শিরোনাম

মার্কিন জলদস্যুতা ও সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি ইরানের

সিটিজেন ডেস্ক
মার্কিন জলদস্যুতা ও সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি ইরানের
ছবি: সংগৃহীত

জাতিসংঘে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত আমির সাইদ ইরাভানি আমেরিকার পক্ষ থেকে ইরানি বাণিজ্যিক জাহাজ ও জ্বালানি তেল জব্দের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন। বুধবার (২৯ এপ্রিল) নিরাপত্তা পরিষদের কাছে লেখা এক চিঠিতে তিনি এ ঘটনাকে রাষ্ট্রীয় মদতপুষ্ট জলদস্যুতা হিসেবে অভিহিত করেন। তেহরানের পক্ষ থেকে পাল্টা ব্যবস্থা নেওয়ার অধিকার সংরক্ষিত রয়েছে বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি।

চিঠিতে ইরাভানি উল্লেখ করেন, সম্প্রতি ওয়াশিংটন আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে এম/টি ম্যাজেস্টিক এবং এম/টি টিফানি নামক দুটি বাণিজ্যিক জাহাজ থেকে ৩৮ লাখ ব্যারেল তেল জব্দ করেছে। তিনি একজন মার্কিন অ্যাটর্নির বক্তব্যকে উদ্ধৃত করে বলেন, আমেরিকা অত্যন্ত দম্ভের সাথে এ অবৈধ কর্মকাণ্ডের কথা স্বীকার করেছে। এ কাজ ১৯৭৪ সালের সাধারণ পরিষদের ৩৩১৪ নম্বর রেজোলিউশন অনুযায়ী একটি দেশের বিরুদ্ধে আগ্রাসনের শামিল বলে তিনি উল্লেখ করেন ।

রাষ্ট্রদূত আরও বলেন, আন্তর্জাতিক জলসীমায় মার্কিন সশস্ত্র বাহিনীর এ ধরনের জবরদস্তিমূলক কর্মকাণ্ড সমুদ্রপথে নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতাকে হুমকির মুখে ফেলছে। ইরান জানিয়েছে, যতক্ষণ পর্যন্ত এই অবৈধ অবরোধ বলবৎ থাকবে, ততক্ষণ তারা ওয়াশিংটনের সঙ্গে কোনো ধরনের আলোচনায় বসবে না। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ২ সপ্তাহের জন্য সংঘাত বন্ধের ঘোষণা দিলেও বাস্তবে আমেরিকার আগ্রাসন অব্যাহত রয়েছে বলে তেহরান মনে করে।

এর প্রতিক্রিয়ায় ইরান কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালী দিয়ে সকল প্রকার নৌ-চলাচল বন্ধ করে দিয়েছে, যেখানে শুধুমাত্র অনুমতিপ্রাপ্ত জাহাজ চলাচলের সুযোগ পাচ্ছে। চিঠির শেষে নিরাপত্তা পরিষদের প্রতি জব্দকৃত জাহাজ ও মালামাল অবিলম্বে ফেরত দেওয়ার ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে আহ্বান জানান তিনি।

সূত্র: প্রেস টিভি

/এমএকে/