মৌসুমীর ‘কন্ট্রাক্ট ম্যারেজ’ নিয়ে বিরোধে জড়ালেন ওমর সানী ও জাহাঙ্গীর

মৌসুমীর ‘কন্ট্রাক্ট ম্যারেজ’ নিয়ে বিরোধে জড়ালেন ওমর সানী ও জাহাঙ্গীর
বিনোদন ডেস্ক

‘কন্ট্রাক্ট ম্যারেজ’ শিরোনামের একটি প্রজেক্টকে ঘিরে মুখোমুখি অবস্থানে নির্মাতা হাসান জাহাঙ্গীর ও চিত্রনায়ক ওমর সানী। নাটক হিসেবে শুরু হওয়া এই কাজটি এখন সিনেমা হিসেবে মুক্তির প্রস্তুতি নিচ্ছে।
প্রায় ৩ বছর আগে ‘কন্ট্রাক্ট ম্যারেজ’-এর শুটিং শুরু হয় নাটক হিসেবে। নির্মাতা হাসান জাহাঙ্গীর জানান, প্রকল্পটি এখন পূর্ণদৈর্ঘ্য সিনেমা হিসেবে মুক্তি পাবে। আগামী ১৫ মে এটি সিনেমা হলে মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে। এতে অভিনয়ের পাশাপাশি পরিচালনা ও প্রযোজনাও করেছেন তিনি।
তবে মুক্তির ঘোষণার পর আপত্তি জানান ওমর সানী। রবিবার (৩ মে) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভিডিও প্রকাশ করেন তিনি। সেখানে শোনা যায় চিত্রনায়িকা মৌসুমীর কণ্ঠ। অডিওতে মৌসুমী বলেন, ‘কন্ট্রাক্ট ম্যারেজ ছিল একটি নাটক, বড় হয়ে যাওয়ায় সেটি টেলিফিল্ম হিসেবে চালানোর কথা জানায়। সেটা কীভাবে সিনেমা হয়ে গেল, বুঝতে পারছি না।’
ভিডিওটি প্রকাশের পর নির্মাতার বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ নেওয়ার কথাও জানান ওমর সানী।
এদিকে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন হাসান জাহাঙ্গীর। তিনি দাবি করেন, মৌসুমীর কাছ থেকে চাপ দিয়ে এমন বক্তব্য নেওয়া হয়েছে। তার ভাষ্য, ওমর সানী এই প্রোডাকশনের সঙ্গে জড়িত নন। তিনি এই ছবির বিষয়ে কিছু করতে পারেন না।
হাসান জাহাঙ্গীর বলেন, কাজটি যথাযথ অনুমোদন নিয়েই করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সমিতি ও সরকারি প্রক্রিয়াও অনুসরণ করা হয়েছে। দর্শকেরা হলে গিয়ে দেখলেই বিষয়টি পরিষ্কার হবে।
তিনি আরো বলেন, সব সমিতি আমাকে ফোন করেছিল, আমি তাদের বিস্তারিত জানিয়েছি। সানী ভাই সিনেমা রিলিজের আগে তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে আমার কাছে চাঁদা দাবি করেন। তিনি তার ব্যবস্থা নিক, আমারটা আমি নেব, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী তার সঙ্গে যোগাযোগ করবে।
ওমর সানীর বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করবেন বলেও জানিয়েছেন হাসান জাহাঙ্গীর। তার কথায়, ‘সানী ভাইয়ের প্রতি আমার যে শ্রদ্ধা ছিল, তা তিনি নষ্ট করলেন। ৩ কোটি টাকা খরচ হয়েছে আমার। তার কারণে যদি কেউ সিনেমাটা না নেয়, আমি তার বিরুদ্ধে ৬ কোটি টাকা মানহানির মামলা করব।’

‘কন্ট্রাক্ট ম্যারেজ’ শিরোনামের একটি প্রজেক্টকে ঘিরে মুখোমুখি অবস্থানে নির্মাতা হাসান জাহাঙ্গীর ও চিত্রনায়ক ওমর সানী। নাটক হিসেবে শুরু হওয়া এই কাজটি এখন সিনেমা হিসেবে মুক্তির প্রস্তুতি নিচ্ছে।
প্রায় ৩ বছর আগে ‘কন্ট্রাক্ট ম্যারেজ’-এর শুটিং শুরু হয় নাটক হিসেবে। নির্মাতা হাসান জাহাঙ্গীর জানান, প্রকল্পটি এখন পূর্ণদৈর্ঘ্য সিনেমা হিসেবে মুক্তি পাবে। আগামী ১৫ মে এটি সিনেমা হলে মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে। এতে অভিনয়ের পাশাপাশি পরিচালনা ও প্রযোজনাও করেছেন তিনি।
তবে মুক্তির ঘোষণার পর আপত্তি জানান ওমর সানী। রবিবার (৩ মে) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভিডিও প্রকাশ করেন তিনি। সেখানে শোনা যায় চিত্রনায়িকা মৌসুমীর কণ্ঠ। অডিওতে মৌসুমী বলেন, ‘কন্ট্রাক্ট ম্যারেজ ছিল একটি নাটক, বড় হয়ে যাওয়ায় সেটি টেলিফিল্ম হিসেবে চালানোর কথা জানায়। সেটা কীভাবে সিনেমা হয়ে গেল, বুঝতে পারছি না।’
ভিডিওটি প্রকাশের পর নির্মাতার বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ নেওয়ার কথাও জানান ওমর সানী।
এদিকে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন হাসান জাহাঙ্গীর। তিনি দাবি করেন, মৌসুমীর কাছ থেকে চাপ দিয়ে এমন বক্তব্য নেওয়া হয়েছে। তার ভাষ্য, ওমর সানী এই প্রোডাকশনের সঙ্গে জড়িত নন। তিনি এই ছবির বিষয়ে কিছু করতে পারেন না।
হাসান জাহাঙ্গীর বলেন, কাজটি যথাযথ অনুমোদন নিয়েই করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সমিতি ও সরকারি প্রক্রিয়াও অনুসরণ করা হয়েছে। দর্শকেরা হলে গিয়ে দেখলেই বিষয়টি পরিষ্কার হবে।
তিনি আরো বলেন, সব সমিতি আমাকে ফোন করেছিল, আমি তাদের বিস্তারিত জানিয়েছি। সানী ভাই সিনেমা রিলিজের আগে তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে আমার কাছে চাঁদা দাবি করেন। তিনি তার ব্যবস্থা নিক, আমারটা আমি নেব, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী তার সঙ্গে যোগাযোগ করবে।
ওমর সানীর বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করবেন বলেও জানিয়েছেন হাসান জাহাঙ্গীর। তার কথায়, ‘সানী ভাইয়ের প্রতি আমার যে শ্রদ্ধা ছিল, তা তিনি নষ্ট করলেন। ৩ কোটি টাকা খরচ হয়েছে আমার। তার কারণে যদি কেউ সিনেমাটা না নেয়, আমি তার বিরুদ্ধে ৬ কোটি টাকা মানহানির মামলা করব।’

মৌসুমীর ‘কন্ট্রাক্ট ম্যারেজ’ নিয়ে বিরোধে জড়ালেন ওমর সানী ও জাহাঙ্গীর
বিনোদন ডেস্ক

‘কন্ট্রাক্ট ম্যারেজ’ শিরোনামের একটি প্রজেক্টকে ঘিরে মুখোমুখি অবস্থানে নির্মাতা হাসান জাহাঙ্গীর ও চিত্রনায়ক ওমর সানী। নাটক হিসেবে শুরু হওয়া এই কাজটি এখন সিনেমা হিসেবে মুক্তির প্রস্তুতি নিচ্ছে।
প্রায় ৩ বছর আগে ‘কন্ট্রাক্ট ম্যারেজ’-এর শুটিং শুরু হয় নাটক হিসেবে। নির্মাতা হাসান জাহাঙ্গীর জানান, প্রকল্পটি এখন পূর্ণদৈর্ঘ্য সিনেমা হিসেবে মুক্তি পাবে। আগামী ১৫ মে এটি সিনেমা হলে মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে। এতে অভিনয়ের পাশাপাশি পরিচালনা ও প্রযোজনাও করেছেন তিনি।
তবে মুক্তির ঘোষণার পর আপত্তি জানান ওমর সানী। রবিবার (৩ মে) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভিডিও প্রকাশ করেন তিনি। সেখানে শোনা যায় চিত্রনায়িকা মৌসুমীর কণ্ঠ। অডিওতে মৌসুমী বলেন, ‘কন্ট্রাক্ট ম্যারেজ ছিল একটি নাটক, বড় হয়ে যাওয়ায় সেটি টেলিফিল্ম হিসেবে চালানোর কথা জানায়। সেটা কীভাবে সিনেমা হয়ে গেল, বুঝতে পারছি না।’
ভিডিওটি প্রকাশের পর নির্মাতার বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ নেওয়ার কথাও জানান ওমর সানী।
এদিকে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন হাসান জাহাঙ্গীর। তিনি দাবি করেন, মৌসুমীর কাছ থেকে চাপ দিয়ে এমন বক্তব্য নেওয়া হয়েছে। তার ভাষ্য, ওমর সানী এই প্রোডাকশনের সঙ্গে জড়িত নন। তিনি এই ছবির বিষয়ে কিছু করতে পারেন না।
হাসান জাহাঙ্গীর বলেন, কাজটি যথাযথ অনুমোদন নিয়েই করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সমিতি ও সরকারি প্রক্রিয়াও অনুসরণ করা হয়েছে। দর্শকেরা হলে গিয়ে দেখলেই বিষয়টি পরিষ্কার হবে।
তিনি আরো বলেন, সব সমিতি আমাকে ফোন করেছিল, আমি তাদের বিস্তারিত জানিয়েছি। সানী ভাই সিনেমা রিলিজের আগে তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে আমার কাছে চাঁদা দাবি করেন। তিনি তার ব্যবস্থা নিক, আমারটা আমি নেব, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী তার সঙ্গে যোগাযোগ করবে।
ওমর সানীর বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করবেন বলেও জানিয়েছেন হাসান জাহাঙ্গীর। তার কথায়, ‘সানী ভাইয়ের প্রতি আমার যে শ্রদ্ধা ছিল, তা তিনি নষ্ট করলেন। ৩ কোটি টাকা খরচ হয়েছে আমার। তার কারণে যদি কেউ সিনেমাটা না নেয়, আমি তার বিরুদ্ধে ৬ কোটি টাকা মানহানির মামলা করব।’

পপিকে নিয়ে বিষ্ফোরক মন্তব্য ওমর সানির


