ট্রাম্প-পুতিন ফোনালাপ, রুশ তেলের উপর নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার ইঙ্গিত

ট্রাম্প-পুতিন ফোনালাপ, রুশ তেলের উপর নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার ইঙ্গিত
সিটিজেন ডেস্ক

ইরান যুদ্ধ ও ইউক্রেনে শান্তির সম্ভাবনা নিয়ে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে কথা বলেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বিশ্বব্যাপী জ্বালানি সংকট বৈশ্বিক অর্থনীতিকে হুমকির মুখে ফেলছে, সোমবার (৯ মার্চ) পুতিন এমন সতর্কতা জানানোর কয়েক ঘণ্টা পর দুই প্রেসিডেন্ট ফোনে কথা বলেন। পরিস্থিতি সামাল দিতে রাশিয়ার তেলের বিরুদ্ধে আরোপ করা কিছু ‘নিষেধাজ্ঞা’ প্রত্যাহারের কথা জানিয়েছেন ট্রাম্প।
বিশ্বের মোট তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাস রপ্তানির ২০ শতাংশ হয় ইরানের সীমান্তবর্তী হরমুজ প্রণালি দিয়ে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলা শুরুর পর কৌশলগত দিক দিয়ে গুরুত্বপূর্ণ ওই নৌপথে জ্বালানি তেল পরিবহন কার্যত বন্ধ আছে। এর প্রভাবে বিশ্ব বাজারে তেলের দাম অস্বাভাবিক বেড়েছে।
রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিনের সঙ্গে ফোনে কথা বলার পর গণমাধ্যমকে ট্রাম্প বলেন, আমরা কয়েকটি দেশের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছি। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত আমরা সেগুলো বাতিল করব।
ট্রাম্প কোনো সুনির্দিষ্ট দেশের নাম বলেননি। এমনকী, কোন ধরনের নিষেধাজ্ঞা এবং সেটা কীভাবে বাতিল করবেন, সে বিষয়েও কিছু জানাননি। তবে বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এসব দেশের মধ্যে রাশিয়া থাকার প্রবল সম্ভাবনা আছে।
ক্রেমলিন জানিয়েছে, ট্রাম্প পুতিনকে ফোন করেছিলেন। এটি চলতি বছরে এই দুই নেতার প্রথম ফোনালাপ। তারা ইরান যুদ্ধ দ্রুত শেষ করার রাশিয়ার ধারণা, ইউক্রেনের সামরিক পরিস্থিতি এবং বিশ্ব তেলের বাজারে ভেনেজুয়েলার প্রভাব নিয়ে আলোচনা করেন।
নিজের ফ্লোরিডার গল্ফ ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে ট্রাম্প বলেন, প্রেসিডেন্ট পুতিনের সঙ্গে আমার বেশ ভালো আলাপ হয়েছে। পুতিন ইরান প্রসঙ্গে সাহায্য করার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।
বিশ্বের সবচেয়ে বড় তেল উৎপাদন ও রপ্তানিকারক দেশের অন্যতম রাশিয়া। আর রাশিয়ার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য অংশীদার ও তেল আমদানিকারক দেশ হলো চীন।
গত ৬ মার্চ যুক্তরাষ্ট্র সাময়িকভাবে ভারতকে রাশিয়ার কাছ থেকে তেল কেনার অনুমোদন দেয়। মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট এ বিষয়ে বলেন, তেলের বৈশ্বিক বাজারে সরবরাহ সচল রাখতে এই ছাড় একটি ‘ইচ্ছাকৃত স্বল্পমেয়াদি উদ্যোগ’।
ইউক্রেনে সামরিক অভিযান শুরুর পর মস্কোর বিরুদ্ধে বিভিন্ন অর্থনৈতিক বিধিনিষেধ আরোপ করে যুক্তরাষ্ট্র। এমনকী, ভারতের মতো মিত্র দেশগুলোও যেন রাশিয়ার সঙ্গে ব্যবসা না করতে পারে, সে বিষয়েও অগ্রগামী ভূমিকায় দেখা যায় ট্রাম্প ও তার প্রশাসনকে।
তবে এ ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম সৃষ্টি করে নরেন্দ্র মোদির ভারতকে জ্বালানি সংকট কাটিয়ে ওঠার জন্য রুশ তেল কেনার অনুমতি দেন ট্রাম্প।

ইরান যুদ্ধ ও ইউক্রেনে শান্তির সম্ভাবনা নিয়ে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে কথা বলেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বিশ্বব্যাপী জ্বালানি সংকট বৈশ্বিক অর্থনীতিকে হুমকির মুখে ফেলছে, সোমবার (৯ মার্চ) পুতিন এমন সতর্কতা জানানোর কয়েক ঘণ্টা পর দুই প্রেসিডেন্ট ফোনে কথা বলেন। পরিস্থিতি সামাল দিতে রাশিয়ার তেলের বিরুদ্ধে আরোপ করা কিছু ‘নিষেধাজ্ঞা’ প্রত্যাহারের কথা জানিয়েছেন ট্রাম্প।
বিশ্বের মোট তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাস রপ্তানির ২০ শতাংশ হয় ইরানের সীমান্তবর্তী হরমুজ প্রণালি দিয়ে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলা শুরুর পর কৌশলগত দিক দিয়ে গুরুত্বপূর্ণ ওই নৌপথে জ্বালানি তেল পরিবহন কার্যত বন্ধ আছে। এর প্রভাবে বিশ্ব বাজারে তেলের দাম অস্বাভাবিক বেড়েছে।
রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিনের সঙ্গে ফোনে কথা বলার পর গণমাধ্যমকে ট্রাম্প বলেন, আমরা কয়েকটি দেশের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছি। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত আমরা সেগুলো বাতিল করব।
ট্রাম্প কোনো সুনির্দিষ্ট দেশের নাম বলেননি। এমনকী, কোন ধরনের নিষেধাজ্ঞা এবং সেটা কীভাবে বাতিল করবেন, সে বিষয়েও কিছু জানাননি। তবে বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এসব দেশের মধ্যে রাশিয়া থাকার প্রবল সম্ভাবনা আছে।
ক্রেমলিন জানিয়েছে, ট্রাম্প পুতিনকে ফোন করেছিলেন। এটি চলতি বছরে এই দুই নেতার প্রথম ফোনালাপ। তারা ইরান যুদ্ধ দ্রুত শেষ করার রাশিয়ার ধারণা, ইউক্রেনের সামরিক পরিস্থিতি এবং বিশ্ব তেলের বাজারে ভেনেজুয়েলার প্রভাব নিয়ে আলোচনা করেন।
নিজের ফ্লোরিডার গল্ফ ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে ট্রাম্প বলেন, প্রেসিডেন্ট পুতিনের সঙ্গে আমার বেশ ভালো আলাপ হয়েছে। পুতিন ইরান প্রসঙ্গে সাহায্য করার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।
বিশ্বের সবচেয়ে বড় তেল উৎপাদন ও রপ্তানিকারক দেশের অন্যতম রাশিয়া। আর রাশিয়ার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য অংশীদার ও তেল আমদানিকারক দেশ হলো চীন।
গত ৬ মার্চ যুক্তরাষ্ট্র সাময়িকভাবে ভারতকে রাশিয়ার কাছ থেকে তেল কেনার অনুমোদন দেয়। মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট এ বিষয়ে বলেন, তেলের বৈশ্বিক বাজারে সরবরাহ সচল রাখতে এই ছাড় একটি ‘ইচ্ছাকৃত স্বল্পমেয়াদি উদ্যোগ’।
ইউক্রেনে সামরিক অভিযান শুরুর পর মস্কোর বিরুদ্ধে বিভিন্ন অর্থনৈতিক বিধিনিষেধ আরোপ করে যুক্তরাষ্ট্র। এমনকী, ভারতের মতো মিত্র দেশগুলোও যেন রাশিয়ার সঙ্গে ব্যবসা না করতে পারে, সে বিষয়েও অগ্রগামী ভূমিকায় দেখা যায় ট্রাম্প ও তার প্রশাসনকে।
তবে এ ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম সৃষ্টি করে নরেন্দ্র মোদির ভারতকে জ্বালানি সংকট কাটিয়ে ওঠার জন্য রুশ তেল কেনার অনুমতি দেন ট্রাম্প।

ট্রাম্প-পুতিন ফোনালাপ, রুশ তেলের উপর নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার ইঙ্গিত
সিটিজেন ডেস্ক

ইরান যুদ্ধ ও ইউক্রেনে শান্তির সম্ভাবনা নিয়ে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে কথা বলেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বিশ্বব্যাপী জ্বালানি সংকট বৈশ্বিক অর্থনীতিকে হুমকির মুখে ফেলছে, সোমবার (৯ মার্চ) পুতিন এমন সতর্কতা জানানোর কয়েক ঘণ্টা পর দুই প্রেসিডেন্ট ফোনে কথা বলেন। পরিস্থিতি সামাল দিতে রাশিয়ার তেলের বিরুদ্ধে আরোপ করা কিছু ‘নিষেধাজ্ঞা’ প্রত্যাহারের কথা জানিয়েছেন ট্রাম্প।
বিশ্বের মোট তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাস রপ্তানির ২০ শতাংশ হয় ইরানের সীমান্তবর্তী হরমুজ প্রণালি দিয়ে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলা শুরুর পর কৌশলগত দিক দিয়ে গুরুত্বপূর্ণ ওই নৌপথে জ্বালানি তেল পরিবহন কার্যত বন্ধ আছে। এর প্রভাবে বিশ্ব বাজারে তেলের দাম অস্বাভাবিক বেড়েছে।
রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিনের সঙ্গে ফোনে কথা বলার পর গণমাধ্যমকে ট্রাম্প বলেন, আমরা কয়েকটি দেশের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছি। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত আমরা সেগুলো বাতিল করব।
ট্রাম্প কোনো সুনির্দিষ্ট দেশের নাম বলেননি। এমনকী, কোন ধরনের নিষেধাজ্ঞা এবং সেটা কীভাবে বাতিল করবেন, সে বিষয়েও কিছু জানাননি। তবে বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এসব দেশের মধ্যে রাশিয়া থাকার প্রবল সম্ভাবনা আছে।
ক্রেমলিন জানিয়েছে, ট্রাম্প পুতিনকে ফোন করেছিলেন। এটি চলতি বছরে এই দুই নেতার প্রথম ফোনালাপ। তারা ইরান যুদ্ধ দ্রুত শেষ করার রাশিয়ার ধারণা, ইউক্রেনের সামরিক পরিস্থিতি এবং বিশ্ব তেলের বাজারে ভেনেজুয়েলার প্রভাব নিয়ে আলোচনা করেন।
নিজের ফ্লোরিডার গল্ফ ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে ট্রাম্প বলেন, প্রেসিডেন্ট পুতিনের সঙ্গে আমার বেশ ভালো আলাপ হয়েছে। পুতিন ইরান প্রসঙ্গে সাহায্য করার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।
বিশ্বের সবচেয়ে বড় তেল উৎপাদন ও রপ্তানিকারক দেশের অন্যতম রাশিয়া। আর রাশিয়ার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য অংশীদার ও তেল আমদানিকারক দেশ হলো চীন।
গত ৬ মার্চ যুক্তরাষ্ট্র সাময়িকভাবে ভারতকে রাশিয়ার কাছ থেকে তেল কেনার অনুমোদন দেয়। মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট এ বিষয়ে বলেন, তেলের বৈশ্বিক বাজারে সরবরাহ সচল রাখতে এই ছাড় একটি ‘ইচ্ছাকৃত স্বল্পমেয়াদি উদ্যোগ’।
ইউক্রেনে সামরিক অভিযান শুরুর পর মস্কোর বিরুদ্ধে বিভিন্ন অর্থনৈতিক বিধিনিষেধ আরোপ করে যুক্তরাষ্ট্র। এমনকী, ভারতের মতো মিত্র দেশগুলোও যেন রাশিয়ার সঙ্গে ব্যবসা না করতে পারে, সে বিষয়েও অগ্রগামী ভূমিকায় দেখা যায় ট্রাম্প ও তার প্রশাসনকে।
তবে এ ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম সৃষ্টি করে নরেন্দ্র মোদির ভারতকে জ্বালানি সংকট কাটিয়ে ওঠার জন্য রুশ তেল কেনার অনুমতি দেন ট্রাম্প।




