যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়লেও বিশ্ববাজারে তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী
সিটিজেন ডেস্ক

যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়লেও বিশ্ববাজারে তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ২২ এপ্রিল ২০২৬, ১৪: ০৯

প্রতীকী ছবি। সংগৃহীত
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের চলমান যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানোর আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিলেও তার ইতিবাচক প্রভাব পড়েনি বিশ্ব অর্থনীতিতে। বরং আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম কমার পরিবর্তে উল্টো বৃদ্ধি পেয়েছে। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের শেয়ারবাজারেও বড় ধরনের অস্থিরতা ও পতন লক্ষ্য করা গেছে।
বার্তা সংস্থা এপির প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, পাকিস্তানের বিশেষ অনুরোধে সাড়া দিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের সঙ্গে আলোচনা শেষ না হওয়া পর্যন্ত যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বৃদ্ধি করেছে। তবে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প স্পষ্ট করেছেন, যুদ্ধবিরতি চললেও ইরানের বন্দরগুলোর ওপর আরোপিত কঠোর অবরোধ আগের মতোই অব্যাহত থাকবে। মূলত এ অবরোধ বজায় রাখার ঘোষণার কারণেই বিনিয়োগকারী ও বাজার বিশ্লেষকদের মধ্যে উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে।
যুদ্ধবিরতির এ ঘোষণা সত্ত্বেও আন্তর্জাতিক জ্বালানি তেলের বাজারে অস্থিরতা প্রকট হয়ে উঠেছে। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) দিনের শুরুতে ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম প্রতি ব্যারেল ৯৫ ডলারের নিচে থাকলেও সময়ের সাথে সাথে তা বাড়তে থাকে এবং এক পর্যায়ে ১০০ ডলারের কাছাকাছি পৌঁছে যায়। দিনশেষে প্রতি ব্যারেল ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ৯৮ দশমিক ৪৮ ডলারে গিয়ে ঠেকেছে, যা আগের দিনের তুলনায় ৩ দশমিক ১ শতাংশ বেশি।
জ্বালানি তেলের এ ঊর্ধ্বগতির সমান্তরালে যুক্তরাষ্ট্রের শেয়ারবাজারেও বড় ধরনের ধস দেখা গেছে। মঙ্গলবার লেনদেন শেষে এসঅ্যান্ডপি ৫০০ সূচক শূন্য দশমিক ৬ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। এছাড়া ডাও জোন্স ইন্ডাস্ট্রিয়াল অ্যাভারেজ সূচক প্রায় ২৯৩ পয়েন্ট কমেছে। পিছিয়ে নেই প্রযুক্তি খাতের বাজারও। নাসডাক কম্পোজিট সূচকও একই হারে পতন নিয়ে দিন শেষ করেছে। বিশ্লেষকদের মতে, যুদ্ধবিরতি বাড়লেও অবরোধ তুলে না নেওয়ার সিদ্ধান্তে মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘমেয়াদী স্থিতিশীলতা নিয়ে সংশয় কাটেনি, যার প্রতিফলন ঘটেছে বিশ্ববাজারে।
সূত্র: এপি

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের চলমান যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানোর আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিলেও তার ইতিবাচক প্রভাব পড়েনি বিশ্ব অর্থনীতিতে। বরং আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম কমার পরিবর্তে উল্টো বৃদ্ধি পেয়েছে। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের শেয়ারবাজারেও বড় ধরনের অস্থিরতা ও পতন লক্ষ্য করা গেছে।
বার্তা সংস্থা এপির প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, পাকিস্তানের বিশেষ অনুরোধে সাড়া দিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের সঙ্গে আলোচনা শেষ না হওয়া পর্যন্ত যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বৃদ্ধি করেছে। তবে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প স্পষ্ট করেছেন, যুদ্ধবিরতি চললেও ইরানের বন্দরগুলোর ওপর আরোপিত কঠোর অবরোধ আগের মতোই অব্যাহত থাকবে। মূলত এ অবরোধ বজায় রাখার ঘোষণার কারণেই বিনিয়োগকারী ও বাজার বিশ্লেষকদের মধ্যে উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে।
যুদ্ধবিরতির এ ঘোষণা সত্ত্বেও আন্তর্জাতিক জ্বালানি তেলের বাজারে অস্থিরতা প্রকট হয়ে উঠেছে। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) দিনের শুরুতে ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম প্রতি ব্যারেল ৯৫ ডলারের নিচে থাকলেও সময়ের সাথে সাথে তা বাড়তে থাকে এবং এক পর্যায়ে ১০০ ডলারের কাছাকাছি পৌঁছে যায়। দিনশেষে প্রতি ব্যারেল ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ৯৮ দশমিক ৪৮ ডলারে গিয়ে ঠেকেছে, যা আগের দিনের তুলনায় ৩ দশমিক ১ শতাংশ বেশি।
জ্বালানি তেলের এ ঊর্ধ্বগতির সমান্তরালে যুক্তরাষ্ট্রের শেয়ারবাজারেও বড় ধরনের ধস দেখা গেছে। মঙ্গলবার লেনদেন শেষে এসঅ্যান্ডপি ৫০০ সূচক শূন্য দশমিক ৬ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। এছাড়া ডাও জোন্স ইন্ডাস্ট্রিয়াল অ্যাভারেজ সূচক প্রায় ২৯৩ পয়েন্ট কমেছে। পিছিয়ে নেই প্রযুক্তি খাতের বাজারও। নাসডাক কম্পোজিট সূচকও একই হারে পতন নিয়ে দিন শেষ করেছে। বিশ্লেষকদের মতে, যুদ্ধবিরতি বাড়লেও অবরোধ তুলে না নেওয়ার সিদ্ধান্তে মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘমেয়াদী স্থিতিশীলতা নিয়ে সংশয় কাটেনি, যার প্রতিফলন ঘটেছে বিশ্ববাজারে।
সূত্র: এপি

যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়লেও বিশ্ববাজারে তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ২২ এপ্রিল ২০২৬, ১৪: ০৯

প্রতীকী ছবি। সংগৃহীত
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের চলমান যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানোর আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিলেও তার ইতিবাচক প্রভাব পড়েনি বিশ্ব অর্থনীতিতে। বরং আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম কমার পরিবর্তে উল্টো বৃদ্ধি পেয়েছে। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের শেয়ারবাজারেও বড় ধরনের অস্থিরতা ও পতন লক্ষ্য করা গেছে।
বার্তা সংস্থা এপির প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, পাকিস্তানের বিশেষ অনুরোধে সাড়া দিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের সঙ্গে আলোচনা শেষ না হওয়া পর্যন্ত যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বৃদ্ধি করেছে। তবে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প স্পষ্ট করেছেন, যুদ্ধবিরতি চললেও ইরানের বন্দরগুলোর ওপর আরোপিত কঠোর অবরোধ আগের মতোই অব্যাহত থাকবে। মূলত এ অবরোধ বজায় রাখার ঘোষণার কারণেই বিনিয়োগকারী ও বাজার বিশ্লেষকদের মধ্যে উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে।
যুদ্ধবিরতির এ ঘোষণা সত্ত্বেও আন্তর্জাতিক জ্বালানি তেলের বাজারে অস্থিরতা প্রকট হয়ে উঠেছে। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) দিনের শুরুতে ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম প্রতি ব্যারেল ৯৫ ডলারের নিচে থাকলেও সময়ের সাথে সাথে তা বাড়তে থাকে এবং এক পর্যায়ে ১০০ ডলারের কাছাকাছি পৌঁছে যায়। দিনশেষে প্রতি ব্যারেল ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ৯৮ দশমিক ৪৮ ডলারে গিয়ে ঠেকেছে, যা আগের দিনের তুলনায় ৩ দশমিক ১ শতাংশ বেশি।
জ্বালানি তেলের এ ঊর্ধ্বগতির সমান্তরালে যুক্তরাষ্ট্রের শেয়ারবাজারেও বড় ধরনের ধস দেখা গেছে। মঙ্গলবার লেনদেন শেষে এসঅ্যান্ডপি ৫০০ সূচক শূন্য দশমিক ৬ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। এছাড়া ডাও জোন্স ইন্ডাস্ট্রিয়াল অ্যাভারেজ সূচক প্রায় ২৯৩ পয়েন্ট কমেছে। পিছিয়ে নেই প্রযুক্তি খাতের বাজারও। নাসডাক কম্পোজিট সূচকও একই হারে পতন নিয়ে দিন শেষ করেছে। বিশ্লেষকদের মতে, যুদ্ধবিরতি বাড়লেও অবরোধ তুলে না নেওয়ার সিদ্ধান্তে মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘমেয়াদী স্থিতিশীলতা নিয়ে সংশয় কাটেনি, যার প্রতিফলন ঘটেছে বিশ্ববাজারে।
সূত্র: এপি
/এমএকে/




