শিরোনাম

জাবিতে র‍্যাগিংয়ের অভিযোগে ৮ শিক্ষার্থী সাময়িক বহিষ্কার

জাবি প্রতিনিধি
জাবি প্রতিনিধি
জাবিতে র‍্যাগিংয়ের অভিযোগে ৮ শিক্ষার্থী সাময়িক বহিষ্কার
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার। ছবি: সিজেডএন টোয়েন্টিফোর

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) জুনিয়র শিক্ষার্থীদের র‍্যাগিং এবং শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের অভিযোগে আট ছাত্রকে সাময়িকভাবে বহিষ্কার করেছে কর্তৃপক্ষ। বহিষ্কৃতরা সবাই বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের ৫৪তম ব্যাচের (২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের) শিক্ষার্থী। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার ড. এ বি এম আজিজুর রহমান।

মঙ্গলবার (২১ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার দপ্তর থেকে জারি করা এক অফিস আদেশে জানানো করা হয়, গত ২০ জুলাই দিবাগত রাত আনুমানিক ১০টা থেকে ভোর ৩টা পর্যন্ত পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের ৫৪তম ব্যাচের কয়েকজন শিক্ষার্থী একই বিভাগের ৫৫তম ব্যাচের নবীন শিক্ষার্থীদের শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক হলের পশ্চিম পাশের ‘মনপুরা’ এলাকায় জড়ো করেন। সেখানে নবীনদের প্রতি শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালানো হয় এবং তাদের সঙ্গে অশালীন আচরণ করা হয় বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের মতে, অভিযুক্তদের কর্মকাণ্ড র‍্যাগিংয়ের আওতাভুক্ত হওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের শৃঙ্খলা সংক্রান্ত অধ্যাদেশ-২০১৮ এর ৪ (১) (খ) ধারা অনুসারে তাদের বিরুদ্ধে সাময়িক বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

সাময়িকভাবে বহিষ্কৃত শিক্ষার্থীরা হলেন– মওলানা ভাসানী হলের আবাসিক শিক্ষার্থী মো. ফজলে হাসান ফাহাদ, মো. আল-আমিন হোসাইন, মো. জাহিদ হাসান ও মো. ফয়সাল আহমেদ; জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম হলের মো. মাহমুদুল হাসান খান আকিব; শহীদ রফিক-জব্বার হলের মো. মাহমুদুল আমিন সিয়াম; এবং শহীদ সালাম-বরকত হলের মো. মোস্তাফিজুর রহমান ও সৈয়দ সাকিব আহমেদ রাতুল।

অফিস আদেশে আরও বলা হয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা সংক্রান্ত অধ্যাদেশ অনুযায়ী ক্যাম্পাসের কোনো হল, বিভাগ কিংবা বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্য কোনো স্থানে টিজিং, র‍্যাগিং ও যেকোনো ধরনের নির্যাতনমূলক কর্মকাণ্ড সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। এসব ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ায় সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে সাময়িক বহিষ্কারের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

জাবির ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার ড. এ বি এম আজিজুর রহমান জানান, ঘটনার বিষয়ে পরবর্তী তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। তদন্তের ফলাফল এবং বিদ্যমান বিধি-বিধান অনুযায়ী অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় পরবর্তী ব্যবস্থা নিবে প্রশাসন।

/এফআর/