ডিম কতটা টাটকা বুঝবেন যেভাবে

ডিম কতটা টাটকা বুঝবেন যেভাবে
সিটিজেন ডেস্ক

ডিমকে প্রোটিনের অন্যতম উৎকৃষ্ট উৎস হিসেবে বিবেচনা করা হয়। তাই অনেকেরই প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় থাকে এই পুষ্টিকর খাবারটি। তবে গরমের দিনে অন্যান্য খাদ্যপণ্যের মতো ডিমও দ্রুত নষ্ট হয়ে যেতে পারে। সমস্যা হলো, বাইরের খোসা দেখে অধিকাংশ সময় বোঝা যায় না ডিমটি টাটকা কি না। ফলে অনেকেই না জেনেই পচা বা নষ্ট ডিম কিনে ফেলেন। এতে যেমন অর্থের অপচয় হয়, তেমনি স্বাস্থ্যঝুঁকির আশঙ্কাও থাকে।
অনেক ক্রেতা ডিমের কার্টনে লেখা থাকা তারিখ দেখে এর সতেজতা যাচাই করার চেষ্টা করেন। কিন্তু সেই তারিখ সব সময় ডিমের প্রকৃত অবস্থা নির্দেশ করে না। কোথাও সেটি প্যাকেজিংয়ের তারিখ, আবার কোথাও ব্যবহারের শেষ সময় উল্লেখ করা থাকে। আর কার্টন থেকে আলাদা করে বিক্রি করা ডিমের ক্ষেত্রে বয়স বা সতেজতা নির্ণয় করা আরোও কঠিন হয়ে পড়ে।
তবে খুব সহজ একটি পদ্ধতিতে জানা সম্ভব ডিম টাটকা নাকি পুরোনো। এ পদ্ধতির নাম ‘ফ্লোট টেস্ট’ বা জলে ভাসানোর পরীক্ষা। এ জন্য একটি গভীর পাত্রে পর্যাপ্ত পরিমাণ ঠান্ডা পানি নিতে হবে, যাতে ডিম সম্পূর্ণ ডুবে যায়। এরপর ডিমটি আলতোভাবে পানিতে ছেড়ে দিন। যদি ডিমটি পানির তলদেশে গিয়ে সমতলভাবে থাকে, তাহলে সেটি একেবারে টাটকা বলে ধরে নেওয়া যায়।
অন্যদিকে, ডিমটি যদি তলদেশে গিয়ে সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে থাকে বা কিছুটা কাত হয়ে থাকে, তাহলে বুঝতে হবে সেটি কয়েক দিনের পুরোনো। যদিও এমন ডিম সাধারণত খাওয়ার জন্য নিরাপদ থাকে, তবে দীর্ঘদিন সংরক্ষণ না করাই ভালো। আর যদি ডিমটি পানির ওপর ভেসে ওঠে, তাহলে সেটি ব্যবহার না করাই উত্তম। কারণ এমন ডিম অনেক পুরোনো হওয়ার পাশাপাশি নষ্ট হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনাও বেশি থাকে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ডিমের খোসার ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র ছিদ্র দিয়ে বাতাস ভেতরে প্রবেশ করে। এতে ডিমের ভেতরে থাকা বায়ুথলি ধীরে ধীরে বড় হতে থাকে। বায়ুর পরিমাণ যত বাড়ে, ডিম তত হালকা হয়ে পানিতে ভেসে ওঠে। বিপরীতে টাটকা ডিমে বায়ুথলি ছোট থাকায় তা পানির তলায় ডুবে যায়।
ডিম ভেঙ্গেও এর সতেজতা সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়। টাটকা ডিমের সাদা অংশ সাধারণত ঘন ও আঠালো ধরনের হয় এবং কুসুম থাকে গোলাকার ও উঁচু। কিন্তু পুরোনো ডিমের সাদা অংশ পাতলা ও জলীয় হয়ে যায়, আর কুসুমও অপেক্ষাকৃত চ্যাপ্টা দেখায়। নষ্ট ডিম শনাক্ত করার সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য উপায় হলো গন্ধ। ডিম ভাঙার সঙ্গে সঙ্গে যদি তীব্র পচা বা সালফারের মতো দুর্গন্ধ বের হয়, তাহলে সেটি কোনোভাবেই খাওয়া উচিত নয়; সঙ্গে সঙ্গে ফেলে দিতে হবে।
ডিমের গুণগত মান বজায় রাখতে সব সময় ফ্রিজে সংরক্ষণ করা উচিত। সম্ভব হলে মূল কার্টনের মধ্যেই ডিম রাখলে তা দীর্ঘ সময় ভালো থাকে এবং বাইরের গন্ধ বা আর্দ্রতার প্রভাব থেকেও সুরক্ষিত থাকে।

ডিমকে প্রোটিনের অন্যতম উৎকৃষ্ট উৎস হিসেবে বিবেচনা করা হয়। তাই অনেকেরই প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় থাকে এই পুষ্টিকর খাবারটি। তবে গরমের দিনে অন্যান্য খাদ্যপণ্যের মতো ডিমও দ্রুত নষ্ট হয়ে যেতে পারে। সমস্যা হলো, বাইরের খোসা দেখে অধিকাংশ সময় বোঝা যায় না ডিমটি টাটকা কি না। ফলে অনেকেই না জেনেই পচা বা নষ্ট ডিম কিনে ফেলেন। এতে যেমন অর্থের অপচয় হয়, তেমনি স্বাস্থ্যঝুঁকির আশঙ্কাও থাকে।
অনেক ক্রেতা ডিমের কার্টনে লেখা থাকা তারিখ দেখে এর সতেজতা যাচাই করার চেষ্টা করেন। কিন্তু সেই তারিখ সব সময় ডিমের প্রকৃত অবস্থা নির্দেশ করে না। কোথাও সেটি প্যাকেজিংয়ের তারিখ, আবার কোথাও ব্যবহারের শেষ সময় উল্লেখ করা থাকে। আর কার্টন থেকে আলাদা করে বিক্রি করা ডিমের ক্ষেত্রে বয়স বা সতেজতা নির্ণয় করা আরোও কঠিন হয়ে পড়ে।
তবে খুব সহজ একটি পদ্ধতিতে জানা সম্ভব ডিম টাটকা নাকি পুরোনো। এ পদ্ধতির নাম ‘ফ্লোট টেস্ট’ বা জলে ভাসানোর পরীক্ষা। এ জন্য একটি গভীর পাত্রে পর্যাপ্ত পরিমাণ ঠান্ডা পানি নিতে হবে, যাতে ডিম সম্পূর্ণ ডুবে যায়। এরপর ডিমটি আলতোভাবে পানিতে ছেড়ে দিন। যদি ডিমটি পানির তলদেশে গিয়ে সমতলভাবে থাকে, তাহলে সেটি একেবারে টাটকা বলে ধরে নেওয়া যায়।
অন্যদিকে, ডিমটি যদি তলদেশে গিয়ে সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে থাকে বা কিছুটা কাত হয়ে থাকে, তাহলে বুঝতে হবে সেটি কয়েক দিনের পুরোনো। যদিও এমন ডিম সাধারণত খাওয়ার জন্য নিরাপদ থাকে, তবে দীর্ঘদিন সংরক্ষণ না করাই ভালো। আর যদি ডিমটি পানির ওপর ভেসে ওঠে, তাহলে সেটি ব্যবহার না করাই উত্তম। কারণ এমন ডিম অনেক পুরোনো হওয়ার পাশাপাশি নষ্ট হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনাও বেশি থাকে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ডিমের খোসার ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র ছিদ্র দিয়ে বাতাস ভেতরে প্রবেশ করে। এতে ডিমের ভেতরে থাকা বায়ুথলি ধীরে ধীরে বড় হতে থাকে। বায়ুর পরিমাণ যত বাড়ে, ডিম তত হালকা হয়ে পানিতে ভেসে ওঠে। বিপরীতে টাটকা ডিমে বায়ুথলি ছোট থাকায় তা পানির তলায় ডুবে যায়।
ডিম ভেঙ্গেও এর সতেজতা সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়। টাটকা ডিমের সাদা অংশ সাধারণত ঘন ও আঠালো ধরনের হয় এবং কুসুম থাকে গোলাকার ও উঁচু। কিন্তু পুরোনো ডিমের সাদা অংশ পাতলা ও জলীয় হয়ে যায়, আর কুসুমও অপেক্ষাকৃত চ্যাপ্টা দেখায়। নষ্ট ডিম শনাক্ত করার সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য উপায় হলো গন্ধ। ডিম ভাঙার সঙ্গে সঙ্গে যদি তীব্র পচা বা সালফারের মতো দুর্গন্ধ বের হয়, তাহলে সেটি কোনোভাবেই খাওয়া উচিত নয়; সঙ্গে সঙ্গে ফেলে দিতে হবে।
ডিমের গুণগত মান বজায় রাখতে সব সময় ফ্রিজে সংরক্ষণ করা উচিত। সম্ভব হলে মূল কার্টনের মধ্যেই ডিম রাখলে তা দীর্ঘ সময় ভালো থাকে এবং বাইরের গন্ধ বা আর্দ্রতার প্রভাব থেকেও সুরক্ষিত থাকে।

ডিম কতটা টাটকা বুঝবেন যেভাবে
সিটিজেন ডেস্ক

ডিমকে প্রোটিনের অন্যতম উৎকৃষ্ট উৎস হিসেবে বিবেচনা করা হয়। তাই অনেকেরই প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় থাকে এই পুষ্টিকর খাবারটি। তবে গরমের দিনে অন্যান্য খাদ্যপণ্যের মতো ডিমও দ্রুত নষ্ট হয়ে যেতে পারে। সমস্যা হলো, বাইরের খোসা দেখে অধিকাংশ সময় বোঝা যায় না ডিমটি টাটকা কি না। ফলে অনেকেই না জেনেই পচা বা নষ্ট ডিম কিনে ফেলেন। এতে যেমন অর্থের অপচয় হয়, তেমনি স্বাস্থ্যঝুঁকির আশঙ্কাও থাকে।
অনেক ক্রেতা ডিমের কার্টনে লেখা থাকা তারিখ দেখে এর সতেজতা যাচাই করার চেষ্টা করেন। কিন্তু সেই তারিখ সব সময় ডিমের প্রকৃত অবস্থা নির্দেশ করে না। কোথাও সেটি প্যাকেজিংয়ের তারিখ, আবার কোথাও ব্যবহারের শেষ সময় উল্লেখ করা থাকে। আর কার্টন থেকে আলাদা করে বিক্রি করা ডিমের ক্ষেত্রে বয়স বা সতেজতা নির্ণয় করা আরোও কঠিন হয়ে পড়ে।
তবে খুব সহজ একটি পদ্ধতিতে জানা সম্ভব ডিম টাটকা নাকি পুরোনো। এ পদ্ধতির নাম ‘ফ্লোট টেস্ট’ বা জলে ভাসানোর পরীক্ষা। এ জন্য একটি গভীর পাত্রে পর্যাপ্ত পরিমাণ ঠান্ডা পানি নিতে হবে, যাতে ডিম সম্পূর্ণ ডুবে যায়। এরপর ডিমটি আলতোভাবে পানিতে ছেড়ে দিন। যদি ডিমটি পানির তলদেশে গিয়ে সমতলভাবে থাকে, তাহলে সেটি একেবারে টাটকা বলে ধরে নেওয়া যায়।
অন্যদিকে, ডিমটি যদি তলদেশে গিয়ে সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে থাকে বা কিছুটা কাত হয়ে থাকে, তাহলে বুঝতে হবে সেটি কয়েক দিনের পুরোনো। যদিও এমন ডিম সাধারণত খাওয়ার জন্য নিরাপদ থাকে, তবে দীর্ঘদিন সংরক্ষণ না করাই ভালো। আর যদি ডিমটি পানির ওপর ভেসে ওঠে, তাহলে সেটি ব্যবহার না করাই উত্তম। কারণ এমন ডিম অনেক পুরোনো হওয়ার পাশাপাশি নষ্ট হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনাও বেশি থাকে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ডিমের খোসার ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র ছিদ্র দিয়ে বাতাস ভেতরে প্রবেশ করে। এতে ডিমের ভেতরে থাকা বায়ুথলি ধীরে ধীরে বড় হতে থাকে। বায়ুর পরিমাণ যত বাড়ে, ডিম তত হালকা হয়ে পানিতে ভেসে ওঠে। বিপরীতে টাটকা ডিমে বায়ুথলি ছোট থাকায় তা পানির তলায় ডুবে যায়।
ডিম ভেঙ্গেও এর সতেজতা সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়। টাটকা ডিমের সাদা অংশ সাধারণত ঘন ও আঠালো ধরনের হয় এবং কুসুম থাকে গোলাকার ও উঁচু। কিন্তু পুরোনো ডিমের সাদা অংশ পাতলা ও জলীয় হয়ে যায়, আর কুসুমও অপেক্ষাকৃত চ্যাপ্টা দেখায়। নষ্ট ডিম শনাক্ত করার সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য উপায় হলো গন্ধ। ডিম ভাঙার সঙ্গে সঙ্গে যদি তীব্র পচা বা সালফারের মতো দুর্গন্ধ বের হয়, তাহলে সেটি কোনোভাবেই খাওয়া উচিত নয়; সঙ্গে সঙ্গে ফেলে দিতে হবে।
ডিমের গুণগত মান বজায় রাখতে সব সময় ফ্রিজে সংরক্ষণ করা উচিত। সম্ভব হলে মূল কার্টনের মধ্যেই ডিম রাখলে তা দীর্ঘ সময় ভালো থাকে এবং বাইরের গন্ধ বা আর্দ্রতার প্রভাব থেকেও সুরক্ষিত থাকে।

গরুর মাংস কতটুকু খাবেন


