সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম হস্তান্তরে সম্মত ইরান: মার্কিন কর্মকর্তা

সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম হস্তান্তরে সম্মত ইরান: মার্কিন কর্মকর্তা
সিটিজেন ডেস্ক

চলমান সংকট নিরসনে নিজেদের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম স্থানান্তরের একটি প্রস্তাবে নীতিগতভাবে সম্মতি জানিয়েছে ইরান। মার্কিন প্রশাসনের পক্ষ থেকে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে বলে সিবিএস নিউজের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসন চলমান এ আলোচনা নিয়ে ইতিবাচক মনোভাব প্রকাশ করলেও চূড়ান্ত চুক্তি সম্পন্ন হতে আরও কয়েক দিন সময় লাগতে পারে।
হোয়াইট হাউজের একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র জানিয়েছে, প্রস্তাবিত এ সমঝোতার আওতায় ইরান তাদের উচ্চ-সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম হস্তান্তর করলে বিনিময়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তাদের ওপর আরোপিত বন্দর অবরোধ তুলে নিতে পারে। এর ফলে দীর্ঘদিনের কৌশলগত ও বাণিজ্যিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ ‘হরমুজ প্রণালি’ আবার উন্মুক্ত করে দেবে তেহরান। সিবিএস নিউজের প্রতিবেদন অনুযায়ী, পারমাণবিক সমৃদ্ধকরণ কার্যক্রম কমিয়ে আনার শর্তে ইরানকে বেশ কিছু অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক নিষেধাজ্ঞা থেকে রেহাই দেওয়ার বিষয়েও দুই পক্ষের মধ্যে নিবিড় আলোচনা চলছে।
তবে আলোচনার এই ইতিবাচক অগ্রগতি সত্ত্বেও চুক্তিটি এখনও পুরোপুরি নিশ্চিত নয় বলে জানিয়েছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) সংশ্লিষ্ট আধাসামরিক সংবাদ সংস্থা ‘তাসনিম নিউজ এজেন্সি’। তেহরানের দাবি, যুক্তরাষ্ট্র এখনও ইরানের অবরুদ্ধ করে রাখা সম্পদ ছাড় দেওয়ার বিষয়টিসহ চুক্তির বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ধারা আটকে রেখেছে। তাসনিম নিউজ এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, জনগণের অধিকার আদায়ে ইরান তার ‘রেড লাইন’ বা চূড়ান্ত সীমার প্রশ্নে কোনো ধরনের আপস করবে না। এর আগে অবশ্য রবিবার (২৪ মে) রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে ইরান পরমাণু বিষয়ে কোনো পদক্ষেপ বা ইউরেনিয়াম হস্তান্তরের বিষয়টি অস্বীকার করেছিল। পরে হোয়াইট হাউজের কর্মকর্তারা নিশ্চিত করেন, দলিলের মূল নীতিগুলোর ওপর উভয় পক্ষের মধ্যে একটি ব্যাপক প্রতিশ্রুতি তৈরি হয়েছে। ‘ইসলামাবাদ ঘোষণা’ নামে অভিহিত এ সমঝোতা স্মারকে প্রাথমিকভাবে ৬০ দিনের একটি মেয়াদ বাড়ানোর কথা বলা হয়েছে, যা পরবর্তীতে আলোচনার মাধ্যমে আরও দীর্ঘায়িত হতে পারে।
এদিকে চুক্তি চূড়ান্ত করার ক্ষেত্রে কোনো ধরনের তাড়াহুড়ো করতে রাজি নন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। নিজের সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক বার্তায় ট্রাম্প বলেন, আলোচনা অত্যন্ত সুশৃঙ্খল ও গঠনমূলকভাবে এগিয়ে চলছে। ট্রাম্প বলেন, যতক্ষণ না একটি চুক্তি সম্পূর্ণ, প্রত্যয়িত এবং স্বাক্ষরিত হচ্ছে, ততক্ষণ ইরানের ওপর অবরোধ পূর্ণ শক্তিতে জারি থাকবে। মার্কিন প্রশাসনের ধারণা, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনির চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য চুক্তিটি সম্পন্ন হতে আরও বেশ কিছুদিন সময় লাগবে। ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল কাউন্সিল প্রস্তাবটি অনুমোদন করলে তা চূড়ান্ত স্বাক্ষরের জন্য সর্বোচ্চ নেতার কাছে পাঠানো হবে।
সূত্র: দ্য জেরুজালেম পোস্ট

চলমান সংকট নিরসনে নিজেদের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম স্থানান্তরের একটি প্রস্তাবে নীতিগতভাবে সম্মতি জানিয়েছে ইরান। মার্কিন প্রশাসনের পক্ষ থেকে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে বলে সিবিএস নিউজের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসন চলমান এ আলোচনা নিয়ে ইতিবাচক মনোভাব প্রকাশ করলেও চূড়ান্ত চুক্তি সম্পন্ন হতে আরও কয়েক দিন সময় লাগতে পারে।
হোয়াইট হাউজের একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র জানিয়েছে, প্রস্তাবিত এ সমঝোতার আওতায় ইরান তাদের উচ্চ-সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম হস্তান্তর করলে বিনিময়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তাদের ওপর আরোপিত বন্দর অবরোধ তুলে নিতে পারে। এর ফলে দীর্ঘদিনের কৌশলগত ও বাণিজ্যিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ ‘হরমুজ প্রণালি’ আবার উন্মুক্ত করে দেবে তেহরান। সিবিএস নিউজের প্রতিবেদন অনুযায়ী, পারমাণবিক সমৃদ্ধকরণ কার্যক্রম কমিয়ে আনার শর্তে ইরানকে বেশ কিছু অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক নিষেধাজ্ঞা থেকে রেহাই দেওয়ার বিষয়েও দুই পক্ষের মধ্যে নিবিড় আলোচনা চলছে।
তবে আলোচনার এই ইতিবাচক অগ্রগতি সত্ত্বেও চুক্তিটি এখনও পুরোপুরি নিশ্চিত নয় বলে জানিয়েছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) সংশ্লিষ্ট আধাসামরিক সংবাদ সংস্থা ‘তাসনিম নিউজ এজেন্সি’। তেহরানের দাবি, যুক্তরাষ্ট্র এখনও ইরানের অবরুদ্ধ করে রাখা সম্পদ ছাড় দেওয়ার বিষয়টিসহ চুক্তির বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ধারা আটকে রেখেছে। তাসনিম নিউজ এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, জনগণের অধিকার আদায়ে ইরান তার ‘রেড লাইন’ বা চূড়ান্ত সীমার প্রশ্নে কোনো ধরনের আপস করবে না। এর আগে অবশ্য রবিবার (২৪ মে) রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে ইরান পরমাণু বিষয়ে কোনো পদক্ষেপ বা ইউরেনিয়াম হস্তান্তরের বিষয়টি অস্বীকার করেছিল। পরে হোয়াইট হাউজের কর্মকর্তারা নিশ্চিত করেন, দলিলের মূল নীতিগুলোর ওপর উভয় পক্ষের মধ্যে একটি ব্যাপক প্রতিশ্রুতি তৈরি হয়েছে। ‘ইসলামাবাদ ঘোষণা’ নামে অভিহিত এ সমঝোতা স্মারকে প্রাথমিকভাবে ৬০ দিনের একটি মেয়াদ বাড়ানোর কথা বলা হয়েছে, যা পরবর্তীতে আলোচনার মাধ্যমে আরও দীর্ঘায়িত হতে পারে।
এদিকে চুক্তি চূড়ান্ত করার ক্ষেত্রে কোনো ধরনের তাড়াহুড়ো করতে রাজি নন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। নিজের সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক বার্তায় ট্রাম্প বলেন, আলোচনা অত্যন্ত সুশৃঙ্খল ও গঠনমূলকভাবে এগিয়ে চলছে। ট্রাম্প বলেন, যতক্ষণ না একটি চুক্তি সম্পূর্ণ, প্রত্যয়িত এবং স্বাক্ষরিত হচ্ছে, ততক্ষণ ইরানের ওপর অবরোধ পূর্ণ শক্তিতে জারি থাকবে। মার্কিন প্রশাসনের ধারণা, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনির চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য চুক্তিটি সম্পন্ন হতে আরও বেশ কিছুদিন সময় লাগবে। ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল কাউন্সিল প্রস্তাবটি অনুমোদন করলে তা চূড়ান্ত স্বাক্ষরের জন্য সর্বোচ্চ নেতার কাছে পাঠানো হবে।
সূত্র: দ্য জেরুজালেম পোস্ট

সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম হস্তান্তরে সম্মত ইরান: মার্কিন কর্মকর্তা
সিটিজেন ডেস্ক

চলমান সংকট নিরসনে নিজেদের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম স্থানান্তরের একটি প্রস্তাবে নীতিগতভাবে সম্মতি জানিয়েছে ইরান। মার্কিন প্রশাসনের পক্ষ থেকে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে বলে সিবিএস নিউজের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসন চলমান এ আলোচনা নিয়ে ইতিবাচক মনোভাব প্রকাশ করলেও চূড়ান্ত চুক্তি সম্পন্ন হতে আরও কয়েক দিন সময় লাগতে পারে।
হোয়াইট হাউজের একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র জানিয়েছে, প্রস্তাবিত এ সমঝোতার আওতায় ইরান তাদের উচ্চ-সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম হস্তান্তর করলে বিনিময়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তাদের ওপর আরোপিত বন্দর অবরোধ তুলে নিতে পারে। এর ফলে দীর্ঘদিনের কৌশলগত ও বাণিজ্যিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ ‘হরমুজ প্রণালি’ আবার উন্মুক্ত করে দেবে তেহরান। সিবিএস নিউজের প্রতিবেদন অনুযায়ী, পারমাণবিক সমৃদ্ধকরণ কার্যক্রম কমিয়ে আনার শর্তে ইরানকে বেশ কিছু অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক নিষেধাজ্ঞা থেকে রেহাই দেওয়ার বিষয়েও দুই পক্ষের মধ্যে নিবিড় আলোচনা চলছে।
তবে আলোচনার এই ইতিবাচক অগ্রগতি সত্ত্বেও চুক্তিটি এখনও পুরোপুরি নিশ্চিত নয় বলে জানিয়েছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) সংশ্লিষ্ট আধাসামরিক সংবাদ সংস্থা ‘তাসনিম নিউজ এজেন্সি’। তেহরানের দাবি, যুক্তরাষ্ট্র এখনও ইরানের অবরুদ্ধ করে রাখা সম্পদ ছাড় দেওয়ার বিষয়টিসহ চুক্তির বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ধারা আটকে রেখেছে। তাসনিম নিউজ এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, জনগণের অধিকার আদায়ে ইরান তার ‘রেড লাইন’ বা চূড়ান্ত সীমার প্রশ্নে কোনো ধরনের আপস করবে না। এর আগে অবশ্য রবিবার (২৪ মে) রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে ইরান পরমাণু বিষয়ে কোনো পদক্ষেপ বা ইউরেনিয়াম হস্তান্তরের বিষয়টি অস্বীকার করেছিল। পরে হোয়াইট হাউজের কর্মকর্তারা নিশ্চিত করেন, দলিলের মূল নীতিগুলোর ওপর উভয় পক্ষের মধ্যে একটি ব্যাপক প্রতিশ্রুতি তৈরি হয়েছে। ‘ইসলামাবাদ ঘোষণা’ নামে অভিহিত এ সমঝোতা স্মারকে প্রাথমিকভাবে ৬০ দিনের একটি মেয়াদ বাড়ানোর কথা বলা হয়েছে, যা পরবর্তীতে আলোচনার মাধ্যমে আরও দীর্ঘায়িত হতে পারে।
এদিকে চুক্তি চূড়ান্ত করার ক্ষেত্রে কোনো ধরনের তাড়াহুড়ো করতে রাজি নন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। নিজের সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক বার্তায় ট্রাম্প বলেন, আলোচনা অত্যন্ত সুশৃঙ্খল ও গঠনমূলকভাবে এগিয়ে চলছে। ট্রাম্প বলেন, যতক্ষণ না একটি চুক্তি সম্পূর্ণ, প্রত্যয়িত এবং স্বাক্ষরিত হচ্ছে, ততক্ষণ ইরানের ওপর অবরোধ পূর্ণ শক্তিতে জারি থাকবে। মার্কিন প্রশাসনের ধারণা, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনির চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য চুক্তিটি সম্পন্ন হতে আরও বেশ কিছুদিন সময় লাগবে। ইরানের সুপ্রিম ন্যাশনাল কাউন্সিল প্রস্তাবটি অনুমোদন করলে তা চূড়ান্ত স্বাক্ষরের জন্য সর্বোচ্চ নেতার কাছে পাঠানো হবে।
সূত্র: দ্য জেরুজালেম পোস্ট

যুক্তরাষ্ট্রকে চাপে ফেলতে সময়ক্ষেপণ করছে ইরান: বিশ্লেষক


