নাগরিকত্ব বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরের মন্তব্য প্রত্যাহারের দাবি বিজেআইএমের

নাগরিকত্ব বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরের মন্তব্য প্রত্যাহারের দাবি বিজেআইএমের
সিজেডএন ডেস্ক

দ্বৈত নাগরিকত্ব নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরের দেওয়া বক্তব্যকে ‘অপেশাদার’ ও ‘আক্রমণাত্মক’ আখ্যা দিয়ে এর তীব্র নিন্দা জানিয়েছে বাংলাদেশি জার্নালিস্টস ইন ইন্টারন্যাশনাল মিডিয়া (বিজেআইএম)।
সোমবার (২৫ আগস্ট) এক বিবৃতিতে সংগঠনটি বলেছে, একজন মন্ত্রিসদস্যের কাছ থেকে যে ধরনের পেশাদার আচরণ প্রত্যাশিত, প্রতিমন্ত্রীর মন্তব্য তার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। সরকারি দায়িত্ব পালনের সাংবিধানিক যোগ্যতা নিয়ে করা সরাসরি প্রশ্নের উত্তর না দিয়ে তিনি সংবাদমাধ্যমকে বিদ্রূপ করেছেন এবং প্রশ্নটির পেছনে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য রয়েছে—এমন ইঙ্গিত দিয়েছেন বলেও অভিযোগ করেছে বিজেআইএম।
সংগঠনটির মতে, আরও উদ্বেগের বিষয় হলো, সাংবাদিকদের মূল প্রশ্নের কোনো স্পষ্ট জবাব দেওয়া হয়নি। বরং বিদ্রূপাত্মক ও আক্রমণাত্মক ভাষা ব্যবহার করায় বৈধ প্রশ্ন তোলা সাংবাদিকদের মধ্যে ভীতি তৈরি হতে পারে। এর ফলে সরকারের জবাবদিহি নিশ্চিত করতে সংবাদমাধ্যমের ভূমিকা বাধাগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে।
বিজেআইএমের বিবৃতিতে বলা হয়, সম্প্রতি দেশের একটি সংবাদমাধ্যমে হুমায়ুন কবিরের নাগরিকত্ব নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। মন্ত্রিসভায় দায়িত্ব নেওয়ার আগে তিনি সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা অনুযায়ী ব্রিটিশ নাগরিকত্ব ত্যাগ করেছিলেন কি না, প্রতিবেদনে মূলত সেই বিষয়টি জানতে চাওয়া হয়েছে।
দীর্ঘ সময় ধরে যুক্তরাজ্যের রাজনীতি ও স্থানীয় সরকারের সঙ্গে হুমায়ুন কবিরের সম্পৃক্ততার কারণে প্রশ্নটি প্রাসঙ্গিক বলেও মনে করে সংগঠনটি। তিনি যুক্তরাজ্যের লেবার পার্টির হয়ে বেনশাম ম্যানর এলাকার কাউন্সিলর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়া ২০১৯ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত ক্রয়ডনের মেয়র ছিলেন তিনি।
সোমবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফ করার সময় বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন করা হলে হুমায়ুন কবির সরাসরি নাগরিকত্বের বিষয়ে উত্তর না দিয়ে বলেন, ‘কোন নিউজপেপার? কার এত জ্বালা যে কাজ করতে দেবে না, হ্যাঁ? তো তার জ্বালা কেন হচ্ছে? তার কি ২০০৮-এর জ্বালা উঠছে নাকি আবার? মইনউদ্দিন-ফখরুদ্দীনের জ্বালা উঠছে তার আবার? নাকি?’
বিজেআইএম বলেছে, মন্ত্রিসভার একজন সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টার কাছ থেকে এ ধরনের মন্তব্য শুধু অশোভনই নয়, এটি স্বাধীন সংবাদমাধ্যমের মৌলিক দায়িত্বকেও ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।
সংগঠনটির ভাষ্য, সরকারি কর্মকর্তাদের প্রশ্ন করার কারণে সাংবাদিকদের রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হিসেবে চিহ্নিত করা হলে সংবাদকর্মীদের মধ্যে আত্মসংযম বা স্ব-আরোপিত বিধিনিষেধ তৈরি হতে পারে। এর ফলে সরকারি কর্মকর্তাদের কাছে জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট প্রশ্ন করতে সাংবাদিকেরা নিরুৎসাহিত হতে পারেন।
বিজেআইএম আরও বলেছে, অতীতে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকারের সময়ও সংবাদমাধ্যমের ক্ষেত্রে এ ধরনের প্রবণতা দেখা গেছে। তাই বর্তমান সরকারকে সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা ও জবাবদিহির পরিবেশ নিশ্চিত করার বিষয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি।
বিবৃতিতে বিজেআইএম প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরকে তার ওই বক্তব্য প্রত্যাহারের আহ্বান জানিয়েছে। একই সঙ্গে ব্রিটিশ নাগরিকত্বের বর্তমান অবস্থা এবং মন্ত্রিসভায় দায়িত্ব পালনের সাংবিধানিক যোগ্যতা নিয়ে ওঠা প্রশ্নের স্পষ্ট ও সুনির্দিষ্ট ব্যাখ্যা দেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে।
সংগঠনটি বলেছে, সাংবাদিকেরা সরকারের প্রতিপক্ষ নন। তারা নাগরিকদের পক্ষ থেকে প্রশ্ন তুলে জনস্বার্থে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন। তাই সরকারি কর্মকর্তাদের উচিত সাংবাদিকদের প্রশ্নকে কটাক্ষ বা ভয় দেখানোর পরিবর্তে তথ্যভিত্তিক জবাব দেওয়া।
বিজেআইএমের মতে, সরকারকে এমন পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে, যেখানে সংবাদমাধ্যম স্বাধীনভাবে, সততার সঙ্গে এবং ভয়মুক্ত পরিবেশে কাজ করতে পারে। একই সঙ্গে নাগরিক ও তাদের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের মধ্যে যোগাযোগের সেতু হিসেবে সংবাদমাধ্যমের ভূমিকা বজায় রাখা এবং সরকারি দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিদের জবাবদিহির আওতায় আনার সুযোগও নিশ্চিত করতে হবে।

দ্বৈত নাগরিকত্ব নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরের দেওয়া বক্তব্যকে ‘অপেশাদার’ ও ‘আক্রমণাত্মক’ আখ্যা দিয়ে এর তীব্র নিন্দা জানিয়েছে বাংলাদেশি জার্নালিস্টস ইন ইন্টারন্যাশনাল মিডিয়া (বিজেআইএম)।
সোমবার (২৫ আগস্ট) এক বিবৃতিতে সংগঠনটি বলেছে, একজন মন্ত্রিসদস্যের কাছ থেকে যে ধরনের পেশাদার আচরণ প্রত্যাশিত, প্রতিমন্ত্রীর মন্তব্য তার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। সরকারি দায়িত্ব পালনের সাংবিধানিক যোগ্যতা নিয়ে করা সরাসরি প্রশ্নের উত্তর না দিয়ে তিনি সংবাদমাধ্যমকে বিদ্রূপ করেছেন এবং প্রশ্নটির পেছনে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য রয়েছে—এমন ইঙ্গিত দিয়েছেন বলেও অভিযোগ করেছে বিজেআইএম।
সংগঠনটির মতে, আরও উদ্বেগের বিষয় হলো, সাংবাদিকদের মূল প্রশ্নের কোনো স্পষ্ট জবাব দেওয়া হয়নি। বরং বিদ্রূপাত্মক ও আক্রমণাত্মক ভাষা ব্যবহার করায় বৈধ প্রশ্ন তোলা সাংবাদিকদের মধ্যে ভীতি তৈরি হতে পারে। এর ফলে সরকারের জবাবদিহি নিশ্চিত করতে সংবাদমাধ্যমের ভূমিকা বাধাগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে।
বিজেআইএমের বিবৃতিতে বলা হয়, সম্প্রতি দেশের একটি সংবাদমাধ্যমে হুমায়ুন কবিরের নাগরিকত্ব নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। মন্ত্রিসভায় দায়িত্ব নেওয়ার আগে তিনি সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা অনুযায়ী ব্রিটিশ নাগরিকত্ব ত্যাগ করেছিলেন কি না, প্রতিবেদনে মূলত সেই বিষয়টি জানতে চাওয়া হয়েছে।
দীর্ঘ সময় ধরে যুক্তরাজ্যের রাজনীতি ও স্থানীয় সরকারের সঙ্গে হুমায়ুন কবিরের সম্পৃক্ততার কারণে প্রশ্নটি প্রাসঙ্গিক বলেও মনে করে সংগঠনটি। তিনি যুক্তরাজ্যের লেবার পার্টির হয়ে বেনশাম ম্যানর এলাকার কাউন্সিলর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়া ২০১৯ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত ক্রয়ডনের মেয়র ছিলেন তিনি।
সোমবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফ করার সময় বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন করা হলে হুমায়ুন কবির সরাসরি নাগরিকত্বের বিষয়ে উত্তর না দিয়ে বলেন, ‘কোন নিউজপেপার? কার এত জ্বালা যে কাজ করতে দেবে না, হ্যাঁ? তো তার জ্বালা কেন হচ্ছে? তার কি ২০০৮-এর জ্বালা উঠছে নাকি আবার? মইনউদ্দিন-ফখরুদ্দীনের জ্বালা উঠছে তার আবার? নাকি?’
বিজেআইএম বলেছে, মন্ত্রিসভার একজন সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টার কাছ থেকে এ ধরনের মন্তব্য শুধু অশোভনই নয়, এটি স্বাধীন সংবাদমাধ্যমের মৌলিক দায়িত্বকেও ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।
সংগঠনটির ভাষ্য, সরকারি কর্মকর্তাদের প্রশ্ন করার কারণে সাংবাদিকদের রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হিসেবে চিহ্নিত করা হলে সংবাদকর্মীদের মধ্যে আত্মসংযম বা স্ব-আরোপিত বিধিনিষেধ তৈরি হতে পারে। এর ফলে সরকারি কর্মকর্তাদের কাছে জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট প্রশ্ন করতে সাংবাদিকেরা নিরুৎসাহিত হতে পারেন।
বিজেআইএম আরও বলেছে, অতীতে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকারের সময়ও সংবাদমাধ্যমের ক্ষেত্রে এ ধরনের প্রবণতা দেখা গেছে। তাই বর্তমান সরকারকে সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা ও জবাবদিহির পরিবেশ নিশ্চিত করার বিষয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি।
বিবৃতিতে বিজেআইএম প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরকে তার ওই বক্তব্য প্রত্যাহারের আহ্বান জানিয়েছে। একই সঙ্গে ব্রিটিশ নাগরিকত্বের বর্তমান অবস্থা এবং মন্ত্রিসভায় দায়িত্ব পালনের সাংবিধানিক যোগ্যতা নিয়ে ওঠা প্রশ্নের স্পষ্ট ও সুনির্দিষ্ট ব্যাখ্যা দেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে।
সংগঠনটি বলেছে, সাংবাদিকেরা সরকারের প্রতিপক্ষ নন। তারা নাগরিকদের পক্ষ থেকে প্রশ্ন তুলে জনস্বার্থে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন। তাই সরকারি কর্মকর্তাদের উচিত সাংবাদিকদের প্রশ্নকে কটাক্ষ বা ভয় দেখানোর পরিবর্তে তথ্যভিত্তিক জবাব দেওয়া।
বিজেআইএমের মতে, সরকারকে এমন পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে, যেখানে সংবাদমাধ্যম স্বাধীনভাবে, সততার সঙ্গে এবং ভয়মুক্ত পরিবেশে কাজ করতে পারে। একই সঙ্গে নাগরিক ও তাদের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের মধ্যে যোগাযোগের সেতু হিসেবে সংবাদমাধ্যমের ভূমিকা বজায় রাখা এবং সরকারি দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিদের জবাবদিহির আওতায় আনার সুযোগও নিশ্চিত করতে হবে।

নাগরিকত্ব বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরের মন্তব্য প্রত্যাহারের দাবি বিজেআইএমের
সিজেডএন ডেস্ক

দ্বৈত নাগরিকত্ব নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরের দেওয়া বক্তব্যকে ‘অপেশাদার’ ও ‘আক্রমণাত্মক’ আখ্যা দিয়ে এর তীব্র নিন্দা জানিয়েছে বাংলাদেশি জার্নালিস্টস ইন ইন্টারন্যাশনাল মিডিয়া (বিজেআইএম)।
সোমবার (২৫ আগস্ট) এক বিবৃতিতে সংগঠনটি বলেছে, একজন মন্ত্রিসদস্যের কাছ থেকে যে ধরনের পেশাদার আচরণ প্রত্যাশিত, প্রতিমন্ত্রীর মন্তব্য তার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। সরকারি দায়িত্ব পালনের সাংবিধানিক যোগ্যতা নিয়ে করা সরাসরি প্রশ্নের উত্তর না দিয়ে তিনি সংবাদমাধ্যমকে বিদ্রূপ করেছেন এবং প্রশ্নটির পেছনে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য রয়েছে—এমন ইঙ্গিত দিয়েছেন বলেও অভিযোগ করেছে বিজেআইএম।
সংগঠনটির মতে, আরও উদ্বেগের বিষয় হলো, সাংবাদিকদের মূল প্রশ্নের কোনো স্পষ্ট জবাব দেওয়া হয়নি। বরং বিদ্রূপাত্মক ও আক্রমণাত্মক ভাষা ব্যবহার করায় বৈধ প্রশ্ন তোলা সাংবাদিকদের মধ্যে ভীতি তৈরি হতে পারে। এর ফলে সরকারের জবাবদিহি নিশ্চিত করতে সংবাদমাধ্যমের ভূমিকা বাধাগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে।
বিজেআইএমের বিবৃতিতে বলা হয়, সম্প্রতি দেশের একটি সংবাদমাধ্যমে হুমায়ুন কবিরের নাগরিকত্ব নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। মন্ত্রিসভায় দায়িত্ব নেওয়ার আগে তিনি সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা অনুযায়ী ব্রিটিশ নাগরিকত্ব ত্যাগ করেছিলেন কি না, প্রতিবেদনে মূলত সেই বিষয়টি জানতে চাওয়া হয়েছে।
দীর্ঘ সময় ধরে যুক্তরাজ্যের রাজনীতি ও স্থানীয় সরকারের সঙ্গে হুমায়ুন কবিরের সম্পৃক্ততার কারণে প্রশ্নটি প্রাসঙ্গিক বলেও মনে করে সংগঠনটি। তিনি যুক্তরাজ্যের লেবার পার্টির হয়ে বেনশাম ম্যানর এলাকার কাউন্সিলর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়া ২০১৯ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত ক্রয়ডনের মেয়র ছিলেন তিনি।
সোমবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফ করার সময় বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন করা হলে হুমায়ুন কবির সরাসরি নাগরিকত্বের বিষয়ে উত্তর না দিয়ে বলেন, ‘কোন নিউজপেপার? কার এত জ্বালা যে কাজ করতে দেবে না, হ্যাঁ? তো তার জ্বালা কেন হচ্ছে? তার কি ২০০৮-এর জ্বালা উঠছে নাকি আবার? মইনউদ্দিন-ফখরুদ্দীনের জ্বালা উঠছে তার আবার? নাকি?’
বিজেআইএম বলেছে, মন্ত্রিসভার একজন সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টার কাছ থেকে এ ধরনের মন্তব্য শুধু অশোভনই নয়, এটি স্বাধীন সংবাদমাধ্যমের মৌলিক দায়িত্বকেও ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।
সংগঠনটির ভাষ্য, সরকারি কর্মকর্তাদের প্রশ্ন করার কারণে সাংবাদিকদের রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হিসেবে চিহ্নিত করা হলে সংবাদকর্মীদের মধ্যে আত্মসংযম বা স্ব-আরোপিত বিধিনিষেধ তৈরি হতে পারে। এর ফলে সরকারি কর্মকর্তাদের কাছে জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট প্রশ্ন করতে সাংবাদিকেরা নিরুৎসাহিত হতে পারেন।
বিজেআইএম আরও বলেছে, অতীতে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকারের সময়ও সংবাদমাধ্যমের ক্ষেত্রে এ ধরনের প্রবণতা দেখা গেছে। তাই বর্তমান সরকারকে সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা ও জবাবদিহির পরিবেশ নিশ্চিত করার বিষয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি।
বিবৃতিতে বিজেআইএম প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরকে তার ওই বক্তব্য প্রত্যাহারের আহ্বান জানিয়েছে। একই সঙ্গে ব্রিটিশ নাগরিকত্বের বর্তমান অবস্থা এবং মন্ত্রিসভায় দায়িত্ব পালনের সাংবিধানিক যোগ্যতা নিয়ে ওঠা প্রশ্নের স্পষ্ট ও সুনির্দিষ্ট ব্যাখ্যা দেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে।
সংগঠনটি বলেছে, সাংবাদিকেরা সরকারের প্রতিপক্ষ নন। তারা নাগরিকদের পক্ষ থেকে প্রশ্ন তুলে জনস্বার্থে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন। তাই সরকারি কর্মকর্তাদের উচিত সাংবাদিকদের প্রশ্নকে কটাক্ষ বা ভয় দেখানোর পরিবর্তে তথ্যভিত্তিক জবাব দেওয়া।
বিজেআইএমের মতে, সরকারকে এমন পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে, যেখানে সংবাদমাধ্যম স্বাধীনভাবে, সততার সঙ্গে এবং ভয়মুক্ত পরিবেশে কাজ করতে পারে। একই সঙ্গে নাগরিক ও তাদের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের মধ্যে যোগাযোগের সেতু হিসেবে সংবাদমাধ্যমের ভূমিকা বজায় রাখা এবং সরকারি দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিদের জবাবদিহির আওতায় আনার সুযোগও নিশ্চিত করতে হবে।








