২০২৫ সালে বেড়েছে নারী ও কন্যা শিশু নির্যাতন

২০২৫ সালে বেড়েছে নারী ও কন্যা শিশু নির্যাতন
নিজস্ব প্রতিবেদক

২০২৪ সালের তুলনায় ২০২৫ সালে নারী ও কন্যা নির্যাতন বেড়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ।
সোমবার (২৭ জুলাই) জাতীয় প্রেস ক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী হলে আয়োজিত ‘বাংলাদেশে নারী ও কন্যা নির্যাতন চিত্র-২০২৫’ শীর্ষক সমীক্ষা প্রতিবেদন প্রকাশ উপলক্ষ্যে সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য তুলে ধরা হয়।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের তুলনায় ২০২৫ সালে নারী ও কন্যা নির্যাতন বেড়েছে। একক ও সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ২০২৪ সালে ৪৮৭ টি ছিল, কিন্তু ২০২৫ সালে বেড়ে ৭৪৮ হয়েছে। হত্যার পরিমাণও ৫২৮ থেকে ৬৩২ এ দাঁড়িয়েছে। তবে, যৌন হয়রানি সহিংসতা নির্যাতন ২০২৪ সালে বেশি থাকলেও ২০২৫ সালে কমেছে। এছাড়া বাল্যবিবাহ ২০২৪ সালে ছিল ২০ টি, ২০২৫ সালে সেটি কমে ৮ এ এসে দাঁড়িয়েছে।

প্রতিবেদনে নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধ এবং প্রতিকারের জন্য ২০ টি সুপারিশ করা হয়েছে। সুপারিশগুলো হলোঃ
- নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা নিরসনে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোকে একসাথে কাজ করতে হবে।
- ভুক্তভোগীকে দোষারোপ না করে সহিংসতার সাথে যুক্ত ব্যক্তির সামাজিক, পারিবারিক ক্ষেত্রগুলোর দিকে মনোযোগ দিতে হবে।
- নারীর প্রতি ঘৃনা-বিদ্বেষ ছড়ানো, ধর্মের নামে নারীকে ঘরে বন্দী করার অপ্রয়াস বন্ধ করতে হবে।
- সহিংসতার প্রতিকার, ন্যায়বিচার নিশ্চিতকরণে ফরেনসিক বিভাগকে আরও আধুনিকায়ন করতে হবে।
- আলামত সংরক্ষণসহ ভিকটিমের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে।
- নারী ও মেয়ে শিশুর প্রতি সহিংসতার সাথে যুক্ত ব্যক্তিবর্গের অনলাইন ডাটাবেইজ তৈরি করতে হবে।
- নারীর অধিকার ও সুরক্ষার ক্ষেত্রে কিশোর-কিশোরীদের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে কিশোর-কিশোরী ক্লাবের সংখ্যা বৃদ্ধি করতে হবে।
- ভিকটিম কেন্দ্রিক পুলিশিং ব্যবস্থা নিশ্চিত করাসহ প্রতিটি জেলায় একটি করে ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টার প্রতিষ্ঠা করতে হবে।
- নারী ও মেয়ে শিশুর প্রতি সহিংসতার বিরুদ্ধে কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের কনটেন্ট তৈরি করতে হবে।
- নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে তথ্য মন্ত্রণালয়কে ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার, কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের সাথে সভা করতে হবে।
- ডিজিটাল, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের ইতিবাচক ব্যবহার নিশ্চিত, নেতিবাচক ব্যবহার বন্ধসহ সাইবার সহিংসতা প্রতিরোধে সচেতনতামূলক কর্মসূচি গ্রহণ করতে হবে।
- অপরাধ প্রবণতা নিরসনে পর্ণোগ্রাফির বিরুদ্ধে পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।
- কিশোর গ্যাং এর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
- নারী ও মেয়ে শিশুর প্রতি সহিংসতার বিরুদ্ধে এফ এম রেডিও-তে সচেতনতার বার্তা ছড়িয়ে দিতে হবে।
- ইমামদের প্রশিক্ষণ সূচিতে নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধের বিষয়টি যুক্ত করতে হবে।
- অপরাধীকে শান্তি প্রদানের উপর গুরুত্ব দেয়ার পাশাপাশি সংশোধনে পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।
- প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার ক্ষেত্রে মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি তৈরির শিক্ষার উপর জোর দিতে হবে।
- শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী, পাড়া-মহল্লায় বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষের সাথে নারীর প্রতি সহিংসতার বিরুদ্ধে সচেতনতামূলক কার্যক্রম বাড়াতে হবে।
- নারী ও মেয়ে শিশুর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে, পরিস্থিতির উত্তরণে সাংস্কৃতিক চর্চা বাড়ানোসহ সরকার ও সমাজের যৌথ উদ্যোগ বৃদ্ধি করতে হবে। সহিংসতা নিরসনে আন্তর্জাতিক নীতিমালাগুলো অনুসরণ করতে হবে।
সংবাদ সম্মেলনে এসময় বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সভাপতি ডা. ফওজিয়া মোসলেম, সাধারণ সম্পাদক মালেকা বানু, সিনিয়র প্রশিক্ষণ ও গবেষণা কর্মকর্তা আফরুজা আরমানসহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

২০২৪ সালের তুলনায় ২০২৫ সালে নারী ও কন্যা নির্যাতন বেড়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ।
সোমবার (২৭ জুলাই) জাতীয় প্রেস ক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী হলে আয়োজিত ‘বাংলাদেশে নারী ও কন্যা নির্যাতন চিত্র-২০২৫’ শীর্ষক সমীক্ষা প্রতিবেদন প্রকাশ উপলক্ষ্যে সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য তুলে ধরা হয়।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের তুলনায় ২০২৫ সালে নারী ও কন্যা নির্যাতন বেড়েছে। একক ও সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ২০২৪ সালে ৪৮৭ টি ছিল, কিন্তু ২০২৫ সালে বেড়ে ৭৪৮ হয়েছে। হত্যার পরিমাণও ৫২৮ থেকে ৬৩২ এ দাঁড়িয়েছে। তবে, যৌন হয়রানি সহিংসতা নির্যাতন ২০২৪ সালে বেশি থাকলেও ২০২৫ সালে কমেছে। এছাড়া বাল্যবিবাহ ২০২৪ সালে ছিল ২০ টি, ২০২৫ সালে সেটি কমে ৮ এ এসে দাঁড়িয়েছে।

প্রতিবেদনে নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধ এবং প্রতিকারের জন্য ২০ টি সুপারিশ করা হয়েছে। সুপারিশগুলো হলোঃ
- নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা নিরসনে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোকে একসাথে কাজ করতে হবে।
- ভুক্তভোগীকে দোষারোপ না করে সহিংসতার সাথে যুক্ত ব্যক্তির সামাজিক, পারিবারিক ক্ষেত্রগুলোর দিকে মনোযোগ দিতে হবে।
- নারীর প্রতি ঘৃনা-বিদ্বেষ ছড়ানো, ধর্মের নামে নারীকে ঘরে বন্দী করার অপ্রয়াস বন্ধ করতে হবে।
- সহিংসতার প্রতিকার, ন্যায়বিচার নিশ্চিতকরণে ফরেনসিক বিভাগকে আরও আধুনিকায়ন করতে হবে।
- আলামত সংরক্ষণসহ ভিকটিমের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে।
- নারী ও মেয়ে শিশুর প্রতি সহিংসতার সাথে যুক্ত ব্যক্তিবর্গের অনলাইন ডাটাবেইজ তৈরি করতে হবে।
- নারীর অধিকার ও সুরক্ষার ক্ষেত্রে কিশোর-কিশোরীদের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে কিশোর-কিশোরী ক্লাবের সংখ্যা বৃদ্ধি করতে হবে।
- ভিকটিম কেন্দ্রিক পুলিশিং ব্যবস্থা নিশ্চিত করাসহ প্রতিটি জেলায় একটি করে ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টার প্রতিষ্ঠা করতে হবে।
- নারী ও মেয়ে শিশুর প্রতি সহিংসতার বিরুদ্ধে কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের কনটেন্ট তৈরি করতে হবে।
- নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে তথ্য মন্ত্রণালয়কে ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার, কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের সাথে সভা করতে হবে।
- ডিজিটাল, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের ইতিবাচক ব্যবহার নিশ্চিত, নেতিবাচক ব্যবহার বন্ধসহ সাইবার সহিংসতা প্রতিরোধে সচেতনতামূলক কর্মসূচি গ্রহণ করতে হবে।
- অপরাধ প্রবণতা নিরসনে পর্ণোগ্রাফির বিরুদ্ধে পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।
- কিশোর গ্যাং এর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
- নারী ও মেয়ে শিশুর প্রতি সহিংসতার বিরুদ্ধে এফ এম রেডিও-তে সচেতনতার বার্তা ছড়িয়ে দিতে হবে।
- ইমামদের প্রশিক্ষণ সূচিতে নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধের বিষয়টি যুক্ত করতে হবে।
- অপরাধীকে শান্তি প্রদানের উপর গুরুত্ব দেয়ার পাশাপাশি সংশোধনে পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।
- প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার ক্ষেত্রে মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি তৈরির শিক্ষার উপর জোর দিতে হবে।
- শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী, পাড়া-মহল্লায় বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষের সাথে নারীর প্রতি সহিংসতার বিরুদ্ধে সচেতনতামূলক কার্যক্রম বাড়াতে হবে।
- নারী ও মেয়ে শিশুর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে, পরিস্থিতির উত্তরণে সাংস্কৃতিক চর্চা বাড়ানোসহ সরকার ও সমাজের যৌথ উদ্যোগ বৃদ্ধি করতে হবে। সহিংসতা নিরসনে আন্তর্জাতিক নীতিমালাগুলো অনুসরণ করতে হবে।
সংবাদ সম্মেলনে এসময় বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সভাপতি ডা. ফওজিয়া মোসলেম, সাধারণ সম্পাদক মালেকা বানু, সিনিয়র প্রশিক্ষণ ও গবেষণা কর্মকর্তা আফরুজা আরমানসহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

২০২৫ সালে বেড়েছে নারী ও কন্যা শিশু নির্যাতন
নিজস্ব প্রতিবেদক

২০২৪ সালের তুলনায় ২০২৫ সালে নারী ও কন্যা নির্যাতন বেড়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ।
সোমবার (২৭ জুলাই) জাতীয় প্রেস ক্লাবের জহুর হোসেন চৌধুরী হলে আয়োজিত ‘বাংলাদেশে নারী ও কন্যা নির্যাতন চিত্র-২০২৫’ শীর্ষক সমীক্ষা প্রতিবেদন প্রকাশ উপলক্ষ্যে সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য তুলে ধরা হয়।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের তুলনায় ২০২৫ সালে নারী ও কন্যা নির্যাতন বেড়েছে। একক ও সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ২০২৪ সালে ৪৮৭ টি ছিল, কিন্তু ২০২৫ সালে বেড়ে ৭৪৮ হয়েছে। হত্যার পরিমাণও ৫২৮ থেকে ৬৩২ এ দাঁড়িয়েছে। তবে, যৌন হয়রানি সহিংসতা নির্যাতন ২০২৪ সালে বেশি থাকলেও ২০২৫ সালে কমেছে। এছাড়া বাল্যবিবাহ ২০২৪ সালে ছিল ২০ টি, ২০২৫ সালে সেটি কমে ৮ এ এসে দাঁড়িয়েছে।

প্রতিবেদনে নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধ এবং প্রতিকারের জন্য ২০ টি সুপারিশ করা হয়েছে। সুপারিশগুলো হলোঃ
- নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা নিরসনে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোকে একসাথে কাজ করতে হবে।
- ভুক্তভোগীকে দোষারোপ না করে সহিংসতার সাথে যুক্ত ব্যক্তির সামাজিক, পারিবারিক ক্ষেত্রগুলোর দিকে মনোযোগ দিতে হবে।
- নারীর প্রতি ঘৃনা-বিদ্বেষ ছড়ানো, ধর্মের নামে নারীকে ঘরে বন্দী করার অপ্রয়াস বন্ধ করতে হবে।
- সহিংসতার প্রতিকার, ন্যায়বিচার নিশ্চিতকরণে ফরেনসিক বিভাগকে আরও আধুনিকায়ন করতে হবে।
- আলামত সংরক্ষণসহ ভিকটিমের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে।
- নারী ও মেয়ে শিশুর প্রতি সহিংসতার সাথে যুক্ত ব্যক্তিবর্গের অনলাইন ডাটাবেইজ তৈরি করতে হবে।
- নারীর অধিকার ও সুরক্ষার ক্ষেত্রে কিশোর-কিশোরীদের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে কিশোর-কিশোরী ক্লাবের সংখ্যা বৃদ্ধি করতে হবে।
- ভিকটিম কেন্দ্রিক পুলিশিং ব্যবস্থা নিশ্চিত করাসহ প্রতিটি জেলায় একটি করে ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টার প্রতিষ্ঠা করতে হবে।
- নারী ও মেয়ে শিশুর প্রতি সহিংসতার বিরুদ্ধে কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের কনটেন্ট তৈরি করতে হবে।
- নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে তথ্য মন্ত্রণালয়কে ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার, কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের সাথে সভা করতে হবে।
- ডিজিটাল, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের ইতিবাচক ব্যবহার নিশ্চিত, নেতিবাচক ব্যবহার বন্ধসহ সাইবার সহিংসতা প্রতিরোধে সচেতনতামূলক কর্মসূচি গ্রহণ করতে হবে।
- অপরাধ প্রবণতা নিরসনে পর্ণোগ্রাফির বিরুদ্ধে পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।
- কিশোর গ্যাং এর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
- নারী ও মেয়ে শিশুর প্রতি সহিংসতার বিরুদ্ধে এফ এম রেডিও-তে সচেতনতার বার্তা ছড়িয়ে দিতে হবে।
- ইমামদের প্রশিক্ষণ সূচিতে নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধের বিষয়টি যুক্ত করতে হবে।
- অপরাধীকে শান্তি প্রদানের উপর গুরুত্ব দেয়ার পাশাপাশি সংশোধনে পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।
- প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার ক্ষেত্রে মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি তৈরির শিক্ষার উপর জোর দিতে হবে।
- শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী, পাড়া-মহল্লায় বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষের সাথে নারীর প্রতি সহিংসতার বিরুদ্ধে সচেতনতামূলক কার্যক্রম বাড়াতে হবে।
- নারী ও মেয়ে শিশুর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে, পরিস্থিতির উত্তরণে সাংস্কৃতিক চর্চা বাড়ানোসহ সরকার ও সমাজের যৌথ উদ্যোগ বৃদ্ধি করতে হবে। সহিংসতা নিরসনে আন্তর্জাতিক নীতিমালাগুলো অনুসরণ করতে হবে।
সংবাদ সম্মেলনে এসময় বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সভাপতি ডা. ফওজিয়া মোসলেম, সাধারণ সম্পাদক মালেকা বানু, সিনিয়র প্রশিক্ষণ ও গবেষণা কর্মকর্তা আফরুজা আরমানসহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।

নারী ও শিশু খাতে ৫ হাজার ১৯৬ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব







