বুদ্ধ পূর্ণিমায় শান্তি ও সম্প্রীতির বার্তা এলজিআরডি মন্ত্রীর

বুদ্ধ পূর্ণিমায় শান্তি ও সম্প্রীতির বার্তা এলজিআরডি মন্ত্রীর
নিজস্ব প্রতিবেদক

বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব বুদ্ধ পূর্ণিমা উপলক্ষে রাজধানীর মেরুল বাড্ডায় এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠান উদযাপিত হয়েছে। শুক্রবার (১) বাংলাদেশ বুদ্ধিস্ট ফেডারেশন এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ঐক্য, সম্প্রীতি ও শান্তির বার্তা প্রদান করেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
অনুষ্ঠানের শুরুতেই স্বাধীনতা পদকপ্রাপ্ত প্রখ্যাত শিক্ষাবিদ প্রফেসর ড. সুকোমল বড়ুয়াকে সংবর্ধনা জানানো হয়। এসময় তার অবদানের কথা শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করে উপস্থিত অতিথিরা তার প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
পরে আলোচনা সভায় এলজিআরডি মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম বলেন, ধর্ম মানুষের কল্যাণের জন্যই প্রতিষ্ঠিত। পৃথিবীর সব ধর্মই মানবকল্যাণ, শান্তি ও সহমর্মিতার শিক্ষা দেয়। তাই সব ধরনের হিংসা, বিদ্বেষ, যুদ্ধ ও সংঘাত পরিহার করে মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠায় কাজ করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, পারস্পরিক সম্প্রীতি বজায় রেখে সব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে দেশকে সমৃদ্ধ ও স্বয়ংসম্পূর্ণ করে তোলা সম্ভব। ভেদাভেদ ভুলে সবাইকে বাংলাদেশি পরিচয়ে ঐক্যবদ্ধ হয়ে একটি সুখী ও উন্নত দেশ গড়ে তোলার আহ্বান জানান তিনি।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান বলেন, দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতির জন্য সব ধর্মের মানুষের সম্মিলিত প্রচেষ্টা অপরিহার্য। জাতীয় স্বার্থে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ মো. নাহিদ ইসলাম এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম।
অনুষ্ঠানে ধর্মীয় আলোচনা, প্রার্থনা ও সাংস্কৃতিক পরিবেশনার মাধ্যমে বুদ্ধ পূর্ণিমার তাৎপর্য তুলে ধরা হয়। শান্তি, সম্প্রীতি ও মানবকল্যাণের বার্তা সমাজে ছড়িয়ে দিতে এ ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা প্রকাশ করেন সংশ্লিষ্টরা।

বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব বুদ্ধ পূর্ণিমা উপলক্ষে রাজধানীর মেরুল বাড্ডায় এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠান উদযাপিত হয়েছে। শুক্রবার (১) বাংলাদেশ বুদ্ধিস্ট ফেডারেশন এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ঐক্য, সম্প্রীতি ও শান্তির বার্তা প্রদান করেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
অনুষ্ঠানের শুরুতেই স্বাধীনতা পদকপ্রাপ্ত প্রখ্যাত শিক্ষাবিদ প্রফেসর ড. সুকোমল বড়ুয়াকে সংবর্ধনা জানানো হয়। এসময় তার অবদানের কথা শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করে উপস্থিত অতিথিরা তার প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
পরে আলোচনা সভায় এলজিআরডি মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম বলেন, ধর্ম মানুষের কল্যাণের জন্যই প্রতিষ্ঠিত। পৃথিবীর সব ধর্মই মানবকল্যাণ, শান্তি ও সহমর্মিতার শিক্ষা দেয়। তাই সব ধরনের হিংসা, বিদ্বেষ, যুদ্ধ ও সংঘাত পরিহার করে মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠায় কাজ করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, পারস্পরিক সম্প্রীতি বজায় রেখে সব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে দেশকে সমৃদ্ধ ও স্বয়ংসম্পূর্ণ করে তোলা সম্ভব। ভেদাভেদ ভুলে সবাইকে বাংলাদেশি পরিচয়ে ঐক্যবদ্ধ হয়ে একটি সুখী ও উন্নত দেশ গড়ে তোলার আহ্বান জানান তিনি।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান বলেন, দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতির জন্য সব ধর্মের মানুষের সম্মিলিত প্রচেষ্টা অপরিহার্য। জাতীয় স্বার্থে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ মো. নাহিদ ইসলাম এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম।
অনুষ্ঠানে ধর্মীয় আলোচনা, প্রার্থনা ও সাংস্কৃতিক পরিবেশনার মাধ্যমে বুদ্ধ পূর্ণিমার তাৎপর্য তুলে ধরা হয়। শান্তি, সম্প্রীতি ও মানবকল্যাণের বার্তা সমাজে ছড়িয়ে দিতে এ ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা প্রকাশ করেন সংশ্লিষ্টরা।

বুদ্ধ পূর্ণিমায় শান্তি ও সম্প্রীতির বার্তা এলজিআরডি মন্ত্রীর
নিজস্ব প্রতিবেদক

বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব বুদ্ধ পূর্ণিমা উপলক্ষে রাজধানীর মেরুল বাড্ডায় এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠান উদযাপিত হয়েছে। শুক্রবার (১) বাংলাদেশ বুদ্ধিস্ট ফেডারেশন এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ঐক্য, সম্প্রীতি ও শান্তির বার্তা প্রদান করেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
অনুষ্ঠানের শুরুতেই স্বাধীনতা পদকপ্রাপ্ত প্রখ্যাত শিক্ষাবিদ প্রফেসর ড. সুকোমল বড়ুয়াকে সংবর্ধনা জানানো হয়। এসময় তার অবদানের কথা শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করে উপস্থিত অতিথিরা তার প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
পরে আলোচনা সভায় এলজিআরডি মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম বলেন, ধর্ম মানুষের কল্যাণের জন্যই প্রতিষ্ঠিত। পৃথিবীর সব ধর্মই মানবকল্যাণ, শান্তি ও সহমর্মিতার শিক্ষা দেয়। তাই সব ধরনের হিংসা, বিদ্বেষ, যুদ্ধ ও সংঘাত পরিহার করে মানবিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠায় কাজ করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, পারস্পরিক সম্প্রীতি বজায় রেখে সব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে দেশকে সমৃদ্ধ ও স্বয়ংসম্পূর্ণ করে তোলা সম্ভব। ভেদাভেদ ভুলে সবাইকে বাংলাদেশি পরিচয়ে ঐক্যবদ্ধ হয়ে একটি সুখী ও উন্নত দেশ গড়ে তোলার আহ্বান জানান তিনি।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান বলেন, দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতির জন্য সব ধর্মের মানুষের সম্মিলিত প্রচেষ্টা অপরিহার্য। জাতীয় স্বার্থে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ মো. নাহিদ ইসলাম এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম।
অনুষ্ঠানে ধর্মীয় আলোচনা, প্রার্থনা ও সাংস্কৃতিক পরিবেশনার মাধ্যমে বুদ্ধ পূর্ণিমার তাৎপর্য তুলে ধরা হয়। শান্তি, সম্প্রীতি ও মানবকল্যাণের বার্তা সমাজে ছড়িয়ে দিতে এ ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা প্রকাশ করেন সংশ্লিষ্টরা।

মসজিদ মন্দির বৌদ্ধ বিহারে কে কত মাসিক সম্মানি পেলেন


