শিরোনাম

লোহিত সাগর বন্ধের হুঁশিয়ারি ইরানের

সিটিজেন ডেস্ক
লোহিত সাগর বন্ধের হুঁশিয়ারি ইরানের
ছবি: সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের সঙ্গে সংঘাতের জেরে হরমুজ প্রণালিতে যান চলাচলে নিয়ন্ত্রণের পর এবার লোহিত সাগর বন্ধ করে দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরানের সামরিক বাহিনী (আইআরজিসি)।

বুধবার (১৫ এপ্রিল) ইরানের রাষ্ট্রায়ত্ত টেলিভিশনে প্রচারিত এক বিবৃতিতে নতুন করে এ হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান।

বিবৃতিতে ইরানের সামরিক বাহিনীর কেন্দ্রীয় কমান্ড সেন্টারের প্রধান আলী আবদুল্লাহি বলেন, যদি যুক্তরাষ্ট্র অবরোধ অব্যাহত রাখে এবং ইরানের বাণিজ্যিক জাহাজ ও তেলবাহী ট্যাংকারের জন্য নিরাপত্তাহীনতা সৃষ্টি করে, তাহলে তা হবে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের একটি পূর্বসূচনা।

তিনি বলেন,পারস্য উপসাগর, ওমান সাগর এবং লোহিত সাগরে কোনও ধরনের আমদানি কিংবা রপ্তানি কার্যক্রম চলতে দেবে না ইরানের সামরিক বাহিনী (আইআরজিসি ।

সোমবার (১৩ এপ্রিল) থেকে হরমুজ প্রণালি ঘিরে ইরানের বন্দরগুলোতে যাতায়াত করা জাহাজের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধ কার্যকরের ঘটনায় এই হুমকি দিয়েছে ইরানের সামরিক বাহিনী।

ইউএস সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালি থেকে ইরানের কোনও বন্দরে যাওয়া-আসা করছে না এমন জাহাজের পথ আটকাবে না মার্কিন বাহিনী।

এদিকে, ইরানে হামলায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে সহযোগিতা করায় মধ্যপ্রাচ্যে ৫ উপসাগরীয় দেশের কাছে ক্ষতিপূরণ চেয়েছে তেহরান। দেশগুলো হলো- সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, কাতার এবং জর্ডান।

সোমবার (১৩ এপ্রিল) জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস এবং নিরাপত্তা পরিষদের সভাপতি জামাল ফারেস আলরোয়াইয়িকে লেখা এক চিঠিতে এই ক্ষতিপূরণ দাবি করেন জাতিসংঘে ইরানের রাষ্ট্রদূত আমির সাঈদ ইরাভানি।

চিঠিতে তিনি দাবি করেছেন, ঐ রাষ্ট্রগুলো ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন-ইসরায়েলি হামলায় সহায়তা করার মাধ্যমে ‘তাদের আন্তর্জাতিক বাধ্যবাধকতা লঙ্ঘন করেছে’।

‘তাই যুদ্ধে ক্ষয়ক্ষতির দায় তাদের ওপরও বর্তায়। এ কারণে ইরানের সরকার এই ৫ রাষ্ট্রের কাছ থেকে ক্ষতিপূরণ চাইছে,’ বলেন তিনি।

তবে জাতিসংঘ মহসচিব এবং নিরাপত্তা পরিষদের প্রেসিডেন্টের দপ্তর থেকে এখন পর্যন্ত চিঠির জবাব দেওয়া হয়নি।

/এসবি/