ভারতে পশ্চিমবঙ্গ থেকে দিল্লিতে গিয়ে শিক্ষিকাকে হত্যা

ভারতে পশ্চিমবঙ্গ থেকে দিল্লিতে গিয়ে শিক্ষিকাকে হত্যা
সিটিজেন ডেস্ক

দিল্লির শিবাজি কলেজের এক শিক্ষিকাকে হত্যার মাত্র ৩ দিনের মধ্যে ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটন করে পশ্চিমবঙ্গ থেকে এক দম্পতিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পূর্ব দিল্লির বসুন্ধরা এনক্লেভের ফ্ল্যাট থেকে অধ্যাপিকা দেবস্মিতা পালের মৃতদেহ উদ্ধারের পর তদন্তে নামে পুলিশ। কোটি টাকার সম্পত্তি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে পশ্চিমবঙ্গ থেকে প্রায় ১,৪০০ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে দিল্লিতে গিয়ে এ হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে বলে তদন্তে জানতে পারে পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃত রামপ্রসাদ দাস ও বংশী দাস পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমানের বাসিন্দা। এ ঘটনায় তাদের নাবালক পুত্রকেও আটক করা হয়েছে।
পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, ২০২২ সালে বিচ্ছেদের পর থেকে দেবস্মিতা ওই ফ্ল্যাটে একাই থাকতেন। বৃহস্পতিবার (৪ জুন) তার বোন দেবারতি বারবার ফোন করে সাড়া না পেয়ে ফ্ল্যাটের তালা ভেঙে ভেতরে ঢোকেন এবং দেবস্মিতার রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করেন। নিহত অধ্যাপিকার মাথায় গভীর আঘাত এবং কব্জির শিরা কাটা ছিল। তবে ঘরের গয়না বা নগদ টাকা অক্ষত থাকায় পুলিশ শুরুতেই ডাকাতির সম্ভাবনা নাকচ করে দিয়ে পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ডের দিকে নজর দেয়।
ঘটনার তদন্তে নেমে পুলিশ সিসিটিভি ফুটেজে দেখতে পায়, বুধবার (৩ জুন) মাস্ক পরা অবস্থায় অভিযুক্ত দম্পতি তাদের নাবালক ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে সিঁড়ি বেয়ে ষষ্ঠ তলার ওই ফ্ল্যাটে প্রবেশ করে। সন্দেহ এড়াতে তারা একটি ব্যক্তিগত ক্যাবে করে ব্যাগসহ সেখানে এসেছিল। পরিচিত হওয়ার সুবাদে তারা অনায়াসেই ঘরে ঢোকে এবং সঙ্গে আনা অস্ত্র দিয়ে দেবস্মিতাকে হত্যা করে। খুনের পর পোশাক পরিবর্তন করে মাত্র ৩০ মিনিটের মধ্যে তারা নিচে অপেক্ষায় থাকা ট্যাক্সি নিয়ে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে পুলিশ ওই ট্যাক্সি চালককে আটকে রেখে যাত্রীদের শনাক্তের বিবরণ সংগ্রহ করে।
বুধবার আবাসন কমপ্লেক্সে আসা ২০০ জনের মধ্য থেকে অন্তত ১৩ জন সন্দেহভাজনকে চিহ্নিত করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদের পর পুলিশের সাতটি দল ৪টি রাজ্যে চিরুনি অভিযান চালায়। শেষ পর্যন্ত সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে বর্ধমান থেকে এ দম্পতিকে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, দেবস্মিতা তার নানির কাছ থেকে উত্তরাধিকার সূত্রে বর্ধমানে কয়েক কোটি টাকা মূল্যের একটি সম্পত্তি পেয়েছিলেন। অভিযুক্তরা মূলত ও বাড়ির ভাড়াটিয়া ছিল এবং দীর্ঘদিন ধরে সেটি দখল করার চেষ্টা করছিল। দেবস্মিতা বাড়িটি খালি করার জন্য ক্রমাগত চাপ দেওয়ায় তারা এ নৃশংস হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনা করে। ধৃতদের ট্রানজিট রিমান্ডে দিল্লি নিয়ে যাওয়ার জন্য আবেদন করবে পুলিশ।
সূত্র: এনডিটিভি

দিল্লির শিবাজি কলেজের এক শিক্ষিকাকে হত্যার মাত্র ৩ দিনের মধ্যে ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটন করে পশ্চিমবঙ্গ থেকে এক দম্পতিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পূর্ব দিল্লির বসুন্ধরা এনক্লেভের ফ্ল্যাট থেকে অধ্যাপিকা দেবস্মিতা পালের মৃতদেহ উদ্ধারের পর তদন্তে নামে পুলিশ। কোটি টাকার সম্পত্তি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে পশ্চিমবঙ্গ থেকে প্রায় ১,৪০০ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে দিল্লিতে গিয়ে এ হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে বলে তদন্তে জানতে পারে পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃত রামপ্রসাদ দাস ও বংশী দাস পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমানের বাসিন্দা। এ ঘটনায় তাদের নাবালক পুত্রকেও আটক করা হয়েছে।
পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, ২০২২ সালে বিচ্ছেদের পর থেকে দেবস্মিতা ওই ফ্ল্যাটে একাই থাকতেন। বৃহস্পতিবার (৪ জুন) তার বোন দেবারতি বারবার ফোন করে সাড়া না পেয়ে ফ্ল্যাটের তালা ভেঙে ভেতরে ঢোকেন এবং দেবস্মিতার রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করেন। নিহত অধ্যাপিকার মাথায় গভীর আঘাত এবং কব্জির শিরা কাটা ছিল। তবে ঘরের গয়না বা নগদ টাকা অক্ষত থাকায় পুলিশ শুরুতেই ডাকাতির সম্ভাবনা নাকচ করে দিয়ে পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ডের দিকে নজর দেয়।
ঘটনার তদন্তে নেমে পুলিশ সিসিটিভি ফুটেজে দেখতে পায়, বুধবার (৩ জুন) মাস্ক পরা অবস্থায় অভিযুক্ত দম্পতি তাদের নাবালক ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে সিঁড়ি বেয়ে ষষ্ঠ তলার ওই ফ্ল্যাটে প্রবেশ করে। সন্দেহ এড়াতে তারা একটি ব্যক্তিগত ক্যাবে করে ব্যাগসহ সেখানে এসেছিল। পরিচিত হওয়ার সুবাদে তারা অনায়াসেই ঘরে ঢোকে এবং সঙ্গে আনা অস্ত্র দিয়ে দেবস্মিতাকে হত্যা করে। খুনের পর পোশাক পরিবর্তন করে মাত্র ৩০ মিনিটের মধ্যে তারা নিচে অপেক্ষায় থাকা ট্যাক্সি নিয়ে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে পুলিশ ওই ট্যাক্সি চালককে আটকে রেখে যাত্রীদের শনাক্তের বিবরণ সংগ্রহ করে।
বুধবার আবাসন কমপ্লেক্সে আসা ২০০ জনের মধ্য থেকে অন্তত ১৩ জন সন্দেহভাজনকে চিহ্নিত করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদের পর পুলিশের সাতটি দল ৪টি রাজ্যে চিরুনি অভিযান চালায়। শেষ পর্যন্ত সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে বর্ধমান থেকে এ দম্পতিকে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, দেবস্মিতা তার নানির কাছ থেকে উত্তরাধিকার সূত্রে বর্ধমানে কয়েক কোটি টাকা মূল্যের একটি সম্পত্তি পেয়েছিলেন। অভিযুক্তরা মূলত ও বাড়ির ভাড়াটিয়া ছিল এবং দীর্ঘদিন ধরে সেটি দখল করার চেষ্টা করছিল। দেবস্মিতা বাড়িটি খালি করার জন্য ক্রমাগত চাপ দেওয়ায় তারা এ নৃশংস হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনা করে। ধৃতদের ট্রানজিট রিমান্ডে দিল্লি নিয়ে যাওয়ার জন্য আবেদন করবে পুলিশ।
সূত্র: এনডিটিভি

ভারতে পশ্চিমবঙ্গ থেকে দিল্লিতে গিয়ে শিক্ষিকাকে হত্যা
সিটিজেন ডেস্ক

দিল্লির শিবাজি কলেজের এক শিক্ষিকাকে হত্যার মাত্র ৩ দিনের মধ্যে ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটন করে পশ্চিমবঙ্গ থেকে এক দম্পতিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পূর্ব দিল্লির বসুন্ধরা এনক্লেভের ফ্ল্যাট থেকে অধ্যাপিকা দেবস্মিতা পালের মৃতদেহ উদ্ধারের পর তদন্তে নামে পুলিশ। কোটি টাকার সম্পত্তি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে পশ্চিমবঙ্গ থেকে প্রায় ১,৪০০ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে দিল্লিতে গিয়ে এ হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে বলে তদন্তে জানতে পারে পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃত রামপ্রসাদ দাস ও বংশী দাস পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমানের বাসিন্দা। এ ঘটনায় তাদের নাবালক পুত্রকেও আটক করা হয়েছে।
পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, ২০২২ সালে বিচ্ছেদের পর থেকে দেবস্মিতা ওই ফ্ল্যাটে একাই থাকতেন। বৃহস্পতিবার (৪ জুন) তার বোন দেবারতি বারবার ফোন করে সাড়া না পেয়ে ফ্ল্যাটের তালা ভেঙে ভেতরে ঢোকেন এবং দেবস্মিতার রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করেন। নিহত অধ্যাপিকার মাথায় গভীর আঘাত এবং কব্জির শিরা কাটা ছিল। তবে ঘরের গয়না বা নগদ টাকা অক্ষত থাকায় পুলিশ শুরুতেই ডাকাতির সম্ভাবনা নাকচ করে দিয়ে পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ডের দিকে নজর দেয়।
ঘটনার তদন্তে নেমে পুলিশ সিসিটিভি ফুটেজে দেখতে পায়, বুধবার (৩ জুন) মাস্ক পরা অবস্থায় অভিযুক্ত দম্পতি তাদের নাবালক ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে সিঁড়ি বেয়ে ষষ্ঠ তলার ওই ফ্ল্যাটে প্রবেশ করে। সন্দেহ এড়াতে তারা একটি ব্যক্তিগত ক্যাবে করে ব্যাগসহ সেখানে এসেছিল। পরিচিত হওয়ার সুবাদে তারা অনায়াসেই ঘরে ঢোকে এবং সঙ্গে আনা অস্ত্র দিয়ে দেবস্মিতাকে হত্যা করে। খুনের পর পোশাক পরিবর্তন করে মাত্র ৩০ মিনিটের মধ্যে তারা নিচে অপেক্ষায় থাকা ট্যাক্সি নিয়ে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে পুলিশ ওই ট্যাক্সি চালককে আটকে রেখে যাত্রীদের শনাক্তের বিবরণ সংগ্রহ করে।
বুধবার আবাসন কমপ্লেক্সে আসা ২০০ জনের মধ্য থেকে অন্তত ১৩ জন সন্দেহভাজনকে চিহ্নিত করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদের পর পুলিশের সাতটি দল ৪টি রাজ্যে চিরুনি অভিযান চালায়। শেষ পর্যন্ত সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে বর্ধমান থেকে এ দম্পতিকে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, দেবস্মিতা তার নানির কাছ থেকে উত্তরাধিকার সূত্রে বর্ধমানে কয়েক কোটি টাকা মূল্যের একটি সম্পত্তি পেয়েছিলেন। অভিযুক্তরা মূলত ও বাড়ির ভাড়াটিয়া ছিল এবং দীর্ঘদিন ধরে সেটি দখল করার চেষ্টা করছিল। দেবস্মিতা বাড়িটি খালি করার জন্য ক্রমাগত চাপ দেওয়ায় তারা এ নৃশংস হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনা করে। ধৃতদের ট্রানজিট রিমান্ডে দিল্লি নিয়ে যাওয়ার জন্য আবেদন করবে পুলিশ।
সূত্র: এনডিটিভি

ভারতের মণিপুরে সশস্ত্র হামলায় নারীসহ নিহত ৩
ভারতের অরুণাচলে ১৫ মসজিদ সিলগালা


