শিরোনাম

‘জ্বালানি সাশ্রয়ী সরঞ্জাম ব্যবহারে উদ্যোগী হতে হবে’

সিটিজেন ডেস্ক
‘জ্বালানি সাশ্রয়ী সরঞ্জাম ব্যবহারে উদ্যোগী হতে হবে’
বাংলাদেশ চেম্বার অব ইন্ডাস্ট্রিজের লোগো। ছবি: সংগৃহীত

অর্থনীতিবিদ ড. হোসেন জিল্লুর রহমান বলেন, আমাদের কিছু ইনোভেটিভ আইডিয়া নিয়ে আসতে হবে। এখানে ল্যান্ড বেইজড এফএসআরইউ কথা এসেছে। আমাদের জ্বালানি সাশ্রয়ী সরঞ্জাম ব্যবহারে উদ্যোগী হতে হবে। আমাদের নিজস্ব জ্বালানি নিরাপত্তার দিকে এগোতে হবে। সোলার একটি সমাধান হতে পারে। আমাদের জ্বালানি বিষয়ে একটি মনিটরিং সেল থাকা দরকার, এটি পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপে হতে পারে। আমাদের সম্বনয়ের অভাব রয়েছে। আমি মনে করি ব্যবসায়ী এবং সরকার একসাথে কাজ করলে জ্বালানির সমস্যা সমাধান হবে।

শনিবার (৯ মে) বাংলাদেশ চেম্বার অব ইন্ডাস্ট্রিজ (বিসিআই) এর উদ্যোগে এবং বাংলাদেশ সাসটেইনেবল অ্যান্ড রিনিউয়েবল এনার্জি অ্যাসোসিয়েশন (বিএসআরইএ) ও গ্রিনটেক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ (জিটিএফবি) এর সহযোগিতায় বিসিআই বোর্ড রুমে ‘ফিউচার অফ এনার্জি ইন বাংলাদেশ: সিকিউরিটি সাসটেইনেবিলিটি এন্ড ইনভেস্টমেন্ট অপরচুনিটিস’ শীর্ষক একটি গোলটেবিল আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

আলোচনায় প্রধান অতিথি হিসেবে পাওয়ার অ্যান্ড পার্টিসিপেশন রিসার্চ সেন্টার (পিপিআরসি) নির্বাহী চেয়ারম্যান ও তত্ত্বাধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ড. হোসেন জিল্লুর রহমান এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিসিআই সভাপতি জনাব আনোয়ার-উল আলম চৌধুরী (পারভেজ)। অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ইনস্টিটিউট ফর এনার্জি ইকোনমিক্স এর লিড অ্যানালিস্ট শফিকুল আলম।

স্বাগত বক্তব্যে বিসিআই সভাপতি জনাব আনোয়ার-উল আলম চৌধুরী বলেন, আমাদের দেশে ইন্ডাস্ট্রি গড়ে উঠেছে তুলনামুলক সস্তা গ্যাস ও জ্বালানি এবং শ্রমের কারণে। কিন্তু ২০২২ সালের পর থেকে আমরা আর সস্তা গ্যাস ও জ্বালানি বলতে পারছি না। আমাদের প্রতি বছর প্রায় ১০০ এমএমসিএফ গ্যাস উত্তোলন কমছে, সরকার এলএনজি আমদানির মাধ্যমে ঘাটতি মেটানোর চেষ্টা করছে। আমাদের দেশের ইন্ডাস্ট্রি ও কর্মসংস্থানের জন্য সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ হল এনার্জি, এদিকে সবাইকে লক্ষ্য রাখতে হবে। আমাদের দেশে গ্যাস, বিদ্যুৎ সহ বিভিন্ন সমস্যা রয়েছে। আমাদের এখন ইতিবাচক মনোভাব নিয়ে এগোতে হবে। ক্রাইসিস থেকে কি ভাবে বের হওয়া যায় সেদিকে সকলকে এগিয়ে আসতে হবে। আমরা যেমন চাইনা আমার ইন্ডাস্ট্রি বসে যাক, সরকারও চায় না কর্মসংস্থান কমে যাক। আমাদের এ ধরনের সমস্যা থেকে কিভাবে উত্তরন হওয়া সম্ভব ‍কিভাবে আমাদের ভবিষ্যৎ আরো সুরক্ষিত হবে তার নিদৃষ্ট প্রস্তাব নিয়ে সরকারকে বোঝাতে হবে, যাতে সরকারও বিষয়গুলো ইতিবাচক ভাবে নিতে পারে।

সভায় বাংলাদেশ জ্বালানি ও বিদ্যুৎ গবেষণা পরিষদের সদস্য (অতিরিক্ত সচিব) ড. মো. রফিকুল ইসলাম, সাবেক সিনিয়র সচিব সিদ্দিক জোবায়ের, বিআইপিপিএ’র সভাপতি ডেভিড হাসানাত, বিসিএমইএ’র সভাপতি মঈনুল ইসলাম স্বপন, বিজিএমইএ’র সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট জনাব ইনামুল হক খান, বিএসআরইএ’র সভাপতি মোস্তফা আল মাহমুদ এবং বিসিআ’র সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট প্রীতি চক্রবর্তী অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য প্রদান করেন।

/এমআর/