গুম-নির্যাতনের গোপন বন্দিশালা দেখবেন ট্রাইব্যুনালের ৩ বিচারপতি

গুম-নির্যাতনের গোপন বন্দিশালা দেখবেন ট্রাইব্যুনালের ৩ বিচারপতি
আদালত সংবাদদাতা

আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তর (ডিজিএফআই), র্যাব-১ ও ডিবির গোপন বন্দিশালা বা ‘আয়নাঘর’ পরিদর্শন করবেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারপতিরা।
প্রধান কৌঁসুলি মো. আমিনুল ইসলামের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে মঙ্গলবার (২১ জুলাই) এ আদেশ দেয় ট্রাইব্যুনাল-১। এ ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি গোলাম মর্তূজা মজুমদার নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ পরিদর্শন কার্যক্রমে অংশ নেবেন। প্যানেলের অপর দুই সদস্য হলেন– মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।
প্রসিকিউশনের পক্ষে এদিন শুনানিতে অংশ নেন প্রধান কৌঁসুলি আমিনুল ইসলাম। তিনি রাজধানীর কচুক্ষেতে ডিজিএফআইয়ের জয়েন্ট ইন্টারোগেশন সেন্টার (জেআইসি), উত্তরায় র্যাব-১ এর টাস্কফোর্স ফর ইন্টারোগেশন (টিএফআই) এবং ডিবির গোপন বন্দিশালা পরিদর্শনের আবেদন জানান। আওয়ামী লীগ শাসনামলে এসব বন্দিশালায় বিরোধী মতাদর্শের লোকদের তুলে নিয়ে গুম ও নির্যাতনের বর্ণনা এসময় তুলে ধরেন।
ঘটনাস্থল পরিদর্শনের আইনি বৈধতা ও নজির তুলে ধরে আমিনুল ইসলাম বলেন, দেশের প্রচলিত আইনের ৫৩৯-বি ধারা (ফৌজদারি কার্যবিধি) এবং রোম স্ট্যাটিউটের ৭ ও ৭৩ নম্বর রুলে মামলার স্বার্থে বিচারকদের ঘটনাস্থল পরিদর্শনের বিধান রয়েছে।
রুয়ান্ডা ও যুগোস্লাভিয়ার উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, সেখানে বিচারকরা সরেজমিনে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছিলেন এবং মেমোরেন্ডাম হিসেবে তা বিচারকাজে ব্যবহৃত হয়েছিল।
ট্রাইব্যুনাল প্রসিকিউশনের বক্তব্য ও আবেদন আমলে নিয়ে পরিদর্শনে যাওয়ার বিষয়ে সম্মতি দেন।
আমিনুল ইসলাম জানান, ট্রাইব্যুনালের তিনজন বিচারক যেকোনো সময় পরিদর্শনের দিন ও তারিখ নির্ধারণ করবেন। পরিদর্শনের আগে প্রসিকিউশন এবং আগ্রহী আসামিপক্ষকে নোটিস করা হবে এবং সবার উপস্থিতিতে যৌথভাবে এই পরিদর্শন কার্যক্রম সম্পন্ন হবে।

আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তর (ডিজিএফআই), র্যাব-১ ও ডিবির গোপন বন্দিশালা বা ‘আয়নাঘর’ পরিদর্শন করবেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারপতিরা।
প্রধান কৌঁসুলি মো. আমিনুল ইসলামের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে মঙ্গলবার (২১ জুলাই) এ আদেশ দেয় ট্রাইব্যুনাল-১। এ ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি গোলাম মর্তূজা মজুমদার নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ পরিদর্শন কার্যক্রমে অংশ নেবেন। প্যানেলের অপর দুই সদস্য হলেন– মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।
প্রসিকিউশনের পক্ষে এদিন শুনানিতে অংশ নেন প্রধান কৌঁসুলি আমিনুল ইসলাম। তিনি রাজধানীর কচুক্ষেতে ডিজিএফআইয়ের জয়েন্ট ইন্টারোগেশন সেন্টার (জেআইসি), উত্তরায় র্যাব-১ এর টাস্কফোর্স ফর ইন্টারোগেশন (টিএফআই) এবং ডিবির গোপন বন্দিশালা পরিদর্শনের আবেদন জানান। আওয়ামী লীগ শাসনামলে এসব বন্দিশালায় বিরোধী মতাদর্শের লোকদের তুলে নিয়ে গুম ও নির্যাতনের বর্ণনা এসময় তুলে ধরেন।
ঘটনাস্থল পরিদর্শনের আইনি বৈধতা ও নজির তুলে ধরে আমিনুল ইসলাম বলেন, দেশের প্রচলিত আইনের ৫৩৯-বি ধারা (ফৌজদারি কার্যবিধি) এবং রোম স্ট্যাটিউটের ৭ ও ৭৩ নম্বর রুলে মামলার স্বার্থে বিচারকদের ঘটনাস্থল পরিদর্শনের বিধান রয়েছে।
রুয়ান্ডা ও যুগোস্লাভিয়ার উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, সেখানে বিচারকরা সরেজমিনে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছিলেন এবং মেমোরেন্ডাম হিসেবে তা বিচারকাজে ব্যবহৃত হয়েছিল।
ট্রাইব্যুনাল প্রসিকিউশনের বক্তব্য ও আবেদন আমলে নিয়ে পরিদর্শনে যাওয়ার বিষয়ে সম্মতি দেন।
আমিনুল ইসলাম জানান, ট্রাইব্যুনালের তিনজন বিচারক যেকোনো সময় পরিদর্শনের দিন ও তারিখ নির্ধারণ করবেন। পরিদর্শনের আগে প্রসিকিউশন এবং আগ্রহী আসামিপক্ষকে নোটিস করা হবে এবং সবার উপস্থিতিতে যৌথভাবে এই পরিদর্শন কার্যক্রম সম্পন্ন হবে।

গুম-নির্যাতনের গোপন বন্দিশালা দেখবেন ট্রাইব্যুনালের ৩ বিচারপতি
আদালত সংবাদদাতা

আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তর (ডিজিএফআই), র্যাব-১ ও ডিবির গোপন বন্দিশালা বা ‘আয়নাঘর’ পরিদর্শন করবেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারপতিরা।
প্রধান কৌঁসুলি মো. আমিনুল ইসলামের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে মঙ্গলবার (২১ জুলাই) এ আদেশ দেয় ট্রাইব্যুনাল-১। এ ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি গোলাম মর্তূজা মজুমদার নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ পরিদর্শন কার্যক্রমে অংশ নেবেন। প্যানেলের অপর দুই সদস্য হলেন– মো. শফিউল আলম মাহমুদ ও মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।
প্রসিকিউশনের পক্ষে এদিন শুনানিতে অংশ নেন প্রধান কৌঁসুলি আমিনুল ইসলাম। তিনি রাজধানীর কচুক্ষেতে ডিজিএফআইয়ের জয়েন্ট ইন্টারোগেশন সেন্টার (জেআইসি), উত্তরায় র্যাব-১ এর টাস্কফোর্স ফর ইন্টারোগেশন (টিএফআই) এবং ডিবির গোপন বন্দিশালা পরিদর্শনের আবেদন জানান। আওয়ামী লীগ শাসনামলে এসব বন্দিশালায় বিরোধী মতাদর্শের লোকদের তুলে নিয়ে গুম ও নির্যাতনের বর্ণনা এসময় তুলে ধরেন।
ঘটনাস্থল পরিদর্শনের আইনি বৈধতা ও নজির তুলে ধরে আমিনুল ইসলাম বলেন, দেশের প্রচলিত আইনের ৫৩৯-বি ধারা (ফৌজদারি কার্যবিধি) এবং রোম স্ট্যাটিউটের ৭ ও ৭৩ নম্বর রুলে মামলার স্বার্থে বিচারকদের ঘটনাস্থল পরিদর্শনের বিধান রয়েছে।
রুয়ান্ডা ও যুগোস্লাভিয়ার উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, সেখানে বিচারকরা সরেজমিনে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছিলেন এবং মেমোরেন্ডাম হিসেবে তা বিচারকাজে ব্যবহৃত হয়েছিল।
ট্রাইব্যুনাল প্রসিকিউশনের বক্তব্য ও আবেদন আমলে নিয়ে পরিদর্শনে যাওয়ার বিষয়ে সম্মতি দেন।
আমিনুল ইসলাম জানান, ট্রাইব্যুনালের তিনজন বিচারক যেকোনো সময় পরিদর্শনের দিন ও তারিখ নির্ধারণ করবেন। পরিদর্শনের আগে প্রসিকিউশন এবং আগ্রহী আসামিপক্ষকে নোটিস করা হবে এবং সবার উপস্থিতিতে যৌথভাবে এই পরিদর্শন কার্যক্রম সম্পন্ন হবে।

গুমের মামলায় ট্রাইব্যুনালে ১০ সাবেক সেনা কর্মকর্তা






