লেবানন-ইসরায়েল যুদ্ধবিরতি: ইরান চুক্তিতে অগ্রগতির আশা

লেবানন-ইসরায়েল যুদ্ধবিরতি: ইরান চুক্তিতে অগ্রগতির আশা
সিটিজেন ডেস্ক

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা প্রশমনের লক্ষ্যে মার্কিন মধ্যস্থতায় ইসরায়েল ও লেবানন একটি নতুন যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে সম্মত হয়েছে বলে ঘোষণা করেছে ট্রাম্প প্রশাসন। এ কূটনৈতিক অগ্রগতি ইরানের সাথে চলমান বৃহত্তর মার্কিন-ইসরায়েল যুদ্ধ অবসানের ক্ষেত্রে এক নতুন আশার আলো দেখাচ্ছে। কারণ তেহরান আগে থেকেই ওয়াশিংটনের সাথে যেকোনো শান্তি চুক্তির প্রধান শর্ত হিসেবে লেবাননে যুদ্ধ বন্ধের দাবি জানিয়ে আসছিল।
লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউন বৃহস্পতিবার (৪ জুন) নিশ্চিত করেছেন, সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের চূড়ান্ত অনুমোদনের ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই এ যুদ্ধবিরতি কার্যকর হবে। যদিও এ চুক্তির বিষয়ে হিজবুল্লাহর পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। অপরদিকে, যুদ্ধবিরতির স্থায়িত্ব নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ। তিনি বৃহস্পতিবার জানিয়েছেন, তাদের সেনাবাহিনী আপাতত দক্ষিণ লেবানন থেকে পিছু হটবে না এবং সেখানে সামরিক অভিযান অব্যাহত রাখবে।
সম্প্রতি দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ৬ জন নিহত হন এবং বুধবার (৩ জুন) পারস্য উপসাগরীয় এলাকায় মার্কিন ও ইরানি বাহিনীর মধ্যে তীব্র পাল্টাপাল্টি হামলার ঘটনা ঘটে। এপ্রিলের শুরুতে একটি সাময়িক যুদ্ধবিরতির পর এটিই ছিল সবচেয়ে তীব্র লড়াই। এ সংঘাতের সময় ইরানি বাহিনী কুয়েতের বিমানবন্দরে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ও বেশ কয়েকজনকে আহত করে। এর জবাবে মার্কিন সামরিক বাহিনী বিশ্ব জ্বালানি সরবরাহের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পথ হরমুজ প্রণালির কাছে পাল্টা হামলা চালায়। উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার পর থেকে বিগত তিন মাসেরও বেশি সময় ধরে বিশ্বের এক-পঞ্চমাংশ তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস সরবরাহের পথটি কার্যত বন্ধ রয়েছে।
লেবানন যুদ্ধবিরতির এই খবর আন্তর্জাতিক বাজারে ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে, যার ফলে বৃহস্পতিবার বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম কিছুটা কমেছে। অভ্যন্তরীণ বাজারে তেলের দাম কমানোর জন্য তীব্র চাপে থাকা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইঙ্গিত দিয়েছেন, এ সপ্তাহের শেষে ইরানের সঙ্গে চলমান আলোচনায় বড় ধরনের কোনো অগ্রগতি আসতে পারে। বুধবার (৩ জুন) ওভাল অফিসে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ট্রাম্প বলেন, যদি ইতিবাচক কিছু ঘটে, তবে তা এ সপ্তাহের শেষে ঘটতে পারে। যদিও নির্দিষ্ট করে কী ঘটতে যাচ্ছে, সে বিষয়ে তিনি বিস্তারিত কিছু বলেননি।
সূত্র: রয়টার্স

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা প্রশমনের লক্ষ্যে মার্কিন মধ্যস্থতায় ইসরায়েল ও লেবানন একটি নতুন যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে সম্মত হয়েছে বলে ঘোষণা করেছে ট্রাম্প প্রশাসন। এ কূটনৈতিক অগ্রগতি ইরানের সাথে চলমান বৃহত্তর মার্কিন-ইসরায়েল যুদ্ধ অবসানের ক্ষেত্রে এক নতুন আশার আলো দেখাচ্ছে। কারণ তেহরান আগে থেকেই ওয়াশিংটনের সাথে যেকোনো শান্তি চুক্তির প্রধান শর্ত হিসেবে লেবাননে যুদ্ধ বন্ধের দাবি জানিয়ে আসছিল।
লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউন বৃহস্পতিবার (৪ জুন) নিশ্চিত করেছেন, সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের চূড়ান্ত অনুমোদনের ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই এ যুদ্ধবিরতি কার্যকর হবে। যদিও এ চুক্তির বিষয়ে হিজবুল্লাহর পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। অপরদিকে, যুদ্ধবিরতির স্থায়িত্ব নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ। তিনি বৃহস্পতিবার জানিয়েছেন, তাদের সেনাবাহিনী আপাতত দক্ষিণ লেবানন থেকে পিছু হটবে না এবং সেখানে সামরিক অভিযান অব্যাহত রাখবে।
সম্প্রতি দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ৬ জন নিহত হন এবং বুধবার (৩ জুন) পারস্য উপসাগরীয় এলাকায় মার্কিন ও ইরানি বাহিনীর মধ্যে তীব্র পাল্টাপাল্টি হামলার ঘটনা ঘটে। এপ্রিলের শুরুতে একটি সাময়িক যুদ্ধবিরতির পর এটিই ছিল সবচেয়ে তীব্র লড়াই। এ সংঘাতের সময় ইরানি বাহিনী কুয়েতের বিমানবন্দরে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ও বেশ কয়েকজনকে আহত করে। এর জবাবে মার্কিন সামরিক বাহিনী বিশ্ব জ্বালানি সরবরাহের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পথ হরমুজ প্রণালির কাছে পাল্টা হামলা চালায়। উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার পর থেকে বিগত তিন মাসেরও বেশি সময় ধরে বিশ্বের এক-পঞ্চমাংশ তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস সরবরাহের পথটি কার্যত বন্ধ রয়েছে।
লেবানন যুদ্ধবিরতির এই খবর আন্তর্জাতিক বাজারে ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে, যার ফলে বৃহস্পতিবার বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম কিছুটা কমেছে। অভ্যন্তরীণ বাজারে তেলের দাম কমানোর জন্য তীব্র চাপে থাকা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইঙ্গিত দিয়েছেন, এ সপ্তাহের শেষে ইরানের সঙ্গে চলমান আলোচনায় বড় ধরনের কোনো অগ্রগতি আসতে পারে। বুধবার (৩ জুন) ওভাল অফিসে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ট্রাম্প বলেন, যদি ইতিবাচক কিছু ঘটে, তবে তা এ সপ্তাহের শেষে ঘটতে পারে। যদিও নির্দিষ্ট করে কী ঘটতে যাচ্ছে, সে বিষয়ে তিনি বিস্তারিত কিছু বলেননি।
সূত্র: রয়টার্স

লেবানন-ইসরায়েল যুদ্ধবিরতি: ইরান চুক্তিতে অগ্রগতির আশা
সিটিজেন ডেস্ক

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা প্রশমনের লক্ষ্যে মার্কিন মধ্যস্থতায় ইসরায়েল ও লেবানন একটি নতুন যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে সম্মত হয়েছে বলে ঘোষণা করেছে ট্রাম্প প্রশাসন। এ কূটনৈতিক অগ্রগতি ইরানের সাথে চলমান বৃহত্তর মার্কিন-ইসরায়েল যুদ্ধ অবসানের ক্ষেত্রে এক নতুন আশার আলো দেখাচ্ছে। কারণ তেহরান আগে থেকেই ওয়াশিংটনের সাথে যেকোনো শান্তি চুক্তির প্রধান শর্ত হিসেবে লেবাননে যুদ্ধ বন্ধের দাবি জানিয়ে আসছিল।
লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউন বৃহস্পতিবার (৪ জুন) নিশ্চিত করেছেন, সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের চূড়ান্ত অনুমোদনের ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই এ যুদ্ধবিরতি কার্যকর হবে। যদিও এ চুক্তির বিষয়ে হিজবুল্লাহর পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। অপরদিকে, যুদ্ধবিরতির স্থায়িত্ব নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ। তিনি বৃহস্পতিবার জানিয়েছেন, তাদের সেনাবাহিনী আপাতত দক্ষিণ লেবানন থেকে পিছু হটবে না এবং সেখানে সামরিক অভিযান অব্যাহত রাখবে।
সম্প্রতি দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ৬ জন নিহত হন এবং বুধবার (৩ জুন) পারস্য উপসাগরীয় এলাকায় মার্কিন ও ইরানি বাহিনীর মধ্যে তীব্র পাল্টাপাল্টি হামলার ঘটনা ঘটে। এপ্রিলের শুরুতে একটি সাময়িক যুদ্ধবিরতির পর এটিই ছিল সবচেয়ে তীব্র লড়াই। এ সংঘাতের সময় ইরানি বাহিনী কুয়েতের বিমানবন্দরে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ও বেশ কয়েকজনকে আহত করে। এর জবাবে মার্কিন সামরিক বাহিনী বিশ্ব জ্বালানি সরবরাহের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পথ হরমুজ প্রণালির কাছে পাল্টা হামলা চালায়। উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার পর থেকে বিগত তিন মাসেরও বেশি সময় ধরে বিশ্বের এক-পঞ্চমাংশ তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস সরবরাহের পথটি কার্যত বন্ধ রয়েছে।
লেবানন যুদ্ধবিরতির এই খবর আন্তর্জাতিক বাজারে ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে, যার ফলে বৃহস্পতিবার বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম কিছুটা কমেছে। অভ্যন্তরীণ বাজারে তেলের দাম কমানোর জন্য তীব্র চাপে থাকা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইঙ্গিত দিয়েছেন, এ সপ্তাহের শেষে ইরানের সঙ্গে চলমান আলোচনায় বড় ধরনের কোনো অগ্রগতি আসতে পারে। বুধবার (৩ জুন) ওভাল অফিসে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ট্রাম্প বলেন, যদি ইতিবাচক কিছু ঘটে, তবে তা এ সপ্তাহের শেষে ঘটতে পারে। যদিও নির্দিষ্ট করে কী ঘটতে যাচ্ছে, সে বিষয়ে তিনি বিস্তারিত কিছু বলেননি।
সূত্র: রয়টার্স

ইরানে সামরিক অভিযান শেষ: মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী


