পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণের মার্কিন প্রচেষ্টা ‘সেকেলে স্বপ্ন’: উত্তর কোরিয়া

পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণের মার্কিন প্রচেষ্টা ‘সেকেলে স্বপ্ন’: উত্তর কোরিয়া
সিটিজেন ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রের পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণের সমস্ত প্রচেষ্টাকে একটি অবাস্তব ও সেকেলে স্বপ্ন হিসেবে আখ্যায়িত করেছে উত্তর কোরিয়া। দীর্ঘ ৭ বছর পর চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের পিয়ংইয়ং সফরের ঠিক আগের দিন এই কড়া প্রতিক্রিয়া জানাল দেশটি। রবিবার (৭ জুন) উত্তর কোরিয়ার প্রভাবশালী শীর্ষ কর্মকর্তা কিম ইয়ো জং এক বিবৃতিতে বলেন, মার্কিন নেতৃত্বাধীন হুমকির মুখে তাদের পারমাণবিক অস্ত্রাগার ক্রমাগত সম্প্রসারিত করা হবে।
উত্তর কোরিয়ার শীর্ষ নেতা কিম জং উনের বোন মার্কিন দাবিকে আইনি ভিত্তিহীন ও একতরফা বাগাড়ম্বর বলে উড়িয়ে দিয়েছেন। গত মাসে বেইজিং শীর্ষ সম্মেলনে ডোনাল্ড ট্রাম্প ও শি জিনপিংয়ের উত্তর কোরিয়াকে পারমাণবিক অস্ত্রমুক্ত করার যৌথ লক্ষ্য সংক্রান্ত মার্কিন ঘোষণাকে তিনি মিথ্যা তথ্য বলে অভিহিত করেন। তার মতে, মার্কিন কর্মকর্তারা এখনও অবাস্তব ভাবনায় নিমজ্জিত আছেন। মূলত ২০১৯ সালে ট্রাম্প-কিম শীর্ষ বৈঠক ব্যর্থ হওয়ার পর থেকেই পিয়ংইয়ং তাদের পারমাণবিক কর্মসূচির ওপর জোর দিয়েছে। এর মূল উদ্দেশ্য পারমাণবিক শক্তিধর রাষ্ট্র হিসেবে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি আদায় এবং অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা থেকে মুক্তি পাওয়া। সম্প্রতি কিম জং উন একটি পারমাণবিক অস্ত্র উৎপাদন কেন্দ্র ও কারখানা পরিদর্শন করে ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন ক্ষমতা আড়াই গুণ বাড়ানোর পাশাপাশি পরমাণু শক্তি অকল্পনীয় হারে বৃদ্ধির নির্দেশ দিয়েছেন।
বিশ্লেষকদের মতে, শি জিনপিংয়ের এ সফরের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হলো উত্তর কোরিয়ার ওপর বেইজিংয়ের প্রভাব পুনরুজ্জীবিত করা। সাম্প্রতিক সময়ে ইউক্রেন যুদ্ধে সহায়তার অংশ হিসেবে রাশিয়াকে সেনা ও অস্ত্র পাঠিয়ে মস্কোর সঙ্গে সম্পর্ক নাটকীয়ভাবে বাড়িয়েছে পিয়ংইয়ং, যার বিনিময়ে তারা বড় ধরনের অর্থনৈতিক ও সামরিক সহায়তা পাচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে শি জিনপিং হয়তো কিমের সঙ্গে বৈঠকে সরাসরি পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণের প্রসঙ্গ এড়িয়ে অর্থনৈতিক সহযোগিতার ওপরই বেশি জোর দেবেন। তবে কিম ইয়ো জং জানিয়েছেন, আত্মরক্ষার স্বার্থে পারমাণবিক যুদ্ধ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানো তাদের একটি অপরিবর্তনীয় এবং চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত। কোনো শর্ত ছাড়াই এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করা হবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
সূত্র: এপি

যুক্তরাষ্ট্রের পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণের সমস্ত প্রচেষ্টাকে একটি অবাস্তব ও সেকেলে স্বপ্ন হিসেবে আখ্যায়িত করেছে উত্তর কোরিয়া। দীর্ঘ ৭ বছর পর চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের পিয়ংইয়ং সফরের ঠিক আগের দিন এই কড়া প্রতিক্রিয়া জানাল দেশটি। রবিবার (৭ জুন) উত্তর কোরিয়ার প্রভাবশালী শীর্ষ কর্মকর্তা কিম ইয়ো জং এক বিবৃতিতে বলেন, মার্কিন নেতৃত্বাধীন হুমকির মুখে তাদের পারমাণবিক অস্ত্রাগার ক্রমাগত সম্প্রসারিত করা হবে।
উত্তর কোরিয়ার শীর্ষ নেতা কিম জং উনের বোন মার্কিন দাবিকে আইনি ভিত্তিহীন ও একতরফা বাগাড়ম্বর বলে উড়িয়ে দিয়েছেন। গত মাসে বেইজিং শীর্ষ সম্মেলনে ডোনাল্ড ট্রাম্প ও শি জিনপিংয়ের উত্তর কোরিয়াকে পারমাণবিক অস্ত্রমুক্ত করার যৌথ লক্ষ্য সংক্রান্ত মার্কিন ঘোষণাকে তিনি মিথ্যা তথ্য বলে অভিহিত করেন। তার মতে, মার্কিন কর্মকর্তারা এখনও অবাস্তব ভাবনায় নিমজ্জিত আছেন। মূলত ২০১৯ সালে ট্রাম্প-কিম শীর্ষ বৈঠক ব্যর্থ হওয়ার পর থেকেই পিয়ংইয়ং তাদের পারমাণবিক কর্মসূচির ওপর জোর দিয়েছে। এর মূল উদ্দেশ্য পারমাণবিক শক্তিধর রাষ্ট্র হিসেবে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি আদায় এবং অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা থেকে মুক্তি পাওয়া। সম্প্রতি কিম জং উন একটি পারমাণবিক অস্ত্র উৎপাদন কেন্দ্র ও কারখানা পরিদর্শন করে ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন ক্ষমতা আড়াই গুণ বাড়ানোর পাশাপাশি পরমাণু শক্তি অকল্পনীয় হারে বৃদ্ধির নির্দেশ দিয়েছেন।
বিশ্লেষকদের মতে, শি জিনপিংয়ের এ সফরের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হলো উত্তর কোরিয়ার ওপর বেইজিংয়ের প্রভাব পুনরুজ্জীবিত করা। সাম্প্রতিক সময়ে ইউক্রেন যুদ্ধে সহায়তার অংশ হিসেবে রাশিয়াকে সেনা ও অস্ত্র পাঠিয়ে মস্কোর সঙ্গে সম্পর্ক নাটকীয়ভাবে বাড়িয়েছে পিয়ংইয়ং, যার বিনিময়ে তারা বড় ধরনের অর্থনৈতিক ও সামরিক সহায়তা পাচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে শি জিনপিং হয়তো কিমের সঙ্গে বৈঠকে সরাসরি পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণের প্রসঙ্গ এড়িয়ে অর্থনৈতিক সহযোগিতার ওপরই বেশি জোর দেবেন। তবে কিম ইয়ো জং জানিয়েছেন, আত্মরক্ষার স্বার্থে পারমাণবিক যুদ্ধ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানো তাদের একটি অপরিবর্তনীয় এবং চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত। কোনো শর্ত ছাড়াই এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করা হবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
সূত্র: এপি

পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণের মার্কিন প্রচেষ্টা ‘সেকেলে স্বপ্ন’: উত্তর কোরিয়া
সিটিজেন ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রের পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণের সমস্ত প্রচেষ্টাকে একটি অবাস্তব ও সেকেলে স্বপ্ন হিসেবে আখ্যায়িত করেছে উত্তর কোরিয়া। দীর্ঘ ৭ বছর পর চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের পিয়ংইয়ং সফরের ঠিক আগের দিন এই কড়া প্রতিক্রিয়া জানাল দেশটি। রবিবার (৭ জুন) উত্তর কোরিয়ার প্রভাবশালী শীর্ষ কর্মকর্তা কিম ইয়ো জং এক বিবৃতিতে বলেন, মার্কিন নেতৃত্বাধীন হুমকির মুখে তাদের পারমাণবিক অস্ত্রাগার ক্রমাগত সম্প্রসারিত করা হবে।
উত্তর কোরিয়ার শীর্ষ নেতা কিম জং উনের বোন মার্কিন দাবিকে আইনি ভিত্তিহীন ও একতরফা বাগাড়ম্বর বলে উড়িয়ে দিয়েছেন। গত মাসে বেইজিং শীর্ষ সম্মেলনে ডোনাল্ড ট্রাম্প ও শি জিনপিংয়ের উত্তর কোরিয়াকে পারমাণবিক অস্ত্রমুক্ত করার যৌথ লক্ষ্য সংক্রান্ত মার্কিন ঘোষণাকে তিনি মিথ্যা তথ্য বলে অভিহিত করেন। তার মতে, মার্কিন কর্মকর্তারা এখনও অবাস্তব ভাবনায় নিমজ্জিত আছেন। মূলত ২০১৯ সালে ট্রাম্প-কিম শীর্ষ বৈঠক ব্যর্থ হওয়ার পর থেকেই পিয়ংইয়ং তাদের পারমাণবিক কর্মসূচির ওপর জোর দিয়েছে। এর মূল উদ্দেশ্য পারমাণবিক শক্তিধর রাষ্ট্র হিসেবে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি আদায় এবং অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা থেকে মুক্তি পাওয়া। সম্প্রতি কিম জং উন একটি পারমাণবিক অস্ত্র উৎপাদন কেন্দ্র ও কারখানা পরিদর্শন করে ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন ক্ষমতা আড়াই গুণ বাড়ানোর পাশাপাশি পরমাণু শক্তি অকল্পনীয় হারে বৃদ্ধির নির্দেশ দিয়েছেন।
বিশ্লেষকদের মতে, শি জিনপিংয়ের এ সফরের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হলো উত্তর কোরিয়ার ওপর বেইজিংয়ের প্রভাব পুনরুজ্জীবিত করা। সাম্প্রতিক সময়ে ইউক্রেন যুদ্ধে সহায়তার অংশ হিসেবে রাশিয়াকে সেনা ও অস্ত্র পাঠিয়ে মস্কোর সঙ্গে সম্পর্ক নাটকীয়ভাবে বাড়িয়েছে পিয়ংইয়ং, যার বিনিময়ে তারা বড় ধরনের অর্থনৈতিক ও সামরিক সহায়তা পাচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে শি জিনপিং হয়তো কিমের সঙ্গে বৈঠকে সরাসরি পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণের প্রসঙ্গ এড়িয়ে অর্থনৈতিক সহযোগিতার ওপরই বেশি জোর দেবেন। তবে কিম ইয়ো জং জানিয়েছেন, আত্মরক্ষার স্বার্থে পারমাণবিক যুদ্ধ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানো তাদের একটি অপরিবর্তনীয় এবং চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত। কোনো শর্ত ছাড়াই এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করা হবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
সূত্র: এপি

অকল্পনীয় হারে পারমাণবিক সক্ষমতা বাড়াচ্ছে উত্তর কোরিয়া


