সংঘাত নিরসনে তেহরানে আরাঘচি ও নাকভির বৈঠক

সংঘাত নিরসনে তেহরানে আরাঘচি ও নাকভির বৈঠক
সিটিজেন ডেস্ক

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার চলমান সংঘাত নিরসনে মধ্যস্থতাকারী দেশ পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহসিন নাকভির সঙ্গে বৈঠক করেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি। রবিবার (৭ জুন) তেহরানে অনুষ্ঠিত এই উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে দুই দেশের শীর্ষ নেতারা ওয়াশিংটনের সঙ্গে চলমান সংলাপের সর্বশেষ কূটনৈতিক অগ্রগতি এবং সামগ্রিক আঞ্চলিক পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।
ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ইরনা জানিয়েছে, তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যকার উত্তেজনা প্রশমনে ইসলামাবাদের চলমান কূটনৈতিক তৎপরতার অংশ হিসেবেই এই দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের আয়োজন করা হয়। এর আগে, শনিবার (৬ জুন) ইরানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে শান্তি আলোচনার সূত্র ধরে তেহরানে পৌঁছান পাকিস্তানি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। পাকিস্তানি সূত্রের বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা আনাদোলু জানিয়েছে, দুই পক্ষের মধ্যকার বর্তমান দীর্ঘস্থায়ী অচলাবস্থা কাটিয়ে একটি অস্থায়ী সমঝোতা তৈরি করার লক্ষ্যে পাকিস্তান এবার একটি নতুন প্রস্তাব পেশ করতে যাচ্ছে।
উল্লেখ্য, ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে প্রত্যক্ষ সংঘাত শুরু হওয়ার পর থেকেই পাকিস্তান দুই দেশের মধ্যে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় ৮ এপ্রিল একটি অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল। তবে চুক্তির বাস্তবায়ন নিয়ে তৈরি হওয়া নানা বিরোধ এবং পরবর্তী সময়ে আঞ্চলিক পরিস্থিতির দ্রুত পরিবর্তনের কারণে এ আলোচনা পরবর্তীতে থমকে যায়। পাকিস্তানি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এ সফরের মাধ্যমে সেই স্থবিরতা কাটিয়ে পুনরায় শান্তি প্রক্রিয়া কার্যকর করাই এখন ইসলামাবাদের মূল লক্ষ্য।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার চলমান সংঘাত নিরসনে মধ্যস্থতাকারী দেশ পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহসিন নাকভির সঙ্গে বৈঠক করেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি। রবিবার (৭ জুন) তেহরানে অনুষ্ঠিত এই উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে দুই দেশের শীর্ষ নেতারা ওয়াশিংটনের সঙ্গে চলমান সংলাপের সর্বশেষ কূটনৈতিক অগ্রগতি এবং সামগ্রিক আঞ্চলিক পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।
ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ইরনা জানিয়েছে, তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যকার উত্তেজনা প্রশমনে ইসলামাবাদের চলমান কূটনৈতিক তৎপরতার অংশ হিসেবেই এই দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের আয়োজন করা হয়। এর আগে, শনিবার (৬ জুন) ইরানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে শান্তি আলোচনার সূত্র ধরে তেহরানে পৌঁছান পাকিস্তানি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। পাকিস্তানি সূত্রের বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা আনাদোলু জানিয়েছে, দুই পক্ষের মধ্যকার বর্তমান দীর্ঘস্থায়ী অচলাবস্থা কাটিয়ে একটি অস্থায়ী সমঝোতা তৈরি করার লক্ষ্যে পাকিস্তান এবার একটি নতুন প্রস্তাব পেশ করতে যাচ্ছে।
উল্লেখ্য, ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে প্রত্যক্ষ সংঘাত শুরু হওয়ার পর থেকেই পাকিস্তান দুই দেশের মধ্যে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় ৮ এপ্রিল একটি অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল। তবে চুক্তির বাস্তবায়ন নিয়ে তৈরি হওয়া নানা বিরোধ এবং পরবর্তী সময়ে আঞ্চলিক পরিস্থিতির দ্রুত পরিবর্তনের কারণে এ আলোচনা পরবর্তীতে থমকে যায়। পাকিস্তানি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এ সফরের মাধ্যমে সেই স্থবিরতা কাটিয়ে পুনরায় শান্তি প্রক্রিয়া কার্যকর করাই এখন ইসলামাবাদের মূল লক্ষ্য।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

সংঘাত নিরসনে তেহরানে আরাঘচি ও নাকভির বৈঠক
সিটিজেন ডেস্ক

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার চলমান সংঘাত নিরসনে মধ্যস্থতাকারী দেশ পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহসিন নাকভির সঙ্গে বৈঠক করেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি। রবিবার (৭ জুন) তেহরানে অনুষ্ঠিত এই উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে দুই দেশের শীর্ষ নেতারা ওয়াশিংটনের সঙ্গে চলমান সংলাপের সর্বশেষ কূটনৈতিক অগ্রগতি এবং সামগ্রিক আঞ্চলিক পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।
ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ইরনা জানিয়েছে, তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যকার উত্তেজনা প্রশমনে ইসলামাবাদের চলমান কূটনৈতিক তৎপরতার অংশ হিসেবেই এই দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের আয়োজন করা হয়। এর আগে, শনিবার (৬ জুন) ইরানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে শান্তি আলোচনার সূত্র ধরে তেহরানে পৌঁছান পাকিস্তানি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। পাকিস্তানি সূত্রের বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা আনাদোলু জানিয়েছে, দুই পক্ষের মধ্যকার বর্তমান দীর্ঘস্থায়ী অচলাবস্থা কাটিয়ে একটি অস্থায়ী সমঝোতা তৈরি করার লক্ষ্যে পাকিস্তান এবার একটি নতুন প্রস্তাব পেশ করতে যাচ্ছে।
উল্লেখ্য, ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে প্রত্যক্ষ সংঘাত শুরু হওয়ার পর থেকেই পাকিস্তান দুই দেশের মধ্যে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় ৮ এপ্রিল একটি অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল। তবে চুক্তির বাস্তবায়ন নিয়ে তৈরি হওয়া নানা বিরোধ এবং পরবর্তী সময়ে আঞ্চলিক পরিস্থিতির দ্রুত পরিবর্তনের কারণে এ আলোচনা পরবর্তীতে থমকে যায়। পাকিস্তানি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এ সফরের মাধ্যমে সেই স্থবিরতা কাটিয়ে পুনরায় শান্তি প্রক্রিয়া কার্যকর করাই এখন ইসলামাবাদের মূল লক্ষ্য।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

ইরান যুদ্ধের ১০০ দিন: শান্তি চুক্তি অধরা থাকার কারণ

