অরুণাচলকে নিজেদের ‘অবিচ্ছেদ্য’ অংশ দাবি চীনের

অরুণাচলকে নিজেদের ‘অবিচ্ছেদ্য’ অংশ দাবি চীনের
সিটিজেন ডেস্ক

দীর্ঘদিন ধরেই ভারতের অরুণাচল প্রদেশকে নিজেদের বলে দাবি করে আসছে চীন। আবারও উত্তর-পূর্ব ভারতের এই রাজ্যকে নিজেদের ভূখণ্ড দাবি করে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে চীন।
প্রদেশটিকে চীন জাংনান বলে অভিহিত করে থাকে। অরুণাচলের ৩০টি স্থানের নাম পরিবর্তনের পর মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) কড়া বিবৃতি দিয়েছে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। দেশটি জানিয়েছে, তারা কখনোই ভারতের ‘অবৈধভাবে’ স্থাপিত অরুণাচল প্রদেশকে স্বীকৃতি দেয়নি। বেইজিংয়ের এই পদক্ষেপের ফলে পরমাণু শক্তিধর দুই প্রতিবেশীর মধ্যে নতুন করে কূটনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।
গতকাল এক সংবাদ সম্মেলনে চীনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গুও জিয়াকুন বলেন, ‘জাংনান (অরুণাচল) চীনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। ভারত সেখানে অবৈধভাবে অরুণাচল প্রদেশ গঠন করেছে। চীন এটা কখনোই মেনে নেয়নি।’
তিনি বলেন, ওই অঞ্চলের বিভিন্ন স্থানের নাম ‘মানসম্মত’ করা চীনের সার্বভৌমত্বের অধিকার। ১০ এপ্রিল চীন অরুণাচলের ৩০টি স্থানের নামের ষষ্ঠ তালিকা প্রকাশ করার পর এই মন্তব্য এল।
নাম পরিবর্তনের পরপরই ভারত এ বিষয়ে কড়া প্রতিক্রিয়া জানায়। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বলা হয়, কাল্পনিক নাম দিলেই কোনো অঞ্চল অন্য দেশের হয়ে যায় না। অরুণাচল প্রদেশ ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ ছিল, আছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে বলে জানায় ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। নয়াদিল্লি আরও জানিয়েছে, চীনের এই ধরনের একতরফা পদক্ষেপ দুই দেশের মধ্যকার দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক স্থিতিশীল করার প্রচেষ্টাকে চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করছে।
২০২০ সালে গালওয়ান উপত্যকায় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে জড়ায় ভারত ও চীনের সেনারা। এতে দুই দেশের শতাধিক সেনা নিহত হয় বলে দাবি করা হয়। রক্তক্ষয়ী ওই সংঘর্ষের পর থেকে ভারত ও চীনের সম্পর্কের অবনতি হতে শুরু করে। অরুণাচল নিয়ে চীনের এই নতুন দাবি সেই তিক্ততাকে আরও উস্কে দিচ্ছে।
লাদাখের পর অরুণাচল সীমান্তে চাপ সৃষ্টি করে নয়াদিল্লিকে চীন কৌশলী বার্তা দিতে চাচ্ছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
তবে নয়াদিল্লি চীন সীমান্ত এলাকায় অবকাঠামো উন্নয়ন এবং সামরিক নজরদারি বাড়িয়েছে। অন্যদিকে চীনও আন্তর্জাতিক মঞ্চে অরুণাচলকে বিতর্কিত অঞ্চল হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
দুই দেশের এই অবস্থান দক্ষিণ এশিয়ার ভূরাজনৈতিক স্থিতিশীলতাকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলতে পারে।
সূত্র: গ্লোবাল টাইমস

দীর্ঘদিন ধরেই ভারতের অরুণাচল প্রদেশকে নিজেদের বলে দাবি করে আসছে চীন। আবারও উত্তর-পূর্ব ভারতের এই রাজ্যকে নিজেদের ভূখণ্ড দাবি করে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে চীন।
প্রদেশটিকে চীন জাংনান বলে অভিহিত করে থাকে। অরুণাচলের ৩০টি স্থানের নাম পরিবর্তনের পর মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) কড়া বিবৃতি দিয়েছে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। দেশটি জানিয়েছে, তারা কখনোই ভারতের ‘অবৈধভাবে’ স্থাপিত অরুণাচল প্রদেশকে স্বীকৃতি দেয়নি। বেইজিংয়ের এই পদক্ষেপের ফলে পরমাণু শক্তিধর দুই প্রতিবেশীর মধ্যে নতুন করে কূটনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।
গতকাল এক সংবাদ সম্মেলনে চীনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গুও জিয়াকুন বলেন, ‘জাংনান (অরুণাচল) চীনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। ভারত সেখানে অবৈধভাবে অরুণাচল প্রদেশ গঠন করেছে। চীন এটা কখনোই মেনে নেয়নি।’
তিনি বলেন, ওই অঞ্চলের বিভিন্ন স্থানের নাম ‘মানসম্মত’ করা চীনের সার্বভৌমত্বের অধিকার। ১০ এপ্রিল চীন অরুণাচলের ৩০টি স্থানের নামের ষষ্ঠ তালিকা প্রকাশ করার পর এই মন্তব্য এল।
নাম পরিবর্তনের পরপরই ভারত এ বিষয়ে কড়া প্রতিক্রিয়া জানায়। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বলা হয়, কাল্পনিক নাম দিলেই কোনো অঞ্চল অন্য দেশের হয়ে যায় না। অরুণাচল প্রদেশ ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ ছিল, আছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে বলে জানায় ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। নয়াদিল্লি আরও জানিয়েছে, চীনের এই ধরনের একতরফা পদক্ষেপ দুই দেশের মধ্যকার দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক স্থিতিশীল করার প্রচেষ্টাকে চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করছে।
২০২০ সালে গালওয়ান উপত্যকায় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে জড়ায় ভারত ও চীনের সেনারা। এতে দুই দেশের শতাধিক সেনা নিহত হয় বলে দাবি করা হয়। রক্তক্ষয়ী ওই সংঘর্ষের পর থেকে ভারত ও চীনের সম্পর্কের অবনতি হতে শুরু করে। অরুণাচল নিয়ে চীনের এই নতুন দাবি সেই তিক্ততাকে আরও উস্কে দিচ্ছে।
লাদাখের পর অরুণাচল সীমান্তে চাপ সৃষ্টি করে নয়াদিল্লিকে চীন কৌশলী বার্তা দিতে চাচ্ছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
তবে নয়াদিল্লি চীন সীমান্ত এলাকায় অবকাঠামো উন্নয়ন এবং সামরিক নজরদারি বাড়িয়েছে। অন্যদিকে চীনও আন্তর্জাতিক মঞ্চে অরুণাচলকে বিতর্কিত অঞ্চল হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
দুই দেশের এই অবস্থান দক্ষিণ এশিয়ার ভূরাজনৈতিক স্থিতিশীলতাকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলতে পারে।
সূত্র: গ্লোবাল টাইমস

অরুণাচলকে নিজেদের ‘অবিচ্ছেদ্য’ অংশ দাবি চীনের
সিটিজেন ডেস্ক

দীর্ঘদিন ধরেই ভারতের অরুণাচল প্রদেশকে নিজেদের বলে দাবি করে আসছে চীন। আবারও উত্তর-পূর্ব ভারতের এই রাজ্যকে নিজেদের ভূখণ্ড দাবি করে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে চীন।
প্রদেশটিকে চীন জাংনান বলে অভিহিত করে থাকে। অরুণাচলের ৩০টি স্থানের নাম পরিবর্তনের পর মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) কড়া বিবৃতি দিয়েছে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। দেশটি জানিয়েছে, তারা কখনোই ভারতের ‘অবৈধভাবে’ স্থাপিত অরুণাচল প্রদেশকে স্বীকৃতি দেয়নি। বেইজিংয়ের এই পদক্ষেপের ফলে পরমাণু শক্তিধর দুই প্রতিবেশীর মধ্যে নতুন করে কূটনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।
গতকাল এক সংবাদ সম্মেলনে চীনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গুও জিয়াকুন বলেন, ‘জাংনান (অরুণাচল) চীনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। ভারত সেখানে অবৈধভাবে অরুণাচল প্রদেশ গঠন করেছে। চীন এটা কখনোই মেনে নেয়নি।’
তিনি বলেন, ওই অঞ্চলের বিভিন্ন স্থানের নাম ‘মানসম্মত’ করা চীনের সার্বভৌমত্বের অধিকার। ১০ এপ্রিল চীন অরুণাচলের ৩০টি স্থানের নামের ষষ্ঠ তালিকা প্রকাশ করার পর এই মন্তব্য এল।
নাম পরিবর্তনের পরপরই ভারত এ বিষয়ে কড়া প্রতিক্রিয়া জানায়। দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বলা হয়, কাল্পনিক নাম দিলেই কোনো অঞ্চল অন্য দেশের হয়ে যায় না। অরুণাচল প্রদেশ ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ ছিল, আছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে বলে জানায় ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। নয়াদিল্লি আরও জানিয়েছে, চীনের এই ধরনের একতরফা পদক্ষেপ দুই দেশের মধ্যকার দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক স্থিতিশীল করার প্রচেষ্টাকে চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করছে।
২০২০ সালে গালওয়ান উপত্যকায় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে জড়ায় ভারত ও চীনের সেনারা। এতে দুই দেশের শতাধিক সেনা নিহত হয় বলে দাবি করা হয়। রক্তক্ষয়ী ওই সংঘর্ষের পর থেকে ভারত ও চীনের সম্পর্কের অবনতি হতে শুরু করে। অরুণাচল নিয়ে চীনের এই নতুন দাবি সেই তিক্ততাকে আরও উস্কে দিচ্ছে।
লাদাখের পর অরুণাচল সীমান্তে চাপ সৃষ্টি করে নয়াদিল্লিকে চীন কৌশলী বার্তা দিতে চাচ্ছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
তবে নয়াদিল্লি চীন সীমান্ত এলাকায় অবকাঠামো উন্নয়ন এবং সামরিক নজরদারি বাড়িয়েছে। অন্যদিকে চীনও আন্তর্জাতিক মঞ্চে অরুণাচলকে বিতর্কিত অঞ্চল হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।
দুই দেশের এই অবস্থান দক্ষিণ এশিয়ার ভূরাজনৈতিক স্থিতিশীলতাকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলতে পারে।
সূত্র: গ্লোবাল টাইমস




