হরমুজ প্রণালিতে ১১৫ দিন আটকা, অবশেষে দেশে ফিরছেন ‘বাংলার জয়যাত্রা’র ১৭ নাবিক

হরমুজ প্রণালিতে ১১৫ দিন আটকা, অবশেষে দেশে ফিরছেন ‘বাংলার জয়যাত্রা’র ১৭ নাবিক
নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রায় চার মাস হরমুজ প্রণালিতে আটকে থাকা বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশনের (বিএসসি) জাহাজ ‘এমভি বাংলার জয়যাত্রা’র ১৭ বাংলাদেশি নাবিক দেশে ফিরেছেন। মঙ্গলবার (২১ জুলাই) বিকাল ৫টা ৪২ মিনিটে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান তারা।
এর আগে, দক্ষিণ আফ্রিকার ডারবান থেকে এমিরেটস এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে দুবাই হয়ে বাংলাদেশের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছিলেন তারা। জাহাজের ১৪ নাবিক আরও কিছুদিন পর মালয়েশিয়া হয়ে দেশে ফিরবেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করে বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কমডোর মাহমুদুল মালেক গণমাধ্যমকে বলেন, ‘সোমবার (২০ জুলাই) রাতে বাংলার জয়যাত্রার ১৭ নাবিক দক্ষিণ আফ্রিকার ডারবান থেকে এমিরেটস এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে রওনা হন। দুবাই হয়ে আজ বিকালে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান। এরপর তারা স্বজনদের সঙ্গে নিজ নিজ বাড়ির উদ্দেশে রওনা হন।’
বিএসসির তথ্য অনুযায়ী, দেশে ফেরা নাবিকদের মধ্যে জাহাজের মাস্টার, চিফ অফিসার, প্রকৌশলী, ক্যাডেট ও রেটিং রয়েছেন। এরই মধ্যে তাদের পরিবর্তে ১৭ জন নতুন নাবিককে ডারবানে পাঠানো হয়েছে। তারা জাহাজে উঠে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন।
এদিকে, জাহাজের বাকি ১৪ নাবিকের দেশে ফেরার বিষয়ে বিএসসির মহাব্যবস্থাপক (শিপ পারসোনেল বিভাগ) ক্যাপ্টেন জিয়াউর রহমান গণমাধ্যমকে বলেন, ‘এমভি বাংলার জয়যাত্রা জাহাজ পরবর্তী পণ্যবোঝাই শেষে আগামী কয়েক দিনের মধ্যে দক্ষিণ আফ্রিকার ডারবান ত্যাগ করবে। জাহাজটির পরবর্তী সম্ভাব্য গন্তব্য মালয়েশিয়া। সেখান থেকে ১৪ জন নাবিক দেশে ফিরবেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘দীর্ঘদিন জাহাজে দায়িত্ব পালন এবং টানা দুর্ভোগে নাবিকদের শারীরিক ও মানসিক অবস্থার কথা বিবেচনা করে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে প্রথমে ১৭ জনকে দেশে ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।’
প্রসঙ্গত, ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার ঘটনায় হরমুজ প্রণালির আশপাশে নিরাপত্তা ঝুঁকি বেড়ে যাওয়ায় বাংলার জয়যাত্রা প্রায় ১১৫ দিন পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে আটকা ছিল। বাংলাদেশের পতাকাবাহী এই বাল্ক ক্যারিয়ারটি শেষ পর্যন্ত ২৩ জুন কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথ অতিক্রম করে সংযুক্ত আরব আমিরাতের ফুজাইরাহ বন্দরে যায়। সেখানে জ্বালানি নেওয়া ও জাহাজের তলদেশ পরিষ্কারের কাজ শেষে এটি ডারবানের উদ্দেশে যাত্রা অব্যাহত রাখে।
২০১৮ সালে নির্মিত জাহাজটির ডেডওয়েট ধারণক্ষমতা ৩৮ হাজার ৮৯৪ টন এবং এতে ৩১ জন বাংলাদেশি নাবিক কর্মরত রয়েছেন।
বিএসসির তথ্য অনুযায়ী, সিঙ্গাপুরভিত্তিক একটি চার্টারের অধীনে জাহাজটি গত ২৬ জানুয়ারি মধ্যপ্রাচ্যের জলসীমায় প্রবেশ করে। প্রথমে কাতারের মেসাইদ বন্দর থেকে ৩৯ হাজার টন স্টিল কয়েল সংযুক্ত আরব আমিরাতের জেবেল আলি বন্দরে পরিবহন করে। পরে সৌদি আরবের রাস আল খায়ের বন্দর থেকে প্রায় ৩৭ হাজার টন সার নিয়ে কেপটাউন ও ডারবানে পৌঁছে দেওয়ার জন্য যাত্রা শুরু করে।
এই পুরো সময় জাহাজটি চার্টারের অধীনেই ছিল এবং চার্টার আয়ে কোনো ক্ষতি হয়নি। তবে আঞ্চলিক উত্তেজনা বেড়ে যাওয়ায় এপ্রিল মাসে হরমুজ প্রণালি অতিক্রমের অনুমতি না পাওয়ায় জাহাজটি সেখানে আটকে পড়ে।
অবশেষে কয়েক মাস অপেক্ষার পর জাহাজটি আবার যাত্রার অনুমতি পায়। এরপর উপসাগরীয় অঞ্চল ছেড়ে নির্ধারিত গন্তব্যের উদ্দেশে যাত্রা করে।

প্রায় চার মাস হরমুজ প্রণালিতে আটকে থাকা বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশনের (বিএসসি) জাহাজ ‘এমভি বাংলার জয়যাত্রা’র ১৭ বাংলাদেশি নাবিক দেশে ফিরেছেন। মঙ্গলবার (২১ জুলাই) বিকাল ৫টা ৪২ মিনিটে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান তারা।
এর আগে, দক্ষিণ আফ্রিকার ডারবান থেকে এমিরেটস এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে দুবাই হয়ে বাংলাদেশের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছিলেন তারা। জাহাজের ১৪ নাবিক আরও কিছুদিন পর মালয়েশিয়া হয়ে দেশে ফিরবেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করে বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কমডোর মাহমুদুল মালেক গণমাধ্যমকে বলেন, ‘সোমবার (২০ জুলাই) রাতে বাংলার জয়যাত্রার ১৭ নাবিক দক্ষিণ আফ্রিকার ডারবান থেকে এমিরেটস এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে রওনা হন। দুবাই হয়ে আজ বিকালে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান। এরপর তারা স্বজনদের সঙ্গে নিজ নিজ বাড়ির উদ্দেশে রওনা হন।’
বিএসসির তথ্য অনুযায়ী, দেশে ফেরা নাবিকদের মধ্যে জাহাজের মাস্টার, চিফ অফিসার, প্রকৌশলী, ক্যাডেট ও রেটিং রয়েছেন। এরই মধ্যে তাদের পরিবর্তে ১৭ জন নতুন নাবিককে ডারবানে পাঠানো হয়েছে। তারা জাহাজে উঠে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন।
এদিকে, জাহাজের বাকি ১৪ নাবিকের দেশে ফেরার বিষয়ে বিএসসির মহাব্যবস্থাপক (শিপ পারসোনেল বিভাগ) ক্যাপ্টেন জিয়াউর রহমান গণমাধ্যমকে বলেন, ‘এমভি বাংলার জয়যাত্রা জাহাজ পরবর্তী পণ্যবোঝাই শেষে আগামী কয়েক দিনের মধ্যে দক্ষিণ আফ্রিকার ডারবান ত্যাগ করবে। জাহাজটির পরবর্তী সম্ভাব্য গন্তব্য মালয়েশিয়া। সেখান থেকে ১৪ জন নাবিক দেশে ফিরবেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘দীর্ঘদিন জাহাজে দায়িত্ব পালন এবং টানা দুর্ভোগে নাবিকদের শারীরিক ও মানসিক অবস্থার কথা বিবেচনা করে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে প্রথমে ১৭ জনকে দেশে ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।’
প্রসঙ্গত, ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার ঘটনায় হরমুজ প্রণালির আশপাশে নিরাপত্তা ঝুঁকি বেড়ে যাওয়ায় বাংলার জয়যাত্রা প্রায় ১১৫ দিন পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে আটকা ছিল। বাংলাদেশের পতাকাবাহী এই বাল্ক ক্যারিয়ারটি শেষ পর্যন্ত ২৩ জুন কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথ অতিক্রম করে সংযুক্ত আরব আমিরাতের ফুজাইরাহ বন্দরে যায়। সেখানে জ্বালানি নেওয়া ও জাহাজের তলদেশ পরিষ্কারের কাজ শেষে এটি ডারবানের উদ্দেশে যাত্রা অব্যাহত রাখে।
২০১৮ সালে নির্মিত জাহাজটির ডেডওয়েট ধারণক্ষমতা ৩৮ হাজার ৮৯৪ টন এবং এতে ৩১ জন বাংলাদেশি নাবিক কর্মরত রয়েছেন।
বিএসসির তথ্য অনুযায়ী, সিঙ্গাপুরভিত্তিক একটি চার্টারের অধীনে জাহাজটি গত ২৬ জানুয়ারি মধ্যপ্রাচ্যের জলসীমায় প্রবেশ করে। প্রথমে কাতারের মেসাইদ বন্দর থেকে ৩৯ হাজার টন স্টিল কয়েল সংযুক্ত আরব আমিরাতের জেবেল আলি বন্দরে পরিবহন করে। পরে সৌদি আরবের রাস আল খায়ের বন্দর থেকে প্রায় ৩৭ হাজার টন সার নিয়ে কেপটাউন ও ডারবানে পৌঁছে দেওয়ার জন্য যাত্রা শুরু করে।
এই পুরো সময় জাহাজটি চার্টারের অধীনেই ছিল এবং চার্টার আয়ে কোনো ক্ষতি হয়নি। তবে আঞ্চলিক উত্তেজনা বেড়ে যাওয়ায় এপ্রিল মাসে হরমুজ প্রণালি অতিক্রমের অনুমতি না পাওয়ায় জাহাজটি সেখানে আটকে পড়ে।
অবশেষে কয়েক মাস অপেক্ষার পর জাহাজটি আবার যাত্রার অনুমতি পায়। এরপর উপসাগরীয় অঞ্চল ছেড়ে নির্ধারিত গন্তব্যের উদ্দেশে যাত্রা করে।

হরমুজ প্রণালিতে ১১৫ দিন আটকা, অবশেষে দেশে ফিরছেন ‘বাংলার জয়যাত্রা’র ১৭ নাবিক
নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রায় চার মাস হরমুজ প্রণালিতে আটকে থাকা বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশনের (বিএসসি) জাহাজ ‘এমভি বাংলার জয়যাত্রা’র ১৭ বাংলাদেশি নাবিক দেশে ফিরেছেন। মঙ্গলবার (২১ জুলাই) বিকাল ৫টা ৪২ মিনিটে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান তারা।
এর আগে, দক্ষিণ আফ্রিকার ডারবান থেকে এমিরেটস এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে দুবাই হয়ে বাংলাদেশের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছিলেন তারা। জাহাজের ১৪ নাবিক আরও কিছুদিন পর মালয়েশিয়া হয়ে দেশে ফিরবেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করে বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কমডোর মাহমুদুল মালেক গণমাধ্যমকে বলেন, ‘সোমবার (২০ জুলাই) রাতে বাংলার জয়যাত্রার ১৭ নাবিক দক্ষিণ আফ্রিকার ডারবান থেকে এমিরেটস এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে রওনা হন। দুবাই হয়ে আজ বিকালে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান। এরপর তারা স্বজনদের সঙ্গে নিজ নিজ বাড়ির উদ্দেশে রওনা হন।’
বিএসসির তথ্য অনুযায়ী, দেশে ফেরা নাবিকদের মধ্যে জাহাজের মাস্টার, চিফ অফিসার, প্রকৌশলী, ক্যাডেট ও রেটিং রয়েছেন। এরই মধ্যে তাদের পরিবর্তে ১৭ জন নতুন নাবিককে ডারবানে পাঠানো হয়েছে। তারা জাহাজে উঠে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন।
এদিকে, জাহাজের বাকি ১৪ নাবিকের দেশে ফেরার বিষয়ে বিএসসির মহাব্যবস্থাপক (শিপ পারসোনেল বিভাগ) ক্যাপ্টেন জিয়াউর রহমান গণমাধ্যমকে বলেন, ‘এমভি বাংলার জয়যাত্রা জাহাজ পরবর্তী পণ্যবোঝাই শেষে আগামী কয়েক দিনের মধ্যে দক্ষিণ আফ্রিকার ডারবান ত্যাগ করবে। জাহাজটির পরবর্তী সম্ভাব্য গন্তব্য মালয়েশিয়া। সেখান থেকে ১৪ জন নাবিক দেশে ফিরবেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘দীর্ঘদিন জাহাজে দায়িত্ব পালন এবং টানা দুর্ভোগে নাবিকদের শারীরিক ও মানসিক অবস্থার কথা বিবেচনা করে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে প্রথমে ১৭ জনকে দেশে ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।’
প্রসঙ্গত, ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার ঘটনায় হরমুজ প্রণালির আশপাশে নিরাপত্তা ঝুঁকি বেড়ে যাওয়ায় বাংলার জয়যাত্রা প্রায় ১১৫ দিন পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে আটকা ছিল। বাংলাদেশের পতাকাবাহী এই বাল্ক ক্যারিয়ারটি শেষ পর্যন্ত ২৩ জুন কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথ অতিক্রম করে সংযুক্ত আরব আমিরাতের ফুজাইরাহ বন্দরে যায়। সেখানে জ্বালানি নেওয়া ও জাহাজের তলদেশ পরিষ্কারের কাজ শেষে এটি ডারবানের উদ্দেশে যাত্রা অব্যাহত রাখে।
২০১৮ সালে নির্মিত জাহাজটির ডেডওয়েট ধারণক্ষমতা ৩৮ হাজার ৮৯৪ টন এবং এতে ৩১ জন বাংলাদেশি নাবিক কর্মরত রয়েছেন।
বিএসসির তথ্য অনুযায়ী, সিঙ্গাপুরভিত্তিক একটি চার্টারের অধীনে জাহাজটি গত ২৬ জানুয়ারি মধ্যপ্রাচ্যের জলসীমায় প্রবেশ করে। প্রথমে কাতারের মেসাইদ বন্দর থেকে ৩৯ হাজার টন স্টিল কয়েল সংযুক্ত আরব আমিরাতের জেবেল আলি বন্দরে পরিবহন করে। পরে সৌদি আরবের রাস আল খায়ের বন্দর থেকে প্রায় ৩৭ হাজার টন সার নিয়ে কেপটাউন ও ডারবানে পৌঁছে দেওয়ার জন্য যাত্রা শুরু করে।
এই পুরো সময় জাহাজটি চার্টারের অধীনেই ছিল এবং চার্টার আয়ে কোনো ক্ষতি হয়নি। তবে আঞ্চলিক উত্তেজনা বেড়ে যাওয়ায় এপ্রিল মাসে হরমুজ প্রণালি অতিক্রমের অনুমতি না পাওয়ায় জাহাজটি সেখানে আটকে পড়ে।
অবশেষে কয়েক মাস অপেক্ষার পর জাহাজটি আবার যাত্রার অনুমতি পায়। এরপর উপসাগরীয় অঞ্চল ছেড়ে নির্ধারিত গন্তব্যের উদ্দেশে যাত্রা করে।

অবশেষে হরমুজ পাড়ি দিলো ‘বাংলার জয়যাত্রা’






