এ সরকারের মেয়াদে আসছে না বোয়িং

এ সরকারের মেয়াদে আসছে না বোয়িং
নিজস্ব প্রতিবেদক

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিমান নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বোয়িংয়ের কাছ থেকে ১৪টি উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি স্বাক্ষর করেছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স। চুক্তি অনুযায়ী, প্রায় ৩ দশমিক ৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে (বাংলাদেশি মুদ্রায় ৪৫ হাজার ৪০০ কোটি টাকা) ১৪টি নতুন উড়োজাহাজ কেনা হবে। এর মধ্যে আটটি বোয়িং ৭৮৭-১০ ড্রিমলাইনার, দুটি বোয়িং ৭৮৭-৯ ড্রিমলাইনার এবং চারটি বোয়িং ৭৩৭-৮ ম্যাক্স জেট রয়েছে।
ড্রিমলাইনারগুলো ইউরোপ, মধ্যপ্রাচ্য ও এশিয়ার রুটে এবং ৭৩৭ ম্যাক্স উড়োজাহাজগুলো আঞ্চলিক ও স্বল্প দূরত্বের রুটে চলাচল করবে।
গত ৩০ এপ্রিল সন্ধ্যায় রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠিত হয়। তবে এখন নতুন আলোচনা হচ্ছে কবে নাগাদ পাওয়া যাবে এসব বিমান?
প্রাপ্ত তথ্যে দেখা যাচ্ছে, এ সরকারের মেয়াদকালে আসছে না কোনো উড়োজাহাজ।
চুক্তি অনুযায়ী, বোয়িংয়ের প্রথম উড়োজাহাজটি সরবরাহ করা হবে ২০৩১ সালের অক্টোবরে। বাকি উড়োজাহাজগুলো পরবর্তী প্রায় পাঁচ বছরে ধাপে ধাপে আসবে। এদিকে বর্তমান সরকারের মেয়াদ শেষ হবে ২০৩১ সালের ফেব্রুয়ারিতে। ফলে উড়োজাহাজ আসার সম্ভাব্য সময় পরবর্তী সরকারের যাত্রার কিছুদিন পর।
এদিকে বিমান পাওয়ার আগেই বাংলাদেশকে বোয়িংয়ের জন্য বড় অঙ্কের অর্থ পরিশোধ করতে হবে। বছরে গড়ে প্রায় ২ হাজার কোটি টাকা হিসাবে ৬ বছরে প্রায় ১২ হাজার কোটি টাকা পরিশোধ করবে বিমান। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দীর্ঘমেয়াদি এই বিনিয়োগ দেশের জন্য নতুন আর্থিক চাপ তৈরি করতে পারে।
অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদের শেষ পর্যায়ে (ফেব্রুয়ারি ২০২৬) বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে পারস্পরিক শুল্ক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। ওই শুল্ক চুক্তিতে যুক্তরাষ্ট্রে নির্মিত উড়োজাহাজ, উড়োজাহাজের যন্ত্রাংশ এবং সংশ্লিষ্ট সেবা ক্রয় বাড়ানোর বিষয়টি উল্লেখ ছিল। এরই ধারাবাহিকতায় বোয়িংয়ের সঙ্গে ১৪টি উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি করে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিমান নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বোয়িংয়ের কাছ থেকে ১৪টি উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি স্বাক্ষর করেছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স। চুক্তি অনুযায়ী, প্রায় ৩ দশমিক ৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে (বাংলাদেশি মুদ্রায় ৪৫ হাজার ৪০০ কোটি টাকা) ১৪টি নতুন উড়োজাহাজ কেনা হবে। এর মধ্যে আটটি বোয়িং ৭৮৭-১০ ড্রিমলাইনার, দুটি বোয়িং ৭৮৭-৯ ড্রিমলাইনার এবং চারটি বোয়িং ৭৩৭-৮ ম্যাক্স জেট রয়েছে।
ড্রিমলাইনারগুলো ইউরোপ, মধ্যপ্রাচ্য ও এশিয়ার রুটে এবং ৭৩৭ ম্যাক্স উড়োজাহাজগুলো আঞ্চলিক ও স্বল্প দূরত্বের রুটে চলাচল করবে।
গত ৩০ এপ্রিল সন্ধ্যায় রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠিত হয়। তবে এখন নতুন আলোচনা হচ্ছে কবে নাগাদ পাওয়া যাবে এসব বিমান?
প্রাপ্ত তথ্যে দেখা যাচ্ছে, এ সরকারের মেয়াদকালে আসছে না কোনো উড়োজাহাজ।
চুক্তি অনুযায়ী, বোয়িংয়ের প্রথম উড়োজাহাজটি সরবরাহ করা হবে ২০৩১ সালের অক্টোবরে। বাকি উড়োজাহাজগুলো পরবর্তী প্রায় পাঁচ বছরে ধাপে ধাপে আসবে। এদিকে বর্তমান সরকারের মেয়াদ শেষ হবে ২০৩১ সালের ফেব্রুয়ারিতে। ফলে উড়োজাহাজ আসার সম্ভাব্য সময় পরবর্তী সরকারের যাত্রার কিছুদিন পর।
এদিকে বিমান পাওয়ার আগেই বাংলাদেশকে বোয়িংয়ের জন্য বড় অঙ্কের অর্থ পরিশোধ করতে হবে। বছরে গড়ে প্রায় ২ হাজার কোটি টাকা হিসাবে ৬ বছরে প্রায় ১২ হাজার কোটি টাকা পরিশোধ করবে বিমান। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দীর্ঘমেয়াদি এই বিনিয়োগ দেশের জন্য নতুন আর্থিক চাপ তৈরি করতে পারে।
অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদের শেষ পর্যায়ে (ফেব্রুয়ারি ২০২৬) বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে পারস্পরিক শুল্ক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। ওই শুল্ক চুক্তিতে যুক্তরাষ্ট্রে নির্মিত উড়োজাহাজ, উড়োজাহাজের যন্ত্রাংশ এবং সংশ্লিষ্ট সেবা ক্রয় বাড়ানোর বিষয়টি উল্লেখ ছিল। এরই ধারাবাহিকতায় বোয়িংয়ের সঙ্গে ১৪টি উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি করে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স।

এ সরকারের মেয়াদে আসছে না বোয়িং
নিজস্ব প্রতিবেদক

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিমান নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বোয়িংয়ের কাছ থেকে ১৪টি উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি স্বাক্ষর করেছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স। চুক্তি অনুযায়ী, প্রায় ৩ দশমিক ৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে (বাংলাদেশি মুদ্রায় ৪৫ হাজার ৪০০ কোটি টাকা) ১৪টি নতুন উড়োজাহাজ কেনা হবে। এর মধ্যে আটটি বোয়িং ৭৮৭-১০ ড্রিমলাইনার, দুটি বোয়িং ৭৮৭-৯ ড্রিমলাইনার এবং চারটি বোয়িং ৭৩৭-৮ ম্যাক্স জেট রয়েছে।
ড্রিমলাইনারগুলো ইউরোপ, মধ্যপ্রাচ্য ও এশিয়ার রুটে এবং ৭৩৭ ম্যাক্স উড়োজাহাজগুলো আঞ্চলিক ও স্বল্প দূরত্বের রুটে চলাচল করবে।
গত ৩০ এপ্রিল সন্ধ্যায় রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠিত হয়। তবে এখন নতুন আলোচনা হচ্ছে কবে নাগাদ পাওয়া যাবে এসব বিমান?
প্রাপ্ত তথ্যে দেখা যাচ্ছে, এ সরকারের মেয়াদকালে আসছে না কোনো উড়োজাহাজ।
চুক্তি অনুযায়ী, বোয়িংয়ের প্রথম উড়োজাহাজটি সরবরাহ করা হবে ২০৩১ সালের অক্টোবরে। বাকি উড়োজাহাজগুলো পরবর্তী প্রায় পাঁচ বছরে ধাপে ধাপে আসবে। এদিকে বর্তমান সরকারের মেয়াদ শেষ হবে ২০৩১ সালের ফেব্রুয়ারিতে। ফলে উড়োজাহাজ আসার সম্ভাব্য সময় পরবর্তী সরকারের যাত্রার কিছুদিন পর।
এদিকে বিমান পাওয়ার আগেই বাংলাদেশকে বোয়িংয়ের জন্য বড় অঙ্কের অর্থ পরিশোধ করতে হবে। বছরে গড়ে প্রায় ২ হাজার কোটি টাকা হিসাবে ৬ বছরে প্রায় ১২ হাজার কোটি টাকা পরিশোধ করবে বিমান। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দীর্ঘমেয়াদি এই বিনিয়োগ দেশের জন্য নতুন আর্থিক চাপ তৈরি করতে পারে।
অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদের শেষ পর্যায়ে (ফেব্রুয়ারি ২০২৬) বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে পারস্পরিক শুল্ক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। ওই শুল্ক চুক্তিতে যুক্তরাষ্ট্রে নির্মিত উড়োজাহাজ, উড়োজাহাজের যন্ত্রাংশ এবং সংশ্লিষ্ট সেবা ক্রয় বাড়ানোর বিষয়টি উল্লেখ ছিল। এরই ধারাবাহিকতায় বোয়িংয়ের সঙ্গে ১৪টি উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি করে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স।

বিমানের সঙ্গে বোয়িংয়ের ১৪টি উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি সই


