আরব সাগরে পাকিস্তানের বিমান নিখোঁজ

আরব সাগরে পাকিস্তানের বিমান নিখোঁজ
সিজেডএন ডেস্ক

সংযুক্ত আরব আমিরাতের শারজাহ থেকে করাচি যাওয়ার পথে আরব সাগরে পাকিস্তানের বেসরকারি বিমান সংস্থা ‘কে২ এয়ারওয়েজ’-এর একটি মালবাহী বোয়িং ৭৩৭-৪০০ উড়োজাহাজ নিখোঁজ হয়েছে ।
বুধবার (৮ জুলাই) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম ডন।
এতে বলা হয়েছে, মঙ্গলবার (৭ জুলাই) রাতে করাচি থেকে প্রায় ৩০০ কিলোমিটার পশ্চিমে আরব সাগরের ওপর আকাশসীমায় থাকাকালীন রাডার থেকে পাইলট নেভিগেশনাল বা পথনির্দেশক সিস্টেমে যান্ত্রিক ত্রুটির কথা জানান এবং এরিয়া কন্ট্রোল সেন্টারের (এসিসি) কাছে জরুরি সহায়তা চেয়ে বার্তা পাঠান।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাত ৯টা ১৮ মিনিটে কার্গো বিমানটি প্রথম সমস্যার সম্মুখীন হয়। এর তিন মিনিট পর রাত ৯টা ২১ মিনিটে রাডারে দেখা যায় বিমানটি অস্বাভাবিকভাবে উচ্চতা হারাচ্ছে এবং আকস্মিক দিক পরিবর্তন করছে। সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী, বিমানটির উচ্চতা ছিল সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে মাত্র ১ হাজার ১০০ ফুট এবং এর নিচে নামার গতি (ভার্টিক্যাল রেট) ছিল প্রতি মিনিটে মাইনাস ২২ হাজার ৪০০ ফুট, যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। এর পরপরই করাচি থেকে প্রায় ২৮৭ কিলোমিটার পশ্চিমে রাডার থেকে বিমানটির সংযোগ সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।
এতে বলা হয়েছে, উড্ডয়নের কিছুক্ষণ পরই বিমানটি ওই অঞ্চলে জিপিএস বা সিগন্যালবিভ্রাটের মুখে পড়েছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে। এর ফলে বিমানটির নেভিগেশন ডেটা দুর্বল হয়ে পড়েছিল। সিগন্যালবিভ্রাট থেকে বের হওয়ার পর কিছুক্ষণ ডেটা পাওয়া গেলেও শেষ পর্যন্ত বিমানটি নিখোঁজ হয়ে যায়। ঘটনার পর উদ্ধার সমন্বয় কেন্দ্রকে দ্রুত সক্রিয় করা হয়েছে। নিখোঁজ বিমানটির সন্ধানে আরব সাগরে বিভিন্ন সংস্থার সমন্বয়ে একটি যৌথ অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযান শুরু হয়েছে। দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ অনুসন্ধানের জন্য ‘ব্যুরো অব এয়ার সেফটি ইনভেস্টিগেশন’-কে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, নিখোঁজ হওয়া এপি-বিওআই নিবন্ধিত বিমানটি ১৯৯৯ সালে তৈরি হয়েছিল। শুরুতে যাত্রীবাহী বিমান হিসেবে ব্যবহৃত হওয়ার পর ২০১২ সালে এটিকে মালবাহী কার্গো বিমানে রূপান্তর করা হয়। চলতি বছরের শুরুর দিকে এটি কে২ এয়ারওয়েজের বহরে যুক্ত হয়েছিল।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের শারজাহ থেকে করাচি যাওয়ার পথে আরব সাগরে পাকিস্তানের বেসরকারি বিমান সংস্থা ‘কে২ এয়ারওয়েজ’-এর একটি মালবাহী বোয়িং ৭৩৭-৪০০ উড়োজাহাজ নিখোঁজ হয়েছে ।
বুধবার (৮ জুলাই) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম ডন।
এতে বলা হয়েছে, মঙ্গলবার (৭ জুলাই) রাতে করাচি থেকে প্রায় ৩০০ কিলোমিটার পশ্চিমে আরব সাগরের ওপর আকাশসীমায় থাকাকালীন রাডার থেকে পাইলট নেভিগেশনাল বা পথনির্দেশক সিস্টেমে যান্ত্রিক ত্রুটির কথা জানান এবং এরিয়া কন্ট্রোল সেন্টারের (এসিসি) কাছে জরুরি সহায়তা চেয়ে বার্তা পাঠান।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাত ৯টা ১৮ মিনিটে কার্গো বিমানটি প্রথম সমস্যার সম্মুখীন হয়। এর তিন মিনিট পর রাত ৯টা ২১ মিনিটে রাডারে দেখা যায় বিমানটি অস্বাভাবিকভাবে উচ্চতা হারাচ্ছে এবং আকস্মিক দিক পরিবর্তন করছে। সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী, বিমানটির উচ্চতা ছিল সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে মাত্র ১ হাজার ১০০ ফুট এবং এর নিচে নামার গতি (ভার্টিক্যাল রেট) ছিল প্রতি মিনিটে মাইনাস ২২ হাজার ৪০০ ফুট, যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। এর পরপরই করাচি থেকে প্রায় ২৮৭ কিলোমিটার পশ্চিমে রাডার থেকে বিমানটির সংযোগ সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।
এতে বলা হয়েছে, উড্ডয়নের কিছুক্ষণ পরই বিমানটি ওই অঞ্চলে জিপিএস বা সিগন্যালবিভ্রাটের মুখে পড়েছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে। এর ফলে বিমানটির নেভিগেশন ডেটা দুর্বল হয়ে পড়েছিল। সিগন্যালবিভ্রাট থেকে বের হওয়ার পর কিছুক্ষণ ডেটা পাওয়া গেলেও শেষ পর্যন্ত বিমানটি নিখোঁজ হয়ে যায়। ঘটনার পর উদ্ধার সমন্বয় কেন্দ্রকে দ্রুত সক্রিয় করা হয়েছে। নিখোঁজ বিমানটির সন্ধানে আরব সাগরে বিভিন্ন সংস্থার সমন্বয়ে একটি যৌথ অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযান শুরু হয়েছে। দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ অনুসন্ধানের জন্য ‘ব্যুরো অব এয়ার সেফটি ইনভেস্টিগেশন’-কে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, নিখোঁজ হওয়া এপি-বিওআই নিবন্ধিত বিমানটি ১৯৯৯ সালে তৈরি হয়েছিল। শুরুতে যাত্রীবাহী বিমান হিসেবে ব্যবহৃত হওয়ার পর ২০১২ সালে এটিকে মালবাহী কার্গো বিমানে রূপান্তর করা হয়। চলতি বছরের শুরুর দিকে এটি কে২ এয়ারওয়েজের বহরে যুক্ত হয়েছিল।

আরব সাগরে পাকিস্তানের বিমান নিখোঁজ
সিজেডএন ডেস্ক

সংযুক্ত আরব আমিরাতের শারজাহ থেকে করাচি যাওয়ার পথে আরব সাগরে পাকিস্তানের বেসরকারি বিমান সংস্থা ‘কে২ এয়ারওয়েজ’-এর একটি মালবাহী বোয়িং ৭৩৭-৪০০ উড়োজাহাজ নিখোঁজ হয়েছে ।
বুধবার (৮ জুলাই) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম ডন।
এতে বলা হয়েছে, মঙ্গলবার (৭ জুলাই) রাতে করাচি থেকে প্রায় ৩০০ কিলোমিটার পশ্চিমে আরব সাগরের ওপর আকাশসীমায় থাকাকালীন রাডার থেকে পাইলট নেভিগেশনাল বা পথনির্দেশক সিস্টেমে যান্ত্রিক ত্রুটির কথা জানান এবং এরিয়া কন্ট্রোল সেন্টারের (এসিসি) কাছে জরুরি সহায়তা চেয়ে বার্তা পাঠান।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাত ৯টা ১৮ মিনিটে কার্গো বিমানটি প্রথম সমস্যার সম্মুখীন হয়। এর তিন মিনিট পর রাত ৯টা ২১ মিনিটে রাডারে দেখা যায় বিমানটি অস্বাভাবিকভাবে উচ্চতা হারাচ্ছে এবং আকস্মিক দিক পরিবর্তন করছে। সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী, বিমানটির উচ্চতা ছিল সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে মাত্র ১ হাজার ১০০ ফুট এবং এর নিচে নামার গতি (ভার্টিক্যাল রেট) ছিল প্রতি মিনিটে মাইনাস ২২ হাজার ৪০০ ফুট, যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। এর পরপরই করাচি থেকে প্রায় ২৮৭ কিলোমিটার পশ্চিমে রাডার থেকে বিমানটির সংযোগ সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।
এতে বলা হয়েছে, উড্ডয়নের কিছুক্ষণ পরই বিমানটি ওই অঞ্চলে জিপিএস বা সিগন্যালবিভ্রাটের মুখে পড়েছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে। এর ফলে বিমানটির নেভিগেশন ডেটা দুর্বল হয়ে পড়েছিল। সিগন্যালবিভ্রাট থেকে বের হওয়ার পর কিছুক্ষণ ডেটা পাওয়া গেলেও শেষ পর্যন্ত বিমানটি নিখোঁজ হয়ে যায়। ঘটনার পর উদ্ধার সমন্বয় কেন্দ্রকে দ্রুত সক্রিয় করা হয়েছে। নিখোঁজ বিমানটির সন্ধানে আরব সাগরে বিভিন্ন সংস্থার সমন্বয়ে একটি যৌথ অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযান শুরু হয়েছে। দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ অনুসন্ধানের জন্য ‘ব্যুরো অব এয়ার সেফটি ইনভেস্টিগেশন’-কে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, নিখোঁজ হওয়া এপি-বিওআই নিবন্ধিত বিমানটি ১৯৯৯ সালে তৈরি হয়েছিল। শুরুতে যাত্রীবাহী বিমান হিসেবে ব্যবহৃত হওয়ার পর ২০১২ সালে এটিকে মালবাহী কার্গো বিমানে রূপান্তর করা হয়। চলতি বছরের শুরুর দিকে এটি কে২ এয়ারওয়েজের বহরে যুক্ত হয়েছিল।

পাকিস্তানে বিদ্রোহী গোষ্ঠীর হামলা, ৯ পুলিশ নিহত

