লেবাননের ওপর ইসরায়েলের হামলা ‘চুক্তি ভেস্তে দিতে পারে’

লেবাননের ওপর ইসরায়েলের হামলা ‘চুক্তি ভেস্তে দিতে পারে’
সিজেডএন ডেস্ক

লেবাননের ওপর ইসরায়েলের হামলা যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার চুক্তি ভেস্তে দিতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন ক্যাটো ইনস্টিটিউটের সিনিয়র ফেলো এবং মার্কিন সাবেক প্রেসিডেন্ট রোনাল্ড রিগ্যানের বিশেষ সহকারী ডাগ ব্যান্ডো। তিনি বলেছেন, লেবাননের ওপরি হামলা বন্ধ করতে ইসরায়েলকে নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করতে হবে ওয়াশিংটনকে।
কিন্তু কাজটি সহজ হবে না বলে জানিয়েছেন ব্যান্ডে। কারণ যুক্তরাষ্ট্রে ইসরায়েলের ব্যাপক প্রভাব রয়েছে, সেইসঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর মধ্যকার সম্পর্কও রয়েছে।
তিনি বলেন, ট্রাম্প বৈরুতের ওপর হামলা বন্ধ করার দিকেই মনোনিবেশ করেছেন বলে মনে হচ্ছে। অন্যদিকে ইরানও দক্ষিণ লেবাননের দিকে নজর রাখছে, যেখানে লাখ লাখ মানুষ ঘরছাড়া হতে বাধ্য হয়েছে। আর ইসরায়েলের ওপর ‘প্রকৃত চাপ’ না থাকলে, নেতানিয়াহু দক্ষিণ লেবাননে হামলা বন্ধের আহ্বান অগ্রাহ্য করতে পারেন।
ব্যান্ডে বলেন, ইসরায়েলকে প্রতি বছর আর্থিক ও সামরিক উভয় প্রকার সহযোগিতা দেয়, এজন্য ‘যুক্তরাষ্ট্রের হাতে দর কষাকষির ক্ষমতা আছে।’
‘ইসরায়েল যদি লেবানন বা অন্য কোথাও দীর্ঘ সময় ধরে যুদ্ধ চালাতে চায়, তবে তাদের মার্কিন সমর্থন প্রয়োজন। কিন্তু কোনো মার্কিন প্রেসিডেন্টই এখন পর্যন্ত দীর্ঘ সময়ের জন্য ইসরায়েলকে অস্ত্র ও অর্থ সহায়তা করতে বঞ্চিত করেনি। কংগ্রেসও সম্ভবত এতে সায় দেবে না,’ যোগ করেন তিনি।
ব্যান্ডোর মতে, ট্রাম্প যদি সত্যিকারের চাপ প্রয়োগ না করেন, যদি তিনি এর কোনো উপায় খুঁজে না পান, তবে তা কেবলই একটি নাটকে পরিণত হবে। ইরানিরা সম্ভবত এতে সন্তুষ্ট হবে না। এর ফলে চুক্তিটি ভেস্তে যেতে পারে।
সূত্র: আল জাজিরা

লেবাননের ওপর ইসরায়েলের হামলা যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার চুক্তি ভেস্তে দিতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন ক্যাটো ইনস্টিটিউটের সিনিয়র ফেলো এবং মার্কিন সাবেক প্রেসিডেন্ট রোনাল্ড রিগ্যানের বিশেষ সহকারী ডাগ ব্যান্ডো। তিনি বলেছেন, লেবাননের ওপরি হামলা বন্ধ করতে ইসরায়েলকে নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করতে হবে ওয়াশিংটনকে।
কিন্তু কাজটি সহজ হবে না বলে জানিয়েছেন ব্যান্ডে। কারণ যুক্তরাষ্ট্রে ইসরায়েলের ব্যাপক প্রভাব রয়েছে, সেইসঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর মধ্যকার সম্পর্কও রয়েছে।
তিনি বলেন, ট্রাম্প বৈরুতের ওপর হামলা বন্ধ করার দিকেই মনোনিবেশ করেছেন বলে মনে হচ্ছে। অন্যদিকে ইরানও দক্ষিণ লেবাননের দিকে নজর রাখছে, যেখানে লাখ লাখ মানুষ ঘরছাড়া হতে বাধ্য হয়েছে। আর ইসরায়েলের ওপর ‘প্রকৃত চাপ’ না থাকলে, নেতানিয়াহু দক্ষিণ লেবাননে হামলা বন্ধের আহ্বান অগ্রাহ্য করতে পারেন।
ব্যান্ডে বলেন, ইসরায়েলকে প্রতি বছর আর্থিক ও সামরিক উভয় প্রকার সহযোগিতা দেয়, এজন্য ‘যুক্তরাষ্ট্রের হাতে দর কষাকষির ক্ষমতা আছে।’
‘ইসরায়েল যদি লেবানন বা অন্য কোথাও দীর্ঘ সময় ধরে যুদ্ধ চালাতে চায়, তবে তাদের মার্কিন সমর্থন প্রয়োজন। কিন্তু কোনো মার্কিন প্রেসিডেন্টই এখন পর্যন্ত দীর্ঘ সময়ের জন্য ইসরায়েলকে অস্ত্র ও অর্থ সহায়তা করতে বঞ্চিত করেনি। কংগ্রেসও সম্ভবত এতে সায় দেবে না,’ যোগ করেন তিনি।
ব্যান্ডোর মতে, ট্রাম্প যদি সত্যিকারের চাপ প্রয়োগ না করেন, যদি তিনি এর কোনো উপায় খুঁজে না পান, তবে তা কেবলই একটি নাটকে পরিণত হবে। ইরানিরা সম্ভবত এতে সন্তুষ্ট হবে না। এর ফলে চুক্তিটি ভেস্তে যেতে পারে।
সূত্র: আল জাজিরা

লেবাননের ওপর ইসরায়েলের হামলা ‘চুক্তি ভেস্তে দিতে পারে’
সিজেডএন ডেস্ক

লেবাননের ওপর ইসরায়েলের হামলা যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার চুক্তি ভেস্তে দিতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন ক্যাটো ইনস্টিটিউটের সিনিয়র ফেলো এবং মার্কিন সাবেক প্রেসিডেন্ট রোনাল্ড রিগ্যানের বিশেষ সহকারী ডাগ ব্যান্ডো। তিনি বলেছেন, লেবাননের ওপরি হামলা বন্ধ করতে ইসরায়েলকে নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করতে হবে ওয়াশিংটনকে।
কিন্তু কাজটি সহজ হবে না বলে জানিয়েছেন ব্যান্ডে। কারণ যুক্তরাষ্ট্রে ইসরায়েলের ব্যাপক প্রভাব রয়েছে, সেইসঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর মধ্যকার সম্পর্কও রয়েছে।
তিনি বলেন, ট্রাম্প বৈরুতের ওপর হামলা বন্ধ করার দিকেই মনোনিবেশ করেছেন বলে মনে হচ্ছে। অন্যদিকে ইরানও দক্ষিণ লেবাননের দিকে নজর রাখছে, যেখানে লাখ লাখ মানুষ ঘরছাড়া হতে বাধ্য হয়েছে। আর ইসরায়েলের ওপর ‘প্রকৃত চাপ’ না থাকলে, নেতানিয়াহু দক্ষিণ লেবাননে হামলা বন্ধের আহ্বান অগ্রাহ্য করতে পারেন।
ব্যান্ডে বলেন, ইসরায়েলকে প্রতি বছর আর্থিক ও সামরিক উভয় প্রকার সহযোগিতা দেয়, এজন্য ‘যুক্তরাষ্ট্রের হাতে দর কষাকষির ক্ষমতা আছে।’
‘ইসরায়েল যদি লেবানন বা অন্য কোথাও দীর্ঘ সময় ধরে যুদ্ধ চালাতে চায়, তবে তাদের মার্কিন সমর্থন প্রয়োজন। কিন্তু কোনো মার্কিন প্রেসিডেন্টই এখন পর্যন্ত দীর্ঘ সময়ের জন্য ইসরায়েলকে অস্ত্র ও অর্থ সহায়তা করতে বঞ্চিত করেনি। কংগ্রেসও সম্ভবত এতে সায় দেবে না,’ যোগ করেন তিনি।
ব্যান্ডোর মতে, ট্রাম্প যদি সত্যিকারের চাপ প্রয়োগ না করেন, যদি তিনি এর কোনো উপায় খুঁজে না পান, তবে তা কেবলই একটি নাটকে পরিণত হবে। ইরানিরা সম্ভবত এতে সন্তুষ্ট হবে না। এর ফলে চুক্তিটি ভেস্তে যেতে পারে।
সূত্র: আল জাজিরা

ধ্বংসস্তূপের মধ্যে ফিরতে পারলেও খুশি লেবানিজরা


