যৌন নিপীড়নের বিচার দাবিতে খুবিতে মশাল মিছিল

যৌন নিপীড়নের বিচার দাবিতে খুবিতে মশাল মিছিল
সিজেডএন ডেস্ক

যৌন হয়রানি, বিচারহীনতা এবং সব ধরনের নিপীড়নের বিরুদ্ধে আন্দোলনের ষষ্ঠ দিনেও ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন করে প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করেছেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুবি) শিক্ষার্থীরা। আন্দোলনের অংশ হিসেবে সোমবার (২৭ জুলাই) রাতে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে মশাল প্রজ্বলন ও প্রতিবাদী গণসংগীতের আয়োজন করা হয়।
রাত সাড়ে আটটার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের অদম্য বাংলার পাদদেশে শুরু হওয়া এ কর্মসূচিতে বিভিন্ন ডিসিপ্লিনের শিক্ষার্থীরা অংশ নেন। নিরাপদ শিক্ষাঙ্গন, যৌন নিপীড়নের সুষ্ঠু বিচার এবং প্রশাসনের জবাবদিহি নিশ্চিত করার দাবিতে তারা সম্মিলিত কণ্ঠে বিভিন্ন প্রতিবাদী গান পরিবেশন করেন। রাত প্রায় ১০টা পর্যন্ত কর্মসূচি চলে।
সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই শিক্ষকের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ এবং বিজয় ’২৪ হলের এক ক্যানটিনকর্মীর বিরুদ্ধে গোপনে ছাত্রীদের ভিডিও ধারণের অভিযোগকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীরা অনির্দিষ্টকালের জন্য ক্লাস-পরীক্ষা ও প্রশাসনিক কার্যক্রম বর্জনের ঘোষণা দেন। এর ধারাবাহিকতায় গত বৃহস্পতিবার প্রশাসনিক ও একাডেমিক ভবনগুলোতে তালা ঝুলিয়ে দেওয়া হয়। পরে রোববার সকালে তালা খুলে দেওয়া হলেও ক্লাস-পরীক্ষা বর্জনের কর্মসূচি এখনো অব্যাহত রয়েছে।
গণসংগীতের আয়োজন থেকে শিক্ষার্থীরা জানান, যৌন হয়রানিসহ সব ধরনের নিপীড়নের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের ঐক্যবদ্ধ অবস্থান এবং ভুক্তভোগীদের প্রতি সংহতি প্রকাশ করতেই এ ব্যতিক্রমধর্মী কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে।
চলমান আন্দোলনের অংশ হিসেবে শিক্ষার্থীরা তিন দফা দাবি উত্থাপন করেছেন। দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে—বিজয় ’২৪ হলের ছাত্রীদের গোপনে ভিডিও ধারণের অভিযোগে অভিযুক্ত ক্যানটিনকর্মী ইমাম হাসানের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা এবং দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে সংশ্লিষ্ট হল প্রভোস্ট বডিকে জবাবদিহির আওতায় আনা; যৌন হয়রানির অভিযোগে অভিযুক্ত বাংলা ডিসিপ্লিনের অধ্যাপক রুবেল আনছার এবং অ্যাগ্রোটেকনোলজি ডিসিপ্লিনের অধ্যাপক রেজাউল ইসলামকে দ্রুত স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা; এবং সম্প্রতি গঠিত ‘স্পন্দন-২৪’ ক্লাবের নিবন্ধন বাতিল করা। শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, ক্লাবটি গঠনের প্রক্রিয়া ও উদ্দেশ্য নিয়ে নানা প্রশ্ন রয়েছে।
মশাল প্রজ্বলন কর্মসূচি শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী হাবিবুল্লাহ খান বলেন, দীর্ঘদিন ধরে চলা যৌন হয়রানি, বিচারহীনতা এবং বিভিন্ন ধরনের নিপীড়নের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের কণ্ঠ আরও জোরালো করতেই এ গণসংগীতের আয়োজন করা হয়েছে। তিনি বলেন, ভুক্তভোগীদের ন্যায়বিচার নিশ্চিত না হওয়া এবং শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক দাবিগুলো বাস্তবায়িত না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে। প্রয়োজন হলে আগামী দিনগুলোতেও ধারাবাহিক কর্মসূচি পালন করা হবে।
এদিকে শিক্ষার্থীদের তিন দফা দাবির বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ইতোমধ্যে একটি লিখিত বিবৃতি দিয়েছে বলে জানিয়েছেন ছাত্রবিষয়ক পরিচালক অধ্যাপক মো. সালাউদ্দীন। তিনি বলেন, পাঁচ কর্মদিবসের মধ্যে তদন্ত শেষ করার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। সোমবার পর্যন্ত দুই কর্মদিবস অতিক্রম হয়েছে এবং তদন্তকাজ সন্তোষজনকভাবে এগোচ্ছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়া সম্ভব হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। তদন্ত শেষ হওয়ার পর দ্রুত সিন্ডিকেট সভা ডেকে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস ও সভ্যতা ডিসিপ্লিনের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী রানা মিয়া বলেন, সেশনজট না থাকায় খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। কিন্তু চলমান অচলাবস্থার কারণে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়ছেন শিক্ষার্থীরাই। তিনি বলেন, স্থায়ী ও গ্রহণযোগ্য সমাধান না হওয়া পর্যন্ত তারা ক্লাসে ফিরবেন না। তাই শিক্ষার্থীদের স্বার্থে দ্রুত এই সংকটের টেকসই সমাধান হওয়া প্রয়োজন।

যৌন হয়রানি, বিচারহীনতা এবং সব ধরনের নিপীড়নের বিরুদ্ধে আন্দোলনের ষষ্ঠ দিনেও ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন করে প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করেছেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুবি) শিক্ষার্থীরা। আন্দোলনের অংশ হিসেবে সোমবার (২৭ জুলাই) রাতে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে মশাল প্রজ্বলন ও প্রতিবাদী গণসংগীতের আয়োজন করা হয়।
রাত সাড়ে আটটার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের অদম্য বাংলার পাদদেশে শুরু হওয়া এ কর্মসূচিতে বিভিন্ন ডিসিপ্লিনের শিক্ষার্থীরা অংশ নেন। নিরাপদ শিক্ষাঙ্গন, যৌন নিপীড়নের সুষ্ঠু বিচার এবং প্রশাসনের জবাবদিহি নিশ্চিত করার দাবিতে তারা সম্মিলিত কণ্ঠে বিভিন্ন প্রতিবাদী গান পরিবেশন করেন। রাত প্রায় ১০টা পর্যন্ত কর্মসূচি চলে।
সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই শিক্ষকের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ এবং বিজয় ’২৪ হলের এক ক্যানটিনকর্মীর বিরুদ্ধে গোপনে ছাত্রীদের ভিডিও ধারণের অভিযোগকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীরা অনির্দিষ্টকালের জন্য ক্লাস-পরীক্ষা ও প্রশাসনিক কার্যক্রম বর্জনের ঘোষণা দেন। এর ধারাবাহিকতায় গত বৃহস্পতিবার প্রশাসনিক ও একাডেমিক ভবনগুলোতে তালা ঝুলিয়ে দেওয়া হয়। পরে রোববার সকালে তালা খুলে দেওয়া হলেও ক্লাস-পরীক্ষা বর্জনের কর্মসূচি এখনো অব্যাহত রয়েছে।
গণসংগীতের আয়োজন থেকে শিক্ষার্থীরা জানান, যৌন হয়রানিসহ সব ধরনের নিপীড়নের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের ঐক্যবদ্ধ অবস্থান এবং ভুক্তভোগীদের প্রতি সংহতি প্রকাশ করতেই এ ব্যতিক্রমধর্মী কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে।
চলমান আন্দোলনের অংশ হিসেবে শিক্ষার্থীরা তিন দফা দাবি উত্থাপন করেছেন। দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে—বিজয় ’২৪ হলের ছাত্রীদের গোপনে ভিডিও ধারণের অভিযোগে অভিযুক্ত ক্যানটিনকর্মী ইমাম হাসানের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা এবং দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে সংশ্লিষ্ট হল প্রভোস্ট বডিকে জবাবদিহির আওতায় আনা; যৌন হয়রানির অভিযোগে অভিযুক্ত বাংলা ডিসিপ্লিনের অধ্যাপক রুবেল আনছার এবং অ্যাগ্রোটেকনোলজি ডিসিপ্লিনের অধ্যাপক রেজাউল ইসলামকে দ্রুত স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা; এবং সম্প্রতি গঠিত ‘স্পন্দন-২৪’ ক্লাবের নিবন্ধন বাতিল করা। শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, ক্লাবটি গঠনের প্রক্রিয়া ও উদ্দেশ্য নিয়ে নানা প্রশ্ন রয়েছে।
মশাল প্রজ্বলন কর্মসূচি শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী হাবিবুল্লাহ খান বলেন, দীর্ঘদিন ধরে চলা যৌন হয়রানি, বিচারহীনতা এবং বিভিন্ন ধরনের নিপীড়নের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের কণ্ঠ আরও জোরালো করতেই এ গণসংগীতের আয়োজন করা হয়েছে। তিনি বলেন, ভুক্তভোগীদের ন্যায়বিচার নিশ্চিত না হওয়া এবং শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক দাবিগুলো বাস্তবায়িত না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে। প্রয়োজন হলে আগামী দিনগুলোতেও ধারাবাহিক কর্মসূচি পালন করা হবে।
এদিকে শিক্ষার্থীদের তিন দফা দাবির বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ইতোমধ্যে একটি লিখিত বিবৃতি দিয়েছে বলে জানিয়েছেন ছাত্রবিষয়ক পরিচালক অধ্যাপক মো. সালাউদ্দীন। তিনি বলেন, পাঁচ কর্মদিবসের মধ্যে তদন্ত শেষ করার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। সোমবার পর্যন্ত দুই কর্মদিবস অতিক্রম হয়েছে এবং তদন্তকাজ সন্তোষজনকভাবে এগোচ্ছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়া সম্ভব হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। তদন্ত শেষ হওয়ার পর দ্রুত সিন্ডিকেট সভা ডেকে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস ও সভ্যতা ডিসিপ্লিনের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী রানা মিয়া বলেন, সেশনজট না থাকায় খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। কিন্তু চলমান অচলাবস্থার কারণে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়ছেন শিক্ষার্থীরাই। তিনি বলেন, স্থায়ী ও গ্রহণযোগ্য সমাধান না হওয়া পর্যন্ত তারা ক্লাসে ফিরবেন না। তাই শিক্ষার্থীদের স্বার্থে দ্রুত এই সংকটের টেকসই সমাধান হওয়া প্রয়োজন।

যৌন নিপীড়নের বিচার দাবিতে খুবিতে মশাল মিছিল
সিজেডএন ডেস্ক

যৌন হয়রানি, বিচারহীনতা এবং সব ধরনের নিপীড়নের বিরুদ্ধে আন্দোলনের ষষ্ঠ দিনেও ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন করে প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করেছেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুবি) শিক্ষার্থীরা। আন্দোলনের অংশ হিসেবে সোমবার (২৭ জুলাই) রাতে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে মশাল প্রজ্বলন ও প্রতিবাদী গণসংগীতের আয়োজন করা হয়।
রাত সাড়ে আটটার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের অদম্য বাংলার পাদদেশে শুরু হওয়া এ কর্মসূচিতে বিভিন্ন ডিসিপ্লিনের শিক্ষার্থীরা অংশ নেন। নিরাপদ শিক্ষাঙ্গন, যৌন নিপীড়নের সুষ্ঠু বিচার এবং প্রশাসনের জবাবদিহি নিশ্চিত করার দাবিতে তারা সম্মিলিত কণ্ঠে বিভিন্ন প্রতিবাদী গান পরিবেশন করেন। রাত প্রায় ১০টা পর্যন্ত কর্মসূচি চলে।
সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই শিক্ষকের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ এবং বিজয় ’২৪ হলের এক ক্যানটিনকর্মীর বিরুদ্ধে গোপনে ছাত্রীদের ভিডিও ধারণের অভিযোগকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীরা অনির্দিষ্টকালের জন্য ক্লাস-পরীক্ষা ও প্রশাসনিক কার্যক্রম বর্জনের ঘোষণা দেন। এর ধারাবাহিকতায় গত বৃহস্পতিবার প্রশাসনিক ও একাডেমিক ভবনগুলোতে তালা ঝুলিয়ে দেওয়া হয়। পরে রোববার সকালে তালা খুলে দেওয়া হলেও ক্লাস-পরীক্ষা বর্জনের কর্মসূচি এখনো অব্যাহত রয়েছে।
গণসংগীতের আয়োজন থেকে শিক্ষার্থীরা জানান, যৌন হয়রানিসহ সব ধরনের নিপীড়নের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের ঐক্যবদ্ধ অবস্থান এবং ভুক্তভোগীদের প্রতি সংহতি প্রকাশ করতেই এ ব্যতিক্রমধর্মী কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে।
চলমান আন্দোলনের অংশ হিসেবে শিক্ষার্থীরা তিন দফা দাবি উত্থাপন করেছেন। দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে—বিজয় ’২৪ হলের ছাত্রীদের গোপনে ভিডিও ধারণের অভিযোগে অভিযুক্ত ক্যানটিনকর্মী ইমাম হাসানের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা এবং দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে সংশ্লিষ্ট হল প্রভোস্ট বডিকে জবাবদিহির আওতায় আনা; যৌন হয়রানির অভিযোগে অভিযুক্ত বাংলা ডিসিপ্লিনের অধ্যাপক রুবেল আনছার এবং অ্যাগ্রোটেকনোলজি ডিসিপ্লিনের অধ্যাপক রেজাউল ইসলামকে দ্রুত স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা; এবং সম্প্রতি গঠিত ‘স্পন্দন-২৪’ ক্লাবের নিবন্ধন বাতিল করা। শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, ক্লাবটি গঠনের প্রক্রিয়া ও উদ্দেশ্য নিয়ে নানা প্রশ্ন রয়েছে।
মশাল প্রজ্বলন কর্মসূচি শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী হাবিবুল্লাহ খান বলেন, দীর্ঘদিন ধরে চলা যৌন হয়রানি, বিচারহীনতা এবং বিভিন্ন ধরনের নিপীড়নের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের কণ্ঠ আরও জোরালো করতেই এ গণসংগীতের আয়োজন করা হয়েছে। তিনি বলেন, ভুক্তভোগীদের ন্যায়বিচার নিশ্চিত না হওয়া এবং শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক দাবিগুলো বাস্তবায়িত না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে। প্রয়োজন হলে আগামী দিনগুলোতেও ধারাবাহিক কর্মসূচি পালন করা হবে।
এদিকে শিক্ষার্থীদের তিন দফা দাবির বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ইতোমধ্যে একটি লিখিত বিবৃতি দিয়েছে বলে জানিয়েছেন ছাত্রবিষয়ক পরিচালক অধ্যাপক মো. সালাউদ্দীন। তিনি বলেন, পাঁচ কর্মদিবসের মধ্যে তদন্ত শেষ করার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। সোমবার পর্যন্ত দুই কর্মদিবস অতিক্রম হয়েছে এবং তদন্তকাজ সন্তোষজনকভাবে এগোচ্ছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়া সম্ভব হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। তদন্ত শেষ হওয়ার পর দ্রুত সিন্ডিকেট সভা ডেকে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস ও সভ্যতা ডিসিপ্লিনের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী রানা মিয়া বলেন, সেশনজট না থাকায় খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। কিন্তু চলমান অচলাবস্থার কারণে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়ছেন শিক্ষার্থীরাই। তিনি বলেন, স্থায়ী ও গ্রহণযোগ্য সমাধান না হওয়া পর্যন্ত তারা ক্লাসে ফিরবেন না। তাই শিক্ষার্থীদের স্বার্থে দ্রুত এই সংকটের টেকসই সমাধান হওয়া প্রয়োজন।








