‘স্থানীয় নির্বাচন করতে পারবেন না এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা’

‘স্থানীয় নির্বাচন করতে পারবেন না এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা’
নিজস্ব প্রতিবেদক

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা প্রার্থী হতে পারবেন না বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিব আখতার আহমেদ।
মঙ্গলবার (২১ জুলাই) কমিশনের ১২তম সভা শেষে এ কথা জানান তিনি।
আখতার আহমেদ বলেন, ২০০৯ সালের স্থানীয় সরকার নির্বাচন সম্পর্কিত আইনগুলোর প্রয়োজনীয় সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে– সিটি কর্পোরেশন, উপজেলা, পৌরসভা, ইউনিয়ন পরিষদ এবং জেলা পরিষদ- এই পাঁচ স্তরের নির্বাচনে প্রার্থীর যোগ্যতা ও অযোগ্যতার ক্ষেত্রে বেশ কিছু কড়াকড়ি আরোপের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। সংবিধানের নীতি মেনে লাভজনক পদে থেকে নির্বাচন করা বন্ধ করার পাশাপাশি দ্বৈত নাগরিকত্বধারীদের নির্বাচনে অংশগ্রহণের কোনো সুযোগ থাকছে না। এর বাইরে এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না মর্মে নির্বাচন কমিশন একমত হয়েছে এবং তাদের প্রার্থিতায় অযোগ্য ঘোষণার সুপারিশ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
তিনি বলেন, প্রার্থীদের ঋণ খেলাপির বিষয়েও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। এবার ব্যক্তিগতভাবে কোনো প্রাতিষ্ঠানিক ঋণের বন্ধকদাতা হওয়ার পাশাপাশি যারা ঋণ খেলাপির জামিনদার হিসেবে রয়েছেন, তাদেরকেও অযোগ্য হিসেবে গণ্য করার নীতিগত প্রস্তাব গ্রহণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে বিদ্যুৎ বিল, ওয়াসা, কিংবা ভূমি করের মতো জরুরি সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের বিল পরিশোধ না করলেও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে ব্যক্তিগত বা প্রাতিষ্ঠানিক উভয় ক্ষেত্রে অযোগ্য ঘোষণা করা হবে।
ইসি সচিব বলেন, আরপিওর আদলে সব ধরনের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে সশস্ত্র বাহিনীকে আইন প্রয়োগকারী সংস্থা হিসেবে সংজ্ঞায়িত ও অন্তর্ভুক্ত করার সুপারিশ তৈরি করা হচ্ছে। নির্বাচনী আইনের এই পরিবর্তনগুলোর সঙ্গে সংগতি রেখে আচরণ বিধিমালাও পরবর্তীতে সংশোধন করা হবে।
তিনি বলেন, এখন আমরা ১৬ বছর ও তদুর্ধ্বদের ডাটা কালেকশন করি এনআইডির জন্য বা ভোটার তালিকার জন্য। যখন একজন ১৮ বছরে পৌঁছান, তখন স্বয়ংক্রিয়ভাবে তিনি ভোটার তালিকাভুক্ত হয়ে যান। তার আগ পর্যন্ত এটা ডরম্যান্ট থাকে।
আখতার আহমেদ বলেন, এই ডাটা কালেকশনটা কোন লেভেল পর্যন্ত নামানো যায়- সেটা নিয়ে আরও কিছু পর্যালোচনার পরে একটা সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। এটা এসএসসি নাকি ক্লাস এইট নাকি প্রাথমিক, যেটাই হোক না কেন, একটা তুলনামূলক বিবরণী অনুযায়ী পরবর্তীতে সিদ্ধান্তে আসব।

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা প্রার্থী হতে পারবেন না বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিব আখতার আহমেদ।
মঙ্গলবার (২১ জুলাই) কমিশনের ১২তম সভা শেষে এ কথা জানান তিনি।
আখতার আহমেদ বলেন, ২০০৯ সালের স্থানীয় সরকার নির্বাচন সম্পর্কিত আইনগুলোর প্রয়োজনীয় সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে– সিটি কর্পোরেশন, উপজেলা, পৌরসভা, ইউনিয়ন পরিষদ এবং জেলা পরিষদ- এই পাঁচ স্তরের নির্বাচনে প্রার্থীর যোগ্যতা ও অযোগ্যতার ক্ষেত্রে বেশ কিছু কড়াকড়ি আরোপের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। সংবিধানের নীতি মেনে লাভজনক পদে থেকে নির্বাচন করা বন্ধ করার পাশাপাশি দ্বৈত নাগরিকত্বধারীদের নির্বাচনে অংশগ্রহণের কোনো সুযোগ থাকছে না। এর বাইরে এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না মর্মে নির্বাচন কমিশন একমত হয়েছে এবং তাদের প্রার্থিতায় অযোগ্য ঘোষণার সুপারিশ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
তিনি বলেন, প্রার্থীদের ঋণ খেলাপির বিষয়েও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। এবার ব্যক্তিগতভাবে কোনো প্রাতিষ্ঠানিক ঋণের বন্ধকদাতা হওয়ার পাশাপাশি যারা ঋণ খেলাপির জামিনদার হিসেবে রয়েছেন, তাদেরকেও অযোগ্য হিসেবে গণ্য করার নীতিগত প্রস্তাব গ্রহণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে বিদ্যুৎ বিল, ওয়াসা, কিংবা ভূমি করের মতো জরুরি সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের বিল পরিশোধ না করলেও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে ব্যক্তিগত বা প্রাতিষ্ঠানিক উভয় ক্ষেত্রে অযোগ্য ঘোষণা করা হবে।
ইসি সচিব বলেন, আরপিওর আদলে সব ধরনের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে সশস্ত্র বাহিনীকে আইন প্রয়োগকারী সংস্থা হিসেবে সংজ্ঞায়িত ও অন্তর্ভুক্ত করার সুপারিশ তৈরি করা হচ্ছে। নির্বাচনী আইনের এই পরিবর্তনগুলোর সঙ্গে সংগতি রেখে আচরণ বিধিমালাও পরবর্তীতে সংশোধন করা হবে।
তিনি বলেন, এখন আমরা ১৬ বছর ও তদুর্ধ্বদের ডাটা কালেকশন করি এনআইডির জন্য বা ভোটার তালিকার জন্য। যখন একজন ১৮ বছরে পৌঁছান, তখন স্বয়ংক্রিয়ভাবে তিনি ভোটার তালিকাভুক্ত হয়ে যান। তার আগ পর্যন্ত এটা ডরম্যান্ট থাকে।
আখতার আহমেদ বলেন, এই ডাটা কালেকশনটা কোন লেভেল পর্যন্ত নামানো যায়- সেটা নিয়ে আরও কিছু পর্যালোচনার পরে একটা সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। এটা এসএসসি নাকি ক্লাস এইট নাকি প্রাথমিক, যেটাই হোক না কেন, একটা তুলনামূলক বিবরণী অনুযায়ী পরবর্তীতে সিদ্ধান্তে আসব।

‘স্থানীয় নির্বাচন করতে পারবেন না এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা’
নিজস্ব প্রতিবেদক

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা প্রার্থী হতে পারবেন না বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিব আখতার আহমেদ।
মঙ্গলবার (২১ জুলাই) কমিশনের ১২তম সভা শেষে এ কথা জানান তিনি।
আখতার আহমেদ বলেন, ২০০৯ সালের স্থানীয় সরকার নির্বাচন সম্পর্কিত আইনগুলোর প্রয়োজনীয় সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে– সিটি কর্পোরেশন, উপজেলা, পৌরসভা, ইউনিয়ন পরিষদ এবং জেলা পরিষদ- এই পাঁচ স্তরের নির্বাচনে প্রার্থীর যোগ্যতা ও অযোগ্যতার ক্ষেত্রে বেশ কিছু কড়াকড়ি আরোপের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। সংবিধানের নীতি মেনে লাভজনক পদে থেকে নির্বাচন করা বন্ধ করার পাশাপাশি দ্বৈত নাগরিকত্বধারীদের নির্বাচনে অংশগ্রহণের কোনো সুযোগ থাকছে না। এর বাইরে এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না মর্মে নির্বাচন কমিশন একমত হয়েছে এবং তাদের প্রার্থিতায় অযোগ্য ঘোষণার সুপারিশ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
তিনি বলেন, প্রার্থীদের ঋণ খেলাপির বিষয়েও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। এবার ব্যক্তিগতভাবে কোনো প্রাতিষ্ঠানিক ঋণের বন্ধকদাতা হওয়ার পাশাপাশি যারা ঋণ খেলাপির জামিনদার হিসেবে রয়েছেন, তাদেরকেও অযোগ্য হিসেবে গণ্য করার নীতিগত প্রস্তাব গ্রহণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে বিদ্যুৎ বিল, ওয়াসা, কিংবা ভূমি করের মতো জরুরি সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের বিল পরিশোধ না করলেও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে ব্যক্তিগত বা প্রাতিষ্ঠানিক উভয় ক্ষেত্রে অযোগ্য ঘোষণা করা হবে।
ইসি সচিব বলেন, আরপিওর আদলে সব ধরনের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে সশস্ত্র বাহিনীকে আইন প্রয়োগকারী সংস্থা হিসেবে সংজ্ঞায়িত ও অন্তর্ভুক্ত করার সুপারিশ তৈরি করা হচ্ছে। নির্বাচনী আইনের এই পরিবর্তনগুলোর সঙ্গে সংগতি রেখে আচরণ বিধিমালাও পরবর্তীতে সংশোধন করা হবে।
তিনি বলেন, এখন আমরা ১৬ বছর ও তদুর্ধ্বদের ডাটা কালেকশন করি এনআইডির জন্য বা ভোটার তালিকার জন্য। যখন একজন ১৮ বছরে পৌঁছান, তখন স্বয়ংক্রিয়ভাবে তিনি ভোটার তালিকাভুক্ত হয়ে যান। তার আগ পর্যন্ত এটা ডরম্যান্ট থাকে।
আখতার আহমেদ বলেন, এই ডাটা কালেকশনটা কোন লেভেল পর্যন্ত নামানো যায়- সেটা নিয়ে আরও কিছু পর্যালোচনার পরে একটা সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। এটা এসএসসি নাকি ক্লাস এইট নাকি প্রাথমিক, যেটাই হোক না কেন, একটা তুলনামূলক বিবরণী অনুযায়ী পরবর্তীতে সিদ্ধান্তে আসব।

দলীয় প্রতীকে হবে না স্থানীয় নির্বাচন: মির্জা ফখরুল





