৩৬৯ কোটি ডলারের মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্র কিনবে বেলজিয়াম

৩৬৯ কোটি ডলারের মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্র কিনবে বেলজিয়াম
সিটিজেন ডেস্ক

নিজেদের সামরিক সক্ষমতাকে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে ৩৬৯ কোটি ডলার সমমূল্যের বিশাল ক্ষেপণাস্ত্র প্যাকেজ ক্রয়ের প্রক্রিয়া শুরু করেছে বেলজিয়াম। শনিবার (৯ মে) দেশটির প্রভাবশালী গণমাধ্যম ডি টাইড এবং ল'ইকো জানিয়েছে, এ পরিকল্পিত প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম ক্রয়ের বিষয়ে ব্রাসেলস ইতোমধ্যেই ওয়াশিংটনের কাছে আনুষ্ঠানিক অনুমোদন চেয়েছে। মার্কিন প্রতিরক্ষা নিরাপত্তা সহযোগিতা সংস্থার নথি থেকে এ আবেদনের বিষয়টি নিশ্চিতভাবে জানা গেছে।
এ বিশাল চুক্তির কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে আরটিএক্স করপোরেশনের তৈরি অত্যাধুনিক এআইএম-১২০ অ্যামরাম (AMRAAM) ক্ষেপণাস্ত্র। মূলত বেলজিয়ামের বহরে থাকা ৪৫টি লকহিড মার্টিন এফ-৩৫ লাইটনিং-২ যুদ্ধবিমানকে আরও শক্তিশালী করতে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তবে আকাশপথের নিরাপত্তা জোরদারে এগুলো দেশটির নাসামস (NASAMS) বিমান প্রতিরক্ষা নেটওয়ার্কের মাধ্যমেও মোতায়েন করা হতে পারে। রাডার দিকনির্দেশনা প্রযুক্তিসম্পন্ন এ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা ইউক্রেন যুদ্ধে অত্যন্ত কার্যকর প্রমাণিত হওয়ায় বর্তমানে বিশ্বজুড়ে এর ব্যাপক চাহিদা তৈরি হয়েছে।
সামরিক সরঞ্জামের ক্রয়ের পাশাপাশি বেলজিয়াম সরকার ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন প্রক্রিয়ার একটি অংশ নিজেদের ভূখণ্ডে নিয়ে আসার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। বেলগা সংবাদ সংস্থার প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইউরোপীয় গ্রাহকদের জন্য ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদনের উদ্দেশ্যে জুটেনডালের এফএন ব্রাউনিং কারখানাটি ব্যবহারের সম্ভাবনা নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মধ্যে আলোচনা চলছে। তবে এ উৎপাদন কার্যক্রমের স্বত্ব পেতে বেলজিয়ামকে প্রতিবেশী নেদারল্যান্ডসের সঙ্গে তীব্র প্রতিযোগিতার মুখে পড়তে হচ্ছে। উল্লেখ্য, ডাচ সরকারও সাম্প্রতিক বছরগুলোতে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে অ্যামরাম ক্ষেপণাস্ত্র ক্রয়ের মাধ্যমে এ খাতে নিজেদের অবস্থান শক্তিশালী করেছে।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

নিজেদের সামরিক সক্ষমতাকে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে ৩৬৯ কোটি ডলার সমমূল্যের বিশাল ক্ষেপণাস্ত্র প্যাকেজ ক্রয়ের প্রক্রিয়া শুরু করেছে বেলজিয়াম। শনিবার (৯ মে) দেশটির প্রভাবশালী গণমাধ্যম ডি টাইড এবং ল'ইকো জানিয়েছে, এ পরিকল্পিত প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম ক্রয়ের বিষয়ে ব্রাসেলস ইতোমধ্যেই ওয়াশিংটনের কাছে আনুষ্ঠানিক অনুমোদন চেয়েছে। মার্কিন প্রতিরক্ষা নিরাপত্তা সহযোগিতা সংস্থার নথি থেকে এ আবেদনের বিষয়টি নিশ্চিতভাবে জানা গেছে।
এ বিশাল চুক্তির কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে আরটিএক্স করপোরেশনের তৈরি অত্যাধুনিক এআইএম-১২০ অ্যামরাম (AMRAAM) ক্ষেপণাস্ত্র। মূলত বেলজিয়ামের বহরে থাকা ৪৫টি লকহিড মার্টিন এফ-৩৫ লাইটনিং-২ যুদ্ধবিমানকে আরও শক্তিশালী করতে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তবে আকাশপথের নিরাপত্তা জোরদারে এগুলো দেশটির নাসামস (NASAMS) বিমান প্রতিরক্ষা নেটওয়ার্কের মাধ্যমেও মোতায়েন করা হতে পারে। রাডার দিকনির্দেশনা প্রযুক্তিসম্পন্ন এ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা ইউক্রেন যুদ্ধে অত্যন্ত কার্যকর প্রমাণিত হওয়ায় বর্তমানে বিশ্বজুড়ে এর ব্যাপক চাহিদা তৈরি হয়েছে।
সামরিক সরঞ্জামের ক্রয়ের পাশাপাশি বেলজিয়াম সরকার ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন প্রক্রিয়ার একটি অংশ নিজেদের ভূখণ্ডে নিয়ে আসার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। বেলগা সংবাদ সংস্থার প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইউরোপীয় গ্রাহকদের জন্য ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদনের উদ্দেশ্যে জুটেনডালের এফএন ব্রাউনিং কারখানাটি ব্যবহারের সম্ভাবনা নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মধ্যে আলোচনা চলছে। তবে এ উৎপাদন কার্যক্রমের স্বত্ব পেতে বেলজিয়ামকে প্রতিবেশী নেদারল্যান্ডসের সঙ্গে তীব্র প্রতিযোগিতার মুখে পড়তে হচ্ছে। উল্লেখ্য, ডাচ সরকারও সাম্প্রতিক বছরগুলোতে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে অ্যামরাম ক্ষেপণাস্ত্র ক্রয়ের মাধ্যমে এ খাতে নিজেদের অবস্থান শক্তিশালী করেছে।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

৩৬৯ কোটি ডলারের মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্র কিনবে বেলজিয়াম
সিটিজেন ডেস্ক

নিজেদের সামরিক সক্ষমতাকে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে ৩৬৯ কোটি ডলার সমমূল্যের বিশাল ক্ষেপণাস্ত্র প্যাকেজ ক্রয়ের প্রক্রিয়া শুরু করেছে বেলজিয়াম। শনিবার (৯ মে) দেশটির প্রভাবশালী গণমাধ্যম ডি টাইড এবং ল'ইকো জানিয়েছে, এ পরিকল্পিত প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম ক্রয়ের বিষয়ে ব্রাসেলস ইতোমধ্যেই ওয়াশিংটনের কাছে আনুষ্ঠানিক অনুমোদন চেয়েছে। মার্কিন প্রতিরক্ষা নিরাপত্তা সহযোগিতা সংস্থার নথি থেকে এ আবেদনের বিষয়টি নিশ্চিতভাবে জানা গেছে।
এ বিশাল চুক্তির কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে আরটিএক্স করপোরেশনের তৈরি অত্যাধুনিক এআইএম-১২০ অ্যামরাম (AMRAAM) ক্ষেপণাস্ত্র। মূলত বেলজিয়ামের বহরে থাকা ৪৫টি লকহিড মার্টিন এফ-৩৫ লাইটনিং-২ যুদ্ধবিমানকে আরও শক্তিশালী করতে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তবে আকাশপথের নিরাপত্তা জোরদারে এগুলো দেশটির নাসামস (NASAMS) বিমান প্রতিরক্ষা নেটওয়ার্কের মাধ্যমেও মোতায়েন করা হতে পারে। রাডার দিকনির্দেশনা প্রযুক্তিসম্পন্ন এ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা ইউক্রেন যুদ্ধে অত্যন্ত কার্যকর প্রমাণিত হওয়ায় বর্তমানে বিশ্বজুড়ে এর ব্যাপক চাহিদা তৈরি হয়েছে।
সামরিক সরঞ্জামের ক্রয়ের পাশাপাশি বেলজিয়াম সরকার ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন প্রক্রিয়ার একটি অংশ নিজেদের ভূখণ্ডে নিয়ে আসার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। বেলগা সংবাদ সংস্থার প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইউরোপীয় গ্রাহকদের জন্য ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদনের উদ্দেশ্যে জুটেনডালের এফএন ব্রাউনিং কারখানাটি ব্যবহারের সম্ভাবনা নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মধ্যে আলোচনা চলছে। তবে এ উৎপাদন কার্যক্রমের স্বত্ব পেতে বেলজিয়ামকে প্রতিবেশী নেদারল্যান্ডসের সঙ্গে তীব্র প্রতিযোগিতার মুখে পড়তে হচ্ছে। উল্লেখ্য, ডাচ সরকারও সাম্প্রতিক বছরগুলোতে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে অ্যামরাম ক্ষেপণাস্ত্র ক্রয়ের মাধ্যমে এ খাতে নিজেদের অবস্থান শক্তিশালী করেছে।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

মধ্যপ্রাচ্যের চার দেশে ৮৬০ কোটি ডলারের অস্ত্র বিক্রি করবে যুক্তরাষ্ট্র


