত সচিবরা বসবাস করছেন। ফাঁকা আছে এমন অজুহাতে ১১৪টি ফ্ল্যাটের প্রায় অর্ধেকের বাসিন্দা এখন অতিরিক্ত সচিব।
প্রায় ১৫২ কাঠা জমিতে ৩০০ কোটি টাকা ব্যয়ে সচিব, সিনিয়র সচিব ও সচিব পদমর্যাদার কর্মকর্তাদের সরকারি আবাসনের জন্য তিনটি ভবন নির্মাণ করা হয়। অভিজাত ও সুসজ্জিত ফ্ল্যাটগুলোর প্রতিটির গড় আয়তন ৩ হাজার ৬০০ বর্গফুট। ১৬১টি গাড়ি পার্কিংয়ের ব্যবস্থা থাকা এই কমপ্লেক্সে রয়েছে সুইমিংপুল, বেবি পুল, শরীরচর্চা কেন্দ্র, ওয়াকওয়েসহ অত্যাধুনিক সব সুযোগ-সুবিধা।
এত কিছুর পরও বাংলো বাড়িই যেন কিছু আমলার পছন্দের তালিকায়, যেখানে ভাড়ার চেয়ে কয়েকগুণ বেশি খরচ করতে হয় শুধু রক্ষণাবেক্ষণের জন্য।

গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিব হিসেবে দায়িত্ব নিয়ে কাজী ওয়াছি উদ্দিনের প্রথমেই চোখ পড়ে ৪০ বেইলি রোডের বাড়িটির দিকে। সেখানে তখন বিদ্যুতের সাবস্টেশন রক্ষণাবেক্ষণের পাশাপাশি পরিবার নিয়ে বসবাস করতেন গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রকৌশলী তরিকুল ইসলাম। কিন্তু তাকে রাতারাতি নামিয়ে দিয়ে বাড়িটি দখলে নেন কাজী ওয়াছি উদ্দিন।
বাড়িটিকে নান্দনিক রূপ দিতে সিভিল ও ইএম বিভাগ থেকে কোটি টাকারও বেশি খরচ করা হয়। এরপর বসবাস শুরু করেন কাজী ওয়াছি উদ্দিন। আর প্রতি মাসে ভাড়া হিসেবে চালানের মাধ্যমে মাত্র ৬ হাজার টাকা সরকারি কোষাগারে জমা দেন। পাশেই সচিব নিবাস ফাঁকা রেখে নামমাত্র টাকায় বাংলোতে বসবাস করার বিষয়ে শুরু থেকেই ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েন এই আমলা।
নিয়ম অনুযায়ী কাজী ওয়াছি উদ্দিন ২০২৪ সালের ৮ মার্চ অবসরোত্তর ছুটিতে যান। তবে অবসরে গিয়েও তিনি বাড়িটি ছাড়েননি।

২০২৪-এর ৫ আগস্টের পর গোপালগঞ্জের বাসিন্দা সাবেক এই সচিবকে নিয়ে কিছুটা বেকায়দায় পড়ে গণপূর্ত অধিদপ্তর। তিনি ২০২৫ সালের ৪ আগস্ট ছয় মাস থাকার অনুমতি চেয়ে প্রধান প্রকৌশলীর কাছে চিঠি দেন। সেই ছয় মাসও পার হয়ে যায়।
এরই মধ্যে বাসা ছাড়ার জন্য গণপূর্ত অধিদপ্তর থেকে গত ২৮ জানুয়ারি একটি চিঠি দেওয়া হয়। এরপরও সাবেক এই আমলা সরকারি বাংলোয় বসবাস করছেন।
নথিপত্র ঘেঁটে দেখা যায়, ২০২৩ সালের ১৬ নভেম্বর গণপূর্ত অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী নন্দিতা রাণী সাহার এক চিঠিতে বেইলি রোডের দোতলা বাড়িটি কাজী ওয়াছি উদ্দিনের নামে বরাদ্দ দেওয়া হয়। আর ভাড়া নির্ধারণ করা হয় তার মূল বেতনের সাড়ে ৭ ভাগ হারে। একটি দোতলা বাড়ি কমবেশি ৬ হাজার টাকা নির্ধারণ করে ভাড়া দেওয়া নিয়ে ব্যাপক সমালোচনার হলেও তা আমলে নেননি এই আমলা।
একাধিক প্রকৌশলী জানান, সচিবদের জন্য ইস্কাটনে সচিব নিবাসে নির্ধারিত ফ্ল্যাট আছে। সরকারি আবাসন বরাদ্দ নীতিমালা অনুযায়ী, গ্রেড-১ কর্মকর্তাদের জন্য নির্ধারিত এসব ফ্ল্যাটে এখন অতিরিক্ত সচিবরা বসবাস করছেন। ফাঁকা আছে এমন অজুহাতে ১১৪টি ফ্ল্যাটের প্রায় অর্ধেকের বাসিন্দা এখন অতিরিক্ত সচিব।
প্রায় ১৫২ কাঠা জমিতে ৩০০ কোটি টাকা ব্যয়ে সচিব, সিনিয়র সচিব ও সচিব পদমর্যাদার কর্মকর্তাদের সরকারি আবাসনের জন্য তিনটি ভবন নির্মাণ করা হয়। অভিজাত ও সুসজ্জিত ফ্ল্যাটগুলোর প্রতিটির গড় আয়তন ৩ হাজার ৬০০ বর্গফুট। ১৬১টি গাড়ি পার্কিংয়ের ব্যবস্থা থাকা এই কমপ্লেক্সে রয়েছে সুইমিংপুল, বেবি পুল, শরীরচর্চা কেন্দ্র, ওয়াকওয়েসহ অত্যাধুনিক সব সুযোগ-সুবিধা।
এত কিছুর পরও বাংলো বাড়িই যেন কিছু আমলার পছন্দের তালিকায়, যেখানে ভাড়ার চেয়ে কয়েকগুণ বেশি খরচ করতে হয় শুধু রক্ষণাবেক্ষণের জন্য।

অবসরের ২ বছরেও বাংলো ছাড়েননি সাবেক সচিব ওয়াছি উদ্দিন
নিজস্ব প্রতিবেদক

গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিব হিসেবে দায়িত্ব নিয়ে কাজী ওয়াছি উদ্দিনের প্রথমেই চোখ পড়ে ৪০ বেইলি রোডের বাড়িটির দিকে। সেখানে তখন বিদ্যুতের সাবস্টেশন রক্ষণাবেক্ষণের পাশাপাশি পরিবার নিয়ে বসবাস করতেন গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রকৌশলী তরিকুল ইসলাম। কিন্তু তাকে রাতারাতি নামিয়ে দিয়ে বাড়িটি দখলে নেন কাজী ওয়াছি উদ্দিন।
বাড়িটিকে নান্দনিক রূপ দিতে সিভিল ও ইএম বিভাগ থেকে কোটি টাকারও বেশি খরচ করা হয়। এরপর বসবাস শুরু করেন কাজী ওয়াছি উদ্দিন। আর প্রতি মাসে ভাড়া হিসেবে চালানের মাধ্যমে মাত্র ৬ হাজার টাকা সরকারি কোষাগারে জমা দেন। পাশেই সচিব নিবাস ফাঁকা রেখে নামমাত্র টাকায় বাংলোতে বসবাস করার বিষয়ে শুরু থেকেই ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েন এই আমলা।
নিয়ম অনুযায়ী কাজী ওয়াছি উদ্দিন ২০২৪ সালের ৮ মার্চ অবসরোত্তর ছুটিতে যান। তবে অবসরে গিয়েও তিনি বাড়িটি ছাড়েননি।

২০২৪-এর ৫ আগস্টের পর গোপালগঞ্জের বাসিন্দা সাবেক এই সচিবকে নিয়ে কিছুটা বেকায়দায় পড়ে গণপূর্ত অধিদপ্তর। তিনি ২০২৫ সালের ৪ আগস্ট ছয় মাস থাকার অনুমতি চেয়ে প্রধান প্রকৌশলীর কাছে চিঠি দেন। সেই ছয় মাসও পার হয়ে যায়।
এরই মধ্যে বাসা ছাড়ার জন্য গণপূর্ত অধিদপ্তর থেকে গত ২৮ জানুয়ারি একটি চিঠি দেওয়া হয়। এরপরও সাবেক এই আমলা সরকারি বাংলোয় বসবাস করছেন।
নথিপত্র ঘেঁটে দেখা যায়, ২০২৩ সালের ১৬ নভেম্বর গণপূর্ত অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী নন্দিতা রাণী সাহার এক চিঠিতে বেইলি রোডের দোতলা বাড়িটি কাজী ওয়াছি উদ্দিনের নামে বরাদ্দ দেওয়া হয়। আর ভাড়া নির্ধারণ করা হয় তার মূল বেতনের সাড়ে ৭ ভাগ হারে। একটি দোতলা বাড়ি কমবেশি ৬ হাজার টাকা নির্ধারণ করে ভাড়া দেওয়া নিয়ে ব্যাপক সমালোচনার হলেও তা আমলে নেননি এই আমলা।
একাধিক প্রকৌশলী জানান, সচিবদের জন্য ইস্কাটনে সচিব নিবাসে নির্ধারিত ফ্ল্যাট আছে। সরকারি আবাসন বরাদ্দ নীতিমালা অনুযায়ী, গ্রেড-১ কর্মকর্তাদের জন্য নির্ধারিত এসব ফ্ল্যাটে এখন অতিরিক্ত সচিবরা বসবাস করছেন। ফাঁকা আছে এমন অজুহাতে ১১৪টি ফ্ল্যাটের প্রায় অর্ধেকের বাসিন্দা এখন অতিরিক্ত সচিব।
প্রায় ১৫২ কাঠা জমিতে ৩০০ কোটি টাকা ব্যয়ে সচিব, সিনিয়র সচিব ও সচিব পদমর্যাদার কর্মকর্তাদের সরকারি আবাসনের জন্য তিনটি ভবন নির্মাণ করা হয়। অভিজাত ও সুসজ্জিত ফ্ল্যাটগুলোর প্রতিটির গড় আয়তন ৩ হাজার ৬০০ বর্গফুট। ১৬১টি গাড়ি পার্কিংয়ের ব্যবস্থা থাকা এই কমপ্লেক্সে রয়েছে সুইমিংপুল, বেবি পুল, শরীরচর্চা কেন্দ্র, ওয়াকওয়েসহ অত্যাধুনিক সব সুযোগ-সুবিধা।
এত কিছুর পরও বাংলো বাড়িই যেন কিছু আমলার পছন্দের তালিকায়, যেখানে ভাড়ার চেয়ে কয়েকগুণ বেশি খরচ করতে হয় শুধু রক্ষণাবেক্ষণের জন্য।




