ডিটক্সের নতুন ট্রেন্ড: কফি এনিমা কতটা নিরাপদ

ডিটক্সের নতুন ট্রেন্ড: কফি এনিমা কতটা নিরাপদ
সিজেডএন ডেস্ক

সকালের এক কাপ কফি ক্লান্তি কাটাতে অনেকেরই পছন্দ। কিন্তু সেই কফিই যদি পান না করে মলদ্বারের মাধ্যমে অন্ত্রে প্রবেশ করানো হয় তাহলে? সম্প্রতি বিকল্প চিকিৎসা ও ‘ডিটক্স’ সংস্কৃতির আলোচনায় বেশ পরিচিত হয়ে উঠেছে ‘কফি এনিমা’।
সমর্থকদের দাবি, কফি এনিমা কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে, লিভার পরিষ্কার করে, শরীর থেকে টক্সিন বের করে এবং এমনকি রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়াতেও সাহায্য করে। কেউ কেউ ক্যানসার চিকিৎসায়ও এর উপকারিতার কথা প্রচার করছেন। তবে এসব দাবির পক্ষে তেমন শক্তিশালী বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই।
কফি এনিমায় কফি ও পানির মিশ্রণ মলদ্বারের মাধ্যমে বৃহদন্ত্রে প্রবেশ করানো হয়। মূলত অন্ত্র পরিষ্কার বা কোষ্ঠকাঠিন্য কমানোর পদ্ধতি হিসেবে এটি প্রচার করা হচ্ছে। বিংশ শতাব্দীতে ‘গারসন থেরাপি’র মাধ্যমে কফি এনিমা আরও পরিচিতি পায়।
এনিমার কারণে অন্ত্রের ভেতরের মল বের হয়ে সাময়িক স্বস্তি মিলতে পারে। কিন্তু এটিকে ‘লিভার ডিটক্স’, শরীরের বিষাক্ত পদার্থ দূর করা বা কোনো রোগের চিকিৎসা হিসেবে কার্যকর-এমন নির্ভরযোগ্য প্রমাণ এখনো পাওয়া যায়নি। বরং এর ঝুঁকির দিকটি বেশ গুরুত্বপূর্ণ।
কফি এনিমার কারণে পেটব্যথা, মলদ্বারে জ্বালাপোড়া, রক্তপাত, অন্ত্রে প্রদাহ ও সংক্রমণের মতো জটিলতার ঘটনা শোনা যাচ্ছে । এছাড়া শরীরের লবণের ভারসাম্য নষ্ট হওয়া, অতিরিক্ত তরল জমা, সেপটিসেমিয়া এবং এমনকি মৃত্যুর ঘটনাও ঘটেছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, শরীরকে আলাদাভাবে ‘ডিটক্স’ করার জন্য কফি এনিমার প্রয়োজন নেই। সুস্থ মানুষের লিভার, কিডনি, ফুসফুস ও পরিপাকতন্ত্র স্বাভাবিকভাবেই শরীরের বর্জ্য ও ক্ষতিকর পদার্থ অপসারণ করে। কোষ্ঠকাঠিন্য হলে তাই কফি এনিমার মতো পরীক্ষামূলক পদ্ধতির বদলে পর্যাপ্ত পানি পান, আঁশযুক্ত খাবার, নিয়মিত ব্যায়াম এবং প্রয়োজন হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই নিরাপদ। দীর্ঘদিন কোষ্ঠকাঠিন্য, মলের সঙ্গে রক্ত, তীব্র পেটব্যথা কিংবা মলত্যাগের অভ্যাসে হঠাৎ পরিবর্তন হলে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া জরুরি।

সকালের এক কাপ কফি ক্লান্তি কাটাতে অনেকেরই পছন্দ। কিন্তু সেই কফিই যদি পান না করে মলদ্বারের মাধ্যমে অন্ত্রে প্রবেশ করানো হয় তাহলে? সম্প্রতি বিকল্প চিকিৎসা ও ‘ডিটক্স’ সংস্কৃতির আলোচনায় বেশ পরিচিত হয়ে উঠেছে ‘কফি এনিমা’।
সমর্থকদের দাবি, কফি এনিমা কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে, লিভার পরিষ্কার করে, শরীর থেকে টক্সিন বের করে এবং এমনকি রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়াতেও সাহায্য করে। কেউ কেউ ক্যানসার চিকিৎসায়ও এর উপকারিতার কথা প্রচার করছেন। তবে এসব দাবির পক্ষে তেমন শক্তিশালী বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই।
কফি এনিমায় কফি ও পানির মিশ্রণ মলদ্বারের মাধ্যমে বৃহদন্ত্রে প্রবেশ করানো হয়। মূলত অন্ত্র পরিষ্কার বা কোষ্ঠকাঠিন্য কমানোর পদ্ধতি হিসেবে এটি প্রচার করা হচ্ছে। বিংশ শতাব্দীতে ‘গারসন থেরাপি’র মাধ্যমে কফি এনিমা আরও পরিচিতি পায়।
এনিমার কারণে অন্ত্রের ভেতরের মল বের হয়ে সাময়িক স্বস্তি মিলতে পারে। কিন্তু এটিকে ‘লিভার ডিটক্স’, শরীরের বিষাক্ত পদার্থ দূর করা বা কোনো রোগের চিকিৎসা হিসেবে কার্যকর-এমন নির্ভরযোগ্য প্রমাণ এখনো পাওয়া যায়নি। বরং এর ঝুঁকির দিকটি বেশ গুরুত্বপূর্ণ।
কফি এনিমার কারণে পেটব্যথা, মলদ্বারে জ্বালাপোড়া, রক্তপাত, অন্ত্রে প্রদাহ ও সংক্রমণের মতো জটিলতার ঘটনা শোনা যাচ্ছে । এছাড়া শরীরের লবণের ভারসাম্য নষ্ট হওয়া, অতিরিক্ত তরল জমা, সেপটিসেমিয়া এবং এমনকি মৃত্যুর ঘটনাও ঘটেছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, শরীরকে আলাদাভাবে ‘ডিটক্স’ করার জন্য কফি এনিমার প্রয়োজন নেই। সুস্থ মানুষের লিভার, কিডনি, ফুসফুস ও পরিপাকতন্ত্র স্বাভাবিকভাবেই শরীরের বর্জ্য ও ক্ষতিকর পদার্থ অপসারণ করে। কোষ্ঠকাঠিন্য হলে তাই কফি এনিমার মতো পরীক্ষামূলক পদ্ধতির বদলে পর্যাপ্ত পানি পান, আঁশযুক্ত খাবার, নিয়মিত ব্যায়াম এবং প্রয়োজন হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই নিরাপদ। দীর্ঘদিন কোষ্ঠকাঠিন্য, মলের সঙ্গে রক্ত, তীব্র পেটব্যথা কিংবা মলত্যাগের অভ্যাসে হঠাৎ পরিবর্তন হলে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া জরুরি।

ডিটক্সের নতুন ট্রেন্ড: কফি এনিমা কতটা নিরাপদ
সিজেডএন ডেস্ক

সকালের এক কাপ কফি ক্লান্তি কাটাতে অনেকেরই পছন্দ। কিন্তু সেই কফিই যদি পান না করে মলদ্বারের মাধ্যমে অন্ত্রে প্রবেশ করানো হয় তাহলে? সম্প্রতি বিকল্প চিকিৎসা ও ‘ডিটক্স’ সংস্কৃতির আলোচনায় বেশ পরিচিত হয়ে উঠেছে ‘কফি এনিমা’।
সমর্থকদের দাবি, কফি এনিমা কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে, লিভার পরিষ্কার করে, শরীর থেকে টক্সিন বের করে এবং এমনকি রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়াতেও সাহায্য করে। কেউ কেউ ক্যানসার চিকিৎসায়ও এর উপকারিতার কথা প্রচার করছেন। তবে এসব দাবির পক্ষে তেমন শক্তিশালী বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই।
কফি এনিমায় কফি ও পানির মিশ্রণ মলদ্বারের মাধ্যমে বৃহদন্ত্রে প্রবেশ করানো হয়। মূলত অন্ত্র পরিষ্কার বা কোষ্ঠকাঠিন্য কমানোর পদ্ধতি হিসেবে এটি প্রচার করা হচ্ছে। বিংশ শতাব্দীতে ‘গারসন থেরাপি’র মাধ্যমে কফি এনিমা আরও পরিচিতি পায়।
এনিমার কারণে অন্ত্রের ভেতরের মল বের হয়ে সাময়িক স্বস্তি মিলতে পারে। কিন্তু এটিকে ‘লিভার ডিটক্স’, শরীরের বিষাক্ত পদার্থ দূর করা বা কোনো রোগের চিকিৎসা হিসেবে কার্যকর-এমন নির্ভরযোগ্য প্রমাণ এখনো পাওয়া যায়নি। বরং এর ঝুঁকির দিকটি বেশ গুরুত্বপূর্ণ।
কফি এনিমার কারণে পেটব্যথা, মলদ্বারে জ্বালাপোড়া, রক্তপাত, অন্ত্রে প্রদাহ ও সংক্রমণের মতো জটিলতার ঘটনা শোনা যাচ্ছে । এছাড়া শরীরের লবণের ভারসাম্য নষ্ট হওয়া, অতিরিক্ত তরল জমা, সেপটিসেমিয়া এবং এমনকি মৃত্যুর ঘটনাও ঘটেছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, শরীরকে আলাদাভাবে ‘ডিটক্স’ করার জন্য কফি এনিমার প্রয়োজন নেই। সুস্থ মানুষের লিভার, কিডনি, ফুসফুস ও পরিপাকতন্ত্র স্বাভাবিকভাবেই শরীরের বর্জ্য ও ক্ষতিকর পদার্থ অপসারণ করে। কোষ্ঠকাঠিন্য হলে তাই কফি এনিমার মতো পরীক্ষামূলক পদ্ধতির বদলে পর্যাপ্ত পানি পান, আঁশযুক্ত খাবার, নিয়মিত ব্যায়াম এবং প্রয়োজন হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই নিরাপদ। দীর্ঘদিন কোষ্ঠকাঠিন্য, মলের সঙ্গে রক্ত, তীব্র পেটব্যথা কিংবা মলত্যাগের অভ্যাসে হঠাৎ পরিবর্তন হলে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া জরুরি।

চা-কফি পান নিয়ে ৫টি ভুল ধারণা, যা আমরা সত্যি মনে করি





